ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাজধানীতে ডিএমপির নিয়মিত অভিযান, গ্রেপ্তার ৪২৮ জন


রাজধানীতে ডিএমপির নিয়মিত অভিযান, গ্রেপ্তার ৪২৮ জন

ঢাকা, ২৪ জুলাই, ২০২৬ : রাজধানী ঢাকায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪২৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৫০ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছে রমনা বিভাগ থেকে ২৮ জন, লালবাগ বিভাগ থেকে ৩৩ জন, ওয়ারী বিভাগ থেকে ৮৬ জন, মতিঝিল বিভাগ থেকে ৬৫ জন, তেজগাঁও বিভাগ থেকে ৪৫ জন, মিরপুর বিভাগ থেকে ৭০ জন, গুলশান বিভাগ থেকে ৩৯ জন এবং উত্তরা বিভাগ থেকে ৬২ জন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী আজ এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

এই অভিযানের সময় তাদের কাছে উদ্ধার করা হয়েছে ১৮ কেজি ২৫০ গ্রাম গাঁজা, ২ হাজার ১২০ টি ইয়াবা, ৩৫৩ বোতল কফ সিরাপ (ফেন্সিডিল), তিন গ্রাম হেরোইন, আটটি মোবাইল ফোন, একটি ক্যাপ, একটি ব্যাগ, একটি র্যাবের আইডি কার্ড, তিনটি ওয়াকিটকি, ১০ টাকার নোট দিয়ে তৈরি একটি ইয়াবা খাওয়ার পাইপ, একটি ইয়াবা সেবনের ফয়েল পেপার (গলিত আলামতযুক্ত), একটি কালো মাটির কলকি, একটি লোহার তৈরি ধারালো কাটার, এক টুকরা কাঠ এবং একটি গাড়ী।

রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ এই সমস্ত গ্রেফতার সম্পন্ন হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লংগদুতে অবৈধভাবে চাঁদা আদয়ের সময় একজন আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১০ পি.এম


লংগদুতে অবৈধভাবে চাঁদা আদয়ের সময় একজন আটক

রাঙামাটি, ২৩ জুলাই, ২০২৬ : জেলা লংগদু উপজেলাধীন বগাচতর ইউনিয়নের শিবের আগা এলাকায় অবৈধভাবে চাঁদা আদায়ের সময় স্থানীয় আঞ্চলিক সংগঠন জেএসএসের একজন সদস্যকে হাতেনাতে আটক করেছে রাজনগর ৩৭ বিজিবি।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তির নাম সুপেন চাকমা (২১)। তিনি রাঙ্গাচুলা চাকমার ছেলে। এ সময় তার কাছ থেকে চাঁদার নগদ টাকা, চাঁদা আদায়ের রশিদ এবং একটি দেশীয় একনালা বন্দুক উদ্ধার করা হয়।

অভিযানকালে তার সাথে থাকা শান্তি রঞ্জন চাকমা নামের অপর একজন সদস্য পালিয়ে গেছে।

এ বিষয়ে রাজনগর ৩৭ বিজিবির জোন কমান্ডার লে. কর্নেল তাসকিন বাসসকে জানান, অবৈধভাবে চাঁদা আদায়ের খবর পেয়ে বিজিবির একটি টিম অভিযান চালিয়ে একজনকে আটক করেছে।

তিনি বলেন, অত্র জোন এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। কোনো ধরনের চাঁদাবাজি, মাদক বা অন্যান্য অপরাধমূলক কার্যক্রমের সুযোগ দেওয়া হবে না। কঠোর হস্তে এসব দমন করা হবে। আটক ব্যক্তিকে সন্ধ্যায় লংগদু থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে লংগদু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) স্বরজিৎ দে বাসসকে জানান, পুলিশ আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে মামলা রুজু করেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতিসংঘের নেতৃত্ব নিতে লড়াইয়ে ৬ প্রার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১২ পি.এম


জাতিসংঘের নেতৃত্ব নিতে লড়াইয়ে ৬ প্রার্থী

ঢাকা, ২৪ জুলাই, ২০২৬ : জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ছয় জন প্রার্থী বৃহস্পতিবার একটি বিতর্কে অংশগ্রহণ করে, যেখানে তারা সংকটে থাকা সংস্থাটির বিশ্বাসযোগ্যতা পুনরুদ্ধার করা বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। আনুষ্ঠানিক নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরুর এক সপ্তাহ আগে এ বিতর্কটি আয়োজিত হয়।

জাতিসংঘ সদর দপ্তর থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, এখনও পর্যন্ত কোনো প্রার্থী স্পষ্টভাবে এগিয়ে যেতে পারেননি, যার কারণে নির্বাচনী প্রচারণায় তেমন গতি দেখা যাচ্ছে না। এ পরিস্থিতিতে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বিশাল কক্ষে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে কূটনীতিক, জাতিসংঘের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বিভিন্ন প্রশ্ন করে। অনুষ্ঠানটি সম্প্রচারে ব্লুমবার্গ সহযোগিতা করেছে।

মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের উত্তরসূরি হওয়ার জন্য যারা দৌড়ে আছেন তারা হলেন, চিলির মিশেল ব্যাচেলেট, ইকুয়েডরের মারিয়া ফার্নান্দা এস্পিনোসা, আর্জেন্টিনার রাফায়েল গ্রোসি, কোস্টারিকার রেবেকা গ্রিনস্প্যান, গায়ানার ক্যারোলিন রড্রিগেজ-বিরকেট এবং সেনেগালের ম্যাকি সাল। গুতেরেসের দ্বিতীয় মেয়াদ আগামী ৩১ ডিসেম্বর শেষ হতে যাচ্ছে।

বিতর্কে প্রতিটি প্রার্থী তাদের মহাসচিব হওয়ার যোগ্যতা তুলে ধরেন। তারা বৈশ্বিক সংঘাতের এই কঠিন সময়ে সংকট মোকাবিলা করার জন্য নিজেদের সক্ষমতা, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অভিজ্ঞতা এবং সব পক্ষের সঙ্গে সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার উল্লেখ করেন।

জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়নবিষয়ক সম্মেলনের (আঙ্কটাড) মহাসচিব রেবেকা গ্রিনস্প্যান বলেন, ‘পাঁচ বছর পর আমি চাই না কেউ আমাকে আবার জিজ্ঞেস করুক,‘জাতিসংঘ কোথায়?’ সেটিই হবে আমার সাফল্যের মানদণ্ড। আমি এমন একটি জাতিসংঘ দেখতে চাই, যা আবার সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে আলোচনার টেবিলে ফিরবে এবং মাঠপর্যায়ে ফল নিশ্চিত করবে।’

সেনেগালের সাবেক প্রেসিডেন্ট ম্যাকি সালও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম ১০০ দিনের মধ্যে তিনি জাতিসংঘের আস্থা পুনরুদ্ধারে কাজ করবেন এবং জাতিসংঘকে আরও দ্রুত, কার্যকর ও মানবপ্রধান করার পথে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। ‘জাতিসংঘ শুনবে, পদক্ষেপ নেবে এবং মানুষকে একত্র করবে।’

গায়ানার রাষ্ট্রদূত ক্যারোলিন রড্রিগেজ-বিরকেটও প্রতিশ্রুতি দেন যে, তিনি জাতিসংঘের কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন।

তিনি বলেন, ‘আমি এমন মহাসচিব হতে চাই, যিনি ইরান, হাইতি, সুদান অথবা কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র- যেখানেই সংকট হোক না কেন, উদ্যোগ নেব।’

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি সংঘাতের সময়ে জাতিসংঘের আরও সক্রিয় ভূমিকার পক্ষপাতি হন। তিনি জানান, যদি কোনো সদস্য রাষ্ট্র যুদ্ধ শুরু করে বা আগ্রাসন চালায়, তাহলে ‘এটি এতটাই গুরুতর বিষয় যে মহাসচিবের অবশ্যই এগিয়ে আসা উচিত।’

গ্রোসি বলেন, ‘আমাদের প্রথম কাজ হবে বৈধ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে জাতিসংঘের বিশ্বাসযোগ্যতা পুনরুদ্ধার করা। এরপর হাতে থাকা সব উপায় ব্যবহার করতে হবে।’

বর্তমানে জাতিসংঘ গভীর আর্থিক ও আস্থার সংকটের মধ্যে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন সংস্থাটির বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ব্যয়, অবৈধ সম্প্রসারণ এবং প্রত্যাশিত ফল দিতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ তুলেছে।

যুক্তরাষ্ট্র চায়, জাতিসংঘ শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার মূল দায়িত্বে আরও গুরুত্ব প্রদান করুক। তবে অন্যান্য বহু দেশ মনে করে, জাতিসংঘের দুই অপর ভিত্তি- মানবাধিকার ও উন্নয়ন সমান গুরুত্বপূর্ণ।

বেশিরভাগ প্রার্থীই জাতিসংঘকে আরও কার্যকর করার জন্য চলমান সংস্কার সবদিক থেকে অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে, বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় মহাসচিবের আরও সক্রিয় ভূমিকার ওপর জোর দেন।

আগামী ৩০ জুলাই নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্য জাতিসংঘের মহাসচিব পদের প্রার্থীদের প্রথম দফার গোপন ও নামবিহীন ভোট গ্রহণ করবেন।

এরপরে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও কয়েক দফা একই ধরনের ভোট হবে। কোনো প্রার্থীকে নির্বাচিত হতে হলে অন্তত নয়টি ভোট পেতে হবে। পাশাপাশি নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য দেশ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, ফ্রান্স ও রাশিয়া ভেটো ধারণ করে রাখতে পারবে।

নির্বাচিত প্রার্থীর নাম পরে আনুষ্ঠানিক নিয়োগের জন্য সাধারণ পরিষদে পাঠানো হবে। নতুন মহাসচিব ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

এএফপির সঙ্গে কথা বলা বিভিন্ন কূটনীতিক ফলাফল সম্পর্কে সতর্ক মন্তব্য করেছেন। তাদের মতে, অনেক দেশের রাজধানী এখনও এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের বিশ্লেষক রিচার্ড গোয়ান এএফপি’কে বলেন, ‘এখনও সবচেয়ে আলোচিত শীর্ষ প্রার্থী গ্রোসি। তবে তিনি নিশ্চিতভাবে এগিয়ে যেতে পারেননি। গ্রিনস্প্যান ও রড্রিগেজ-বিরকেটেরও উল্লেখযোগ্য সমর্থক রয়েছে।’

জাতিসংঘের বিভিন্ন মহল ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আরও কয়েকটি নামের আলোচনা চলছে। এর মধ্যে রয়েছে ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। নিউইয়র্ক পোস্ট-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাকে জাতিসংঘের নেতৃত্বে দেখতে চান।

সব সময় অনুসরণ না করলেও ভৌগোলিক রোটেশনের প্রচলিত রীতির কারণে, এবার লাতিন আমেরিকা এ পদটির দাবি জানিয়েছে। ম্যাকি সাল ছাড়া বাকি সব প্রার্থীই এ অঞ্চল থেকে এসেছেন।

এছাড়া, অনেক দেশ প্রথমবারের মতো একজন নারীকে জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে দেখতে চান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেপুটি স্পিকারের উদ্যোগে হৃদরোগে আক্রান্ত শিশুর সফল চিকিৎসা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৪ পি.এম


ডেপুটি স্পিকারের উদ্যোগে হৃদরোগে আক্রান্ত শিশুর সফল চিকিৎসা

নেত্রকোণা, ২৪ জুলাই, ২০২৬ : দুর্গাপুরে জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত দুই বছর বয়সী একটি শিশুর চিকিৎসার সামগ্রিক দায়িত্ব গ্রহণ করে তাকে সুস্থ করে তুলেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

ডেপুটি স্পিকার মহোদয়ের বিশেষ উদ্যোগ ও সহযোগিতার ফলস্বরূপ শিশুটির হৃদযন্ত্রে সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে শিশুটি সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যবধ ও পরিবারের সঙ্গে নিজ বাড়িতে ফিরে এসেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনের পূর্ব ও পরবর্তী সময়ে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল নিজ উদ্যোগে তার নির্বাচনী এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক প্রতিনিধি দলের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে অসহায় ও অসুস্থ মানুষের খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং তাদের নানা সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছেন।

এর ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি উপজেলার বিরিশিরি ইউনিয়নের সাগরদিঘী গ্রামের বাসিন্দা থিওফিল সাংমা ও মারিয়া নেংমীঞ্জ দম্পতির শিশু সেংনাম শিমনের অসুস্থতার খবর কায়সার কামাল জানতে পারেন। শিশুটি জন্ম থেকেই হৃদযন্ত্রের ছিদ্রজনিত জটিলতায় ভুগছিল, যা অর্থাভাবে তার পরিবারের পক্ষে বহন করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছিল।

খবর পাওয়ার পর ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও তার টিম শিশুটির উন্নত চিকিৎসার যাবতীয় দায়িত্ব গ্রহণ করেন। গত ১৮ জুলাই শিশুটিকে ঢাকার ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে ভর্তি করা হয়। সেখানে অভিজ্ঞ হৃদরোগ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তার জটিল অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

এদিকে শিশুটি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার পর তার পরিবারের সদস্যরা ও স্থানীয় বাসিন্দারা ডেপুটি স্পিকারের প্রতি তারা গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। ব্যারিস্টার কায়সার কামালের এই মহৎ উদ্যোগের জন্য এলাকার সাধারণ মানুষ তার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।

চিকিৎসা শেষে শিশুটি সুস্থ হওয়ায় ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি শুকরিয়া আদায় করেন এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও তার স্বেচ্ছাসেবক প্রতিনিধি দলের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

এ সময় তিনি উল্লেখ করেন যে, এলাকার সাধারণ ও অসহায় মানুষের সেবায় তাদের এই ধরনের সহায়তামূলক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ পেয়ে গেল সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্ক সুবিধা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৬ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ পেয়ে গেল সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্ক সুবিধা

ঢাকা, ২৪ জুলাই, ২০২৬ : বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের নতুন বাণিজ্যিক শুল্ক ব্যবস্থার আওতায় সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্কহার পেয়েছে। সুতরাং, এর ফলে চীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডসহ অন্যান্য প্রধান পোশাক রপ্তানিকারক দেশের তুলনায় মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

আজ শুক্রবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানায়, ১৯৭৪ সালের যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেড অ্যাক্টের ৩০১ ধারার আওতায় জোরপূর্বক শ্রম ব্যবহারের অভিযোগের তদন্ত শেষে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় (ইউএসটিআর) বিশ্বের ৮৬টি দেশের প্রতিনিধিত্বকারী ৬০টি অর্থনীতির জন্য নতুন শুল্কহার ঘোষণা করেছে।

২৩ জুলাই ঘোষিত এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ ওয়াশিংটন সময় রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে ১০ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত নতুন শুল্ক কার্যকর হয়েছে। এর মাধ্যমে ট্রেড অ্যাক্টের ১২২ ধারার আওতায় পূর্বে আরোপিত অস্থায়ী ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্কের পরিবর্তে ফলো করা নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হলো।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুসারে, বাংলাদেশ থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর বিদ্যমান মোস্ট ফেভার্ড নেশন (এমএফএন) শুল্কের সাথে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৮৬টি দেশের মধ্যে ১৭টি দেশ সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্ক স্তরে স্থান পেয়েছে। বাংলাদেশও এ তালিকায় থাকার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাকসহ সামগ্রিক রপ্তানি বাজারে দেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান অক্ষুণ্ন থাকবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী পোশাক রপ্তানিকারক দেশগুলো চীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক রাখা হয়েছে। এর ফলে এসব দেশের তুলনায় মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের তুলনামূলক সুবিধা আরো বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এদিকে, ইউএসটিআর বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার জন্য তিন বছর মেয়াদি ট্যারিফ-রেট কোটা (টিআরকিউ) চালুর বিষয়টি বিবেচনা করছে। এই ব্যবস্থা কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ও বস্ত্র উপকরণ ব্যবহার করে উৎপাদিত পণ্যের ক্ষেত্রে ৩০১ ধারার অতিরিক্ত শুল্ক মওকুফ করা হতে পারে।

যদি এটি বাস্তবায়িত হয়, তবে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা আরও একটি প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা লাভ করবেন। একই সঙ্গে, যুক্তরাষ্ট্রের বস্ত্র উপকরণের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে এটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, আন্তর্জাতিক শ্রমমান বজায় রাখা ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি খাতগুলোর টেকসই প্রবৃদ্ধি, নীতিমালা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ সরকার।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%