ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কাপ্তাই লেকের পানি বৃদ্ধিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছে ২শ’ মেগাওয়াট


কাপ্তাই লেকের পানি বৃদ্ধিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছে ২শ’ মেগাওয়াট

গত কয়েকদিন ধরে চলা টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে জেলার কাপ্তাই লেকের পানি বৃদ্ধির ফলে, কাপ্তাই কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ৫টি ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২শ’ মেগাওয়াট।

বিষয়টি নিশ্চিত করে, আজ সোমবার বেলা ১১ টায় কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বাসস’কে জানান, গতকাল রোববার পর্যন্ত লেকের পানি ১শ’ ফুট মিন সি লেভেল এর নীচে অবস্থান করছিল। কিন্তু, আজ সোমবার সকালে লেকের পানি ১শ’ ফুট মিন সি লেভেল অতিক্রম করেছে। এটির ফলে, কাপ্তাই কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ৫টি ইউনিট হতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ২শ’ মেগাওয়াটের ঊর্ধ্বে চলে গেছে।

তিনি উল্লেখ করেন, আজ সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত কাপ্তাই লেকে পানির লেভেল ছিল ১০০.৬০ ফুট মিন সি লেভেল। যেখানে গতকাল রোববার রাত পর্যন্ত পানির লেভেল ছিল ৯৯.১৫ ফুট মিন সি লেভেল।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

এছাড়া, তিনি জানান, কেন্দ্রের ৫টি ইউনিট থেকে আজ সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ২শ’ ৬ মেগাওয়াট। যা চলতি বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

অন্যদিকে, কাপ্তাই কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের কন্ট্রোল রুমে দায়িত্বরত প্রকৌশলীদের সাথে যোগাযোগ করা হলে, তারা বাসস’কে জানান, আজ সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত কেন্দ্রের ১, ৩, ৪ এবং ৫ নং ইউনিটের প্রতিটি ইউনিট ৪০ মেগাওয়াট করে মোট ১শ’ ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। অন্যদিকে, ২ নং ইউনিট থেকে ৪৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। কেন্দ্রের ৫টি ইউনিটের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৪০ মেগাওয়াট।

গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণের কারণে কাপ্তাই লেকে পানি প্রবাহ বৃদ্ধির জন্য বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন বেড়েছে। পানি সংকটের কারণে, দীর্ঘ ৩ মাস ধরে সচল থাকলেও কেন্দ্রের ৫টি ইউনিট একসাথে চালু করা সম্ভব হয়নি।

তবে, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে এবং কাপ্তাই লেকের পানি বেড়ে গেলে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন অনেক বেশি হবে।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের কন্ট্রোল রুমের সূত্র জানিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে কাপ্তাই লেকে পানি বৃদ্ধির ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদনও বৃদ্ধি পেয়েছে।

সূত্র আরও জানায়, এসময় রুলকার্ভ অনুযায়ী লেকে পানি থাকার পরিমাণ ৯০ দশমিক ৩১ ফুট মীন সী লেভেল (এমএসএল) হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু বর্তমানে পানি আছে ৮৫ দশমিক ৪৪ ফুট এমএসএল। লেকে সর্বোচ্চ পানি ধারণের ক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল।

উল্লেখ্য, ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল থাকে। কাপ্তাই লেকে পানি বেড়ে গেলে যদি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৫টি ইউনিট একসাথে চালু থাকে, তাহলে ২৩০ থেকে ২৪২ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হয়।

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে পরিত্যক্ত গোডাউনে আগুন, ৫ লাখ টাকার সম্পদ উদ্ধার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনগণের প্রতি সেনাবাহিনীর আস্থা গভীর: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১৬ পি.এম


জনগণের প্রতি সেনাবাহিনীর আস্থা গভীর: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক এবং জনগণের প্রতি সেনাবাহিনীর আস্থা গভীর।

তিনি বলেছেন, 'জাতীয় সংকট মোকাবিলা, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী বারবার পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।'

আজ সকাল সাড়ে ১১টায় বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার পূর্ব রহমতপুর এলাকায় বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়া পরিদর্শনকালে এই কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় সেনাসদস্যদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কথা বলেন। তিনি জঙ্গলের ভেতরে দায়িত্ব পালনকারী সেনাসদস্যদের কাছে গিয়ে তাঁদের খোঁজখবর নেন এবং নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে উৎসাহ প্রদান করেন।

সেনাসদস্যদের শৃঙ্খলা, দক্ষতা, আত্মত্যাগ ও কর্তব্যনিষ্ঠা দেশের মানুষের মনে তাদের প্রতি বিশেষ মর্যাদা তৈরি করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'এই আস্থা ও মর্যাদা ধরে রাখতে পেশাদার প্রশিক্ষণ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখতে হবে। '

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমি এক সেনা পরিবারে বড় হয়েছি। তাই সেনাসদস্যদের কাছে এলে আমার ভীষণ ভালো লাগে। শৈশবের স্মৃতি মনে পড়ে যায়। '

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আগামী দিনে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বজুড়ে আরও সুনাম, মর্যাদা ও পেশাগত স্বীকৃতি অর্জন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, 'সেনাবাহিনীর সক্ষমতা, আধুনিকায়ন এবং সুনাম বৃদ্ধির জন্য সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে।'

এ সময় প্রধানমন্ত্রী পায়ে হেঁটে বিস্তীর্ণ জঙ্গলজুড়ে সেনাসদস্যদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি ঘুরে ঘুরে পরিদর্শন করেন।

মহড়া চলাকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্গম ও ঘন জঙ্গলের ভেতরে সেনাসদস্যদের অবস্থান গ্রহণ, চলাচল এবং বাস্তব যুদ্ধ পরিস্থিতির উপযোগী বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারা তাঁকে মহড়ার বিভিন্ন দিক এবং সেনাসদস্যদের কৌশলগত প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় শত্রুপক্ষের ড্রোন শনাক্ত ও প্রতিরোধে ব্যবহৃত অ্যান্টি-ড্রোন মাল্টি-ব্যারেল সিস্টেমের কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন। সংশ্লিষ্ট সেনা কর্মকর্তারা তাঁকে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কার্যপদ্ধতি ও যুদ্ধক্ষেত্রে এর ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা দেন।

একপর্যায়ে তিনি সেনাসদস্যদের সঙ্গে মাটিতে বসে কিছু সময় কাটান। তিনি তাঁদের প্রশিক্ষণ, দায়িত্ব ও মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার কথা শোনেন। মহড়ায় অংশগ্রহণকারী সেনাসদস্যদের জন্য যুদ্ধক্ষেত্রের পরিবেশে তাৎক্ষণিকভাবে প্রস্তুত করা খাবারও গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

কৌটার মধ্যে মোম জ্বালিয়ে তৈরি আগুনে রান্না করা সাদা ভাত, ডাল, আলুভর্তা, চিংড়ি মাছ ও ডিমের তরকারি পরিবেশন করা হয় প্রধানমন্ত্রীর জন্য।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত আখাউড়ার নিম্নাঞ্চল, বন্যার আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১৮ পি.এম


পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত আখাউড়ার নিম্নাঞ্চল, বন্যার আশঙ্কা

টানা বর্ষণ এবং ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বন্যা পরিস্থিতির সৃস্টি ঘটেছে। আকস্মিক এই পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য উপজেলা প্রশাসন ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) ভোর থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সঙ্গে সঙ্গে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মোগড়া, মনিয়ন্দ, দক্ষিণ ও ধরখার ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করেছে। সীমান্তবর্তী অনেক বাড়িঘর ইতোমধ্যে পানিতে তলিয়ে গেছে।

পাহাড়ি ঢলের পানিতে আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ও কাস্টমস হাউসে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলেও দাপ্তরিক কার্যক্রম স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে। এছাড়া আখাউড়া-আগরতলা স্থলবন্দর সড়কে এখনো পানি না উঠায় যান চলাচল এবং আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমও স্বাভাবিক রয়েছে।

তবে স্থলবন্দর এলাকার সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও আমদানি-রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কার্যালয়ে পানি ঢুকেছে। বন্দরের কয়েকটি খাবারের হোটেল এবং সীমান্তবর্তী অনেক বাড়িতেও বন্যার পানি প্রবেশ করেছে।

স্থলবন্দর সংলগ্ন কালন্দি খাল ও জাজি নদী দিয়ে ভারতীয় পাহাড়ি ঢলের পানি দ্রুত বাংলাদেশে প্রবেশ করায় পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ফলে আখাউড়া-আগরতলা সড়কের দুই পাশের কালিকাপুর, বীরচন্দ্রপুর, আবদুল্লাহপুর, বঙ্গেরচর, রহিমপুর, সাহেবনগর, আদমপুর, ভাটামাথা, চন্দ্রপুর, বাউতলা এবং কর্নেল বাজারসহ বিস্তীর্ণ এলাকাগুলি প্লাবিত হওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

এদিকে, হাওড়া নদীর বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কায় নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে।

আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া বলেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য উপজেলা প্রশাসন সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। বন্যাদুর্গত মানুষের আশ্রয়ের জন্য বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিশোরগঞ্জে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে যুবকের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৭ পি.এম


কিশোরগঞ্জে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে যুবকের মৃত্যু

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় ট্রেনে কাটা পড়ে এক যুবক মৃত্যু বরণ করেছেন।

সোমবার (১৩ জুলাই) ভোরে কিশোরগঞ্জ-ঢাকা রেলপথে কটিয়াদী উপজেলার রেলস্টেশনের নিকটে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত যুবকের নাম মাসুদ, তাঁর বয়স ৩৬ বছর। তিনি কটিয়াদী উপজেলার গচিহাটা এলাকার চাঁন মিয়ার পুত্র।

পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, মাসুদ রাতে বাড়ির পাশে অবস্থিত বিলে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। সকালে গচিহাটা স্টেশন এলাকায় রেললাইনের উপর কাটা অবস্থায় তার মৃতদেহ পাওয়া যায়।

গচিহাটা রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশনমাস্টার আরিফ হক ভূঁইয়া এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়রা ধারণা করছেন, অসাবধানতাবশত রেললাইনের ওপর ঘুমিয়ে পড়ার কারণে তিনি ট্রেনের নিচে কাটা পড়েছেন। পুলিশ নিহতের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে মর্গে পাঠিয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে ২৭ ঘণ্টায় রেকর্ড ১১০ মি.মি. বৃষ্টি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১০ পি.এম


রাজধানীতে ২৭ ঘণ্টায় রেকর্ড ১১০ মি.মি. বৃষ্টি

টানা বৃষ্টি হচ্ছে। কখনও ঝিরিঝিরি, কখনও ঝমঝমিয়ে। এর মাঝে মাঝে স্বল্প বিরতি দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে জানা যাচ্ছে, মূলত মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় ৫ জুলাই থেকে এই বৃষ্টি চলছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) পূর্বাভাস অনুসারে, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

ঢাকা মহানগরীর কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণে অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে।

২৪ ঘণ্টায় যদি কোনো এলাকায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়, তবে সেটিকে ভারী বর্ষণ বলা হয় এবং একই সময়ে যদি ৮৮ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হয়, তাহলে সেটিকে অতি ভারী বর্ষণ বিবেচনা করা হয়।

রোববার (১২ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৭ ঘণ্টায় ঢাকায় ১১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী। এর মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় (সকাল ৬টা পর্যন্ত) রেকর্ড হয়েছে ৯৭ মিলিমিটার।

আবহাওয়া পরিস্থিতি দেখাচ্ছে, মৌসুমি বায়ুর বর্ধিতাংশের অক্ষ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানিয়েছেন, ১৫ জুলাই পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের প্রবণতা তুলনামূলক কম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী ১৬ জুলাই থেকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আবারও বৃদ্ধি পেতে পারে।

তিনি আরও জানান, গত কয়েক দিনে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ২০০ থেকে ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়ে গেছে। বর্তমানে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে অর্ধেকে নেমে এসেছে। সেই সঙ্গে বৃষ্টিপাতের বলয় লক্ষ্মীপুর, ময়মনসিংহ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ফেনী বরাবর তরান্বিত হয়েছে এবং চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমে গেছে।

আজ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, সুনামগঞ্জ, সিলেট ও নেত্রকোণায় সুরমা, কুশিয়ারা ও সোমেশ্বরী নদী বিপৎসীমার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে।

সুনামগঞ্জের ছাতক পয়েন্টে সুরমা নদী ১৫ সেন্টিমিটার; কুশিয়ারা নদীর সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে ২৭ সেন্টিমিটার ও সুনামগঞ্জের মারকুলি পয়েন্টে ৭ সেন্টিমিটার এবং নেত্রকোণার কলমাকান্দা পয়েন্টে সোমেশ্বরী নদী বিপৎসীমার ৮ সেন্টিমিটার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে।

আরও কিছু পয়েন্টে বিপৎসীমার কাছে প্রবাহিত হচ্ছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, আগামী দুই দিনে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় সুরমা-কুশিয়ারা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্রে থাকা তথ্য অনুযায়ী, আগামী ২৪ ঘণ্টায় উজানে ভারত বর্ষের আসাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী মো. মাহমুদুল ইসলাম শোভন জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের যাদুকাটা, ভূগাই-কংস নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সময়ে বেড়েছে উত্তরাঞ্চলীয় রংপুর বিভাগের তিস্তা নদীর পানি সমতলও।

ধারণা করা হচ্ছে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার সারিগোয়াইন, যাদুকাটা, সোমেশ্বরী ও ভূগাই-কংস নদীর পানি বিপৎসীমার উপরে প্রবাহিত হতে পারে। এর ফলে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে।

তিনি জানান, এই সময়ে নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর ও কুড়িগ্রাম জেলায় তিস্তা নদী ও দুধকুমার নদের পানির সমতল বৃদ্ধি পেয়ে কিছু কিছু স্থানে বিপৎসীমা অতিক্রম করে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া, গাইবান্ধার তিস্তা নদী ও কুড়িগ্রামের ধরলা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলেও প্লাবিত হতে পারে।

আগামী ২৪ ঘণ্টায় বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি অব্যাহত থাকতে পারে, এ বিষয়ে জানান মাহমুদুল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%