বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৩৫ পি.এম
সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন কোনো বেসরকারি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার স্থাপন করার অনুমতি দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে, এই সীমানার মধ্যে পূর্বে স্থাপিত বেসরকারি ক্লিনিকগুলিতে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরা প্র্যাকটিস করতে পারবেন না। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে। অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ শাখার পরিচালক ডা. মো. নূরুল ইসলাম এই নির্দেশনায় সই করেন।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ১৭ আগস্ট স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন সংক্রান্ত এক বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৭ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নবিষয়ক সভার কার্যবিবরণীর ৬ নম্বর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পাঠানো ওই কার্যবিবরণীর আলোকে সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনার মধ্যে বলা হয়েছে, কোনো সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন করে বেসরকারি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার স্থাপন করা যাবে না। একই এলাকার মধ্যে পূর্বে অবস্থিত বেসরকারি ক্লিনিকগুলিতে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরা প্র্যাকটিস করতে পারবেন না।
এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সব বিভাগীয় পরিচালক, সিভিল সার্জন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে অবিলম্বে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে।
সরকারি হাসপাতালের আশপাশে ব্যাপক হারে বেসরকারি ক্লিনিক স্থাপনের প্রেক্ষাপটে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের দালালের মাধ্যমে এসব বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া, সরকারি হাসপাতালের অনেক চিকিৎসক নিয়মিত কর্মঘণ্টার পর আশপাশের বেসরকারি ক্লিনিকে প্র্যাকটিস করে থাকেন। নতুন নির্দেশনার ফলে সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত বেসরকারি ক্লিনিকে তাদের প্রাইভেট প্র্যাকটিসও বন্ধ থাকবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নবিষয়ক সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তা কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে অধিদপ্তরকে অবহিত করতে বলা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জে ‘সুস্বাস্থ্যের জন্য ফলিত পুষ্টি’ বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে, যা সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি পুষ্টি বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজন করা হয়।
এই প্রশিক্ষণের সমাপ্তি বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার কৃষি অফিসের হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুহাম্মদ জয়নুল আলম তালুকদার উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বারটান) এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি অফিসের সহযোগিতায় এই প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়। প্রশিক্ষণে এসএএও, শিক্ষক-শিক্ষিকা, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা, তথ্য আপা, সাংবাদিক, ইমাম-পুরোহিত ও এনজিও কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ৩০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুহাম্মদ জয়নুল আলম তালুকদার উল্লেখ করেন, ‘সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় বেশি করে শাকসবজি রাখা প্রয়োজন। খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি রাখা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।’
প্রশিক্ষণের সমাপনীতে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জিনাত জাহান বর্ণালী, বারটানের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম, সহকারী বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. সোহাগ মিয়া, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মোঃ মাঈন উদ্দিনসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্টরা। প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষকরা সুস্বাস্থ্যের জন্য সুষম খাদ্যের প্রয়োজনীয়তা, পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ, স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস এবং দৈনন্দিন জীবনে পুষ্টির গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি পরিবার ও সমাজে পুষ্টিবিষয়ক সচেতনতা তৈরিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় হাইওয়ে রেস্টুরেন্ট ব্যবসার আড়ালে মাদক বিক্রির অভিযোগে পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে, তাদের কাছে ১ কেজি ৩০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটককৃত তিনজনই রেস্টুরেন্ট পরিচালনার সাথে জড়িত। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে তিনটার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন তেতৈতলা হাঁস পয়েন্ট সংলগ্ন মর্নিংসান হাইওয়ে রেস্তোরা এন্ড হোটেল থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার ভাটিবন্দর গ্রামের মৃত মানিক মিয়ার ছেলে আব্দুল কাদির (৪৫), কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার গল্লাই গ্রামের মৃত আবু মিয়ার ছেলে মিজান (৪০) এবং চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ছিন্নমূল সলিমপুর গ্রামের আব্দুর রউফের ছেলে আলম (২৬)।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, মহাসড়কের গজারিয়া অংশের তেতৈতলা হাঁস পয়েন্ট সংলগ্ন এই রেস্টুরেন্টে বেশ কিছুদিন ধরে মাদক ব্যবসা চলছিল। রেস্টুরেন্টের মালিকপক্ষের লোকজন তাদের কর্মচারীদের মাধ্যমে আগত গ্রাহক ও যানবাহন চালকদের কাছে মাদক বিক্রি করতেন। বুধবার দুপুরে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে চক্রটিকে হাতেনাতে ধরে ফেলা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি স্টিলের বাক্স উদ্ধার করা হয়। বাক্সটি খুলতে বাধ্য করা হলে তার ভেতর ১ কেজি ৩০০ গ্রাম গাঁজা পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অভিযুক্তদের গাঁজাসহ পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
জানা গেছে, রেস্টুরেন্টটির মালিক তেতৈতলা গ্রামের মৃত মনসুর আলীর ছেলে মোহাম্মদ আলী। তার কাছ থেকে রেস্টুরেন্টটি ভাড়া নিয়ে বেশ কয়েকজন মিলে পরিচালনা করতেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিচালনাকারীরা দীর্ঘদিন ধরে কৌশলে আগত ব্যক্তিদের কাছে মাদক বিক্রি করে আসছিলেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত গজারিয়া থানার উপ-পরিদর্শক মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, "স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে আসি। এ সময় তিনজনের কাছ থেকে একটি স্টিলের বাক্স উদ্ধার করা হয়। বাক্সটি খোলার পর তার ভেতরে গাঁজা পাওয়া যায়। আটককৃতদের থানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।" গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নকীব আকরাম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, "স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। গাঁজাসহ ৩ জন আটক হওয়ার বিষয়টি শুনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে নতুন করে সন্দেহ ও নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ২৭০ জন। চলতি সেপ্টেম্বর মাসে একদিনে এটিই হাম উপসর্গে সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদন ও কন্ট্রোলরুমের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ১৫৭ জন। একই সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ১১৩ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে হাম ও হাম উপসর্গে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪৪৯ জনে পৌঁছেছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজার ৮৫১ জন।
এই সময়ের মধ্যে হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৬২ হাজার ৪৮ জন। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৬১২ জন।
মৃত্যুর হিসাবের দিক থেকে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ১১ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গে মোট ৯৭৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। তবে ১৫ মার্চ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সব মিলিয়ে ১৫ মার্চ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে হাম ও হাম উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা ১ হাজার ৭৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে ৯৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে হাম উপসর্গ নিয়ে এবং ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছে নিশ্চিত হামে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে ১০ বছরের এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালত তিন বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছে। এ ছাড়া, প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একজন আসামির বয়স ১৮ বছরের নিচে হওয়ায় তাকে শিশু সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপর আসামিকে কারাগারে পাঠানো হবে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক সৈয়দা মিনহাজ উম মুনীরা রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কামাল উদ্দিন সেলিম রায়ের বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান।
দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে একজন হলেন নবীগঞ্জ উপজেলার শ্রীমতপুর ইউনিয়নের শেখ কবিরের ছেলে শেখ জামাল এবং অপরজন এলাহী মিয়ার ছেলে রাজিব মিয়া।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শ্রীমতপুর ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী জান্নাত (১০) স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। অভিযোগে বলা হয়েছে, মাদ্রাসা ছুটির পর বাড়ি ফেরার সময় তাকে মোবাইল ফোন দেওয়ার কথা বলে ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়।
অভিযোগের ভিত্তিতে, ঘরে নেওয়ার পর শেখ জামাল ও রাজিব মিয়া দরজা বন্ধ করে শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখান। এক পর্যায়ে তারা জোরপূর্বক শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। পরে, বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য ভয় দেখিয়ে শিশুটিকে ঘর থেকে বের করে দেওয়া হয়।
বাড়ি ফেরার পথে শিশুটি রাস্তায় অচেতন হয়ে পড়ে। তখন মুমিনা বেগম নামে এক নারী তাকে দেখে পরিবারের সদস্যদের খবর দেন। পরে, শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে জ্ঞান ফেরার পর সে স্বজনদের কাছে ঘটনার বিস্তারিত জানায়।
ঘটনার পর শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে নবীগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্ত শেষে নবীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) দুলাল মিয়া চলতি বছরের ৩০ মার্চ দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিচারকালে মামলায় ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কামাল উদ্দিন সেলিম বলেন, আসামিদের বয়স বিবেচনায় আদালত তিন বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছে। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্তদের একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাকে শিশু সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কামাল উদ্দিন সেলিম।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ