ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঘুষ ফেরত দাবি করায় মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হামলা, মামলার অভিযোগ


ঘুষ ফেরত দাবি করায় মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হামলা, মামলার অভিযোগ

নড়াইল সদরের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবু রায়হানের বিরুদ্ধে ঘুষের টাকা আত্মসাৎ, মারধর ও মিথ্যা মামলা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগ স্থানীয় এক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, প্রদর্শনী বরাদ্দের নাম করে নেয়া ঘুষের টাকা ফেরত চাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে এই হামলা ও ভিত্তিহীন মামলা করা হয়।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে সদরের যদুনাথপুর গ্রামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগটি করেন সদর উপজেলার বাঁশগ্রাম ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. জিসানুর রহমান। জিসানুর হলেন যদুনাথপুর গ্রামের টিপু সুলতানের ছেলে। এদিকে অভিযুক্ত মৎস্য কর্মকর্তা আবু রায়হানের আবাস সাতক্ষীরার শ্যামনগরে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জিসানুর অভিযোগ করেন, তিনি গ্রামের কৃষক শ্রেণির লোকজনের সাথে ওঠাবসা করেন। বিভিন্ন সময়ে উপজেলা অফিসে কাজের সুবাদে মৎস্য কর্মকর্তা আবু রায়হানের সাথে তার সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পর প্রদর্শনী দেয়ার আশ্বাসে তিনি জিসানকে দিয়ে চারটি আবেদন করান। বাঁশগ্রাম, শেখহাটি, মুলিয়া ও তুলারামপুর ইউনিয়নের জন্য মোট চারটি আবেদনের বিপরীতে প্রদর্শনীগুলোর বরাদ্দে বিভিন্ন খরচ বাবদ মৎস্য কর্মকর্তা ৩০ হাজার টাকা নেন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

জিসান আরও জানান, ‘মুলিয়া ইউনিয়নের একটি ছাড়া আর বাকি তিনটির বরাদ্দ তিনি দেননি। এমনকি মুলিয়া ইউনিয়নের বরাদ্দকৃত প্রদর্শনীর টাকা থেকেও তিনি বিভিন্ন অজুহাতে টাকা রেখে দেন। খামারিদের কাজ না করায় টাকা ফেরত চাইলে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বেশ কয়েকদফা ঘোরান।’

জিসান অভিযোগ করেন, সবশেষ রোববার (২৮ জুন) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবু রায়হানের অফিসে গেলে কাজ না করে দেয়ায় ঘুষের টাকা ফেরত চান তিনি। টাকার দাবি জানাতেই উত্তেজিত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। টাকা নেয়ার প্রমাণ দিতে বলে মৎস্য কর্মকর্তা তাকে অফিস থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন। গালিগালাজের পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, ‘আগে পুলিশ মেরে পুলিশের চাকরি ছাড়ছি, দরকার হলে এবার তোকে মেরে এ চাকরিও ছাড়ব।’

এ ধরনের ব্যবহারের কারণে জিসান মোবাইল ফোনে সব রেকর্ড করছিলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মৎস্য কর্মকর্তা তার চেয়ার থেকে উঠে এসে ফোনটি হাত থেকে কেড়ে নিয়ে আছাড় মেরে ভেঙে ফেলেন বলে তিনি দাবি করেন। এই সময়ে তার অফিসের স্টাফ তকদির, দীপু ও জামশেদ এসে জিসানকে মারধর শুরু করেন। ধস্তাধস্তির মধ্যে রায়হানের হাতের ধাক্কায় তার টেবিলে থাকা মনিটর পড়ে যায় এবং তারা সবাই মিলে জিসানকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারেন। অভিযোগ রয়েছে যে, তার টেবিলে থাকা পেপার ওয়েট দিয়ে বুকে-পিঠে আঘাত করার পাশাপাশি গলায় থাকা সাড়ে ৬ আনার স্বর্ণের চেইন ছিঁড়ে নেয়া হয়।

জিসান আরও অভিযোগ করেন, মারধরের পর উল্টো তার বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা করেছেন ওই কর্মকর্তা। তিনি নিজে থানায় গিয়ে মামলা করতে চাইলে থানা থেকে জানানো হয়, সাক্ষী ছাড়া মামলা হবে না।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

এদিকে জিসানুরের অভিযোগের সত্যতা জানার জন্য মঙ্গলবার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবু রায়হানের কার্যালয়ে গেলে জানা যায়, তিনি ছুটিতে আছেন। তবে জিসানের সংবাদ সম্মেলনের বিষয়ে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ‘তার সব অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমি কোনো ঘুষের টাকা নিইনি।’

এর আগে, গত রোববার (২৮ জুন) রাতে অফিস কক্ষে প্রবেশ করে ভাঙচুর, সরকারি কাজে বাধাদান ও কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগে জিসানুরসহ অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে নড়াইল সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবু রায়হান।

নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুন্ডু মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মৎস্য কর্মকর্তার এজাহারের ভিত্তিতে থানায় নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে। আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে পরিত্যক্ত গোডাউনে আগুন, ৫ লাখ টাকার সম্পদ উদ্ধার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাম সন্দেহে নতুন করে আরও ২ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২০ পি.এম


হাম সন্দেহে নতুন করে আরও ২ জনের মৃত্যু

ঢাকা, ৩০ জুন, ২০২৬ : সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত সন্দেহে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৭০ জন।

আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত হিসেবে সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা ৮৬৬ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হিসেবে সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১ হাজার ৭৭ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১১৪ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৯৬৫ জন।

গত ১৫ মার্চ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত হাম আক্রান্ত সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮৪ হাজার ৬২৭ জন। একই সময় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৮০ হাজার ৯৭৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত সন্দেহে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে ৬২৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারো মৃত্যু হয়নি এবং গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

 

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশু ধর্ষণ মামলায় সেনা সদস্যের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২৩ পি.এম


শিশু ধর্ষণ মামলায় সেনা সদস্যের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

জয়পুরহাটে শিশু ধর্ষণের মামলায় সিরাতুল ইসলাম মোস্তাকিম রনি নামে এক সেনা সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ জেলা ও দায়রা জজ আবদুর রহমান এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত সিরাতুল ইসলাম মোস্তাকিম রনি আক্কেলপুর উপজেলার তেমারিয়া গ্রামের টিপু সুলতানের ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই মেয়ের বাবা মালয়েশিয়া প্রবাসী। সেই সুবাদে সে মাকে নিয়ে আক্কেলপুর উপজেলার তেমারিয়া গ্রামের নানা বাড়িতে থাকতেন। গত ২০২২ সালের ১৪ জুন মেয়েটি বাড়ির পাশে অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলাধুলা করছিল। খেলাধুলা শেষে অন্য শিশুরা চলে গেলে রনি তাকে মেয়েকে চকলেটের লোভ দেখিয়ে তার চাচার বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন এবং ঘটনাটি কাউকে না জানাতে হুমকি দেন।

মেয়েটি বাড়িতে আসার পরদিন অসুস্থ হয়ে পড়লে তার পরিবারকে বিষয়টি খুলে বলে। পরবর্তীতে ৫ আগস্ট আক্কেলপুর থানায় মামলা করা হয়। মামলার শুনানি ও ৮ জনের সাক্ষী শেষে আদালত এ রায় দেন।

জয়পুরহাট নারী ও শিশু নির্যাতন আদালতের সরকারি কৌঁসুলি রিনাত ফেরদৌসী রিনি বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে শিশু নির্যাতনের মতো অপরাধে কঠোর শাস্তির বার্তা আরও স্পষ্ট হলো।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন, রিনাত ফেরদৌসী রিনি। আর আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন উজ্জ্বল হোসেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রিমান্ড শেষে অভিনেতা জাহের আলভীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২৭ পি.এম


রিমান্ড শেষে অভিনেতা জাহের আলভীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে

ঢাকা, ৩০ জুন, ২০২৬ : স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলার রিমান্ড শেষ হওয়ার পর ছোটপর্দার অভিনেতা জাহের আলভী, যিনি মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া হিসেবেও পরিচিত, তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার, পুলিশের পক্ষ থেকে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয় দুই দিনের রিমান্ড শেষ হওয়ার পর। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার জন্য আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

পল্লবী থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা, পুলিশের উপ-পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম বাসসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, ১৮ জুন, ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেছিলেন জাহের আলভী। শুনানি শেষে আদালত তার আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর গত ২১ জুন মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদনের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তারা আবেদন করেছিলেন। সেই আবেদনের পর গত ২৪ জুন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর শুনানি শেষে তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার বাসা থেকে জাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

একদিন পর, ইকরার বাবা কবির হায়াত খান রাজধানীর পল্লবী থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয় যে, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের মানসিক নির্যাতনের কারণে ইকরা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন। উল্লেখ্য, ২০১০ সালে জাহের আলভী এবং আফরা ইবনাত ইকরার বিবাহ হয় এবং তাদের একটি ছেলে আছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষাকে সার্টিফিকেটনির্ভর না করে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধিতে জোর দিতে হবে: তারেক রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩১ পি.এম


শিক্ষাকে সার্টিফিকেটনির্ভর না করে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধিতে জোর দিতে হবে: তারেক রহমান

শিক্ষাকে শুধুমাত্র সার্টিফিকেটনির্ভর না রেখে কর্মদক্ষতা ও প্রায়োগিক শিক্ষার ওপর জোর দিতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (৩০ জুন) ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় এই কথা বলেন তিনি। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষাকে শুধুমাত্র সার্টিফিকেটনির্ভর না রেখে কর্মদক্ষতা ও প্রায়োগিক শিক্ষার ওপর জোর দিতে হবে, যা বাস্তব জীবনে যেকোনো দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা অর্জনে শিক্ষার্থীদের সহায়তা করবে। এই কারণে তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে ইন্টার্নশিপ, অ্যাপ্রেন্টিসশিপ এবং ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিয়া সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়টি শুধু পরিকল্পনা কিংবা পদক্ষেপ গ্রহণে সীমাবদ্ধ না রেখে দ্রুত বাস্তবায়ন করা এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।

সেই সঙ্গে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এই যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও অটোমেশনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রচলিত শিক্ষা কারিকুলামকে আধুনিক ও সময়োপযোগী করার কোনো বিকল্প নেই বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

এ ছাড়াও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কর্মপন্থা নির্ধারণের ওপর জোর দিতে বলেছেন তারেক রহমান।

তিনি বলেন, প্রযুক্তিগত বিপ্লব মোকাবিলায় শিক্ষা কারিকুলামে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা এখন সময়ের দাবি। 

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%