০৪:১২ এম
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পূর্বশত্রুতার কারণে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের একটি ঘটনা ঘটেছে। এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলার সময় ঢাকা-খুলনা ও ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে প্রায় এক ঘণ্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে। এই সময়ে স্থানীয় বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অন্তত ১০টি দোকানে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ভাঙ্গা উপজেলা সদরের দক্ষিণ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সংঘর্ষের সূচনা ঘটে।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পৌর এলাকার হাসামদিয়া ও কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে একটি বিরোধ চলছিল। এরই ফলে আজ রাতে তুচ্ছ একটি ঘটনা নিয়ে দুই গ্রামের লোকজন লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় জড়ো হয়। রাতের আঁধার কেটে যাওয়ার পর একপর্যায়ে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুই পক্ষ একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। প্রায় এক ঘণ্টা ব্যয় করার পর রাত সাড়ে ৯টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং মহাসড়কে যানবাহন চলাচল আবারও স্বাভাবিক হয়।
সংঘর্ষে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে সুমন নামের একজন যুবকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য পরিবারের সদস্যরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা
এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘পূর্বশত্রুতার জের ধরে দুই গ্রামের মানুষের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়েছে। খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। স্হায়ীভাবে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকলেও এখন তা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক।’
ওসি আরো জানান, পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে এবং ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এই ঘটনায় বর্তমানে কোনো পক্ষ থেকেই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন