ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম, রাশিয়া থেকে সরবরাহ বৃদ্ধির সম্ভাবনা


বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম, রাশিয়া থেকে সরবরাহ বৃদ্ধির সম্ভাবনা

রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ বৃদ্ধির সম্ভাবনা আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর দিকে পরিচালিত করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইউক্রেন ও রাশিয়া পরস্পরের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে। তার এই মন্তব্যের পর তেলের সরবরাহ বৃদ্ধির প্রত্যাশায় বিশ্ববাজারে দাম কমতে শুরু করে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সোমবার (১২ অক্টোবর) গ্রিনিচ মান সময় রাত ১২টা ৩৭ মিনিটে ব্রেন্ট ক্রুডের ফিউচারসের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ ডলার ৩৭ সেন্ট বা ১ দশমিক ৩১ শতাংশ কমে ১০৩ ডলার ৩৫ সেন্টে নেমে আসে।

একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অপরিশোধিত তেলের মানদণ্ড ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দামও কমেছে। তেলটির ফিউচারসের দর ব্যারেলপ্রতি ১ ডলার ৩০ সেন্ট বা ১ দশমিক ৪২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৯০ ডলার ৫৫ সেন্টে।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বন্ধের সমঝোতার খবর নতুন প্রত্যাশা তৈরি করেছে তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে। হামলা বন্ধ হলে রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর চাপ কমে যেতে পারে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের প্রাপ্যতা বাড়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে, যা দামের ওপর নিম্নমুখী চাপ সৃষ্টি করেছে।

রাশিয়া বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি উৎপাদক ও রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে পরিচিত। দেশটি থেকে সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের প্রাপ্যতা বাড়তে পারে। সাধারণত সরবরাহ বৃদ্ধির প্রত্যাশা তেলের দাম কমাতে সহায়তা করে।

তবে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ এখনও বিদ্যমান। এই সংঘাতের ফলে সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে দাম কমলেও আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দর ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে রয়েছে।

এদিকে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধের বিষয়ে সমঝোতার বাস্তব প্রভাব এখনও স্পষ্ট নয়। সরবরাহ স্বাভাবিক হতে কতটা সময় লাগবে এবং সমঝোতা কতটা কার্যকর হবে, তার ওপর নির্ভর করে বিশ্ববাজারে তেলের দামের পরবর্তী গতিপথ।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান আতঙ্ক, তিন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ ১২ অক্টোবর পালিত হচ্ছে বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১২ পি.এম


আজ ১২ অক্টোবর পালিত হচ্ছে বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস

আজ ১২ অক্টোবর বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস পালিত হচ্ছে, যা আর্থ্রাইটিস বা বাতজনিত রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ এবং যথাযথ চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরার উদ্দেশ্যে। বিশ্বব্যাপী এই দিবসের মাধ্যমে বাতজনিত ও পেশি-হাড়ের রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সমস্যা, চিকিৎসা এবং জীবনমান উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে।

ইউরোপিয়ান অ্যালায়েন্স অব অ্যাসোসিয়েশনস ফর রিউমাটোলজি (ইউলার) এর তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালে বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবসের সূচনা হয়। এই দিবসের অন্যতম লক্ষ্য হলো, বাতজনিত ও পেশি-হাড়ের রোগ মানুষের দৈনন্দিন জীবন, কর্মক্ষমতা এবং সামাজিক অংশগ্রহণে যে প্রভাব ফেলে, সে সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা।

আর্থ্রাইটিস মূলত অস্থিসন্ধির প্রদাহ এবং এ-সম্পর্কিত বিভিন্ন রোগকে বোঝায়। এসব রোগের ফলে জয়েন্টে ব্যথা, ফোলা, শক্তভাব এবং স্বাভাবিক নড়াচড়ায় অসুবিধা হতে পারে। বিশেষ করে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর অনেকের জয়েন্টে শক্তভাব বেশি অনুভূত হয়।

রোগের ধরন অনুযায়ী আর্থ্রাইটিসের লক্ষণ ও জটিলতা ভিন্ন হতে পারে। এই রোগটি শুধু বয়স্কদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; শিশু-কিশোর ও তরুণদেরও নির্দিষ্ট কিছু ধরনের আর্থ্রাইটিস হতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে কিছু ক্ষেত্রে জয়েন্টের স্থায়ী ক্ষতি এবং দৈনন্দিন কাজকর্মে সীমাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জয়েন্টে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা, ফোলা কিংবা শক্তভাব দেখা দিলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত হলে উপযুক্ত চিকিৎসা ও নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ, জয়েন্টের ক্ষতি কমানো এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন বজায় রাখা সম্ভব।

রোগের ধরন ও রোগীর শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় ওষুধ, নিয়মিত শরীরচর্চা, ফিজিওথেরাপি এবং জীবনযাত্রায় পরিবর্তন চিকিৎসার অংশ হতে পারে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা এবং চিকিৎসকের নির্দেশনা মেনে চলাও গুরুত্বপূর্ণ। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যথানাশক ওষুধ সেবন কিংবা নির্ধারিত চিকিৎসা বন্ধ করা উচিত নয়।

বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবসের মূল লক্ষ্য হলো, জয়েন্টের ব্যথাকে বয়সজনিত স্বাভাবিক সমস্যা ভেবে উপেক্ষা না করা এবং রোগ সম্পর্কে সঠিক তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। সচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ ও যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে আর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সম্ভব।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের বাজারে সোনার বর্তমান দাম নির্ধারণ করলো বাজুস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১২ পি.এম


দেশের বাজারে সোনার বর্তমান দাম নির্ধারণ করলো বাজুস

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশের বাজারে সোনার দাম নির্ধারণ করে। সেই অনুযায়ী, সোমবার (১২ অক্টোবর) দেশের বাজারে সর্বশেষ নির্ধারিত দামেই সোনা ও রুপা বিক্রি হচ্ছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বাজুস দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। এই ঘোষণায় সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরিতে দাম বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা।

বাজুসের নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরির দাম ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে এই মানের সোনার প্রতি ভরির দাম ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।

এছাড়াও, ২১ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা। ১৮ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা।

যদিও সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে, তবে দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরির দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা। ২১ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি ৪ হাজার ১৪১ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা।

সনাতন পদ্ধতির রুপার প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৬৮৩ টাকা। বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। সোনা ও রুপার অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।

এছাড়াও, মজুরি ও পাথরের দাম বাদ দিয়ে পুরোনো অলংকার বিনিময়ের (এক্সচেঞ্জ) ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পুরোনো সোনা কেনার (পারচেজ) ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাষ্ট্রপতি: সেবার মান বাড়ালে বিদেশে চিকিৎসার প্রবণতা কমবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৩ পি.এম


রাষ্ট্রপতি: সেবার মান বাড়ালে বিদেশে চিকিৎসার প্রবণতা কমবে

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন যে, দেশে একটি বিশ্বমানের চিকিৎসাব্যবস্থা বিদ্যমান। তিনি উল্লেখ করেন, যদি সেবার মান আরও উন্নত করা যায়, তাহলে চিকিৎসার জন্য রোগীদের বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।

রোববার (১১ অক্টোবর) হেপাটোলজি সোসাইটি ঢাকা, বাংলাদেশের সভাপতি ও বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের হেপাটোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলমের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, পেশাজীবীদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে থেকে তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করা উচিত, যাতে তারা নিজেদের দায়িত্ব আরও ভালোভাবে পালন করতে সক্ষম হন।

সাক্ষাৎকালে অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম রাষ্ট্রপতিকে জানান, বর্তমানে দেশে লিভার ট্রান্সপ্লান্টের চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ডায়াবেটিস, খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তনের কারণে দেশে ফ্যাটি লিভারের রোগীর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। একইসঙ্গে, হেপাটাইটিস-বি রোগীর সংখ্যাও ক্রমাগত বাড়ছে।

এ সময় অধ্যাপক শাহিনুল আলম রাষ্ট্রপতিকে আসন্ন এশিয়ান প্যাসিফিক অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য স্টাডি অব দ্য লিভার (এপাসল) সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব এবং হেপাটোলজি সোসাইটি ঢাকা বাংলাদেশের সদস্য লিভার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় পর্যায়ে ১৮ দিবসসহ অন্যান্য দিবস পালনে সরকারের নতুন নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৩ পি.এম


জাতীয় পর্যায়ে ১৮ দিবসসহ অন্যান্য দিবস পালনে সরকারের নতুন নির্দেশনা

সরকার বছরব্যাপী বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন করে। এসব দিবসের গুরুত্বের ভিত্তিতে নতুন নির্দেশনা জারি করে পরিপত্র প্রকাশ করা হয়েছে।

পরিপত্রে জাতীয় পর্যায়ে ১৮টি দিবস ও উৎসব, ঐতিহ্যগত ও সামাজিক গুরুত্বসম্পন্ন ৩৯টি দিবস এবং বিশেষ খাতের প্রতীকী ৩৫টি দিবস পালনের নির্দেশনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আজ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই পরিপত্রটি প্রকাশ করা হয়। এতে দিবসগুলো উদযাপন ও পালনের পদ্ধতি, সরকারি বরাদ্দ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, জাতীয় পর্যায়ে ১৮টি দিবস ও উৎসব পালন করা হবে। পাশাপাশি ঐতিহ্যগতভাবে বা পরিবেশ সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও সামাজিক উদ্বুদ্ধকরণে সহায়ক ৩৯টি দিবস উদযাপন করা হবে। এসব অনুষ্ঠানে মন্ত্রীরা অংশগ্রহণ করবেন। অনুষ্ঠানের গুরুত্ব বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। সরকারি উৎস থেকে এসব অনুষ্ঠানের জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হতে পারে।

অন্যদিকে, বিশেষ খাতের জন্য ৩৫টি প্রতীকী দিবস সীমিত পরিসরে উদযাপন করা হবে। এসব অনুষ্ঠানে মন্ত্রীদের উপস্থিতি বিবেচনা করা হবে। তবে উন্নয়ন খাত থেকে এসব দিবস পালনের জন্য বিশেষ বরাদ্দ থাকবে না।

নতুন পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্ধারিত তিন ধরনের দিবসের বাইরে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর আরো কিছু গতানুগতিক দিবস পালন করে থাকে। কিছু দিবস পুনরাবৃত্তিমূলক এবং বর্তমানে তেমন গুরুত্ব বহন করে না। সরকারের সময় ও সম্পদ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকারি সংস্থাগুলো এ ধরনের দিবস পালনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা পরিহার করতে পারে।

এছাড়া শিক্ষা সপ্তাহ, প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ, বিজ্ঞান সপ্তাহ, বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ (১ থেকে ৭ আগস্ট), বিশ্ব শিশু সপ্তাহ (২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর), জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ, পুলিশ সপ্তাহ, বিজিবি সপ্তাহ, আনসার সপ্তাহ, মৎস্য পক্ষ, বৃক্ষরোপণ অভিযান ও জাতীয় ক্রীড়া সপ্তাহ পালনের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা নিয়ে কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে।

পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, সশস্ত্র বাহিনী দিবস (২১ নভেম্বর) পালনের জন্যও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা নিয়ে কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। অনুমোদিত কর্মসূচি অনুযায়ী এসব অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে।

তবে পরিপত্রে জাতীয় পর্যায়ের দিবসগুলো ছাড়া সাধারণভাবে দিবস পালনের ক্ষেত্রে বেশকিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো, সাজসজ্জা ও বড় ধরনের বিচিত্রানুষ্ঠান যতটা সম্ভব পরিহার করতে হবে। তবে রেডিও ও টেলিভিশনে আলোচনা এবং সীমিত আকারে সেমিনার বা সিম্পোজিয়াম আয়োজন করা যাবে। কর্মদিবসে সমাবেশ বা শোভাযাত্রা পরিহার করতে হবে।

কোনো সপ্তাহ পালনের ক্ষেত্রে অনুষ্ঠানসূচি সাধারণভাবে তিন দিনের মধ্যে সীমিত থাকবে।

সরকারি কর্মসূচি যাতে অফিসের কর্মকাণ্ডে ব্যাঘাত না ঘটায়, তা নিশ্চিত করতে হবে এবং আলোচনা বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছুটির দিনে অথবা অফিস সময়ের পরে আয়োজনের চেষ্টা করতে হবে।

নগদ কিংবা উপকরণ আকারে অর্থ বা সম্পদ ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না এমন সাধারণ ইভেন্টগুলো ছুটির দিনে কিংবা কার্যদিবসে আয়োজন করা যাবে। যেমন, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী প্রচার, পতাকা উত্তোলন (যেখানে প্রযোজ্য), ঘরোয়া আলোচনা সভা, রেডিও ও টেলিভিশনে আলোচনা, পত্রিকায় সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রদান ইত্যাদি।

কোনো দিবস বা সপ্তাহ পালনের জন্য রাজধানীর বাইরে থেকে বা জেলা পর্যায় থেকে কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের ঢাকায় আনা যতটা সম্ভব পরিহার করা হবে।

সরকারি ব্যয় সাশ্রয়ের ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে মন্ত্রণালয় বা বিভাগগুলো স্ব স্ব অধিক্ষেত্রে সমধর্মী জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসসমূহ পালনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপনকে প্রাধান্য দিয়ে এরূপ দিবসসমূহ একই তারিখে একত্রে পালন করা আবশ্যক। মন্ত্রণালয় বা বিভাগসমূহ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে এ বিষয়ক সারসংক্ষেপ মন্ত্রিসভা-বৈঠকে উপস্থাপনের লক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রেরণ করবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%