প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে সারা দেশে কৃষক ও কৃষিজমির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)।
শনিবার (১৮ জুলাই) থেকে দেশের সকল উপজেলায় একযোগে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এরই অন্তর্ভুক্তি হিসেবে প্রাথমিক পর্যায়ে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের একটি ব্লকে এ তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, উপজেলা মধ্যে সকল ব্লকে পর্যায়ক্রমে তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
উপজেলার কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নে ৪, ৫ এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ২ নম্বর ব্লকে ১৬ জুলাই থেকে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলছে। আগামী ২ আগস্ট পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলবে। এ ব্লকে একযোগে ১৮টি পয়েন্টে ১৮ জন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা তথ্য সংগ্রহের দায়িত্ব পালন করছেন।
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি কৃষক পরিবারের গৃহকর্তার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই তথ্যের মধ্যে কৃষকের নাম-ঠিকানা, জমির পরিমাণ, গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির সংখ্যা, চাষকৃত ফসল ও জমির পরিমাণ, সারের ব্যবহার, পরিবারের সদস্যসংখ্যা, মোবাইল নম্বর ও মোবাইলের ধরন, সরকারি সুবিধা প্রাপ্তির তথ্য, বিকাশ বা নগদ হিসাব, স্ত্রী ও নমিনির তথ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা, খামার, পেশা ও আয়ের উৎস, নার্সারি ও ফলবাগান, বীজের উৎস, বর্গা বা বন্ধকি জমির তথ্য, কৃষি প্রশিক্ষণ, কৃষিঋণ ও বীমাসহ মোট ২৩টি বিষয় অন্তর্ভুক্ত।
তথ্য সংগ্রহকারী উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মুশফিকুর রহমান জানান, প্রতিদিন গড়ে ২৫ থেকে ৩০ জন কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, কৃষিবিদ মিজানুর রহমান বলেন, বর্তমানে একটি ব্লকে ১৮টি পয়েন্টে সমন্বয় করে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলাচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম চৌধুরী জানালেন, সুষ্ঠু ও নির্ভুলভাবে কৃষকের তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার অন্যান্য ব্লকগুলোতেও এই কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন