রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৩০ পি.এম
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলায় ১২ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে পুলিশ প্রধান শিক্ষক মো. বোরহান উদ্দিনকে (৩১) গ্রেপ্তার করেছে।
রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর, দুপুরে ভেদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাসার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
শুক্রবার, ওই শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ভেদরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগ রয়েছে যে, ভুক্তভোগী মাদরাসাছাত্রকে তার শিক্ষক বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি দেখিয়ে বলাৎকার করেছেন।
ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে ভেদরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করার পর পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক বোরহান উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে।
শিক্ষক বোরহান উদ্দিন গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া থানার বাসিন্দা এবং বর্তমানে ভেদরগঞ্জ উপজেলার কাইচকুড়ি এলাকায় একটি নূরানী হাফিজিয়া মাদরাসার প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
ভেদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, মাদরাসাছাত্রকে বলাৎকারের ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
অলিভিয়া ওরাস নামে এক তরুণী, যিনি শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমাতে অস্ত্রোপচার করাতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন, সেই ঘটনা ঘটেছে ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিঙ্কির একটি প্লাস্টিক অস্ত্রোপচারকেন্দ্রে। এই ঘটনার পর পুলিশ ওই চিকিৎসাকেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে স্থগিত করেছে।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, চিকিৎসকদের কার্যক্রমের ফলে রোগীদের গুরুতর ঝুঁকির মধ্যে ফেলা হয়েছিল বলে তাদের ধারণা। তবে তরুণীর মৃত্যুর সঠিক কারণ এবং এই ঘটনায় কারও দায় রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিতভাবে বলা যায়নি।
অলিভিয়ার শরীরের নির্দিষ্ট অংশের অতিরিক্ত চর্বি অপসারণের জন্য অস্ত্রোপচারটি করা হয়েছিল। এই ধরনের অস্ত্রোপচারকে চর্বি অপসারণের চিকিৎসাপদ্ধতি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু অন্যান্য অস্ত্রোপচারের মতো এরও বিভিন্ন ঝুঁকি বিদ্যমান।
ঘটনার পর চিকিৎসা নিরাপত্তা, অচেতন করার ওষুধ ব্যবস্থাপনা এবং অস্ত্রোপচারের পূর্ব ও পরবর্তী সময়ে রোগীর যথাযথ পর্যবেক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বা কারও বিরুদ্ধে দায় নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
১৪ বছর বয়সে অলিভিয়া অনলাইনে নিজের দৈনন্দিন জীবন তুলে ধরে পরিচিতি অর্জন করেন। ১৬ বছর বয়সে তিনি ২০১৬ সালের ‘দ্য পারফেক্ট সেলফি’ নামক একটি তথ্যচিত্রে অংশগ্রহণ করেন।
তবে অতিরিক্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের চাপের কারণে তিনি পরবর্তীতে তীব্র উদ্বেগে ভুগতে শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের হিসাবগুলো মুছে ফেলেন। পরে আমস্টারডামে গিয়ে নতুনভাবে জীবন শুরু করার চেষ্টা করেন।
এক বন্ধুর আত্মহত্যার ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়ার পর তিনি হেলসিঙ্কিতে বাবা-মায়ের কাছে ফিরে আসেন। সেখানে তিনি মদ্যপান ও ঘুমের ওষুধে আসক্তির সঙ্গেও লড়াই করেন।
অস্ত্রোপচারের পর তার মৃত্যু নিয়ে বর্তমানে তদন্ত চলছে। পুলিশ চিকিৎসাকেন্দ্রটির কার্যক্রম স্থগিত করে ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকার বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে যানজট এবং রাস্তায় হকারদের অব্যবস্থাপনাকে চিহ্নিত করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম। বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর রিকশা ও হকারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে ঢাকার সড়ক ব্যবস্থাপনা অনেকটা অচল হয়ে পড়েছে।
সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই অভিমত প্রকাশ করেন। সাক্ষাৎকারে এক প্রশ্নের জবাবে মো. আব্দুস সালাম বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ছিল এবং কার্যকরভাবে পরিচালিত হচ্ছিল না। তাই দায়িত্ব গ্রহণের পর আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার ছিল সিটি করপোরেশনকে সক্রিয় ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা। পাশাপাশি জনগণের দৈনন্দিন নাগরিক সেবাগুলো দ্রুত এবং যথাযথভাবে নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি।
তিনি আরও বলেন, নগরবাসীর মৌলিক নাগরিক সমস্যাগুলো সমাধান করাও আমাদের অন্যতম অগ্রাধিকার। বিশেষ করে মশার উপদ্রব, ড্রেনেজ সমস্যা, জলাবদ্ধতা এবং সড়কবাতিসহ বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা কমানোর জন্য আমরা কাজ করছি। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রতিটি ক্ষেত্রে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করছি, যাতে নগরবাসী এসব সেবার সুফল পায়।
ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, দীর্ঘদিন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ছিল অভিভাবকহীন এবং অকার্যকর। বর্তমানে আমরা এটিকে কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার চেষ্টা করছি। কোথায় কী সমস্যা হচ্ছে, কেন হচ্ছে এবং কীভাবে দ্রুত সমাধান করা যায়— এসব বিষয়ে নজর দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ঢাকা শহরের সব নাগরিক সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। এজন্য নগরবাসীরও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে জনগণের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মো. আব্দুস সালাম বলেন, সিটি করপোরেশনকে কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা, দ্রুত নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা, মশা, ড্রেনেজ, জলাবদ্ধতা ও সড়কবাতিসহ বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা কমানো এবং জনগণের অংশগ্রহণ ও সচেতনতা বাড়ানো— এসব বিষয়কে আমরা প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে দেখছি।
ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, নাগরিকদের অভিযোগ সরাসরি শুনতে এলাকাভিত্তিক গণশুনানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে যেকোনো নাগরিক এসে সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারেন। পাশাপাশি একটি অ্যাপ চালু করা হয়েছে, যার মাধ্যমে নগরের যেকোনো সমস্যা দ্রুত আমাদের জানানো যায়। গণমাধ্যমে কোনো সমস্যা উঠে এলেও আমরা তাৎক্ষণিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করি। তবে সব অভিযোগ তাৎক্ষণিকভাবে সমাধান করা সম্ভব হয় না।
ডিএসসিসি প্রশাসক হিসেবে নিজের কর্মপরিকল্পনার বিষয়ে মো. আব্দুস সালাম বলেন, আমাদের কর্মপরিকল্পনার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাশা অনুযায়ী ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে ‘গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলা। শহর পরিষ্কার ও সবুজ রাখতে সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি নাগরিকদেরও সহযোগিতা প্রয়োজন।
মো. আব্দুস সালাম বলেন, যানজট ও রাস্তায় হকারের অব্যবস্থাপনা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে ৫ আগস্টের পর রিকশা ও হকারের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণে রাজধানীর সড়ক ব্যবস্থাপনা অনেকটাই অচল হয়ে পড়েছে। আমরা এ দুটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে একটি নিয়মের মধ্যে আনতে চাই।
অটোরিকশার বেপরোয়া চলাচল নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, হকারদের ব্যবস্থাপনার পর অটোরিকশার বিষয়টিও আমরা রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনব। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে চারটি জোনে ভাগ করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিটি জোনের অটোরিকশা নিজ নিজ জোনের মধ্যেই চলাচল করবে। এক জোনের অটোরিকশা অন্য জোনে যেতে পারবে না।
গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গণপরিবহনকে একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থার মধ্যে আনতে হবে। গণপরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা না থাকাও ঢাকার যানজটের অন্যতম কারণ। তাই যেখানে-সেখানে বাস পার্কিং করা যাবে না এবং যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামাও বন্ধ করতে হবে।
এছাড়া, ডেঙ্গু পরিস্থিতির বিষয়ে মো. আব্দুস সালাম বলেন, মশা কখনো পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব নয়। মশা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আমরা সে লক্ষ্যেই কাজ করছি। তবে মশা নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে পরিবেশের ক্ষতি করা যাবে না। আমাদের কীটতত্ত্ববিদরা এ কারণে সব ধরনের ওষুধ ব্যবহারের অনুমতি দেন না। কারণ অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহার করলে পরিবেশ ও অন্যান্য উপকারী কীটপতঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, আমাদের এমনভাবে কাজ করতে হবে, যাতে মশা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি পরিবেশও সুরক্ষিত থাকে। গত বছরের তুলনায় এ বছর ডেঙ্গুর প্রকোপও অনেক কম। গত কয়েক মাস ধরে আমরা নিরলসভাবে কাজ করছি, ফলে মশার উপদ্রব আগের তুলনায় কমেছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের পক্ষে মশা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়, নাগরিকদেরও সচেতন হতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক পদে নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। এই পদের জন্য মোট দুজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।
চাকরির বিবরণ
পদের নাম: সহকারী অধ্যাপক
বিভাগ: পরিসংখ্যান বিভাগ
পদসংখ্যা: ২
শিক্ষাগত যোগ্যতা
প্রার্থীদের জন্য প্রয়োজন পরিসংখ্যানে বিএস এবং এমএস উভয় ডিগ্রিতে প্রথম শ্রেণি অথবা ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.৫০ (৪.০০-এর মধ্যে)। এছাড়া এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় উভয় পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ অথবা ন্যূনতম জিপিএ ৪.২৫ (৫.০০-এর মধ্যে) থাকতে হবে।
অভিজ্ঞতা
আবেদনকারীদের জন্য প্রয়োজন অন্তত ৩ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে; অথবা অন্তত ২ বছরের পোস্টডক্টরাল গবেষণার অভিজ্ঞতা; অথবা কোনো স্বনামধন্য গবেষণাপ্রতিষ্ঠানে রিসার্চ/সায়েন্টিফিক অফিসার বা সমমানের পদে অন্তত ৬ বছরের গবেষণার অভিজ্ঞতা। পিএইচডিধারী প্রার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তত ১ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
বেতন স্কেল
৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা (গ্রেড-৬)
চাকরির ধরন
পূর্ণকালীন
আবেদনের নিয়ম
এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
আবেদন ফি
৭৫০ টাকা
আবেদনের শেষ
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চাকরির বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মঠবাড়িয়া, পিরোজপুরের মিরুখালি সড়ক সংস্কার প্রকল্প, যার ব্যয় ১২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা, নির্ধারিত মেয়াদের দুই বছরেরও বেশি সময় পার হয়ে গেলেও শেষ হয়নি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ বন্ধ করে দেওয়ার ফলে সড়কের বিভিন্ন অংশে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির কারণে এসব গর্তে পানি জমে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবং স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের চরম ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয় থেকে জানা গেছে, ২০২৩ সালের জুন মাসে ভান্ডারিয়ার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘ইফতি টিসিএল’কে সড়কটি সংস্কারের কার্যাদেশ দেওয়া হয়। প্রকল্পের মোট ব্যয় ছিল প্রায় ১৪ কোটি টাকা, যার মধ্যে সড়ক ও সেতুর কাজ অন্তর্ভুক্ত ছিল। ২০২৪ সালের এপ্রিলের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার কথা থাকলেও বর্তমানে প্রকল্পের মেয়াদ ও কাজ দুটিই স্থগিত রয়েছে।
সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা গেছে, মিরুখালি সড়কের বিভিন্ন অংশে ছোট-বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। বৃষ্টির ফলে গর্তগুলো পানিতে ভরে গেছে। এসব গর্ত এড়িয়ে যানবাহন চলাচল করছে ঝুঁকি নিয়ে। সড়কটি দিয়ে নিয়মিত ভারী ট্রাকের যাতায়াতের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলোর অবস্থা আরও অবনতি হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, দীর্ঘদিন সড়কটির বেহাল দশা থাকার পর সংস্কারকাজ শুরু হওয়ায় জনমনে স্বস্তি ফিরেছিল। কিন্তু ঠিকাদার কাজ ফেলে রেখে চলে যাওয়ায় কাদা ও গর্তের কারণে দুর্ভোগ দ্বিগুণ হয়ে গেছে।
পিরোজপুর এলজিইডির সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী মো. জিয়ারুল ইসলাম বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে এ পর্যন্ত ১ কোটি ২০ লাখ টাকার বিল দেওয়া হয়েছে। তবে সরকার পরিবর্তনের পর তারা সাড়ে তিন কোটি টাকার মতো বকেয়া বিলের দাবি তুলে নতুন করে কাজ বন্ধ করে দেয়। জরুরি ভিত্তিতে উপজেলা ও পৌরসভার মাধ্যমে সড়কটির গর্ত ভরাট করার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় এখন নতুন দরপত্রের মাধ্যমে বাকি কাজ সম্পন্ন করার চিন্তা করা হচ্ছে।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি শহিদুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, "আমরা যে পরিমাণে কাজ করেছি, এখনও টাকা পাব। বিল পেলে আমরা কাজ শুরু করতে পারব।"
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দ্রুত সড়কটির সংস্কারকাজ শেষ করে চলাচলের উপযোগী করা হোক।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ