০৩:৪৩ পি.এম
ঢাকা, ৯ আগস্ট, ২০২৬ : শনিবার তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, তিনি আশা করছেন যে মিশর আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যুক্ত হবে। এ চুক্তিটি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থিতিশীলতা আনতে সহায়ক হবে।
শुक्रবার সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান এই চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ পার্শ্ববর্তী দেশগুলোকে জড়িয়ে ফেলছে এবং হরমুজ প্রণালী ও লোহিত সাগরে নৌ চলাচল ব্যাহত করছে।
চলমান এই সংঘাত ইরান ও ইয়েমেনের হুথি মিত্রদের আরও সাহসী করে তুলেছে। তারা সৌদি আরবে হামলা চালিয়েছে এবং গত মাসে একটি ড্রোন মিশরের ভূমধ্যসাগরীয় বন্দরে মার্কিন সম্পদে আঘাত হানে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলুকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, তিনি আশা করছেন মিশর ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’-তে অংশ নিবে। তিনি মিশরকে ‘সব বিষয়ে স্বাভাবিক অংশীদার’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, পরবর্তী ধাপে মিশরও আমাদের সঙ্গে থাকবে। আমরা ইতোমধ্যে একে অপরের সঙ্গে এমনভাবে কাজ করছি যেন আমরা জোটের সদস্য।
ফিদান জানান, কিছু কারিগরি বিষয় রয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে মিশরের যোগদানে কোনো বাধা থাকবে না।
তিনি আরও বলেন, এ চুক্তি কোনো নির্দিষ্ট দেশকে লক্ষ্য করে নয়। আমরা কোনো সাধারণ হুমকি লিখিতভাবে উল্লেখ করিনি।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
শুক্রবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, এই চুক্তি অনুযায়ী যদি কোনো সদস্যের ওপর হামলা হয়, তাহলে সেটিকে সবার ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে। চুক্তির উদ্দেশ্য হলো ‘সমষ্টিগত প্রতিরোধ শক্তিশালী করা’ এবং সাক্ষাৎকারে ফিদান বলেন, এ চুক্তি ‘এই অঞ্চলে স্থায়ী স্থিতিশীলতা আনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’। জোট আরো সম্প্রসারিত হতে পারে এমন ইঙ্গিতও তিনি দেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন