প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
সাত বছর ধরে বেহাল অবস্থায় থাকা রংপুর নগরের গুরুত্বপূর্ণ জিএল রায় রোডের সংস্কারকাজ রংপুর সিটি করপোরেশন শুরু করেছে।
এ দীর্ঘ সড়কটির দৈর্ঘ্য প্রায় চার কিলোমিটার। সংস্কারের উদ্যোগে স্থানীয় বাসিন্দা ও নিয়মিত যাতায়াতকারীরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
রবিবার সকালে সাতমাথা এলাকায় ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে সড়কটির সংস্কারকাজের উদ্বোধন করলেন রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মাহফুজ-উন-নবী ডন। এ সময় সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও উপস্থিত ছিলেন।
জাহাজ কোম্পানির মোড় থেকে সাতমাথা পর্যন্ত বিস্তৃত জিএল রায় রোডটি রংপুর নগরের অন্যতম ব্যস্ত সড়ক হিসেবে পরিচিত। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহন এ পথে চলাচল করে। এই সড়কটির মাধ্যমেই লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, কাউনিয়া, পীরগাছা, সুন্দরগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ রংপুরে যাতায়াত করেন।
দীর্ঘ সময় সংস্কার না হওয়ায় সড়কজুড়ে অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছিল। ফলে দুর্ভোগে পড়েছেন পথচারী ও যানবাহনের চালকেরা। সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবিতে বিভিন্ন সময়ে মানববন্ধন, সমাবেশ, সড়কে ধানের চারা রোপণ এবং প্রতীকীভাবে সিটি করপোরেশনকে ‘মৃত’ ঘোষণা করে গায়েবানা জানাজার মতো ব্যতিক্রমী কর্মসূচিও পালন করেছিল স্থানীয়রা।
সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২০ কোটি ৬৭ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হচ্ছে, যাতে ৩ হাজার ৬৮০ মিটার কার্পেটিং সড়ক, ১১০ মিটার আরসিসি সড়ক, ৬০০ মিটার ড্রেন, আড়াই হাজার মিটার সড়ক বিভাজক, ৮০০ মিটার সড়ক বিভাজন কাঠামো এবং ১৩০টি খুঁটিতে ২৬০টি স্মার্ট এলইডি সড়কবাতি স্থাপন করা হবে। এই কাজ আগামী ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মাহফুজ-উন-নবী ডন মন্তব্য করেছেন, এ সড়কটি রংপুর, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ এ সড়কটি ব্যবহার করেন। তাই আমরা চেষ্টা করবো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংস্কারকাজ শেষ করার।
তিনি আরও বলেন, কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে প্রকৌশল বিভাগ ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। নির্মাণকাজের মানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন