ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার জানাজায় অংশগ্রহণ শেষে দেশে ফিরেছেন স্পিকার


ইরানের সর্বোচ্চ নেতার জানাজায় অংশগ্রহণ শেষে দেশে ফিরেছেন স্পিকার

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশগ্রহণ শেষে দেশে ফিরেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। আজ রাত ১১টায় তিনি ঢাকায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

এর আগে, গত ২ জুলাই তেহরানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন স্পিকার। তিনি তেহরানে ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জন্য আয়োজিত রাষ্ট্রীয় জানাজা ও শেষকৃত্যানুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তেহরানের গ্র্যান্ড মসাল্লায় আয়োজিত ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ এ অনুষ্ঠানে নিহত আলী খামেনির বিদেহী আত্মার জন্য দোয়া করার পাশাপাশি স্পিকার ইরানের রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ উচ্চপদস্থ নেতৃবৃন্দের সাথে সাক্ষাৎ করে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষে শোকসন্তপ্ত ইরানি জাতির প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন ও শোকবার্তা পৌঁছে দেন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সম্প্রতি ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তি সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নে ইরানের স্পিকার গালিবাফের গঠনমূলক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন।
ইরানের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

উল্লেখ্য, আয়াতুল্লাহ খামেনি ১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি শাহাদাত বরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৯৯৯ নম্বরে ফোনকলে উদ্ধার করা হলো চোরাই মোটরসাইকেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৩ পি.এম


৯৯৯ নম্বরে ফোনকলে উদ্ধার করা হলো চোরাই মোটরসাইকেল

জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’ নম্বরে আসা একটি ফোনকলের সূত্র ধরে বাগেরহাটের ফকিরহাটে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা হয়েছে একটি চোরাই মোটরসাইকেল। এই অভিযানে পুলিশ চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে হেলাল শেখ (৩০) নামক এক যুবককে।

রোববার (৫ জুলাই) সকালে ফকিরহাট থানাধীন শ্যামবাগাত এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। গ্রেপ্তারকৃত হেলাল শেখ রামপাল থানার গৌরুবা (১নং ওয়ার্ড) গ্রামের মৃত মোছলেম শেখের ছেলে। তিনি বর্তমানে ফকিরহাটের শ্যামবাগাত এলাকায় বসবাস করছিলেন।

পুলিশের সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালে শ্যামবাগাত গ্রামের একজন বাসিন্দা ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ নম্বরে ফোন করে জানান যে, তাদের গ্রামের আজিম শেখের বাড়িতে এক ব্যক্তি একটি চোরাই মোটরসাইকেল রেখে গেছে। ৯৯৯-এর কলটেকার কনস্টেবল জাকির হোসেন কলটি রিসিভ করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি ফকিরহাট থানাকে অবহিত করেন।

পরবর্তীতে ৯৯৯-এর পুলিশ ডিসপাচার এএসআই উদয় কুমার ঘোষ কলার এবং সংশ্লিষ্ট থানার সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

সংবাদ পেয়ে ফকিরহাট থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে হাজির হয়। পরে স্থানীয় জনগণের সহায়তায় চোরাই মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয় এবং চুরির অভিযোগে হেলাল শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ফকিরহাট থানা পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং আটককৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঐতিহ্যের প্রতীক টমটম, অস্তিত্ব সংকটে পুরান ঢাকায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৮ পি.এম


ঐতিহ্যের প্রতীক টমটম, অস্তিত্ব সংকটে পুরান ঢাকায়

আধুনিক নগরজীবনে দ্রুতগতির যান্ত্রিক যানবাহনের ভিড়েও পুরান ঢাকার রাস্তায় এখনো দেখা মেলে দেড় শতকের ঐতিহ্য বহনকারী টমটম বা ঘোড়ার গাড়ির। একসময় এটি ছিল অভিজাতদের আভিজাত্যের প্রতীক এবং নগর পরিবহনের অন্যতম মাধ্যম। তবে সময়ের পরিবর্তনে বর্তমানে টমটম মূলত ঐতিহ্যের স্মারক হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিভিন্ন প্রয়োজনে যেমন দৌড়ানোর পরিমাণ কমে গেছে, তেমনি শখ, বিনোদন কিংবা বিশেষ আয়োজনের জন্য এখন এর ব্যবহার বেশি দেখা যায়।

বর্তমানে সদরঘাট-গুলিস্তান রুটেই টমটম চলাচলের মূল স্থান। কিন্তু যানজট এবং দ্রুতগতির গণপরিবহনের বিস্তার, ঘোড়া রক্ষণাবেক্ষণের ক্রমবর্ধমান ব্যয় এ ঐতিহ্যবাহী বাহনকে টিকিয়ে রাখা দিন দিন কঠিন করে তুলছে।

ইতিহাসবিদদের তথ্য অনুযায়ী, ব্রিটিশ শাসনামলে ১৮৫৬ সালের দিকে পুরান ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোড়ার গাড়ির প্রচলন শুরু হয়। সেসময় এই বাহনটি ‘ঠিকা গাড়ি’ নামে পরিচিত ছিল। নবাব, জমিদার ও অভিজাতরা মর্যাদার প্রতীক হিসেবে এই বাহনটি ব্যবহার করতেন, পাশাপাশি এটি ছিল পণ্য পরিবহনের একটি মাধ্যম। একসময় ঢাকা নগরীর অন্যতম গণপরিবহন হলেও আজ টমটম প্রায় বিলুপ্তির পথে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, একটি টমটম তৈরি করতে, কারুকাজ এবং দুটি ঘোড়া কিনতে প্রাথমিকভাবে প্রায় ২ থেকে ৩ লাখ টাকা ব্যয় হয়। অনেক ক্ষেত্রে খরচ আরো বেশি। একটি টমটমের মধ্যে সাধারণত ১০ থেকে ১২ জন যাত্রী বসতে পারেন। তবে যাত্রী নিয়ে পিচঢালা সড়কে গাড়ি টানতে ঘোড়াগুলোকে যথেষ্ট কষ্ট করতে হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক টমটম রক্ষণাবেক্ষণকারী সমকালকে জানিয়েছেন, একসময় ঢাকার বিভিন্ন রুটে প্রায় ৩৬০টি টমটম চলাচল করত। কিন্তু বর্তমানে সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ২৫ থেকে ২৬টিতে। প্রতিটি গাড়ির আলাদা নম্বর রয়েছে।

তিনি বলেন, 'ঘোড়ার খাবারসহ রক্ষণাবেক্ষণের খরচ অনেক বেড়ে গেছে। আগের মতো লাভ নেই। এখন ব্যবসার জন্য নয়, মূলত পূর্বপুরুষের ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্যই টমটম চালিয়ে যাচ্ছি।'

তার ভাষ্য, বর্তমানে সাধারণ যাত্রী পরিবহনের চেয়ে বিয়ে, সুন্নতে খাতনা, চলচ্চিত্র ও নাটকের শুটিংসহ বিভিন্ন আয়োজনেই টমটমের চাহিদা বেশি। এই ঐতিহ্য সংরক্ষণে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার দাবি জানান তিনি।

এক কোচোয়ান মিজান জানান, তারা মালিকের কাছ থেকে দৈনিক মজুরিতে টমটম চালান। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে ঘোড়ার খাবার, পরিচর্যা ও গাড়ি মেরামতের খরচ অনেক বেড়ে গেছে। কিন্তু সে তুলনায় তাদের আয় বৃদ্ধি পায়নি।

তিনি বলেন, 'প্রতিদিন ঘোড়ার খাবার, পরিচর্যা আর গাড়ি মেরামতেই অনেক খরচ হয়। মালিকেরা আমাদের বেতন বাড়াতে পারছেন না।' ঢাকার মতো ঘনবসতিপূর্ণ শহরে ঘোড়া রাখার জন্য পর্যাপ্ত আস্তাবলের অভাবও বড় সমস্যা বলে জানান তিনি।

রায়সাহেব বাজার এলাকায় হৃদয় বেগ নামের এক টমটম আরোহীর সঙ্গে কথা হয়। তিনি স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে শখের বশে টমটমে চড়তে এসেছেন। তিনি বলেন, 'রায়সাহেব বাজার থেকে গুলিস্তান পর্যন্ত বাসভাড়া মাত্র ১০ টাকা। কিন্তু টমটমে কয়েক গুণ বেশি ভাড়া দিতে হচ্ছে। তবুও সন্তানদের পুরান ঢাকার ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতেই এই অভিজ্ঞতা নিতে এসেছি।'

তবে টমটমকে ঘিরে ভিন্ন মতও রয়েছে। ধীরগতির এই বাহন অনেক সময় ব্যস্ত সময়ে যানজট বাড়ায় বলে অভিযোগ রয়েছে। তাছাড়া তীব্র হর্ন ও যান্ত্রিক কোলাহলে ঘোড়া নিয়ন্ত্রণ হারালে পথচারী ও অন্যান্য যানবাহনের জন্য ঝুঁকির সৃষ্টি হতে পারে।

পুরান ঢাকার প্রবীণ বাসিন্দা হাজী জলিল বলেছেন, 'টমটম আমাদের পুরান ঢাকার ঐতিহ্য। কিন্তু এখন এত যান্ত্রিক গাড়ির ভিড়ে এটি চলাচল করলে অনেক সময় যানজটও তৈরি হয়।'

ঐতিহ্য আর আধুনিক নগরবাস্তবতার টানাপোড়েনে টমটম আজ এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা ও পরিকল্পনা না থাকলে পুরান ঢাকার এই ঐতিহ্য হয়তো একসময় ইতিহাসের পাতাতেই সীমাবদ্ধ হয়ে যাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদেশি কর্মীদের বিষয়ে নিয়োগকর্তাদের কড়া বার্তা ইমিগ্রেশন পরিচালকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:০১ এম


বিদেশি কর্মীদের বিষয়ে নিয়োগকর্তাদের কড়া বার্তা ইমিগ্রেশন পরিচালকের

মালয়েশিয়ার তেরেঙ্গানু রাজ্যে বিদেশি কর্মীদের সুরক্ষার বিষয় নিয়ে নিয়োগকর্তাদের দায়িত্ব এবং আইনি বাধ্যবাধকতা নিয়ে ইমিগ্রেশন বিভাগের এক পডকাস্টে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানটি শুক্রবার (৩ জুলাই) অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে সঞ্চালক ফাজিলা রিজওয়ানের সাথে আলাপচারিতায় তেরেঙ্গানু রাজ্যের ইমিগ্রেশন পরিচালক মোহাম্মদ ইউসরি বিন মোহাম্মদ নর এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এবং সতর্কবার্তা তুলে ধরেন।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, অনেক নিয়োগকর্তা মনে করেন যে বিদেশি কর্মীদের জন্য কাজের অনুমতিপত্র (ওয়ার্ক পারমিট) পেয়ে গেলেই তাদের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায়, কিন্তু এটি সম্পূর্ণ একটি ভুল ধারণা। মূলত পারমিট পাওয়ার পর থেকেই নিয়োগকর্তাদের আসল দায়িত্ব শুরু হয়।

পরিচালক মোহাম্মদ ইউসরি যে বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করেছেন, তা হলো বিদেশি কর্মীরা মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশনের সব নিয়ম ও শর্তাবলী সঠিকভাবে মেনে চলছেন কি না, তা নিশ্চিত করার প্রধান দায়িত্ব হল সংশ্লিষ্ট নিয়োগকর্তার। ইমিগ্রেশন বিভাগের বিভিন্ন অভিযানে দেখা গেছে যে, অনেক নিয়োগকর্তা তাদের নিবন্ধিত কর্মীদের অন্য কোথাও খণ্ডকালীন (পার্ট-টাইম) কাজ করার অনুমতি দিচ্ছেন। উদাহরণস্বরূপ, দিনে নির্মাণ খাতে কাজ করা এবং রাতে অন্য পেশায় নিয়োজিত হওয়া, যা সম্পূর্ণ অবৈধ।

একইভাবে, এক কোম্পানির নামে আনা কর্মী অন্য বন্ধুর কোম্পানিতে ধার দেয়া বা কাজ করতে পাঠানোর মতো বেআইনি কর্মকাণ্ডও ধরা পড়ছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

আলোচনায় পরিচালক আরও উল্লেখ করেন, যদি কোনো বিদেশি কর্মী কর্মস্থল থেকে পালিয়ে যান বা নিখোঁজ হন, তবে তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি ইমিগ্রেশন বিভাগকে জানানো নিয়োগকর্তার আইনি কর্তব্য। অনেক সময় নিয়োগকর্তারা এই রিপোর্ট করেন না, যা পরবর্তীতে অভিযানে সেই কর্মী ধরা পড়লে নিয়োগকর্তাকে বড় ধরনের আইনি শাস্তির মুখে দাঁড় করিয়ে দেয়। মালয়েশিয়ার আইন ও শর্ত লঙ্ঘনের যেকোনো ঘটনায় নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সুতরাং, বিদেশি কর্মীদের দেখভালের বিষয়টি হালকাভাবে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিরপুর মডেল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৬ জন গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২৬ এম


মিরপুর মডেল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৬ জন গ্রেফতার

রাজধানীর মিরপুর মডেল থানা এলাকার বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে ডিএমপির মিরপুর মডেল থানা পুলিশ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৬ জনকে গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতারকৃতদের নাম হলো- ১। ডালিম মোল্যা (২২) ২। সুমন ইসলাম মাসুদ (২০) ৩। জিয়া (৩৪) ৪। আমিনুল ইসলাম (৫০) ৫। বুলবুল মিয়া (৩৫) ৬। মোঃ জাকির (৩৯) ৭। রাজু (২৭) ৮। মোঃ সোহেল রানা (২২) ৯। মোঃ রাজু (১৯) ১০। মোঃ আলামিন (২৬) ১১। মোঃ রফিকুল ইসলাম (৩০) ১২। মোঃ ইউসুফ (৫০) ১৩। শিহাব মোল্লা (২৩) ১৪। মোঃ সিরাজ (১৯) ১৫। মোঃ তৌহিদুল ইসলাম সজিব (২১) ১৬। মোঃ কামরুল ইসলাম (২৫) ১৭। মোঃ আলমগীর হোসেন (৪৫) ১৮। মিশর কুমার পাল (২৪) ১৯। মোঃ মাহফুজ (২০) ২০। মোঃ শাহীন ওরফ বাবু (২৪) ২১। মোঃ লিটন গাজী (৪৩) ২২। মোঃ রাহেল (২৪) ২৩। আপন হোসেন (২৬) ২৪। মোশারফ হোসেন মেহেদী (২৬) ২৫। আনোয়ার হোসেন চৌধুরী ও ২৬। মোঃ ইয়াছিন আহম্মেদ (২২)।

মিরপুর মডেল থানার সূত্রে জানা যায়, রবিবার (০৫ জুলাই) রবিবার, পুলিশ অত্র থানাধীন বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এবং বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৬ জনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে নিয়মিত মামলা ও বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত অপরাধীও রয়েছেন।

গ্রেফতারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%