ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ময়মনসিংহে আলোচিত হত্যাপরাধ মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১০ জনকে যাবজ্জীবন


ময়মনসিংহে আলোচিত হত্যাপরাধ মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১০ জনকে যাবজ্জীবন

ময়মনসিংহের আলোচিত দলিল লেখক আবু জাকারিয়া মিন্টু হত্যা মামলায় আদালত দুই আসামির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। একই রায়ের আওতায় মামলার আরও ১০ আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে চলমান আইনি প্রক্রিয়া এবং সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণের পর বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে ময়মনসিংহের বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফারহানা ফেরদৌস এই রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ১০ আসামির প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, অনাদায়ে তাদের আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডেরও আদেশ দেওয়া হয়েছে বিচারকের পক্ষ থেকে।

আরও পড়ুন: বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার আপিলের চূড়ান্ত শুনানি ৮ ডিসেম্বর

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হচ্ছেন মো. ফরিদ খলিফা ও মো. মাসুদ মিয়া এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন আ. মতিন, আব্দুস ছামাদ, মো. মোসারফ হোসেন মোসা, মো. মোফাজ্জল হোসেন মোসা, মো. তোফাজ্জল হোসেন তোফা, মো. নাজমুল মিয়া, মো. মোকলেছুর রহমান, মো. শাহজাহান আকন্দ, মো. আতিকুল ও মো. সিদ্দিক মিয়া।

আদালত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত ১২ আসামির মধ্যে ১০ জন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মো. মাসুদ মিয়া এবং যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত মো. সিদ্দিক মিয়া বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণীতে প্রকাশ পায় যে, জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধের জেরে ২০১৩ সালের ১৪ আগস্ট ময়মনসিংহের ভালুকা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের দলিল লেখক আবু জাকারিয়া মিন্টুকে কুপিয়ে হত্যা করা হয় প্রতিপক্ষদের দ্বারা। হত্যাকাণ্ডের পরদিন ১৫ আগস্ট নিহতের স্ত্রী লতিফা খাতুন বাদী হয়ে ভালুকা থানায় ১৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন। দীর্ঘ ১৩ বছরের বিচারিক প্রক্রিয়া এবং ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণ ও জেরা পর্যালোচনা করার পর আদালত আজ এই রায় দিয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এবং স্পেশাল জজ আদালতের পিপি মো. আকরাম হোসেন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

আরও পড়ুন: সার ডিলার নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের ঘোষণা আইনমন্ত্রীর

এদিকে আদালতের এই রায়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী ও নিহতের স্বজনরা। তারা দাবি জানিয়েছেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার করে রায় কার্যকর করার।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নে সরকারের উদ্যোগ, জানালেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪২ পি.এম


বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নে সরকারের উদ্যোগ, জানালেন প্রধানমন্ত্রী

বর্তমান সরকার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক এবং পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করবে বলে জানিয়েছেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল ইসলামের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এমন তথ্য দিয়েছেন।

এদিনের সংসদ অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। প্রশ্নোত্তর পর্বের একপর্যায়ে ডেপুটি স্পিকারের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে সম্পূরক প্রশ্ন করেছেন কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম।

তিনি মন্তব্য করেন, অতীতে বিভিন্ন সময়ে দেখা গেছে, যে সকল লোক সরকারে থাকে, তারা দলীয় কিছু লোকদের মুক্তিযোদ্ধার তালিকাভুক্ত করে। আর যখন সরকার পরিবর্তন হয়ে নতুন সরকার আসে, তখন তারা সেই তালিকা থেকে কিছু ছাঁটাই বা বাছাই করে। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরেও কেন জাতি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা জানতে পারছে না, বর্তমান সরকারের প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্নিত করে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার তালিকা জাতির সামনে প্রকাশ করার কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা?

জবাব দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের গঠিত দল। তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন এবং মাঠে থেকে যুদ্ধ করেছেন। তদুপরি, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি দেশ পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি মনে এবং প্রাণে বিশ্বাস করে, মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রতি তাদের পবিত্র একটি দায়িত্ব রয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেছেন, দেশ স্বাধীনের পর সঠিক ও নিরপেক্ষ মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করা যাদের দায়িত্ব ছিল, তারা সেটি করেনি। এরপর বিভিন্ন সময়ে এই তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে নানা রকম সমস্যা তৈরি হয়েছে। তবে বর্তমানে সরকার বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কাজ করছে, যাতে একটি পূর্ণাঙ্গ এবং সঠিক মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রস্তুত করা যায়, সেই প্রচেষ্টায় রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোণায় ২৮ লাখ টাকার মাদকসহ কুখ্যাত মাদক কারবারির স্ত্রী আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪৪ পি.এম


নেত্রকোণায় ২৮ লাখ টাকার মাদকসহ কুখ্যাত মাদক কারবারির স্ত্রী আটক

নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় অভিযান পরিচালনা করে ৭ হাজার পিস অ্যামফিটামিনযুক্ত ইয়াবাসহ কুখ্যাত মাদক কারবারি জুয়েল মিয়ার স্ত্রী মরিয়ম বেগমকে (৩৬) আটক করেছে নেত্রকোণা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। জব্দকৃত মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২৮ লাখ টাকা।

বুধবার (১৫ জুলাই) বেলা ৩টার সময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. নাজমুল হক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে সকাল সাড়ে ৬টা থেকে সাড়ে ৭টার মধ্যে কেন্দুয়া উপজেলার সান্দিকোনা ইউনিয়নের হেনারগাতী বাজার অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

ডিএনসি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সহকারী পরিচালক মো. নাজমুল হকের নেতৃত্বে একটি বিশেষ রেইডিং টিম আঠারোবাড়ী-কেন্দুয়াগামী সড়কে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে যানবাহনে তল্লাশি শুরু করে। এ সময় আশেকানে হাওলাপুরী পরিবহনের একটি বাসে অভিযান পরিচালনার ফলে মরিয়ম বেগমকে আটক করা হয়। পরে তার কাছ থেকে স্কচটেপে মোড়ানো দুটি প্যাকেটে থাকা মোট ৭ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

অভিযান চলাকালে ইয়াবার পাশাপাশি একটি আইটেল বাটন মোবাইল ফোন এবং মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যে ৩ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ইয়াবা ও অন্যান্য আলামতের মোট বাজারমূল্য প্রায় ২৮ লাখ ১ হাজার ৫০০ টাকা বলে জানিয়েছে ডিএনসি।

আটক মরিয়ম বেগম নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার রয়েলবাড়ী ইউনিয়নের কান্দিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং কুখ্যাত মাদক কারবারি জুয়েল মিয়ার স্ত্রী হিসেবে পরিচিত।

এ ঘটনায় পরিদর্শক মো. আল-আমিন বাদী হয়ে কেন্দুয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

ডিএনসি নেত্রকোণার সহকারী পরিচালক মো. নাজমুল হক জানান, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক নির্মূলে আমাদের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বজ্রপাতে প্রাণ গেল ট্রলারচালক রুবেলের, দুই দিন পর উদ্ধার মর-দেহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪৭ পি.এম


বজ্রপাতে প্রাণ গেল ট্রলারচালক রুবেলের, দুই দিন পর উদ্ধার মর-দেহ

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে মাছ ধরার কাজে গিয়ে বজ্রপাতে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর ট্রলারচালক রুবেল হাওলাদারের (২৮) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে কুয়াকাটাসংলগ্ন চর গঙ্গামতি এলাকায় স্থানীয় জেলে ও স্বজনরা সাগরে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পেয়ে উদ্ধার করেন।

কুয়াকাটা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. মনিরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ খুঁজে পাওয়ার পর স্বজনরা জানালে পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে।

নিহত রুবেল হাওলাদার রাঙ্গাবালী উপজেলার বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের ১২ নম্বর ডিগ্রির মাঝগ্রাম এলাকার আবুল কালাম হাওলাদারের ছেলে। ট্রলারচালক রুবেল নিজ মালিকানাধীন মাছ ধরার ট্রলারের মাঝি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

এর আগে গত সোমবার (১৩ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে রাবনাবাদ চ্যানেলে পায়রা সমুদ্রবন্দরের তিন নম্বর বয়া সংলগ্ন গনির টেক এলাকায় মাছ ধরার সময় আকস্মিক বজ্রপাত হলে রুবেল ট্রলার থেকে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন। এ ঘটনার কারণে একই ট্রলারে থাকা আরও তিন জেলে আহত হন। পরে স্থানীয় জেলেরা আহতদের উদ্ধার করার কাজে নিয়োজিত হন, তবে রুবেলকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

রাঙ্গাবালী ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. খায়রুল হাসান ও বড়বাইশদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আবু জাফর জানান, কুয়াকাটার গঙ্গামতি এলাকা থেকে স্থানীয় জেলেরা মরদেহ উদ্ধার করে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর মরদেহকে নিজ এলাকায় নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

না–ফেরার দেশে রাবি অধ্যাপক শুভ্রা রানী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:১৬ পি.এম


না–ফেরার দেশে রাবি অধ্যাপক শুভ্রা রানী

হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. শুভ্রা রানী চন্দ (৬৩) মৃত্যুবরণ করেছেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে রাজশাহীর ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন। পৃথকভাবে শোকবার্তায় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলিম এবং উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদও শোক প্রকাশ করেছেন।

শোকবার্তায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অধ্যাপক শুভ্রা রানী চন্দের শিক্ষা ও গবেষণায় অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, অধ্যাপক শুভ্রা রানী চন্দ ১৯৮৬ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মার্কেটিং বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ২০১৮ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৯০ সালে তিনি মার্কেটিং বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন এবং ২০১৪ সালে অধ্যাপক পদে উন্নীত হন।

দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে তিনি বিভাগীয় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি আবাসিক হলের প্রাধ্যক্ষসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেছেন। শিক্ষা ও গবেষণায় তার উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন জার্নালে তার একাধিক গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।

মৃত্যুকালে তিনি স্বামী, এক পুত্র, এক কন্যাসহ অসংখ্য সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%