ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জুলাই যোদ্ধারা মিষ্টি বিতরণ করল ইউএনও বদলির খবরে


জুলাই যোদ্ধারা মিষ্টি বিতরণ করল ইউএনও বদলির খবরে

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ এম খোদাদাদ হোসেনের বদলির খবরে জুলাই যোদ্ধারা মিষ্টি বিতরণ করেন।

রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে উপজেলা পরিষদ গেটের সামনে জনসাধারণের মাঝে মিষ্টি বিতরণ ও আনন্দ-উল্লাস করতে দেখা গেছে তাদের। এ সময়, জুলাই যোদ্ধাদের অসম্মানসহ নানা অভিযোগ নিয়ে আলোচনা করেন মিষ্টি বিতরণকারীরা।

জানা গেছে, গত ১৬ জুলাই উপজেলা পরিষদ হলরুমে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় স্থানীয় জুলাই যোদ্ধাদের ডেকে নিয়ে তাদের বসতে দেয়া হয়নি। এই ঘটনায় উপজেলার জুড়ে সমালোচনার সৃষ্টি হয়। জুলাই যোদ্ধারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে দিলে তা ব্যাপক ভাইরাল হয়ে যায়।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

বুধবার (১৬ জুলাই) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ নূর-এ আলম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে চার্জ অফিসার জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস ফরিদপুরে বদলি করা হয়। রোববার উপজেলায় বিষয়টি জানাজানি হলে মিষ্টি বিতরণ শুরু হয়।

জাতীয় যুবশক্তির উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন কমিটির উপজেলার মুখ্য সংগঠক মোবাশ্বের মীম বলেন, এই ইউএনও যোগদানের পর থেকে উপজেলার উন্নয়ন কাজ স্থবির হয়ে যায়। তিনি প্রতি কার্যদিবসে দুপুর ১টার পরে অফিসে থাকেন না। ফলস্বরূপ, অসংখ্য মানুষ তাদের প্রয়োজনীয় কাজ করতে এসে হয়রানির শিকার হচ্ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে আমরা কথা বলেছিলাম। পরে গত ১৬ তারিখে জুলাই শহিদ দিবসে তিনি আমাদেরকে অফিসে ডেকে নেন। এ সময় তিনি আমাদের বসতে না দিয়ে আমাদের অসম্মান করেন।

এ ঘটনার পর সাবেক বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের উপজেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক সানাউল কবির সাদ তার ফেসবুক আইডিতে অভিযোগ করে লেখেন, ‘জুলাই যোদ্ধাদের ডাকার নামে অদ্ভুত নাটক করে প্রশাসন। নাগেশ্বরীর শতশত জুলাই যোদ্ধাদের উপেক্ষা করার সাহস প্রশাসন কোথা থেকে পায়।’ এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

৩৫ বিসিএস-এর কর্মকর্তা এইচ এম খোদাদাদ হোসেন চলতি বছরের ১২ মে নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকে, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে একইসঙ্গে পৌরসভার কার্যালয়ে সঠিক সময়ে অফিস না করা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, পৌরসভার অন্যান্য কর্মচারী ও উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে অসদাচরণ, এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণে অব্যবস্থাপনা, বন্যায় বানবাসীদের জন্য বরাদ্দকৃত জিআর এর ৩০ মেট্রিকটন চাল বিতরণ না করাসহ নানা অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাবেক মন্ত্রীর ফ্ল্যাটে বিলাসী জীবনযাপনের নানা সামগ্রী উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৬ পি.এম


সাবেক মন্ত্রীর ফ্ল্যাটে বিলাসী জীবনযাপনের নানা সামগ্রী উদ্ধার

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের গুলশানের দুটি ফ্ল্যাটে আদালতের নির্দেশে অভিযান পরিচালনা করেছে। এই অভিযানের পর, তারা ওই দুই ফ্ল্যাটের মালামালের তালিকা (ইনভেন্টরি) তৈরির কাজ শুরু করেছে।

প্রথম দিনের ইনভেন্টরির ফলাফলে ৩০০টি কোট, ৫৩২টি টাই, রোলেক্সের ঘড়ির বক্স, মার্সিডিজ বেঞ্জসহ মোট ৮টি বিলাসবহুল গাড়ির চাবির তথ্য উন্মোচিত হয়। মুক্তার গহনা, ঝাড়বাতি সহ বিপুল পরিমাণ বিলাসবহুল সামগ্ৰীর তথ্যও উঠে এসেছে। উদ্ধার হয়েছে একটি রোলেক্স ঘড়ির ওয়ারেন্টি কার্ডও, যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ২১ লাখ টাকা।

রোববার (১৯ জুলাই) সকালে ১০টা সাড়ে ১০ মিনিটের দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে গুলশান-২-এর ৬৬ নম্বর সড়কে অবস্থিত ফ্ল্যাট দুটিতে প্রবেশ করে দুদক কর্মকর্তারা। তাদের সঙ্গে এ সময় পুলিশ সদস্যরাও ছিলেন।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপ-পরিচালক আখতারুল ইসলাম জানিয়েছেন, আদালতের অনুমতি নিয়ে দুদকের উপ-পরিচালক মো. মশিউর রহমানের নেতৃত্বে একটি যৌথ দল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ফ্ল্যাটে মালামালের ইনভেন্টরি তৈরির কাজ করছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ফ্ল্যাট দুটি দুদকের নিযুক্ত রিসিভারের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

দুদকের উপ-পরিচালক মো. মশিউর রহমান বলেন, অভিযানের প্রথম দিনে দুই ফ্ল্যাট থেকে প্রায় ৩০০টি কোট, ৫৩২টি টাই, রোলেক্সের চারটিসহ মোট আটটি ঘড়ির বক্স, তিন সেট মুক্তার গহনা, চারটি ঝাড়বাতি, বেড, সোফা এবং প্রায় ১০০ সেট কামিজের তালিকা করা হয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামীকাল সোমবারও ইনভেন্টরির কাজ চলবে। এরপরই সব মালামালের চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হবে।

অভিযান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রায় সাড়ে সাত হাজার বর্গফুট জায়গার দুটি ফ্ল্যাট আদালতের ক্রোক আদেশ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দখলে নেওয়া হচ্ছে। এজন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও গুলশান থানা পুলিশের উপস্থিতিতে বন্ধ ফ্ল্যাট দুটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করা হয়। দুদকের দাবি, ফ্ল্যাটে মার্সিডিজ বেঞ্জসহ আটটি বিলাসবহুল গাড়ির চাবি এবং দুর্নীতির নানা আলামত উদ্ধার হয়েছে। তবে বহু মূল্যবান মালামাল আগেই সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে সংস্থাটি ধারণা করছে।

অভিযানের সময় একটি বিলাসবহুল রোলেক্স ঘড়ির ওয়ারেন্টি কার্ডও উদ্ধার করা হয়। কার্ডের তথ্য অনুযায়ী, ঘড়িটি ১৮ ক্যারেট হোয়াইট গোল্ডের রোলেক্স সেলিনি (মডেল-৫০৫১৯)। এটি ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারি লন্ডনের বিখ্যাত ডিপার্টমেন্টাল স্টোর হ্যার্ডস থেকে কেনা হয়। ওয়ারেন্টি কার্ডে ঘড়ির মালিকের নাম, মডেল নম্বর এবং সিরিয়াল নম্বর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

আন্তর্জাতিক ঘড়ির বাজারের বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, একই মডেলের ব্যবহৃত ঘড়ির বর্তমান বাজারমূল্য ১৩ থেকে ১৭ হাজার মার্কিন ডলারের মধ্যে। আর নতুন বা অব্যবহৃত ঘড়ির দাম প্রায় ১৬ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার। বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী বাংলাদেশি মুদ্রায় এর মূল্য ২১ লাখ টাকার কাছাকাছি।

দুদক জানিয়েছে, ফ্ল্যাট দুটি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পরে এর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবে সংস্থাটির সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগ। আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী সম্পত্তিগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সাইফুজ্জামান চৌধুরীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং বিদেশে বিপুল সম্পদ গড়ার অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। সংস্থাটির দাবি, তার বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে নয়টি দেশে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা পাচারের প্রমাণ রয়েছে। এছাড়া ৩০টি মামলার মধ্যে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের তথ্য-প্রমাণও সংগৃহীত হয়েছে।

এর আগে আদালত যুক্তরাজ্যে তার নামে থাকা ৫১৮টি ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্টের ওপর ক্রোক আদেশ দেয় এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ আট দেশে থাকা ৩৩০টি বাড়ি, ফ্ল্যাট মোটের ওপর জব্দের নির্দেশ দেয়। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে তার নামে থাকা দুটি প্রতিষ্ঠানে করা বিনিয়োগও অবরুদ্ধ করা হয়েছে। দুদকের তথ্য অনুযায়ী, বিদেশে থাকা এসব সম্পত্তি ও বিনিয়োগের মোট মূল্য প্রায় ২ হাজার ৩২০ কোটি ৯২ লাখ টাকা।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সাইফুজ্জামান চৌধুরীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও বিদেশে বিপুল সম্পদ গড়ার অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপের শেষ, স্মৃতির খাতা রাবি শিক্ষার্থীদের রাতজাগা আড্ডা নিয়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৯ পি.এম


বিশ্বকাপের শেষ, স্মৃতির খাতা রাবি শিক্ষার্থীদের রাতজাগা আড্ডা নিয়ে

আর্জেন্টিনা-স্পেন আর মাত্র একটি ম্যাচ। এরপরই শেষ হবে চার বছর ধরে অপেক্ষারত ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনা। ট্রফি উঠবে কোনো এক দলের হাতে, বিজয়ের হাসি ফুটবে একদল সমর্থকের মুখে, অন্যদিকে কারও স্বপ্ন ভেঙে যাবে। তবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীদের কাছে বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি জানতে চাইলে হয়তো কোন দলের জয়-পরাজয় নয়; বরং একসঙ্গে কাটানো অসংখ্য রাত, বন্ধুত্বের গল্পগুলো, তর্ক-বিতর্ক, খুনসুটি এবং ক্যাম্পাসজুড়ে ছড়িয়ে থাকা উৎসবের প্রাণবন্ত আবহ।

বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার পর থেকেই রাত নামলেই যেন বদলে যেতে উদ্যত ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচিত পরিবেশ। হলের টিভি রুম, বিভাগের করিডোর, আবাসিক মেস কিংবা বড় পর্দার আয়োজন—যেখানে খেলা, সেখানেই ভিড়। প্রিয় দলের জার্সি গায়ে, হাতে পতাকা এবং মুখে স্লোগান নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতেন শিক্ষার্থীরা। খেলা শেষে কেউ উল্লাসে মেতে উঠতেন, কেউ আবার হতাশ মুখে ফিরতেন নিজের কক্ষে। তবে জয়-পরাজয়ের সীমার গন্ডি ছাড়িয়ে বন্ধুত্বের এক অনন্য গল্প গড়ে উঠেছিল।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর, এবারই প্রথমবিশ্বকাপের আসর প্রত্যক্ষ করেছেন অনেক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। পরিবারের সঙ্গে নয়, বন্ধুদের সাথে মধ্যরাতের খেলা দেখা তাদের কাছে সত্যিই একটি নতুন অভিজ্ঞতা। খেলা শুরুর আগে সবাই মিলে চা-কফির আড্ডা, স্কোর সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী এবং শেষ বাঁশি বাজার পর জয়-পরাজয় নিয়ে হাসি-ঠাট্টা—সব মিলিয়ে তাদের কাছে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের একটি স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে দাঁড়ায়।

বিশ্বকাপের আবহে ক্যাম্পাসে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল, তবে তা মাঠের খেলায় সীমাবদ্ধ থাকেছিল। আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, স্পেন, ইংল্যান্ড কিংবা অন্য কোনো দলের সমর্থকদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক জমেছে, বাজি ধরেছেন অনেকেই, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হয়েছে মজার খুনসুটি। কিন্তু খেলা শেষে সবাই আবার এক টেবিলে বসে চা খেয়েছেন, ক্লাস করেছেন, আড্ডা দিয়েছেন। ফুটবল তাদের বিভক্ত করেনি, বরং আরও কাছাকাছি এনেছে।

যেসব দলের সমর্থকেরা বিদায় নিয়েছেন, তাদের কাছে বিশ্বকাপ শেষ হয়ে গেছে আগেই। তবু তারা খেলা দেখা বন্ধ করেননি। প্রিয় দল না থাকলেও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য এখনো রাত জেগে ম্যাচ দেখছেন অনেকেই। অন্যদিকে ফাইনালে ওঠা দলগুলোর সমর্থকদের মধ্যে এখনো উত্তেজনা তুঙ্গে। শেষ ম্যাচ ঘিরে চলছে পরিকল্পনা, কে কোথায় বসে খেলা দেখবেন, কীভাবে উদ্‌যাপন করবেন—এসব নিয়েই ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তারা।

বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সংগঠন ও শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে বড় পর্দায় খেলা দেখার আয়োজন পেয়েছে ব্যাপক সাড়া। একই স্থানে বিভিন্ন বিভাগের শত শত শিক্ষার্থী একত্রে বসে খেলা উপভোগ করেছে। নতুন পরিচয় হয়েছে, নতুন বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছে। অনেকের মতে, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সবচেয়ে সুন্দর স্মৃতিগুলোর একটি হয়ে থাকবে এবারের বিশ্বকাপ।

কিন্তু আনন্দের এই আয়োজন শেষ হতে চলেছে। কয়েকদিন পর আর থাকবে না গভীর রাতে একসাথে খেলা দেখার পরিকল্পনা, প্রিয় দলকে ঘিরে উত্তেজনা কিংবা ম্যাচের পর দীর্ঘ আলোচনা। ক্যাম্পাস ফিরবে তার সাধারণ ছন্দে। কিন্তু রাতজাগা সেই মুহূর্তগুলো, বন্ধুদের সঙ্গে হাসি-ঠাট্টা, জয়-পরাজয়ের আবেগ ভাগাভাগি করে নেয়া এবং একত্রে কাটানো সময়—এসব স্মৃতি রয়ে যাবে রাবিয়ানদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের অ্যালবামে। কারণ বিশ্বকাপ শেষ হয়, ট্রফির লড়াইও শেষ হয়। কিন্তু বন্ধুত্ব, স্মৃতি এবং একসাথে কাটানো সময়ের গল্পগুলো কখনো শেষ হয় না।

ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনাল ম্যাচের মহারণকে নিয়ে উৎসবের আনন্দে ভাসছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি)। বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল ম্যাচ উপভোগ করতে শিক্ষার্থীদের জন্য ক্যাম্পাসের তিনটি স্থানে জায়ান্ট স্ক্রিনে খেলা দেখার আয়োজন করা হয়েছে। ফলে হাজারো শিক্ষার্থীর সম্মিলিত উল্লাসে আবারও মুখর হয়ে উঠবে পুরো ক্যাম্পাস।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে জোহা চত্ত্বর, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (রাকসুর) উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয় স্টেডিয়াম এবং ছাত্রদলের উদ্যোগে রাবির কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জায়ান্ট স্ক্রিনে খেলার দেখার আয়োজন করা হয়েছে।

শরীরচর্চা ও ক্রীড়াবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং ব্রাজিল সমর্থক নোমান ইবনে শাহীন আরটিভিকে বলেন, “বন্ধুবান্ধব ও বড় ভাইদের সঙ্গে ক্যাম্পাসে বড় পর্দায় বিশ্বকাপের খেলা দেখা ছিল এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা। বিভিন্ন দলে পতাকা, জার্সি এবং প্রতিটি ম্যাচকে ঘিরে উত্তেজনাপূর্ণ আলোচনা ক্যাম্পাসে খেলা দেখার আনন্দকে আরও দ্বিগুণ করে দিয়েছে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ জয় আরটিভিকে বলেন, এবারই প্রথমবারের মতো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিশ্বকাপের খেলা দেখার সুযোগ হয়েছে তার। তার ভাষায়, “ক্যাম্পাসে খেলা দেখার আনন্দই আলাদা। এখানে সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হওয়ায় খেলাধুলা নিয়ে সবার মানসিকতা ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রায় একই রকম। তাই বিশ্বকাপকে ঘিরে হাসি-ঠাট্টা, আলোচনা এবং বিতর্ক হলেও তা কখনো ঝগড়ার পর্যায়ে পৌঁছায় না। ক্যাম্পাসে খেলা দেখার পরিবেশও ছিল সুশৃঙ্খল ও আনন্দময়। এটি আমার জন্য এক ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা, যা ক্যাম্পাস জীবনের একটি স্মরণীয় স্মৃতি হয়ে থাকবে।

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মাহিম আরটিভিকে বলেছেন, আগে কখনো এত বড় পরিসরে একসঙ্গে বসে বিশ্বকাপ দেখিনি। শত শত মানুষের সঙ্গে একই মুহূর্তে চিৎকার, করতালি এবং উচ্ছ্বাস, পুরো অভিজ্ঞতাটাই ছিল অসাধারণ। মনে হয়েছে, এটা শুধু একটি খেলা নয়; বরং পুরো ক্যাম্পাসের একটি মিলনমেলা। বিশ্বকাপ উপলক্ষে পুরো ক্যাম্পাস যেন এক টুকরো ফুটবল উৎসবে পরিণত হয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বকাপ আমাদের শুধু একটি ম্যাচ উপহার দেয়নি, দিয়েছে একসঙ্গে থাকার আনন্দ। বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা এক জায়গায় বসে একই আবেগে খেলা উপভোগ করেছে। এটাই ছিল সবচেয়ে সুন্দর দিক।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আহসান হাবিব আরটিভিকে বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে বসে বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনা উপভোগ করার স্বপ্ন অনেক আগে থেকেই কৃপণ। একজন নবীন শিক্ষার্থী হিসেবে প্রথম বর্ষেই ক্যাম্পাসে বিশ্বকাপের এমন পরিবেশে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাওয়া সত্যিই আমার জন্য ছিল অসাধারণ অভিজ্ঞতা। এই সুযোগ পেয়ে আমি ভীষণ আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত।

তিনি বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্বকাপের খেলা দেখার পরিবেশ ছিল অত্যন্ত সুন্দর, প্রাণবন্ত এবং মনোমুগ্ধকর। সিনিয়র-জুনিয়র সবাই একসঙ্গে বসে খেলা দেখা, প্রিয় দলের প্রতিটি গোলের পর সম্মিলিত উল্লাস, করতালি এবং উদযাপন পুরো ক্যাম্পাসকে এক অন্যরকম উৎসবে রাঙিয়ে তুলেছিল। প্রতিপক্ষের পরাজয় নিয়েও বন্ধুসুলভ হাসি-ঠাট্টা ও আনন্দ ভাগাভাগির মুহূর্তগুলোও ছিল দারুণ উপভোগ্য।

তার ভাষায়, বিশ্বকাপ শুধু একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট নয়, এটি আমাদের ক্যাম্পাসে পারস্পরিক সম্প্রীতি, বন্ধুত্ব এবং সৌহার্দ্যের এক অনন্য উপলক্ষ হয়ে উঠেছিল। এই স্মৃতিগুলো আজীবন হৃদয়ে গেঁথে থাকবে। ভবিষ্যতেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন আয়োজন অব্যাহত থাকবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী তুহিন প্রধান আরটিভিকে বলেছেন, এবারের বিশ্বকাপ আমার কাছে শুধু খেলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং এটি ক্যাম্পাসজীবনের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত। আমার মতো অনেক শিক্ষার্থীই জীবনে প্রথমবারের মতো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বন্ধুদের সঙ্গে বড় পর্দায় বিশ্বকাপ দেখেছে। রাতজাগা, একসঙ্গে খেলা দেখা, গোল হলে উল্লাস, আবার মিস হলে হতাশা—সব মিলিয়ে ক্যাম্পাস যেন এক প্রাণবন্ত উৎসবে পরিণত হয়েছিল।

তিনি বলেন, বিশ্বকাপ চলাকালে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন দলের সমর্থন ভুলে একসঙ্গে বসে খেলা উপভোগ করেছে। খেলার আগে-পরে তর্ক, বন্ধুত্বপূর্ণ বাজি, খুনসুটি এবং হাসি-ঠাট্টা ক্যাম্পাসের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে। ফুটবল আমাদের সবাইকে এক জায়গায় সমবেত করেছে, যার ফলে উৎসবমুখর পরিবেশে খেলা উপভোগ করা সম্ভব হয়েছে।

প্রিয় দল ব্রাজিলের বিদায় নিয়ে তুহিন বলেন, ব্রাজিলের সমর্থক হিসেবে স্বাভাবিকভাবেই শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখেছিলাম। কিন্তু দল বিদায় নেওয়ার পর কিছুটা কষ্ট পেয়েছি। তবুও প্রতিপক্ষের ভালো খেলাকে সম্মান করেছি এবং বুঝেছি, ফুটবলে জয়-পরাজয় দুটিই খেলার অংশ। অন্যদিকে বিজয়ী দলের সমর্থকদের উচ্ছ্বাস, আনন্দ মিছিল এবং উদযাপনও উপভোগ করেছি, কারণ এমন আনন্দই বিশ্বকাপকে আরও বিশেষ করে তোলে।

বিশ্বকাপ শেষে কী সবচেয়ে বেশি মিস করবেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সবচেয়ে বেশি মিস করব সেই রাতজাগা মুহূর্তগুলো, বন্ধুদের সঙ্গে একসঙ্গে খেলা দেখা, ম্যাচ নিয়ে উত্তপ্ত আলোচনা, খুনসুটি এবং ক্যাম্পাসের উৎসবমুখর পরিবেশ। কয়েক সপ্তাহের জন্য পুরো বিশ্ববিদ্যালয় যেন একটি বড় ফুটবল পরিবারের রূপ নিয়েছিল। এই স্মৃতিগুলো আমাদের ক্যাম্পাসজীবনের সঙ্গে দীর্ঘদিন জড়িয়ে থাকবে।

সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান আরটিভিকে বলেছেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ক্যাম্পাসে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশপথগুলোতে তল্লাশির ব্যবস্থা থাকবে এবং শিক্ষার্থীদের আইডি কার্ড সঙ্গে নিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করা হবে। বহিরাগতদের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না হলেও আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব, যাতে সবাই নিরাপদ এবং উৎসবমুখর পরিবেশে খেলা উপভোগ করতে পারেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাইবান্ধায় ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রমে তথ্য সংগ্রহ শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১১ পি.এম


গাইবান্ধায় ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রমে তথ্য সংগ্রহ শুরু

সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে সারা দেশে কৃষক ও কৃষিজমির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)।

শনিবার (১৮ জুলাই) থেকে দেশের সকল উপজেলায় একযোগে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এরই অন্তর্ভুক্তি হিসেবে প্রাথমিক পর্যায়ে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের একটি ব্লকে এ তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, উপজেলা মধ্যে সকল ব্লকে পর্যায়ক্রমে তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

উপজেলার কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নে ৪, ৫ এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ২ নম্বর ব্লকে ১৬ জুলাই থেকে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলছে। আগামী ২ আগস্ট পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলবে। এ ব্লকে একযোগে ১৮টি পয়েন্টে ১৮ জন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা তথ্য সংগ্রহের দায়িত্ব পালন করছেন।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি কৃষক পরিবারের গৃহকর্তার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই তথ্যের মধ্যে কৃষকের নাম-ঠিকানা, জমির পরিমাণ, গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির সংখ্যা, চাষকৃত ফসল ও জমির পরিমাণ, সারের ব্যবহার, পরিবারের সদস্যসংখ্যা, মোবাইল নম্বর ও মোবাইলের ধরন, সরকারি সুবিধা প্রাপ্তির তথ্য, বিকাশ বা নগদ হিসাব, স্ত্রী ও নমিনির তথ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা, খামার, পেশা ও আয়ের উৎস, নার্সারি ও ফলবাগান, বীজের উৎস, বর্গা বা বন্ধকি জমির তথ্য, কৃষি প্রশিক্ষণ, কৃষিঋণ ও বীমাসহ মোট ২৩টি বিষয় অন্তর্ভুক্ত।

তথ্য সংগ্রহকারী উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মুশফিকুর রহমান জানান, প্রতিদিন গড়ে ২৫ থেকে ৩০ জন কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, কৃষিবিদ মিজানুর রহমান বলেন, বর্তমানে একটি ব্লকে ১৮টি পয়েন্টে সমন্বয় করে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলাচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম চৌধুরী জানালেন, সুষ্ঠু ও নির্ভুলভাবে কৃষকের তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার অন্যান্য ব্লকগুলোতেও এই কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নদীতে ভাসমান অবস্থায় ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১৩ পি.এম


নদীতে ভাসমান অবস্থায় ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

গাজীপুরের কালিয়াকৈর থেকে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পরে ঢাকার আশুলিয়ার বংশী নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় মঈনুল ইসলাম (৫৫) নামের একজন ওয়েস্টেজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে আশুলিয়া থানার পুলিশ।

রোববার (১৯ জুলাই) আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের বাইদগাঁও দক্ষিণপাড়া এলাকায় বংশী নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহের সঙ্গে থাকা ২৬ হাজার ৩৪০ টাকা, একটি ভিভো স্মার্টফোন এবং বেশ কয়েকটি চাবি উদ্ধার করা হয়।

নিহত মঈনুল ইসলাম গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সূত্রাপুর নামাপাড়া এলাকার মজিবুর রহমানের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ওয়েস্টেজ ব্যবসায়ী ছিলেন।

মরদেহ উদ্ধারের বিষয়ে নিহতের ভগ্নিপতি সফিকুল ইসলাম জানান, তার স্ত্রী ভাই মঈনুল ইসলাম গত শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। এরপর এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। কিন্তু তারপরও তার কোনো সন্ধান মেলেনি।

তিনি আরও জানিয়েছেন, রোববার আশুলিয়ার বংশী নদীতে একটি মরদেহ ভাসছে- এমন খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে যান। সেখানে গিয়ে মরদেহটি মঈনুল ইসলামের বলে শনাক্ত করেন।

আাশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিরাজ আকন জানান, ওই ব্যবসায়ী দুই দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। রোববার সকালে স্থানীয়রা নদীতে মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%