০৭:৪৮ পি.এম
গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ী এলাকায় কৃষক লীগের এক নেতাকে আটক করার পর মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুল হাসানকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) কোনাবাড়ী থানা থেকে প্রত্যাহার করেছে। এই ঘটনা ঘটেছে, যেখানে কৃষক লীগ নেতা মতিন মিয়াকে আটক করার পর তার পরিবার থেকে দুই লাখ টাকা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
রোববার (৫ জুলাই) বিকেলে এসআই কামরুল হাসানকে জিএমপি সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে প্রাথমিক তদন্তে সত্যতার ইঙ্গিত পাওয়ার পর প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এর আগে, ৪ জুলাই ‘আটক কৃষক লীগ নেতাকে টাকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ এসআইয়ের বিরুদ্ধে’ শিরোনামে সংবাদমাধ্যমে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিয়ে তদন্ত শুরু করে জিএমপি প্রশাসন।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জুন রাতে কোনাবাড়ীর প্রতাবপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ওয়ার্ড কৃষক লীগের সভাপতি মতিন মিয়াকে আটক করেন এসআই কামরুল হাসান। পরে তার পরিবারের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার পরদিন থেকেই মতিন মিয়া আত্মগোপনে রয়েছেন।
এদিকে, এই ঘটনার পর নতুন আরেকটি অভিযোগ আসছে। মতিন মিয়ার অবস্থান সম্পর্কে পুলিশকে তথ্য দিতে গিয়ে স্থানীয় মুদি ব্যবসায়ী নূর মোহাম্মদকে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নূর মোহাম্মদ কোনাবাড়ী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, মতিন মিয়ার ভাই মো. আলম তার দোকানে গিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবু নাসের মো. আল আমিন বলেন, 'অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে অভিযোগের কিছু সত্যতা পাওয়ায় এসআই কামরুল হাসানকে কোনাবাড়ী থানা থেকে প্রত্যাহার করে জিএমপি সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত শেষ হলে বিভাগীয় ও আইনগত বিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'
আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রশাসনের তৎপরতা: বিভাগীয় কমিশনার
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন