০৩:৫৯ পি.এম
গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় ঘটে যাওয়া এক ঘটনায় অভিযোগ উঠেছে যে, ঘুমন্ত চাচাকে গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে ভাতিজার বিরুদ্ধে। ঘটনার পর অভিযুক্ত ভাতিজা পালিয়ে গেছেন।
রবিবার (১২ জুলাই) সকালে উপজেলার কেতকীরহাট এলাকার মাঝিপাড়া গ্রাম থেকে পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে। এর আগে শনিবার দিবাগত রাত প্রায় ২টার দিকে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহত শাহ জালাল (৫০) মৃত জংলু শেখের ছেলে, যিনি ওই গ্রামের বাসিন্দা। অভিযুক্ত গোলাম হোসেন (৩৫) একই গ্রামের মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে এবং তিনি পেশায় বাঁশশিল্পের কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানান, গোলাম হোসেন দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে চাচা শাহ জালালের সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব চলছিল। ঘটনাটি ঘটার সময় তিনি ঢাকায় অবস্থান করছিলেন, কিন্তু শনিবার বাড়িতে ফিরে আসেন। গভীর রাতে গোলাম হোসেন কৌশলে ঘরের দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ঘুমন্ত শাহ জালালের গলা কেটে দেন।
শাহ জালালের গোঙানির শব্দ শুনে তার স্ত্রী পারুল বেগম ঘটনাস্থলে এগিয়ে এলে গোলাম হোসেন পালিয়ে যান। ঘটনাস্থলেই শাহ জালালের মৃত্যু হয়। স্বজনদের অভিযোগ, হত্যাকাণ্ডের আগে যাতে কেউ এগিয়ে আসতে না পারে, সে কারণে অভিযুক্ত ব্যক্তি বাইরে থেকে কয়েকটি প্রতিবেশী বাড়ির দরজাও আটকে দিয়েছিলেন।
খবর পেয়ে রবিবার সকালের দিকে সাড়ে ৯টার সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে একটি ধারালো ছুরি জব্দ করে। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ফুলছড়ি থানার ওসি দুরুল হোদা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক বিরোধের কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটনাটি ঘটেছে। এখানে তদন্ত করা হচ্ছে এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন