ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জাতীয় পর্যায়ে ১৮ দিবসসহ অন্যান্য দিবস পালনে সরকারের নতুন নির্দেশনা


জাতীয় পর্যায়ে ১৮ দিবসসহ অন্যান্য দিবস পালনে সরকারের নতুন নির্দেশনা

সরকার বছরব্যাপী বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন করে। এসব দিবসের গুরুত্বের ভিত্তিতে নতুন নির্দেশনা জারি করে পরিপত্র প্রকাশ করা হয়েছে।

পরিপত্রে জাতীয় পর্যায়ে ১৮টি দিবস ও উৎসব, ঐতিহ্যগত ও সামাজিক গুরুত্বসম্পন্ন ৩৯টি দিবস এবং বিশেষ খাতের প্রতীকী ৩৫টি দিবস পালনের নির্দেশনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আজ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই পরিপত্রটি প্রকাশ করা হয়। এতে দিবসগুলো উদযাপন ও পালনের পদ্ধতি, সরকারি বরাদ্দ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

নির্দেশনা অনুযায়ী, জাতীয় পর্যায়ে ১৮টি দিবস ও উৎসব পালন করা হবে। পাশাপাশি ঐতিহ্যগতভাবে বা পরিবেশ সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও সামাজিক উদ্বুদ্ধকরণে সহায়ক ৩৯টি দিবস উদযাপন করা হবে। এসব অনুষ্ঠানে মন্ত্রীরা অংশগ্রহণ করবেন। অনুষ্ঠানের গুরুত্ব বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। সরকারি উৎস থেকে এসব অনুষ্ঠানের জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হতে পারে।

অন্যদিকে, বিশেষ খাতের জন্য ৩৫টি প্রতীকী দিবস সীমিত পরিসরে উদযাপন করা হবে। এসব অনুষ্ঠানে মন্ত্রীদের উপস্থিতি বিবেচনা করা হবে। তবে উন্নয়ন খাত থেকে এসব দিবস পালনের জন্য বিশেষ বরাদ্দ থাকবে না।

নতুন পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্ধারিত তিন ধরনের দিবসের বাইরে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর আরো কিছু গতানুগতিক দিবস পালন করে থাকে। কিছু দিবস পুনরাবৃত্তিমূলক এবং বর্তমানে তেমন গুরুত্ব বহন করে না। সরকারের সময় ও সম্পদ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকারি সংস্থাগুলো এ ধরনের দিবস পালনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা পরিহার করতে পারে।

এছাড়া শিক্ষা সপ্তাহ, প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ, বিজ্ঞান সপ্তাহ, বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ (১ থেকে ৭ আগস্ট), বিশ্ব শিশু সপ্তাহ (২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর), জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ, পুলিশ সপ্তাহ, বিজিবি সপ্তাহ, আনসার সপ্তাহ, মৎস্য পক্ষ, বৃক্ষরোপণ অভিযান ও জাতীয় ক্রীড়া সপ্তাহ পালনের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা নিয়ে কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, সশস্ত্র বাহিনী দিবস (২১ নভেম্বর) পালনের জন্যও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা নিয়ে কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। অনুমোদিত কর্মসূচি অনুযায়ী এসব অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে।

তবে পরিপত্রে জাতীয় পর্যায়ের দিবসগুলো ছাড়া সাধারণভাবে দিবস পালনের ক্ষেত্রে বেশকিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো, সাজসজ্জা ও বড় ধরনের বিচিত্রানুষ্ঠান যতটা সম্ভব পরিহার করতে হবে। তবে রেডিও ও টেলিভিশনে আলোচনা এবং সীমিত আকারে সেমিনার বা সিম্পোজিয়াম আয়োজন করা যাবে। কর্মদিবসে সমাবেশ বা শোভাযাত্রা পরিহার করতে হবে।

কোনো সপ্তাহ পালনের ক্ষেত্রে অনুষ্ঠানসূচি সাধারণভাবে তিন দিনের মধ্যে সীমিত থাকবে।

সরকারি কর্মসূচি যাতে অফিসের কর্মকাণ্ডে ব্যাঘাত না ঘটায়, তা নিশ্চিত করতে হবে এবং আলোচনা বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছুটির দিনে অথবা অফিস সময়ের পরে আয়োজনের চেষ্টা করতে হবে।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

নগদ কিংবা উপকরণ আকারে অর্থ বা সম্পদ ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না এমন সাধারণ ইভেন্টগুলো ছুটির দিনে কিংবা কার্যদিবসে আয়োজন করা যাবে। যেমন, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী প্রচার, পতাকা উত্তোলন (যেখানে প্রযোজ্য), ঘরোয়া আলোচনা সভা, রেডিও ও টেলিভিশনে আলোচনা, পত্রিকায় সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রদান ইত্যাদি।

কোনো দিবস বা সপ্তাহ পালনের জন্য রাজধানীর বাইরে থেকে বা জেলা পর্যায় থেকে কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের ঢাকায় আনা যতটা সম্ভব পরিহার করা হবে।

সরকারি ব্যয় সাশ্রয়ের ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে মন্ত্রণালয় বা বিভাগগুলো স্ব স্ব অধিক্ষেত্রে সমধর্মী জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসসমূহ পালনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপনকে প্রাধান্য দিয়ে এরূপ দিবসসমূহ একই তারিখে একত্রে পালন করা আবশ্যক। মন্ত্রণালয় বা বিভাগসমূহ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে এ বিষয়ক সারসংক্ষেপ মন্ত্রিসভা-বৈঠকে উপস্থাপনের লক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রেরণ করবে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গাপূজায় ২০-২২ অক্টোবর ব্যাংক বন্ধ, ১৭ অক্টোবর খোলা থাকবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৩ পি.এম


দুর্গাপূজায় ২০-২২ অক্টোবর ব্যাংক বন্ধ, ১৭ অক্টোবর খোলা থাকবে

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের সব তফশিলি ব্যাংকে টানা তিন দিন ছুটি থাকবে। তবে ব্যাংকগুলো ১৭ অক্টোবর শনিবার স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী খোলা থাকবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সচল রাখতে সমুদ্রবন্দর, স্থলবন্দর ও বিমানবন্দর এলাকার ব্যাংক শাখা ও বুথগুলোকে সীমিত পরিসরে কার্যক্রম চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভিশন ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি) এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ৭ অক্টোবর জারি করা প্রজ্ঞাপনের আলোকে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২০, ২১ ও ২২ অক্টোবর সরকারি ছুটি থাকবে। এই কারণে ওই তিন দিন দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে ব্যাংকগুলো ১৭ অক্টোবর শনিবার স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী খোলা থাকবে।

এছাড়া সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর এলাকায় (পোর্ট ও কাস্টমস এলাকা) অবস্থিত ব্যাংকের শাখা ও উপশাখাগুলো সপ্তাহে সাত দিন ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের আগের নির্দেশনা বহাল থাকবে। তবে আগামী ২০ হতে ২২ অক্টোবর সরকারি ছুটির দিন এবং আগামী ২৩ ও ২৪ অক্টোবর (শুক্রবার ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটির দিনে এসব শাখা ও উপশাখায় আমদানি-রফতানি সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সীমিত আকারে চালু রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন এবং বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কন্যাশিশুর শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের কর্মপরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৪ পি.এম


কন্যাশিশুর শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের কর্মপরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, কন্যাশিশুর শিক্ষা, নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার একটি সুস্পষ্ট নীতি ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, "কোনো মেয়ের স্বপ্ন যেন অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা, নিরাপত্তাহীনতা বা বৈষম্যের কারণে থেমে না যায়, সরকার তা নিশ্চিত করতে চায়।" বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার হলো, প্রতিটি কন্যাশিশু যেন শিক্ষা, দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাসে সমৃদ্ধ হয়ে নিজের সম্ভাবনা বিকাশের সমান সুযোগ পায়।

জাতীয় কন্যাশিশু দিবস ২০২৬ উপলক্ষে রোববার (১১ অক্টোবর) দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সোমবার (১২ অক্টোবর) দিবসটি পালিত হবে। এবারের দিবসটির প্রতিপাদ্য হলো—‘শিশু বিয়ে আর নয়, কন্যা করবে বিশ্বজয়’।

তিনি বলেন, "প্রতিটি মেয়ের নিরাপদে বেড়ে ওঠা এবং স্বাধীনভাবে তার স্বপ্ন ও সম্ভাবনা বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের কর্তব্য।" বর্তমান সরকার এই দায়িত্ব পালনে বদ্ধপরিকর। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, "আজকের কন্যাশিশুরাই আগামী দিনের বাংলাদেশের নির্মাতা।" তাদের মেধা, সৃজনশীলতা ও স্বপ্ন বিকাশের সুযোগ দেওয়া গেলে, তারা আরও জ্ঞানভিত্তিক, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।

তারেক রহমান বলেন, "জাতীয় কন্যাশিশু দিবসে প্রতিটি কন্যাশিশুর অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় আরও দৃঢ় অঙ্গীকার করতে হবে।" বাল্যবিবাহ এবং সব ধরনের বৈষম্যের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি জোর দেন। কন্যাশিশুদের স্বাধীন ও নিরাপদে বেড়ে ওঠার জন্য শিক্ষার সুযোগ বিস্তৃত করা এবং তাদের জ্ঞান, দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাসে সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলার গুরুত্ব তিনি তুলে ধরেন।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া নারীদের জন্য দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বিনা বেতনে শিক্ষার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। বর্তমান সরকারও নারীদের জন্য বিনা বেতনে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত পড়ালেখার সুযোগ অবারিত করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার এমন একটি রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণে নিরলসভাবে কাজ করছে, যেখানে একটি মেয়ের জন্ম পরিবারের জন্য আশীর্বাদ হয়ে উঠবে এবং কোনো কারণে তার লেখাপড়া বন্ধ হবে না। প্রতিটি মেয়ে যেন নিজের পছন্দ ও সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। আজকের একটি শিশুকন্যাকে উপযুক্ত শিক্ষা, স্নেহ, অধিকার ও সুযোগ দিয়ে গড়ে তোলার মাধ্যমে আগামী দিনের সুস্থ, শিক্ষিত ও উন্নত সমাজ নির্মাণ সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, নারীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের সঙ্গে কন্যাশিশুর নিরাপদে বেড়ে ওঠার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার জন্য প্রতিটি পরিবারের নারীপ্রধানের নামে ফ্যামিলি কার্ড ইস্যু করা হচ্ছে। কন্যাশিশু ও নারীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও সামাজিক সুরক্ষায় বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নের কাজও শুরু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এসব উদ্যোগ কন্যাশিশুর শিক্ষা, দক্ষতা ও আত্মনির্ভরতার পথ সুগম করবে। সরকার এমন নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে চায়, যেখানে প্রতিটি মেয়ে নির্ভয়ে চলতে, শিখতে, কথা বলতে ও মত প্রকাশ করতে পারে। বাস্তব ও ডিজিটাল-উভয় পরিসরে তাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে সম্মিলিতভাবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, কন্যাশিশুর নিরাপদে বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি সমাজ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং বিশেষ করে পরিবারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

তারেক রহমান বলেন, "কন্যাশিশুর স্বপ্নকে শক্তিতে, শিক্ষাকে সক্ষমতায় এবং সম্ভাবনাকে সাফল্যে রূপ দেওয়ার মধ্য দিয়েই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।" কন্যাশিশুর জন্য নিরাপদ, সমান ও সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করাই হোক সবার অঙ্গীকার।

প্রধানমন্ত্রী জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের সব কন্যাশিশু, তাদের অভিভাবক ও দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসি ঘোষণা করলেন ভবিষ্যৎ ফুটবলের ১০ প্রতিভাবান তারকার নাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৪ পি.এম


মেসি ঘোষণা করলেন ভবিষ্যৎ ফুটবলের ১০ প্রতিভাবান তারকার নাম

আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি ফুটবলের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সম্ভাবনাময় ১০ তরুণ খেলোয়াড়কে সামনে এনেছেন। অ্যাডিডাসের ‘মেসি +১০’ প্রচারণার তৃতীয় মৌসুমে বিভিন্ন দেশের এই উদীয়মান ফুটবলারদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তালিকায় ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েদের ফুটবলের তিন প্রতিভাও স্থান পেয়েছে।

ফুটবলবিষয়ক সংবাদমাধ্যম গোল ডটকমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নতুন প্রজন্মের ফুটবলারদের প্রতিভা ও সম্ভাবনাকে তুলে ধরার উদ্দেশ্যে অ্যাডিডাস এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আর্জেন্টিনা, জার্মানি, মেক্সিকো, ইংল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, নেদারল্যান্ডস ও ব্রাজিলের তরুণ খেলোয়াড়েরা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

মেসির নির্বাচিত তালিকায় আর্জেন্টাইন ক্লাব বোকা জুনিয়র্সের তরুণ প্লেমেকার তোমাস আরান্দা রয়েছেন। কারিগরি দক্ষতা ও সৃজনশীল ফুটবলের জন্য আলোচনায় থাকা এই তরুণের প্রতিভা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের কোচ লিওনেল স্কালোনির দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। বিশ্বকাপের আগে প্রীতি ম্যাচের সফরের দলে তাকে রেখেছিলেন আর্জেন্টাইন কোচ।

তবে, চোটের কারণে আপাতত মাঠের বাইরে রয়েছেন আরান্দা। ডান পায়ের ফিবুলার হাড় ভেঙে যাওয়ার কারণে তিনি পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। এমন অবস্থায় মেসির নির্বাচিত তালিকায় স্থান পাওয়া তার জন্য বিশেষ স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

তালিকায় আরও অন্তর্ভুক্ত আছেন জার্মান ক্লাব আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্টের তুর্কি ফুটবলার জান উজুন, মেক্সিকোর তিহুয়ানার গিলবার্তো মোরা এবং ইংলিশ ক্লাব আর্সেনালের তরুণ ম্যাক্স ডাউম্যান। গিলবার্তো মোরাকে ঘিরে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলোর আগ্রহের কথাও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার নামও এ ক্ষেত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

ছেলেদের ফুটবলের পাশাপাশি মেয়েদের ফুটবলের উদীয়মান প্রতিভাদের গুরুত্বও এই প্রচারণায় দেওয়া হয়েছে। তালিকায় রয়েছেন ইংল্যান্ডের চেলসির ক্লোয়ি সারউই, ব্রাজিলের ওএল লিওঁর জিওভান্না ওয়াকসম্যান এবং জার্মানির হামবুর্গার এসভির লোটা ভ্রেডে।

মেসির বাছাই করা বাকি তিন ফুটবলার হলেন যুক্তরাষ্ট্রের জেভিয়ার গোজো, স্পেনের হেসুস রদ্রিগেজ এবং নেদারল্যান্ডসের কেস স্মিট।

মেসির বাছাই করা ১০ তরুণ ফুটবলার

১. টমাস আরান্দা-আর্জেন্টিনা, বোকা জুনিয়র্স

২. জান উজুন-তুরস্ক, আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট

৩. গিলবার্তো মোরা-মেক্সিকো, তিহুয়ানা

৪. ম্যাক্স ডাউম্যান-ইংল্যান্ড, আর্সেনাল

৫. জেভিয়ার গোজো-যুক্তরাষ্ট্র, ক্রিস্টাল প্যালেস

৬. হেসুস রদ্রিগেজ-স্পেন, কোমো ১৯০৭

৭. কেস স্মিট-নেদারল্যান্ডস, এজেড আলকমার

৮. ক্লোয়ি সারউই-ইংল্যান্ড, চেলসি

৯. জিওভান্না ওয়াকসম্যান-ব্রাজিল, ওএল লিওঁ

১০. লোটা ভ্রেডে-জার্মানি, হামবুর্গার এসভি

নতুন প্রজন্মের এসব ফুটবলারকে সামনে এনে ভবিষ্যৎ ফুটবলের সম্ভাবনা তুলে ধরেছে অ্যাডিডাসের ‘মেসি +১০’ প্রচারণা। বিশ্ব ফুটবলে আগামী দিনে তারা কতটা প্রভাব রাখতে সক্ষম হবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতকে হারিয়ে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্সে সৃষ্টি করল চমক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৫ পি.এম


ভারতকে হারিয়ে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্সে সৃষ্টি করল চমক

এনামুল হকের চারটি উইকেট এবং আবু জায়েদ রাহির নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সাহায্যে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্স শক্তিশালী ভারতকে হারিয়ে স্মরণীয় জয় অর্জন করেছে ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডসে।

ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডসে টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট ভারতকে পরাজিত করে চমক সৃষ্টি করেছে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্স। শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ১৪১ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ, যা ভারতকে নির্ধারিত লক্ষ্যের আগেই আটকে দেয়। এনামুল হক জুনিয়রের চার উইকেট এবং আবু জায়েদ রাহির কার্যকর বোলিংয়ের মাধ্যমে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল জয় নিশ্চিত করে।

শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ভারত অধিনায়ক যুবরাজ সিং বাংলাদেশকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠান। ব্যাটিং শুরু করার পর বাংলাদেশ উড়ন্ত সূচনা করে। প্রথম দুই ওভারে ৩০ রান আসে। তবে তৃতীয় ওভারের প্রথম বলেই ৬ বলে ১০ রান করা ইমরুল কায়েসের বিদায়ের ফলে টাইগারদের ইনিংসে ছন্দপতন ঘটে। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ।

একপ্রান্ত আগলে রেখে ব্যাট হাতে লড়াই চালিয়ে যান রনি তালুকদার। তিনি ২৫ বলে ৪০ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন, কিন্তু সতীর্থদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সমর্থন পাননি। ফজলে মাহমুদ রাব্বি, জহুরুল ইসলাম ও অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন। রনির বিদায়ের পর বাংলাদেশ আরও চাপে পড়ে।

এই চাপ সামাল দেওয়ার দায়িত্ব নেন নাসির হোসেন এবং আরাফাত সানি। অভিজ্ঞতার পরিচয় দিয়ে নাসির ২১ বলে ২৪ রান করেন। তাঁর হিসেবি ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পায়। পীযূষ চাওলার বলে নাসির আউট হলেও দলের সংগ্রহ বাড়ানোর কাজ চালিয়ে যান আরাফাত সানি। শেষ দিকে তিনি ৩৮ বলে ৩৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলে বাংলাদেশকে লড়াই করার মতো পুঁজি এনে দেন।

নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ ১৪১ রান সংগ্রহ করে। ভারতের পক্ষে পীযূষ চাওলা তিনটি এবং পবন নেগি ও ঋষি ধাওয়ান দুটি করে উইকেট নেন।

১৪২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারত শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে। দলীয় চার রানের মাথায় সাজঘরে ফেরেন অম্বতি রায়ডু। এরপর স্টুয়ার্ট বিনি এবং অধিনায়ক যুবরাজ সিংয়ের বিদায়ে ভারতীয়রা আরও চাপে পড়ে। দ্রুত উইকেট হারাতে থাকা দলটি ৫৫ রান পূর্ণ করার আগেই রবিন উথাপ্পা ও ইউসুফ পাঠানকে হারায়।

ভারতের ব্যাটিং লাইনআপে একের পর এক আঘাত হেনে বাংলাদেশ ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয়। তবে ঋষি ধাওয়ানের ১৮ বলে ২৪ রানের ইনিংসে ভারত কিছুটা লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা করে। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট তুলে নিয়ে সেই প্রতিরোধ ভেঙে দেন এনামুল হক জুনিয়র। তাঁর দুর্দান্ত বোলিংয়ে ভারতীয় ব্যাটাররা চাপে পড়ে।

অন্যদিকে ইরফান পাঠান ৪১ বলে ২৪ রান করলেও দলের জয়ের পথ সহজ করতে পারেননি। তবে শেষ দিকে পবন নেগি ও পীযূষ চাওলার আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ম্যাচে উত্তেজনা ফিরে আসে। অল্প রানের লক্ষ্য নিয়েও বাংলাদেশকে শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত করতে কঠিন পরীক্ষা দিতে হয়।

চাপের মুহূর্তে অভিজ্ঞতার প্রমাণ দেন পেসার আবু জায়েদ রাহি। ডেথ ওভারে তাঁর নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ভারতীয়দের ঘুরে দাঁড়ানোর শেষ চেষ্টা ব্যর্থ হয়। শেষ পর্যন্ত টুর্নামেন্টের অন্যতম শক্তিশালী দল ভারতকে হারিয়ে দারুণ এক জয় উদ্‌যাপন করে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্স।

এনামুল হক জুনিয়রের চার উইকেট এবং রাহির কার্যকর বোলিংয়ে পাওয়া এই জয় বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্সের জন্য নিঃসন্দেহে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%