ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

টিভিইটি গ্র্যাজুয়েটদের কর্মসংস্থানে ৭ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি


টিভিইটি গ্র্যাজুয়েটদের কর্মসংস্থানে ৭ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি

বাংলাদেশে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা যুবকদের শিল্পখাতের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং টেকসই কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তিটি দেশের শীর্ষস্থানীয় সাতটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে।

রোববার (১২ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এডুকো বাংলাদেশের সহায়তায় ইএসডিও কর্তৃক বাস্তবায়িত ‘লিভারেজিং ইয়ুথ এমপ্লয়মেন্ট ইন বাংলাদেশ থ্রু ইমপ্রুভিং দেয়ার এমপ্লয়বিলিটি অ্যান্ড কম্পিটিটিভনেস টু ফিট উইথ দ্য ২১স্ট সেঞ্চুরি জব মার্কেট (লিফট) প্রকল্পের অধীনে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই অনুষ্ঠানে ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা শাখার প্রধান শাহরিয়ার মাহমুদ সভাপতিত্ব করেন। এখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এডুকেশন অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এডুকো) বাংলাদেশের শিশু শ্রম নিরসন বিভাগের ব্যবস্থাপক আফজাল কবির খান।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

লিফট প্রকল্পটি চোরোগউসান ফর চিলড্রেনের অর্থায়নে এবং এডুকো’র কারিগরি সহায়তায় বাস্তবায়ন করছে ইএসডিও। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হচ্ছে সুবিধাবঞ্চিত যুবকদের বাজার-চাহিদাভিত্তিক কারিগরি প্রশিক্ষণ, জীবন দক্ষতা উন্নয়ন, ক্যারিয়ার গাইডেন্স এবং বেসরকারি খাতের সঙ্গে শক্তিশালী কর্মসংস্থানের সংযোগ তৈরি করা।

জানানো হয়, অনুষ্ঠানে যে সাতটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়, সেগুলো হলো—আজিজ এয়ার সার্ভিসেস লিমিটেড, ড্রিম পাওয়ার বাংলাদেশ, প্রাণ গ্রুপ, মেটাল ফেয়ার্স, নাভানা সিএনজি, হোটেল সারিনা ঢাকা এবং আমারি ঢাকা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রকল্পের লক্ষ্য ও প্রধান অর্জনগুলো তুলে ধরে আফজাল কবির খান বলেন, এই উদ্যোগের লক্ষ্য হচ্ছে সুবিধাবঞ্চিত যুবকদের বাজার-চাহিদাভিত্তিক প্রযুক্তিগত দক্ষতায় দক্ষ করে তোলা। এটা মানসম্মত কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত তাদের শোভন কর্মসংস্থান এবং টেকসই জীবিকার দিকে নিয়ে যাবে।

সভাপতির বক্তব্যে ইএসডিও’র কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা প্রধান শাহরিয়ার মাহমুদ বলেন, প্রকল্পের প্রশিক্ষণ পাঠ্যক্রমটি শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে নিবিড়ভাবে মিল রেখে তৈরি করা হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, গ্র্যাজুয়েটরা যাতে প্রাসঙ্গিক যোগ্যতা অর্জন করতে পারে এবং শোভন কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়, তা নিশ্চিত করতে ইএসডিও ক্রমাগত নিয়োগকর্তাদের কাছ থেকে পাওয়া প্রতিক্রিয়া এবং উদীয়মান দক্ষতার চাহিদাকে পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করে থাকে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

অনুষ্ঠানে জিনজিয়াং হসপিটালিটি ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন ব্যবস্থাপক তানভীর আনোয়ার পনি ৭২০ ঘণ্টার শিল্প-ভিত্তিক প্রশিক্ষণ মডেলের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ প্রশিক্ষণার্থীদের এমন যোগ্যতা অর্জনে সক্ষম করে তোলে, যা শিল্পের মানদণ্ড পূরণ করতে এবং কর্মক্ষেত্রে কার্যকরভাবে কাজ সম্পাদনে অত্যন্ত প্রয়োজন।

বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিত্ব করে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের মানবসম্পদ বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক সুদীপ্ত দেবনাথ অন্তু বিদ্যুৎ এবং রেফ্রিজারেশন ও এয়ার কন্ডিশনিং ট্রেডের গ্র্যাজুয়েটদের নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে তাদের কোম্পানির ধারাবাহিক আগ্রহের কথা প্রকাশ করেন। তিনি এডুকো লিফট প্রকল্পের সঙ্গে সফল সহযোগিতার প্রশংসা করেন এবং শিল্পের কর্মসংস্থানের জন্য এই প্রকল্পের গ্র্যাজুয়েটদের গুণগত মান ও প্রস্তুতির কথা স্বীকার করেন।

সম্পূর্ণ অনুষ্ঠান পরিচালনায় আয়োজকরা জানান, এই অংশীদারিত্বের ফলে ইন্টার্নশিপ, শিল্প সংযুক্তি, কর্মক্ষেত্রের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও সরাসরি নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কারিগরি গ্র্যাজুয়েটদের কর্মসংস্থানের পথ সুগম হবে।

এ ছাড়া, অনুষ্ঠানে সরকারি সংস্থা, শিল্পখাত, নিয়োগকর্তা, কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, প্রকল্প অংশীদার এবং কারিগরি শিক্ষা সম্পন্ন করা যুব প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। চুক্তি স্বাক্ষরের আগে লিফট প্রকল্পের অর্জন ও অগ্রগতি নিয়ে একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন এবং গ্র্যাজুয়েটদের অভিজ্ঞতা বিনিময় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে বন্যার্তদের মাঝে ছাত্রদলের ত্রাণসামগ্রী বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪২ পি.এম


চট্টগ্রামে বন্যার্তদের মাঝে ছাত্রদলের ত্রাণসামগ্রী বিতরণ

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার কাথারিয়া ইউনিয়নে বন্যাদুর্গত প্রায় এক হাজার সাধারণ মানুষের মাঝে রোববার (১২ জুলাই) বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ করেছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি এবং মেডিকেল টিমের প্রধান সমন্বয়ক ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়ালের নেতৃত্বে একটি বিশেষায়িত মেডিকেল টিম।

তাদের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় ৫০টি পরিবারের প্রয়োজন অনুযায়ী ১০ দিনের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এসময় ডা. আউয়াল বলেন, বিএনপির রাজনীতিই হচ্ছে জনগণের জন্য। বন্যার সাথে সাথেই প্রধানমন্ত্রী ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা নগদ অর্থ ও ৩ হাজার ৪৫০ টন চালের ব্যবস্থা করেছেন। প্রায় এক হাজার আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে এবং উদ্ধার কাজও চলছে দ্রুত গতিতে। বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা উপলব্ধ করতে ঢাকা থেকে এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ছাত্রদলের নেতারা এই কাথারিয়া ইউনিয়নের কাথারিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা প্রায় দশ হাজার খাবারের স্যালাইন ও বন্যাবাহিত রোগের ওষুধ বিনামূল্যে বিতরণের জন্য নিয়ে এসেছি। সেইসাথে দীর্ঘমেয়াদী রোগের চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ১৯৯১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যেভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করেন; ঠিক এবারও সফলভাবে জান-মাল রক্ষা করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমেদ শিহাব, ডা. খোন্দকার সিফাত-উল হক, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ছাত্রদল সভাপতি ডা. হাসিবুল হাসিব, সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. শাফায়েত হোসেন শিশির, সিনিয়র সভাপতি ডা. ইরফানুর রহমান জিশান, সহ সভাপতি ডা. তানভীর আহমেদ শাকিল, ডা. জামান মো. নুরশাদ, শোয়াইব সিফাত, মো. শাহজাদা, আসিফ হাসান নিয়ন, আবু তাসিন সামি, নাদিম সামি, নাজমুল হাসান, দিবাকর রায় দীপ্ত, বিজিসি ট্রাস্ট মেডিকেল কলেজ ছাত্রদল সভাপতি আরাফাতুল ইসলাম মিজবাহ, যশোর মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. সালাউদ্দিন স্বপন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সবুর, ফরহাদুল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা সুলতান মাহমুদ, রাকিবুল ইসলাম রাফি সহ অন্যান্যরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিরোধ দিবস’ উদযাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ পি.এম


কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিরোধ দিবস’ উদযাপন

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ‘প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে একটি আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে থাকে।

এই অনুষ্ঠানটি রোববার (১২ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে আহত ৩৫ জন শিক্ষার্থী, পাঁচজন সাংবাদিক, আন্দোলনে সহায়তাকারী আটজন স্থানীয় ব্যক্তি এবং অংশগ্রহণকারী আরও ২১ জন শিক্ষার্থীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

‘প্রতিরোধ দিবস’ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সদস্য ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস। প্রধান অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাকিম, বিভিন্ন অনুষদের ডিন এবং অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান উল্লেখ করেন, ইতিহাসে অন্যায়, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিটি আন্দোলনে ছাত্রসমাজ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে এসেছে। রাষ্ট্র গঠনের দায়িত্ব সবার। আমরা একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে ন্যায় ও মানবতার মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হবে এবং আগামী প্রজন্ম গর্ব করে এ দেশকে নিজেদের বলতে পারবে। তরুণরাই আগামী দিনের নীতিনির্ধারক।

অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, ২০২৪ সালের আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ১১ জুলাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় দিন। এ দিনে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সাহস, আত্মত্যাগ ও দৃঢ়তার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। ইতিহাস শুধুমাত্র আমাদের অতীতের কথা মনে করিয়ে দেয় না, বরং ইতিহাস আমাদের ভবিষ্যতের পথও নির্দেশ করে। প্রতিরোধের প্রকৃত শিক্ষা হচ্ছে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসী হওয়া, প্রতিহত করা, সত্যের পথে অবিচল থাকা এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা।

অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, প্রশাসনের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম সিন্ডিকেট সভাতেই ১১ জুলাইকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যালেন্ডারে ‘প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আমি আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয় যুগ যুগ ধরে এ দিনটিকে ধারণ করবে। আমাদের শিক্ষার্থীরা শান্ত ও নম্র হলেও সময়ের প্রয়োজনে প্রতিবাদী, প্রতিরোধী এবং বিজয়ী। ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে তারা প্রমাণ করেছে, দায়িত্ব পালনের সময় এলে তারা সাহসিকতার সঙ্গে নিজেদের ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

অনুষ্ঠানের মুখ্য আলোচক ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস বলেন, প্রতিরোধ দিবসের সঙ্গে সম্পৃক্ত শিক্ষার্থী, শিক্ষক, প্রশাসনের সদস্য, শ্রমিক, ব্যবসায়ীসহ সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার সদস্যদের আমি আন্তরিক সম্মান জানাচ্ছি। তাদের সম্মিলিত অংশগ্রহণই এই আন্দোলনকে শক্তিশালী করেছে। ১১ জুলাইয়ের আন্দোলনের সূচনার কারণের পাশাপাশি কেন এ দিনটিকে প্রতিরোধ দিবস হিসেবে স্মরণ করা হচ্ছে সেটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, এই আন্দোলনের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল ছাত্রসমাজের সাহস, ঐক্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান। সেই সময় মায়েদের সাহসী উপস্থিতি এবং ভাইদের ছাত্রীদের সুরক্ষায় মানবপ্রাচীর গড়ে তোলা, সবার পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও সম্প্রীতির বন্ধনই এই প্রতিরোধকে সফল করে তুলেছিল।

অনুষ্ঠনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, ১১ জুলাই ‘প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচি সফল করার জন্য সহযোগিতা করা সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। বিশেষ করে মুখ্য আলোচনা, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, ডিনবৃন্দ, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং অনুষ্ঠানের বাস্তবায়নে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১১ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর সংঘটিত পুলিশি হামলার প্রতিবাদ এবং তাদের ঐতিহাসিক প্রতিরোধকে স্মরণীয় করে রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সিন্ডিকেটের ১১০তম সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে ১১ জুলাইকে ‘প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কানে তুলা, হাতে থালা-চামচ নিয়ে শব্দদূষণের প্রতিবাদ জানালেন কলেজশিক্ষক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৮ পি.এম


কানে তুলা, হাতে থালা-চামচ নিয়ে শব্দদূষণের প্রতিবাদ জানালেন কলেজশিক্ষক

শব্দদূষণের প্রতিবাদ জানাতে কলেজশিক্ষক নুরুজ্জামান কানে তুলা ও হাতে থালা-চামচ বাজিয়ে প্রতিবাদ করেন।

আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নালিতাবাড়ী শহরে এই কর্মসূচি প্রায় ১০ মিনিট ধরে পালন করেছেন।

নুরুজ্জামান নালিতাবাড়ী শহরের হাজী নুরুল হক নন্নী পোড়াগাঁও মৈত্রী কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে কাজ করছেন। কর্মসূচি চলাকালীন তিনি ‘শব্দদূষণ বন্ধ চাই, নিরাপদ পৃথিবী চাই’ লেখা একটি ব্যানার ধারণ করেছিলেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে আবারও থালা-চামচ বাজিয়ে তিনি শব্দদূষণ রোধের দাবি করলেন।

শিক্ষক নুরুজ্জামান মন্তব্য করেন– বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে যেমন, বিয়ে ও খতনার সময়ে গভীর রাত পর্যন্ত উচ্চ শব্দে মাইক ও ডিজে সাউন্ড বাজানো হয়ে থাকে। এই কারণে শিক্ষার্থী, রোগী, এবং বয়স্কসহ সাধারণ মানুষের ভোগান্তি হচ্ছে। চলমান এইচএসসি পরীক্ষার সময়েও উচ্চ শব্দে সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহারে পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটছে। শব্দদূষণ মানুষের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তিনি এই বিষয়ে প্রশাসনকে আইন প্রয়োগে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কর্মসূচি এর শুরুতে নুরুজ্জামান একাই করছেন, তবে পরে কিছু পথচারী ও স্থানীয় ব্যবসায়ী তার সঙ্গে যোগ দেন এবং সংহতি প্রকাশ করেন। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘকাল ধরে রাত পর্যন্ত উচ্চ শব্দে মাইক ও সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহারের ফলে তারা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

কর্মসূচি শেষে শিক্ষক নুরুজ্জামান শব্দদূষণ রোধে ছয় দফা সুপারিশ সংবলিত একটি স্মারকলিপি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে জমা দেন। স্মারকলিপির মধ্যে রাত ১০টার পরে উচ্চ শব্দে মাইক বাজানো বন্ধ করার, আবাসিক এলাকা ‘সাইলেন্স জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করার, ডেকোরেটর ও সাউন্ড সিস্টেম ব্যবসায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার এবং নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার দাবি রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল মালেক বলেন, স্মারকলিপিটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি খুব গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জমির বিরোধে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫০ পি.এম


জমির বিরোধে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার চরাঞ্চলে বিরোধপূর্ণ জমিতে ঘর নির্মাণের সময় হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন।

আজ রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তিন দফায় আধারা ইউনিয়নের মিজিকান্দি গ্রামে বোরহান উদ্দিন মিজি ও সরাফত আলী সরকারের পক্ষের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষ চলাকালে সরাফত আলী সরকারের পক্ষের লোকজন অস্ত্রের মহড়া দেন এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানোর ফলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং সেখানে একাধিক ককটেল, একনালা বন্দুক ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে। আবারও সংঘর্ষের সম্ভাবনা থাকায় ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আহতদের মধ্যে বোরহান মিজি পক্ষের জাহাঙ্গীর মিজি, শরিফ মিজি, আরিফ মিজি, কবির মিজি, শেফালী বেগম ও পপি বেগম রয়েছেন। সরাফত আলী সরকারের পক্ষের আহতরা হলেন আলমগীর বেপারী, রবিন, দুলাল, সাব্বির বেপারী, আক্তার বেপারী ও দিলা দেওয়ান। তাদের মধ্যে জাহাঙ্গীর, রবিন এবং দুলালকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।

এই ঘটনায় উভয় পক্ষই রোববার সন্ধ্যায় সদর থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযোগের তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গ্রামবাসীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বোরহান মিজি পক্ষ ও সরাফত আলী সরকারের পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছে। রবিবার সকালে বোরহান মিজি ও তার গং বিরোধপূর্ণ জমিতে ঘর নির্মাণের করেন। এই সময় সরাফতের পক্ষের লোকেরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বোরহান মিজিদের ওপর হামলা চালায়। বোরহান মিজির লোকজন প্রতিরোধ করার চেষ্টা করলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। সংঘর্ষে আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রুহুল আমীন বলেন, দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ১টার মধ্যে ৫ থেকে ৭ জন আহত ব্যক্তি হাসপাতালে আসেন। তাদের শরীর ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন খুঁজে পাওয়া গেছে। তিনজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বোরহান মিজির ছেলে শরিফ মিজি জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে তাদের বসতভিটা দখল করতে সরাফত সরকার গং হামলা, মামলা ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিল। রবিবার সকালে নিজেদের জায়গায় ঘর নির্মাণের সময় সরাফত সরকার পাশের গ্রামের আলমগীর ও দিলাদের ভাড়া করে এনে হামলা চালায়। তারা বন্দুক দিয়ে গুলি করে এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। তার ভাই জাহাঙ্গীর মিজিকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে সেখানেও হামলা হয়ে তার প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে যেতে হয়। তিনি বলেন, ‘আমরা আহত হয়েছি সেই খবর পেয়ে ছোট ভাই রাজীব মিজি ঘটনাস্থলে এলে তাকেও পুলিশ আটক করে নিয়ে যায়। এখন আমরা সরাফত গংদের ভয়ে এলাকায়ও যেতে পারছি না।’

অভিযোগের বিষয়ে সরাফত আলী সরকারের মতামত, তারা কারও ওপর হামলা করেননি। বরং দাবি করেন যে বোরহানরাই তাদের ওপর হামলা করেছেন এবং তাদের রেকর্ডভুক্ত জমি দখল করার চেষ্টা করছিলেন। রবিবার সকালে জমির গাছপালা কেটে জোর করে দখল করতে গেলে তাদের বাধা দেয়া হয়। তখন বোরহান মিজির লোকজন হামলা করে।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তছলিম উদ্দিন বলেন, ঘটনাস্থল থেকে কয়েকটি ককটেল ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। উভয়পক্ষের লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%