বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০১:৪৬ পি.এম
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে দ্বন্দ্ব আরও তীব্র হচ্ছে। গত চার দিন ধরে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালিটির নিয়ন্ত্রণ কখনোই ছাড়বে না বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছে ইরান।
দেশটির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টা আলি আকবর বেলায়াতি বলছেন, "বিশ্বের কোনো শক্তিও হরমুজ প্রণালির ওপর থেকে তেহরানের মালিকানা কেড়ে নিতে পারবে না।"
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে সাবেক এই শীর্ষ কূটনীতিক আরও বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি ইরানেরই অংশ। সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির সাহসী এবং বিচক্ষণ নির্দেশের মাধ্যমে এই প্রণালি ইরানের নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ৪০ দিনের যুদ্ধে এটি একটি মূল্যবান অর্জন।’
গত কয়েক দিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালাচ্ছে। ওয়শিংটনের দাবি, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর জন্য ইরান যেন আর হুমকি সৃষ্টি করতে না পারে, তার জন্যই এই হামলা চালানো হচ্ছে। এর আগে ইরান ওই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের বিকল্প রুট ব্যবহার করে কিছু তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাব হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে আক্রমণ করছেন ইরানের সৈন্যরা, যার মধ্যে বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক স্থাপনাও রয়েছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের অবকাঠামোতে হামলা চালায়, তবে ওয়াশিংটনের মিত্র উপসাগরীয় দেশগুলোর অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।
ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দফতরের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইব্রাহিম যুল্ফাগারি এক বিবৃতিতে বলেন, "যদি ট্রাম্প তার হুমকি বাস্তবায়নের চেষ্টা করেন, তাহলে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী এই অঞ্চলের সব অবকাঠামো এমনভাবে গুঁড়িয়ে দেবে যে, সেগুলোর আর কোনো চিহ্নও থাকবে না।"
তিনি আরও বলেছেন, ইরান হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করবে না। কোনো অবস্থাতেই এবং কোনোভাবেই আমরা আমেরিকাকে, একটি বিদেশি এবং আঞ্চলিক বাইরের দেশ হিসেবে, হরমুজ প্রণালিতে হস্তক্ষেপ করতে দেব না। এটি ইরানের চূড়ান্ত রেড লাইন।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর বনশ্রী এলাকায় একটি বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে, মো. মাহাফুজ উল্লাহ সিদ্দিকী (৪০) নামক কম্বোডিয়ায় মানবপাচার চক্রের প্রধানকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি)।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য উপস্থাপন করেছেন।
এর ও আগে বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর বনশ্রী-সংলগ্ন আফতাবনগর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত মাহাফুজ উল্লাহ সিদ্দিকী বিমানবন্দর থানার মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন অধ্যাদেশের আওতায় করা মামলার এজাহারনামীয় আসামি।
মাহাফুজ উল্লাহ কম্বোডিয়ায় মানবপাচার চক্রের অন্যতম মূলহোতা উল্লেখ করে প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজবাড়ীর একটি মাছের ঘেরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে কালুখালী উপজেলার একটি ঘের থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ব্যক্তি মো. মোশারফ খান (৪০) মদাপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের দবির খানের পুত্র।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে খাবার শেষ করার পরে মোশারফ খান তার মাছের ঘেরে যান। আজ সকাল ৯টার দিকে এক পথচারী ঘেরের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তাকে পানির মধ্যে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখতে পান।
পরে তিনি দুর্গাপুর স্ট্যান্ডে অবস্থিত স্থানীয় লোকজনকে বিষয়টি জানিয়ে দেন। খবর পেয়েই স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিস ও কালুখালী থানা পুলিশকে সংবেদন জানান। তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে পানির মধ্যে থেকে মোশারফের মৃতদেহ উদ্ধার করে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাতে মাছের ঘেরে বৈদ্যুতিক বাল্বের লাইন ঠিক করার চেষ্টা করার সময় তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন এবং পানিতে পড়ে মারা যান।
এ সম্পর্কে কালুখালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, মরদেহটি ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঐতিহাসিক ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে ঢাকার রায়েরবাজার জুলাই শহীদ গণকবরে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে ঢাকা জেলা প্রশাসন।
বুধবার সকালে, দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানাতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোয়া ও মোনাজাতের একটি বিশাল আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী, মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো.মনিরুজ্জামান এবং ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
পরে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এই সময় দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্যও সক্রিয়ভাবে প্রার্থনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে সুধীজনরা বলেন, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অবিস্মরণীয় দিন।
এদিন, রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাহসী শিক্ষার্থী শহীদ আবু সাঈদ অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে আত্মত্যাগের যে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন, তা পরবর্তী সময়ে গণঅভ্যুত্থানের অনুপ্রেরণায় পরিণত হয়।
তাঁর আত্মদান শুধুমাত্র একটি আন্দোলনের নয়, বরং ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।
ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, জুলাই শহীদ দিবস আমাদের জাতীয় জীবনে এক গভীর তাৎপর্যপূর্ণ দিন।
তিনি আরো বলেন, এই দিনে আমরা শুধু শহীদদের স্মরণ করি না, বরং তাঁদের আদর্শ ও আত্মত্যাগ থেকে নতুন করে অনুপ্রেরণা গ্রহণ করি।
জেলা প্রশাসক বলেন, জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের বীর শহীদরা যে বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমাদের প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘শহীদদের আত্মত্যাগ কখনোই বৃথা যেতে পারে না। তাঁদের রক্তের ঋণ পরিশোধের একমাত্র উপায় হলো আইনের শাসন, সুশাসন, মানবিক মূল্যবোধ এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করা। নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাই আন্দোলনের ইতিহাস, শহীদদের ত্যাগ এবং গণতান্ত্রিক চেতনার শিক্ষা পৌঁছে দেওয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।’
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘ঢাকা জেলা প্রশাসন সবসময় শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণ, জাতীয় দিবসগুলো যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন এবং মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শহীদদের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা জানাতে হলে আমাদের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে দেশ গঠনে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা শহীদদের প্রতি এক মিনিট নীরবতা পালন করেন এবং তাঁদের আত্মত্যাগের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
পরে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেও পর্যায়ক্রমে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
অনুষ্ঠানের শেষে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে জুলাই-অাগস্ট আন্দোলনের সব শহীদের রূহের মাগফিরাত কামনা করা হয়।
একই সঙ্গে দেশের অব্যাহত শান্তি, উন্নয়ন, গণতন্ত্রের বিকাশ এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনের জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে ৩০ বছর বা তার বেশি বয়সী সক্রিয় এবং রিজার্ভ সেনাসদস্যদের জন্য টেস্টোস্টেরন (পুরুষত্ব হরমোন) ঘাটতির বাধ্যতামূলক স্ক্রীনিং চালু করা হয়েছে। এই নতুন কর্মসূচির অনুমোদন দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।
একটি ভিডিও বার্তায় হেগসেথ জানিয়েছেন, সেনাসদস্যদের সর্বোচ্চ শারীরিক সক্ষমতা নিশ্চিত করতেই এ উদ্যোগটি নেওয়া হয়েছে। যাদের শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কম পাওয়া যাবে, তারা স্বেচ্ছায় হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি (এইচআরটি) গ্রহণ করতে পারবেন। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া পেশি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে টেস্টোস্টেরন ব্যবহার সামরিক বাহিনীতে নিষিদ্ধ থাকবে।
পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল জানিয়েছেন, নতুন স্ক্রীনিং কর্মসূচি অবিলম্বে কার্যকর হচ্ছে। এর মাধ্যমে সেনাসদস্যদের স্বাস্থ্যসংক্রান্ত একটি বিস্তৃত তথ্যভান্ডার তৈরি হবে, এবং প্রয়োজন অনুযায়ী লক্ষ্যভিত্তিক চিকিৎসা প্রদান করা সম্ভব হবে।
তবে নারী সেনাসদস্যদের ক্ষেত্রেও এই স্ক্রীনিং বাধ্যতামূলক হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। এই বিষয়ে মার্কিন কংগ্রেসে প্রশ্ন উঠেছে। ডেমোক্র্যাট সিনেটর ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা ট্যামি ডাকওর্থ নারী ও পুরুষ উভয় সেনাসদস্যের জন্য সমানভাবে হরমোন পরীক্ষা চালুর আহ্বান জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, পেনসিলভানিয়ার ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান ও সাবেক বিমানবাহিনীর সদস্য ক্রিসি হুলাহান এই উদ্যোগকে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সর্বশেষ সংস্কৃতির যুদ্ধের আসক্তি বলে সমালোচনা করেছেন।
বেইলর কলেজ অব মেডিসিনের ইউরোলজি অধ্যাপক ড. মোহিত খেরা বলেন, ৩০ বছরের বেশি পুরুষদের টেস্টোস্টেরন পরীক্ষা করা উচিত, কারণ এটি সামগ্রিক স্বাস্থ্যের গুরুত্বপূর্ণ সূচক। তাঁর মতে, কম টেস্টোস্টেরনের কারণে পেশিশক্তি ও কর্মক্ষমতা কমে যেতে পারে, যা যুদ্ধক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে উপসর্গ না থাকলে শুধুমাত্র পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে টেস্টোস্টেরন থেরাপি দেওয়া উচিত নয় বলেও সতর্ক করেন তিনি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, টেস্টোস্টেরন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপির ফলে পেশিশক্তি বৃদ্ধি, শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমানো, বিষণ্নতার ঝুঁকি হ্রাস এবং অস্থির স্বাস্থ্য উন্নত হতে পারে। তবে এই চিকিৎসা সবার জন্য উপযোগী নয়। বিশেষ করে তরুণদের ক্ষেত্রে এটি প্রজননক্ষমতা কমিয়ে বন্ধ্যাত্বের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এছাড়া হৃদরোগের সম্ভাব্য ঝুঁকিও পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
উল্লেখ্য, মার্কিন প্রশাসন সম্প্রতি টেস্টোস্টেরন প্রেসক্রিপশনের বিদ্যমান বিধিনিষেধ শিথিলের উদ্যোগ নিয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) টেস্টোস্টেরন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি সংক্রান্ত কিছু নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা সতর্কবার্তা লেবেল থেকে অপসারণের প্রস্তাবও দিয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ