বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৩১ পি.এম
ঝিনাইদহের মহেশপুরে অবৈধ ভিওআইপি কলিং ডিভাইসসহ দুইজন আওয়ামী লীগ কর্মীকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ। জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার একটি বিশেষ অভিযানে ওই দুজনকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মহেশপুর উপজেলার শ্যামকুড় ইউনিয়নের সরিষাঘাটা এলাকায় একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ডিবি পুলিশ এসব ডিভাইস জব্দ করে।
আটক হওয়া দুজন হলেন, শ্যামপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রহিম (৫৪) এবং ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা শাহেব আলী (৩০)।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্যামকুড় ইউনিয়নের সরিষাঘাটা এলাকায় একটি বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি টিম। অভিযানের সময় ওই বাড়ি থেকে ভিআইপি কলিংয়ে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ ডিভাইস এবং দেশি-বিদেশি অবৈধ মোবাইল ফোনের সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে।
ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, আটক আব্দুর রহিম স্থানীয় ইউপি সদস্য এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা। অপরদিকে, আটক শাহেব আলী ইউনিয়ন যুবলীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত।
ঝিনাইদহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি শরিফুল ইসলাম বলেন, আটক দুইজনের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ভিওআইপি ডিভাইস ব্যবহার করার অভিযোগে টেলিকমিউনিকেশন আইন-২০০১ এর অধীনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আটক দুইজন ছাড়াও মামলায় আরও দুইজনকে আসামি করা হবে। ডিভাইসগুলো বাংলাদেশ টেলি কমিউনিকেশন অথরিটিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। সেখানকার বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে নাশকতার মামলা করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
‘আত্মহত্যায় প্ররোচনার’ মামলায় সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে আপস রফা সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) আদালতে এমপি নজরুল এবং তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের জামিন শুনানির সময় বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি।
ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহের আদালতে এই জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, গাজী নজরুল ইসলাম ও মাকছুদা ইসলামের আপসের শর্তে জামিন চাওয়া হয়েছিল। তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। ইতোমধ্যে বাদীপক্ষের সঙ্গে আপস মীমাংসা সম্পন্ন হয়েছে। শুনানিতে উপস্থিত থেকে বাদী মরিয়মের বাবা জানিয়েছেন, দুই আসামির জামিন দিলে তার আপত্তি নেই।
এদিকে, শুনানি শেষে বিচারক মাকছুদা ইসলামের জামিন মঞ্জুর করেছেন। তবে, গাজী নজরুলের জামিন আবেদন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী জানায়, নামঞ্জুর হয়েছে।
গত ২০ সেপ্টেম্বর, রাজধানীর সংসদ ভবনের উল্টো দিকে ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মরিয়মের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় রাতের বেলায় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম এবং তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।
রাতের সময় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, তার স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং নিহতের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ।
মামলার এজাহারে মাসুম বিল্লাহ অভিযোগ করেন, গত জুন মাসে তার শ্যালক ওবায়দুর রহমানের ‘প্রত্যক্ষ প্ররোচনায়’ সংসদ সদস্য গাজী নজরুলের সঙ্গে বাদীর বড় মেয়ে মরিয়মের (১৯) বিয়ে হয়। সংসদ ভবনের বিপরীত পাশে ৫ নম্বর ন্যাম ভবনের ২০৩ নম্বর বাসায় নজরুল ও মাকছুদার সঙ্গে মরিয়ম বসবাস করতেন।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নজরুল ও মাকছুদা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন বলে মরিয়ম তার পরিবারকে জানিয়েছেন। এর মধ্যে রোববার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নজরুল মোবাইল ফোনে বাদীকে দ্রুত বাসায় যেতে বলেন। সেখানে গিয়ে মরিয়মকে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে থাকতে দেখেন বাবা মাসুম বিল্লাহ।
পরদিন শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. শামসুজ্জোহা সরকারের আবেদনে গাজী নজরুল ইসলামকে চারদিন এবং মাকছুদা বেগমের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। সেদিন রাতেই মামলার তদন্তভার গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
২৪ সেপ্টেম্বর এমপি নজরুলকে ফের চার দিনের রিমান্ডে পাঠায় আদালত। পরে ২৮ সেপ্টেম্বর রিমান্ড শেষে এমপি নজরুলকে কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার অপর আসামি মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে।
এতে চলতি বছরে মশাবাহিত এই রোগে মোট প্রাণহানি ২৪৫ জনে পৌঁছেছে। গত একদিনে ডেঙ্গু নিয়ে নতুন করে ১ হাজার ৯৪৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু-বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) দুইজন এবং রংপুর বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজনের প্রাণহানি ঘটেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ব্যাংক মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি হিসেবে জ্বালানির মূল্য ও পে-স্কেলের বিষয়টি চিহ্নিত করেছে। এই পরিস্থিতিতে, বাংলাদেশ ব্যাংক নীতি সুদহার কমানোর সিদ্ধান্ত নেননি। প্রথমবারের মতো ত্রৈমাসিক ভিত্তিক মুদ্রানীতি ঘোষণা করে নীতি সুদহার ৯ দশমিক ৫০ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. হাবিবুর রহমান এই মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন। এ সময় অন্যান্য ডেপুটি গভর্নর, পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
ডেপুটি গভর্নর জানান, ২৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত মুদ্রানীতি কমিটির (এমপিসি) ১৪তম সভায় নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। পাশাপাশি স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি (এসএলএফ) হার ১১ শতাংশ এবং স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি (এসডিএফ) হার ৭ দশমিক ৫০ শতাংশে বহাল রাখা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল্যায়ন অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে মূল্যস্ফীতি কমলেও দীর্ঘমেয়াদে নিয়ন্ত্রণে আসার যথেষ্ট প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। বৈশ্বিক জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, হরমুজ প্রণালীতে অচলাবস্থা, দেশে জ্বালানির নিয়ন্ত্রিত মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী সমন্বয় এবং নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সম্ভাব্য প্রভাব মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করছে, এ অবস্থায় আগেভাগে মুদ্রানীতি শিথিল করা হলে মূল্যস্ফীতির প্রত্যাশা বেড়ে যেতে পারে। এর ফলে মূল্যস্ফীতি লক্ষ্যমাত্রায় ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মুদ্রানীতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এখনো চাপের মধ্যে রয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪.১৪ শতাংশ প্রাক্কলন করা হয়েছে। তবে একই অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি ২.২ শতাংশ হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছে। ওই সময়ে শিল্প উৎপাদন ০.২৮ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে।
অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি ফেরাতে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন খাতে সহায়তার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বন্ধ কারখানা পুনরায় চালুর জন্য ২০ হাজার কোটি টাকাসহ মোট ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ এবং কৃষি, ক্ষুদ্র, কুটির, ছোট ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) ও রপ্তানি বহুমুখীকরণে পুনঃঅর্থায়ন প্রকল্পের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতে, শুধুমাত্র মুদ্রানীতির মাধ্যমে অর্থনীতির সরবরাহসংক্রান্ত বাধাগুলো দূর করা সম্ভব নয়। তাই বিনিয়োগ ও উৎপাদন বৃদ্ধি করতে আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি কাঠামোগত সংস্কারও প্রয়োজন।
মুদ্রানীতি শিথিল করার পর আর্থিক বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। গত ২ আগস্ট থেকে নীতি সুদহার ৫০ ভিত্তি পয়েন্ট কমিয়ে ৯.৫০ শতাংশ কার্যকর করা হয়েছে। এরপর আন্তঃব্যাংক সুদহার ও সরকারি সিকিউরিটিজের ইল্ড কমেছে।
তবে বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদা ও ঋণ বিতরণ এখনো দুর্বল। ২০২৬ সালের আগস্টে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ৪.৭৫ শতাংশ। বিনিয়োগে মন্থরতা, ঋণগ্রহীতাদের উচ্চ ঝুঁকি এবং ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এর অন্যতম কারণ।
এদিকে ২০২৬ সালের জুনে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের অনুপাত বেড়ে ৩২.৭৮ শতাংশে পৌঁছেছে। এই পরিস্থিতিতে ব্যাংক পুনর্গঠন, সুশাসন নিশ্চিত করা, মূলধন পুনরুদ্ধার এবং ঋণ শৃঙ্খলা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের বৈদেশিক লেনদেন পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। ওই অর্থবছরে ব্যালেন্স অব পেমেন্টসের উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে ৬.৬ বিলিয়ন ডলার।
তবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে সামগ্রিক লেনদেন ভারসাম্যে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। মূলত আর্থিক হিসাবের ঘাটতি এর জন্য দায়ী।
এ সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৮.৯০ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ায় বৈদেশিক খাতে কিছুটা স্বস্তি এসেছে। পাশাপাশি বিনিময় হার মোটামুটি স্থিতিশীল থাকায় আমদানিজনিত মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা মিলেছে।
মুদ্রানীতিতে আগামী দিনের অর্থনীতির জন্য কয়েকটি প্রধান ঝুঁকি চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত ও হরমুজ প্রণালীতে বিঘ্ন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও সারের উচ্চমূল্য, কঠোর বৈশ্বিক মুদ্রানীতি এবং দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা।
এ ছাড়া রাজস্ব খাতের চাপ, জাতীয় বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন এবং ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতাও অর্থনীতির জন্য চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, মূল্যস্ফীতি কমানোর প্রক্রিয়া ব্যাহত না করে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সহায়তা করাই এখন মুদ্রানীতির প্রধান চ্যালেঞ্জ। এজন্য বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং এবং উঠতি বয়সী বখাটেদের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের চলমান অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানায় একযোগে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ, যার ফলে আরও ৩৭৯ জনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশনা অনুযায়ী এবং সরাসরি অংশগ্রহণের মাধ্যমে জেলা পুলিশের সকল ইউনিট ও ডিবি পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করে।
কুমিল্লা মহানগরীসহ জেলার বিভিন্ন থানার অপরাধপ্রবণ স্থান, কিশোর বয়সী বখাটেদের আড্ডাস্থল এবং তাদের উৎপাত রয়েছে এমন এলাকায় অভিযানটি পরিচালিত হয়। অভিযানে পুলিশ সুপারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি অংশগ্রহণ করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, সর্বশেষ অভিযানে আটক ৩৭৯ জনের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যাচাই শেষে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জেলা পুলিশ বলছে, উঠতি বয়সী কিশোররা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সেই লক্ষ্যে নিয়মিত এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও কঠোরভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে।
জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কিশোর অপরাধ রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ