ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আইনের বাইরে কোনো পুশ ইন নয়, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


আইনের বাইরে কোনো পুশ ইন নয়, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভারত বা অন্য দেশের সীমান্তের মাধ্যমে অবৈধভাবে কোনো অনুপ্রবেশ বা পুশ ইন করতে দেওয়া হবে না জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি উল্লেখ করেন, প্রতিষ্ঠিত আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে কাউকে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেওয়ার অনুমতি নেই।

সোমবার (২০ জুলাই) পিলখানায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদর দপ্তর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা অবৈধভাবে একজনকেও দেশে পুশ ইন হতে দিইনি। আমাদের বর্ডার গার্ড ও সচেতন জনগণের সহায়তায় আমরা এখনো পর্যন্ত সফলভাবে তা ঠেকাতে পারছি।’

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কিছু কিছু অবৈধ অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে। তবে এসব ঘটনার সংখ্যা খুব বেশি নয় এবং সেসব অনুপ্রবেশকারীর বিষয়ে সরকার ইতোমধ্যে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা কাউকে পুশ ইন করতে দিইনি।’

তিনি আরও জানান, ‘আমরা এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে যাইনি। তবে মিয়ানমার সীমান্তে একটি কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করার বিষয়ে প্রস্তাব রয়েছে।’

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্তের তুলনায় মিয়ানমার সীমান্তের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। মিয়ানমার সরকার বা সামরিক বাহিনীর সঙ্গে আরাকান আর্মির যুদ্ধ এবং অন্যান্য বিদ্রোহী গোষ্ঠীর কার্যক্রমের কারণে বাংলাদেশ বর্তমানে কঠিন পরিস্থিতি মুখোমুখি হয়েছে। এসব সংঘাতের প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ছে।

তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন, ‘এই অস্থিতিশীলতার ফলে মাদক চোরাচালান বেড়ে যাচ্ছে এবং মাঝে মধ্যে ওপার থেকে আসা গোলাগুলির কারণে আমাদের নাগরিকদের প্রাণহানি হচ্ছে।’

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

সীমান্তে ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাইন দুর্ঘটনা রোধে সরকার বিজিবিকে ইতিমধ্যে মাইন শনাক্তকরণের যন্ত্রপাতি সরবরাহ করেছে। তিনি জানান, বিজিবির সদস্যরা এই যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে কাজ করছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বিজিবির লোকবল বৃদ্ধি, যানবাহন, সরঞ্জাম ও অস্ত্র সংগ্রহের মাধ্যমে বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করতে সরকার প্রাথমিকভাবে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এসব পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো—সীমান্তে নজরদারি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং তথ্যের ভিত্তিতে বাহিনীর অভিযান পরিচালনা করার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

মাদক চোরাচালান রোধে বিজিবির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, নতুন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) প্রাথমিকভাবে বিজিবির ডগ স্কোয়াডের সহায়তা নেবে। যদিও আইনে ডিএনসির নিজস্ব ডগ স্কোয়াড তৈরির সুযোগ আছে, তবে সেটি তৈরিতে সময় লাগবে বলে আপাতত বিজিবির সহযোগিতা গ্রহণ করা হবে।

সাম্প্রতিক বন্যায় বিজিবির ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, বিজিবির সদস্যরা উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়েছেন এবং ড্রোন ব্যবহার করে দুর্গম এলাকায় ত্রাণ পৌঁছানোর কার্যক্রমে সহযোগিতা করেছেন। সীমান্ত পাহারার মূল দায়িত্বের পাশাপাশি বিজিবির এই ধরনের জনসম্পৃক্ত ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম আরও বাড়ানোর ওপর তিনি জোর দেন।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামের লবণ কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ দুই শ্রমিকের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪৭ পি.এম


চট্টগ্রামের লবণ কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ দুই শ্রমিকের মৃত্যু

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে লবণ কারখানায় ঘটে যাওয়া অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ অবস্থায় আরও দুইজন শ্রমিক চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এই ঘটনা নিয়ে এখন মোট ৪ জন নিহত হয়েছেন।

মৃতদের মধ্যে রয়েছেন, বোয়ালখালীর পশ্চিম গোমদণ্ডী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড চরখিজিরপুর গ্রামের উত্তর সাতঘড়িয়া পাড়ার নূর ছফার ছেলে নুর নবী হৃদয় (২৫) ও রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পোমরা ইউনিয়নের শান্তিরহাটের মধুরামপাড়ার বাসিন্দা উজ্জ্বল দাশ (৫৩)।

রোববার (১৯ জুলাই) বিকেল ৫টা এবং রাত সাড়ে ১০টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

জানা গেছে, দুর্ঘটনার কয়েকদিন আগে উজ্জ্বল দাশ একজন ঠিকাদারের অধীনে চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক হিসেবে কনফিডেন্স সল্ট লিমিটেড কারখানায় কাজে যোগ দেন। অন্যদিকে, নুর নবী হৃদয় দুই বছর আগে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন এবং তার ১ বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক কর্তৃক চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, উজ্জ্বল দাশের শরীরের ৫০ শতাংশ এবং নূর নবী হৃদয়ের শরীরের ৪৫ শতাংশ পুড়ে যায়। তাদের বাঁচানোর জন্য প্রচেষ্টা করা হলেও সফলতা পাওয়া যায়নি। গত ১৬ জুলাই সন্ধ্যায় চমেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান দুটি অতিরিক্ত শ্রমিক, যারা ছিলেন দিদারুল আলম (৩২) ও মোহাম্মদ আলম (৪৫)।

১৬ জুলাই সকালে কনফিডেন্স লবণ কারখানায় একটি বিস্ফোরণের ফলে ১০ জন শ্রমিক দগ্ধ হন। ওই দিনের পর তাদের চমেক হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, অনিয়মে জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪৯ পি.এম


কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, অনিয়মে জরিমানা

গাজীপুরের কালীগঞ্জে নিরাপদ খাদ্য আইন লঙ্ঘনের কারণে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইশিন ফুডস কোম্পানি লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত ঘটনায়, ল্যাব রিপোর্ট ছাড়াই রুটি উৎপাদন ও বাজারজাতের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার, উপজেলার নাগরী এলাকার নাগরভোলায় অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠানটিতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সরওয়ার লিমা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

তদন্তে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদিত রুটির মেয়াদ ২০ দিন থেকে এক মাস পর্যন্ত নির্ধারণ করা হলেও, দীর্ঘ মেয়াদ থাকার পক্ষে কোনো ল্যাব রিপোর্ট তারা দেখাতে পারেননি।

এ ছাড়া, প্রতিষ্ঠানটির কাছে থাকা বিএসটিআই’র লাইসেন্সের সঙ্গে উৎপাদিত রুটির উপকরণের মিল পাওয়া যায়নি। লাইসেন্স নেওয়া রুটি উৎপাদনের পরিবর্তে ভিন্ন ধরনের রুটি তাদের দ্বারা উৎপাদন ও বাজারজাত করা হচ্ছিল।

রুটির ভেতরে ব্যবহৃত জ্যামের ফিলিংসের উপকরণ সম্পর্কে সঠিক ব্যাখ্যা প্রদান করতে পারেননি সংশ্লিষ্ট কাউকে। জানা গেছে, এই জ্যাম ফিলিংসের কোনো বিএসটিআই অনুমোদনও নেই। এছাড়াও, কারখানায় ব্যবহৃত সমস্ত উপকরণ ও নির্দেশনা চীনা ভাষায় লেখা ছিল, যা নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

অভিযানকালে প্রতিষ্ঠানটির হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্সও পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশের নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের গাজীপুর জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা ফারজানা ইয়াসমিন সোনিয়ার উপস্থিতিতে, দীর্ঘ সময় নথিপত্র যাচাই-বাছাই শেষে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর ৩২(ক) ও ৩৮ ধারায় লঙ্ঘনের জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে তিন লাখ টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সরওয়ার লিমা। পরে প্রতিষ্ঠানটি জরিমানার পুরো অর্থ পরিশোধ করে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চউকের টিমের অভিযানে চার হাসপাতাল পরিদর্শন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫১ পি.এম


চউকের টিমের অভিযানে চার হাসপাতাল পরিদর্শন

চট্টগ্রাম নগরের বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিকগুলোর সামনে পার্কিং ব্যবস্থার অব্যবস্থা এবং সড়ক দখল করে যানবাহন রাখার বিষয়টি চিহ্নিত করা হয়েছে। এই অবস্থা নগরের ক্রমবর্ধমান যানজটের অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) একটি উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন টিম সরেজমিন পরিদর্শন করে এসব অনিয়ম শনাক্ত করেন। পরিদর্শনের প্রথম দিন হিসেবে প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক করা হয়।

পরিদর্শনকালে দেখা যায়, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে অনিয়মের মধ্যে রয়েছে- যদিও পার্কিং ব্যবস্থা বিদ্যমান, তবুও সেখানে পর্যাপ্ত গাড়ি পার্ক করা যাচ্ছে না। তাই তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। রয়েল হাসপাতালটি বাণিজ্যিক ভবনের অনুমোদন নিয়ে হাসপাতাল নির্মাণ করেছে, কিন্তু তাদের পর্যাপ্ত পার্কিং নেই। মেডিকেল সেন্টারটিও একইভাবে বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করেছে এবং সেখানে আবার অপর্যাপ্ত পার্কিং রয়েছে। ডিজাইন অনুযায়ী সেখানে ডাস্টবিন এবং ঝুঁকিপূর্ণ সিলিন্ডারও রয়েছে। এছাড়া, সিএসসিআর হাসপাতালটি তাৎক্ষণিক তাদের নকশা উপস্থাপন করতে পারছে না।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন চউকের প্রধান প্রকৌশলী আহমেদ আনোয়ারুল নজরুল, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এজিএম. সেলিম, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাহফুজুর রহমান, অথোরাইজড অফিসার-১ কাজী কাদের নেওয়াজ এবং অথোরাইজড অফিসার-২ তানজীব হোসেন।

পরিদর্শনের পর চউকের প্রধান প্রকৌশলী আহমেদ আনোয়ারুল নজরুল বলেন, "আমরা বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছি, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের নকশা ও বাস্তব অবস্থা যাচাই করছি। নানা অনিয়ম পাওয়া গেছে। তবে হুট করে কোনো সিদ্ধান্ত নিলে হাসপাতালে ভর্তি রোগীরা স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। তাই আপাতত সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোকে সতর্ক করা হয়েছে। খুব শিগগিরই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।"

চউকের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন মন্তব্য করেন, "বেসরকারি হাসপাতালগুলোর অনিয়ম দেখে খারাপ লাগছে। হাসপাতালগুলোর প্রায় কোনোটিই পর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থা রাখেনি। তারা সিডওএর নকশা বহির্ভূতভাবে এবং পার্কিং ব্যবস্থা না রেখেই বাণিজ্যিকভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছে। তারা নিজেরাও জানে যে, তারা সিডিএর কোন কোন আইন ভঙ্গ করেছে। তাই স্পষ্ট করে বলতে চাই- তারা যেন অবিলম্বে নিজ উদ্যোগে পর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থা গড়ে তোলে। কারণ আংশিক পার্কিং ব্যবস্থা একরকমের আইওয়াশ এবং সেটি চলবে না। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

তিনি আরও বলেন, "সিডিএ, সিটি কর্পোরেশন, ওয়াসা, সিএমপিসহ সেবা সংস্থাগুলো একমত হয়েছি, যেকোনো মূল্যে এই নগরের যানজট নিরসন করা হবে। এই শহরকে জঞ্জালমুক্ত রাখতে আমরা বদ্ধপরিকর। তাই নগরবাসীর দুর্ভোগ লাঘববিষয়ে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বিষয়টি নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। আমাদের উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন টিম নগরের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল পরিদর্শন করে তাদের সার্বিক চিত্র দেখেছে। যেসব হাসপাতালের পার্কিং ব্যবস্থা নেই, তাদেরকে সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে পরিদর্শনে হাসপাতালের আকার অনুসারে পার্কিং ব্যবস্থা দৃশ্যমান না হলে, অজুহাত না শুনে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে শিশুকে হত্যা করায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৩ পি.এম


ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে শিশুকে হত্যা করায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী এলাকায় নয় বছরের শিশু আয়নীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে হত্যা ও লাশ গুমের আলোচিত মামলায় আসামি মো. রুবেলকে (৩৮) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার দিন তারিখে চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মোহাম্মদ সাইফুর রহমান এই রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ বলেন, এই মামলায় ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণে ধর্ষণ চেষ্টায় ব্যর্থ হওয়ার পর শিশুটিকে হত্যা করার অভিযোগ সদ্য সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তাই আদালত আসামি মো. রুবেলকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। এই রায়ের পাশাপাশি অন্য একটি ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং আরেকটি ধারায় ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে, এর সঙ্গে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও রয়েছে। রায়ের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া জানা যায়, ২০২৩ সালের ২১ মার্চ শিশুটি নিখোঁজ হয়েছিল। নিখোঁজের বিষয়ে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী আয়নী। দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর তার সন্ধান না পাওয়ায়, তার মা পাহাড়তলী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তদন্তের সময়ে স্থানীয় সবজি বিক্রেতা মো. রুবেলের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। তবে পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজের নয়দিন পর পাহাড়তলীর মুরগি ফার্ম এলাকার একটি ডোবার পাশে আয়নীর গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে শিশুটির ব্যবহৃত পোশাক এবং স্যান্ডেলও উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর রুবেল ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে ঘটনার দায় স্বীকার করেন বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%