বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৮:০৮ পি.এম
বিশুদ্ধ আকিদা ছাড়া ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রকৃত কল্যাণ কখনোই সম্ভব নয়। তাই সকল আলেম-উলামা এবং ইসলামপ্রিয় জনসাধারণকে আকিদাগত বিভ্রান্তি থেকে সচেতন থাকতে হবে। তাদের কুরআন-সুন্নাহ এবং আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের অনুসৃত বিশুদ্ধ আকিদা দৃঢ়ভাবে ধারণ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাজধানীর ফার্মগেটস্থ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে রাবেতাতুল ওয়ায়েজীন বাংলাদেশ আয়োজিত একটি আলোচনার সভায় বক্তারা এসব বিষয় উল্লেখ করেন। আলোচনার শিরোনাম ছিল "উম্মতের বিশুদ্ধ আকিদার হেফাজত ও বর্তমান প্রেক্ষাপট"।
সংগঠনের সভাপতি মাওলানা আব্দুল বাসেত খান সভাপতিত্ব করেন। সভাটি যৌথ ভাবে পরিচালনা করেন মাওলানা খালিদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ও মাওলানা হাসান জামিল।
সভায় বক্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কওমি মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরী (পীর সাহেব দেওনা), খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটির আমির মাওলানা আব্দুল হামিদ (পীর সাহেব মধুপুর), কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড বেফাকের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির মাওলানা মাহমুদুল হাসান ফতেহপুরী এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, মাওলানা রশিদ আহমদ শিব্বির (কিশোরগঞ্জ), মাওলানা লিয়াকত আলী, বারিধারা মাদরাসার মুহতামিম মুফতি মুনীর কাসেমী, মাওলানা খুরশিদ আলম কাসেমী, লালবাগ জামেয়ার মুহাদ্দিস মুফতি সাখাওয়াত হুসাইন রাযী, মুফতি মুর্তজা হাসান ফয়েজি মাসুম এবং আরও অনেকে।
সভায় অন্যান্য উপস্থিতদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন, জাতীয় ইমাম পরিষদ বাংলাদেশের সভাপতি মুফতি আবদুল্লাহ ইয়াহইয়া, মাওলানা ইসমাইল বুখারী কাশিয়ানী, মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী, মুফতি দিলাওয়ার আশরাফী এবং আরও অনেক মাওলানা ও মুহাদ্দিস।
বক্তায়রা আরো বলেন, বর্তমানে উম্মতের বিশুদ্ধ আকিদা রক্ষার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে। নানাবিধ বিভ্রান্তি, ভ্রান্ত মতবাদ এবং অপসংস্কৃতির আগ্রাসনের মধ্যে কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক সহিহ আকিদার শিক্ষা সর্বস্তরে পৌঁছে দেওয়া সময়ের অপরিহার্য দাবি। এই লক্ষ্যে আলেম-উলামা, খতিব, ওয়ায়েজ এবং দ্বীনি কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।
তারা আরো বলেন, মুসলিম সমাজে ঈমান-আকিদার বিশুদ্ধতা রক্ষা, ইসলামের মৌলিক শিক্ষা প্রচার এবং ভ্রান্ত চিন্তাধারার অপপ্রচার প্রতিরোধে নিয়মিত দাওয়াতি কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ এবং জনসচেতনমূলক উদ্যোগ জোরদার করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা আব্দুল বাসেত খান উল্লেখ করেন, বিশুদ্ধ আকিদা একজন মুমিনের ঈমান, আমল ও চরিত্রের ভিত্তি। ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রকৃত কল্যাণের জন্য বিশুদ্ধ আকিদা অপরিহার্য। সকলকে আকিদাগত বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থেকে কুরআন-সুন্নাহ এবং আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের বিশুদ্ধ আকিদা দৃঢ়ভাবে ধারণ ও প্রচারের আহ্বান জানানো হয়।
আলোচনা সভায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত শত শত আলেম-উলামা, ওয়ায়েজীন ও দ্বীনি ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সংস্থাটির কাছে নথিপত্র চেয়েছে। এ ক্ষেত্রে দুদকের উপপরিচালক মো. সাইদুজ্জামান স্বাক্ষরিত তিনটি পৃথক চিঠির মাধ্যমে বিসিবির কাছে নথি চাওয়া হয়েছে।
দুদকের জনসংযোগ বিভাগের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে এই তথ্য জানিয়েছেন। অভিযোগের তদন্তের জন্য মো. সাইদুজ্জামানকে দলনেতা হিসেবে নিয়োগ দিয়ে সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম এবং উপ-সহকারী পরিচালক সুবিমল চাকমার সমন্বয়ে একটি তিন সদস্যের অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়েছে।
বিসিবির সভাপতির পাশাপাশি পাপন বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের এমডি ছিলেন। দুদক জানায়, তার এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এবং সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, নিজ ও পরিবারের সদস্যদের নামে দেশে-বিদেশে বিপুল পরিমাণ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, এবং বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসে কর্মরত জামাতা ও অন্যান্য কর্মকর্তার যোগসাজশে হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানের স্বার্থে বিসিবির কাছে পূর্বাচলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণে পরামর্শক ও ঠিকাদার নিয়োগ, দরপত্র, কার্যাদেশ, চুক্তিপত্র, বিল পরিশোধ, ব্যয় প্রাক্কলন, প্রকল্প অনুমোদন এবং ভূমি অধিগ্রহণসহ সংশ্লিষ্ট সমস্ত নথি চাওয়া হয়েছে।
এছাড়া পাপনের দায়িত্বকালে বিসিবির আয়-ব্যয়ের অডিট প্রতিবেদন, আইসিসি ও এসিসির অর্থ প্রাপ্তির তথ্য, বিপিএল আয়োজন, লজিস্টিকস ও প্রটোকল ব্যয়, বিদেশি কোচ নিয়োগ, ‘ক্রিকেট সেলিব্রেটস মুজিব-১০০’, এ. আর. রহমানের কনসার্ট, বঙ্গবন্ধু বিপিএল, অডিট ফার্ম নিয়োগ এবং সংশ্লিষ্ট আর্থিক নথিও সরবরাহ করতে বলা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চলমান ফুটবল বিশ্বকাপের আসরে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি মাঠের বাইরের একটি ঘটনা বিশ্বজুড়ে ক্রীড়ামোদী এবং মুসলিম উম্মাহর মাঝে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় ফুটবল দলের তারকা ফরোয়ার্ড টেটে ইয়ঙ্গি আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। তিনি ইসলাম ধর্মের দীক্ষা নিয়েছেন বিশ্বকাপের চূড়ান্ত স্কোয়াডে ডাক পাওয়ার ঠিক আগে, নিজের শহর এডিলেইডের একটি মসজিদে জুম’আর নামাজ শেষে। সেখানে আকস্মিকভাবে উপস্থিত বিশ্বখ্যাত ইসলামিক স্কলার মুফতি মেঙ্কের হাত ধরে কালিমা শাহাদাহ পাঠ করেন এই উদীয়মান ফুটবলার।
টেটে ইয়ঙ্গি পরবর্তীতে এক সাক্ষাৎকারে জানান, ইসলাম গ্রহণের বিষয়টি তার জীবনে কোনো আকস্মিক সিদ্ধান্ত ছিল না। বরং, বেশ কিছুদিন ধরেই তিনি ইসলাম ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছিলেন। মসজিদে মুফতি মেঙ্কের সাথে হ্যান্ডশেক করার পর, যখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন যে শাহাদাহ পাঠ করা হয়েছে কি না, তখন ইয়ঙ্গি আর না করতে পারেননি। এভাবেই সেখানেই তিনি জীবনের এক নতুন অধ্যায় শুরু করেন।
বর্তমানে ২৫ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে খেলছেন। বিশ্বকাপের মূল আসরে নামার আগে, সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে তার অভিষেক ম্যাচেই একটি দুর্দান্ত গোল করেন, যা দলের ড্র নিশ্চিত করে। তাকে ১.৯৭ মিটার উচ্চতার ফরোয়ার্ড হিসেবে জানানো হয়েছে।
মূল পর্বেও জাতীয় দলের কোচ টনি পপোভিকের আস্থার প্রতিদান দিয়ে চলেছেন তিনি। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে তুর্কীর বিপক্ষে ২৪ মিনিট এবং প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ৭ মিনিট মাঠে থেকে দলের আক্রমণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। এই ফুটবলার জাপানি ক্লাব মাচিদা জেলভিয়াতে খেলছেন।
নিজের নতুন ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে গর্বিত টেটে ইয়ঙ্গি জানিয়েছেন যে, তিনি তার আচরণের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে ইসলামের প্রকৃত এবং সুন্দর রূপ সবার সামনে ফুটিয়ে তুলতে চান। সূত্র: উইকিপিডিয়া আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার প্রোফাইল ২০২৬, নুজুম স্পোর্টস ও কালবি স্টুডিওস ইন্টারভিউ, ফক্স স্পোর্টস অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ ডেটা, কাশমির নিউজ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং বর্তমানে জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রধান দিমিত্রি মেদভেদেভকে নিজের বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
রুশ প্রতিনিধিদলে আরও থাকবেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা, রাশিয়ান অর্থোডক্স চার্চ-এর ধর্মযাজক, সুন্নি মুফতি এবং শিয়া ধর্মীয় আলেমরা। রাশিয়ার এই উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল জানাজার এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ইরানের প্রতি সমবেদনা জানাবে এবং দুই দেশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রতীক হিসেবে উপস্থিত থাকবে।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নেতা খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ বিমান হামলার প্রথম দিন নিহত হন। তবে নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে তার রাষ্ট্রীয় দাফনানুষ্ঠান কয়েক দফা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ইরান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী ৬ জুলাই খামেনির আনুষ্ঠানিক জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। এসব কর্মসূচির ফলে তেহরান প্রদেশে তিন দিন সরকারি ছুটি কার্যকর থাকবে। এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। দেশ-বিদেশের কয়েক লাখ মানুষ এই দাফনানুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
ইরানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা বিষয়ক উপমন্ত্রী এবং আয়োজক কমিটির প্রধান আলী আকবর পুরজামশিদিয়ান জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে ৯০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা ও গবেষক এই আয়োজনে অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
তিনি আরও জানান, অন্তত ৩০টি দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল পাঠানোর আবেদন করেছে। আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কিত কারণে অনুষ্ঠানটি কয়েকদিনব্যাপী আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ৮ জুলাই খামেনির মরদেহ ইরাকের বাগদাদ বা নাজাফে নেওয়া হবে। সেখানে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা জানানো হবে। এরপর নাজাফ ও কারবালায় শোকমিছিল ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হবে। পরদিন ৯ জুলাই ইরানের মাশহাদে ইমাম রেজার মাজারের কাছে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
আয়োজক কমিটি জানিয়েছে, পুরো আয়োজনটি জাতীয় পর্যায়ের একটি কেন্দ্রীয় কমিটির তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরিফ এর নেতৃত্বে একটি জাতীয় সদর দফতর এ কার্যক্রম সমন্বয় করছে।
অনুষ্ঠান ঘিরে ইরানে কয়েক দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তেহরান, কোম ও খোরাসান রাজাভি প্রদেশসহ বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে ছুটি থাকবে। জনসাধারণের যাতায়াত সহজ করতে তেহরানের মেট্রো ও বাস সেবা ২৪ ঘণ্টা বিনামূল্যে চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া অনুষ্ঠানে বিদেশি সাংবাদিকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে ৩০০ জনেরও বেশি গণমাধ্যমকর্মী নিবন্ধন করেছেন। আয়োজকরা জানিয়েছেন, পুরো আয়োজন চলাকালে ইন্টারনেট নিষেধাজ্ঞা থাকবে না। কর্মকর্তারা মনে করছেন, এই বিদায়ী অনুষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ ও আঞ্চলিক সংহতির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রদর্শনী হয়ে উঠবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাবনার সাঁথিয়ায় এক অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে তার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর অভিযুক্তদের বাড়িতে ভাঙচুর ও আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এর আগে মঙ্গলবার (৩০ জুন) ভোরে উপজেলার আতাইকুলা থানার আর, আতাইকুলা ইউনিয়নের বিলকুলা গ্রামে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল।
মামলার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিলকুলা গ্রামের সৌদি আরব প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে প্রায় রাতেই উকি দিতেন প্রতিবেশী মামুন (৩৪) ও জুয়েল (৩৫)। মঙ্গলবার ভোর চারটার দিকে প্রবাসী পরিবারের অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়া মেয়ে যখন ঘরের বাইরে বের হন, তখন পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা মামুন ও জুয়েল তাকে ওড়না দিয়ে মুখ বেঁধে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বাড়ির পাশে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এ সময় তারা মোবাইলে সেই অবস্থার ছবি ধারণ করে এবং ভুক্তভোগীকে ভয় দেখিয়ে বলেন যদি কাউকে বলো, তাহলে মেরে ফেলবেন। পরে ওই ছাত্রী এই ঘটনা তার মাকে জানালে তিনি বাদী হয়ে মামুন ও জুয়েলের বিরুদ্ধে আতাইকুলা থানায় মামলা করেন।
এদিকে, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বুধবার (১ জুলাই) রাত ১০টার দিকে মামুনের বাড়ি আগুনে পুড়িয়ে দেয় এবং বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে জুয়েলের বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত মামুন ও জুয়েল উভয়েই বিলকুলা গ্রামের বাসিন্দা। মামুন দুই সন্তানের জনক এবং জুয়েল তিন সন্তানের বাবা।
এ ব্যাপারে আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান জানান, থানায় নিয়মিত মামলা হয়েছে। বর্তমানে আসামিরা পলাতক রয়েছে। ভিকটিমকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ