বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:১৩ পি.এম
ঢাকাতে প্রতিদিনই কেনাকাটার প্রয়োজন হতে পারে। তবে, কোনো মার্কেটে যাওয়ার পূর্বে ওই এলাকার সাপ্তাহিক বন্ধের দিন সম্পর্কে জানা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায়, বিড়ম্বনায় পড়ার সম্ভাবনা থাকে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) তারিখে কোন কোন মার্কেট, শপিংমল এবং দোকানপাট বন্ধ থাকবে তা দেখে নিন।
বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার মার্কেট
পাবলিক ওয়ার্কস সেন্টার, ইউনিটি প্লাজা, যমুনা ফিউচার পার্ক, নুরুনবী সুপার মার্কেট, ইউনাইটেড প্লাজা, কুশল সেন্টার, এবি সুপার মার্কেট, আমির কমপ্লেক্স এবং উত্তরার মাসকট প্লাজা।
যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ
বারিধারা, সাঁতারকুল, শাহাজাদপুর, নিকুঞ্জ-১, ২, কুড়িল, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, মধ্য ও উত্তর বাড্ডা, জগন্নাথপুর, খিলক্ষেত, উত্তরখান, দক্ষিণখান, জোয়ার সাহারা, আশকোনা, বিমানবন্দর সড়ক এবং উত্তরা থেকে টঙ্গী সেতু পর্যন্ত এলাকা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশের বাজারে আজ ভালো মানের এক ভরি সোনার গহনার দাম ভ্যাটসহ ২ লাখ ৩২ হাজার টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, কম দামি বা সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার গহনার দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকার বেশি। ভালো মানের রুপার গহনার ভরি বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার টাকার ওপরে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরিতে (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার গহনার দাম ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। ওইদিন সকাল ১০টা থেকে সোনার ও রুপার গহনা নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, নতুন দাম নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত এই দামেই দেশে সোনার ও রুপার গহনা বিক্রি হবে।
বাজুস কর্তৃক নির্ধারিত দর অনুযায়ী, বর্তমানে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনা ভ্যাটসহ ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনার দাম ২ লাখ ২১ হাজার ৪৪১ টাকা।
এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ১ লাখ ৯০ হাজার ১২৩ টাকা। সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩০৬ টাকা।
অন্যদিকে, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার গহনার দাম ৫ হাজার ১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার গহনার দাম ৪ হাজার ৭৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার গহনার দাম ৪ হাজার ৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার গহনার দাম ৩ হাজার ৯১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর বর্তমানে কম সক্রিয় অবস্থায় রয়েছে, এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে এর অবস্থা মাঝারি। এই পরিস্থিতির কারণে সারা দেশে কিছু কিছু জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হলেও তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকাসহ ২৫টি জেলা তাপপ্রবাহের প্রভাবে ছিল। ওই দিন ফেনী জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এবং রাজধানী ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তবে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, তাপমাত্রা কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত আগামী ৫ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগসহ ঢাকা, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ, রংপুর, নীলফামারী, চাঁদপুর, ফেনী, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরা, খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং এটি কিছু কিছু জায়গা থেকে প্রশমিত হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু’এক জায়গায় আজ অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) দেশের বিভিন্ন স্থানে ২০৩০ সালের মধ্যে ৬৮৯ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের জন্য নিজস্ব অর্থায়নে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
বিপিডিবির এক কর্মকর্তা জানান, গ্রিড সংযুক্ত সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনের লক্ষ্যে প্রাথমিক উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (পিডিপিপি) তৈরি করা হয়েছে, সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে এবং উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) চূড়ান্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে গ্রিড-সংযুক্ত সৌর প্যানেল স্থাপনের জন্য জমি নির্বাচন করা হয়েছে।
পিডিবি ইতোমধ্যে রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের বিস্তারিত প্রকল্প প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। আশা করা হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পটি স্থাপন করা সম্ভব হবে।
ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ফ্যাসিলিটেশন কোম্পানি (আইআইএফসি) ফেনীর সোনাগাজীতে ২২২ মেগাওয়াট ক্ষমতার গ্রিড-সংযুক্ত সৌর ফটোভোলটাইক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন করেছে। প্রকল্পটি ২০২৮ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ চলছে।
পিডিবির ওই কর্মকর্তা আরও জানান, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে চলতি বছরের ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিজস্ব অর্থায়নে ৬৮৮ কিলোওয়াট-পিক ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করেছে। এছাড়া চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে আরও ৪ হাজার ১৯৫ কিলোওয়াট-পিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালু হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
পিডিবির ওই কর্মকর্তা জানান, বোর্ডের নিজস্ব ভবন ও জমিতে ১৭টি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের জন্য দুই বছর আগে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল।
বিপিডিবি সূত্রে জানা গেছে, কাপ্তাইয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং একাডেমিতে ১৭০ কিলোওয়াট-পিক ক্ষমতার ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। চট্টগ্রাম প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ১৩০ কিলোওয়াট-পিক ক্ষমতার একটি ব্যবস্থা চলতি বছরের জুনে এবং রাজশাহী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ১২০ কিলোওয়াট-পিকের একটি ব্যবস্থা ৫ সেপ্টেম্বর চালু হয়েছে।
এছাড়া গত ১২ সেপ্টেম্বর খুলনা পাওয়ার প্ল্যান্টে ২৬৮ কিলোওয়াট-পিকের ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
এদিকে, পিডিবি চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে মোট ৪ হাজার ১৯৫ কিলোওয়াট-পিক ক্ষমতার গ্রিড-সংযুক্ত সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প চালু করার কাজ করছে।
পিডিবির তথ্য অনুযায়ী, নিজস্ব অর্থায়নে এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে সিদ্ধিরগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনে ৩০০ কিলোওয়াট-পিক, কাটাখালীতে ৭৩ কিলোওয়াট-পিক, বাঘাবাড়ী পাওয়ার স্টেশনে ৬৫ কিলোওয়াট-পিক, ভোলা ২২৫ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্টে ১৯০ কিলোওয়াট-পিক, কক্সবাজার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ২৩০ কিলোওয়াট-পিক, কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ৩৩২ কিলোওয়াট-পিক, ঘোড়াশাল পাওয়ার স্টেশনের ভবনগুলোতে ১ হাজার ৩০০ কিলোওয়াট-পিক ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৮৭ কিলোওয়াট-পিক, চট্টগ্রাম পাওয়ার স্টেশনে ৩৯০ কিলোওয়াট-পিক, দোহাজারী-কালীআইশ ১০০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্টে ১২২ কিলোওয়াট-পিক, শিকলবাহা পাওয়ার প্ল্যান্টে ৭৫০ কিলোওয়াট-পিক, হাটহাজারী ১০০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্টে ৮৬ কিলোওয়াট-পিক এবং ঘোড়াশাল প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ১৭০ কিলোওয়াট-পিক।
পিডিবির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম বলেন, পিডিবির মালিকানাধীন অব্যবহৃত ছাদ ও জমিতে নিজস্ব অর্থায়নে এসব সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণ করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের জলবায়ু সংক্রান্ত অঙ্গীকার পূরণে সহায়তা করবে। পাশাপাশি, এটি পরিবেশের ওপর চাপ কমাবে এবং ব্যক্তিপর্যায়ে নিজ বাড়ির ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপনে উৎসাহিত করবে। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারত সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আফগানিস্তানকে ৭ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করেছিল। দ্বিতীয় ম্যাচেও জয় ধরে রেখেছে স্বাগতিক দল। এবারও ৭ উইকেটের জয় নিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করেছে শ্রেয়াস আইয়ারের নেতৃত্বাধীন দল।
টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং শুরু করে আফগানিস্তান। শুরুতেই বিপদে পড়ে তারা। আগের ম্যাচের মতো এবারও ইনিংসের শুরুতে শূন্য রানে সাজঘরে ফিরে যান ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজ। এরপর অধিনায়ক ইব্রাহিম জাদরানের ৩৭ রানের সঙ্গে রশিদ খান ও মোহাম্মদ নবীর কার্যকর ইনিংসে লড়াই করার মতো সংগ্রহ পায় আফগানরা।
রশিদ ১৬ বলে ২৮ এবং নবী ১৪ বলে ২০ রান করেন। তাদের ব্যাটিংয়ে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৫৯ রান সংগ্রহ করে আফগানিস্তান।
ভারতের পক্ষে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখান অলরাউন্ডার নিতীশ কুমার রেড্ডি। তিনি মাত্র ৩ ওভারে ২৪ রান খরচ করে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট শিকার করেন।
জবাবে ১৬০ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ভারত শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে। উদ্বোধনী জুটিতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেন সাঞ্জু স্যামসন ও অভিষেক শর্মা। মাত্র ৩৮ বলে দুজন মিলে গড়েন ৮৮ রানের ঝড়ো জুটি।
স্যামসন মাত্র ২০ বলে তুলে নেন টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের সপ্তম অর্ধশতক। তিনি শেষ পর্যন্ত ২২ বলে ৫৭ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল ৭টি চার ও ৪টি ছক্কা। অন্যদিকে অভিষেক শর্মা ১৯ বলে করেন ৩৯ রান।
পাওয়ার প্লেতে ৮২ রান তুলে ম্যাচ জয়ের ভিত গড়ে ফেলে ভারত। দুই ওপেনার ফেরার পর ক্রিজে এসে অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি। তিনি ১১ বলে ১১ রান করে সাজঘরে ফিরে যান।
এরপর ইশান কিষাণ ও তিলক ভার্মা দায়িত্ব নিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। ইশান ৩৮ এবং তিলক ১৫ রানে অপরাজিত থাকেন।
শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটের জয় নিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিজেদের করে নেয় ভারত। বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচসেরার পুরস্কারও জেতেন নিতীশ কুমার রেড্ডি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ