ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রোজপুরে অস্ত্র ও ৪৩ রাউন্ড গুলিসহ তিনজন আটক


রোজপুরে অস্ত্র ও ৪৩ রাউন্ড গুলিসহ তিনজন আটক

পিরোজপুরে একটি বিদেশী পিস্তল এবং ৪৩ রাউন্ড গুলিসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতাতৃতদের মধ্যে রয়েছেন মো. হাসান, যিনি ওরফে মেহেদী হাসান, মো. আল আমিন শেখ এবং আলী হোসেন। আজ শুক্রবার দুপুরে পিরোজপুর সদর থানায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ বিষয়টি জানিয়েছেন পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী।

তিনি জানিয়েছেন, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অস্ত্র উদ্ধার, মাদক এবং সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান চালানোর মধ্যে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২ টার দিকে সদর উপজেলার কদমতলা বাজার এলাকায় সন্দেহভাজন হিসেবে মো. হাসান ওরফে মেহেদী হাসান এবং মো. আল আমিন শেখকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাদের কাছে থেকে জানা যায় যে, একজনের কাছে ৩০ হাজার টাকায় একটি বিদেশি পিস্তল এবং গুলি বিক্রি করেছে তারা। তাদের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, আজ শুক্রবার ভোর ৬টার দিকে সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নের তেতুলতলা এলাকায় আলী হোসেনের ফ্ল্যাটে তল্লাশি жүргізে ইতালির তৈরি একটি পিস্তল ও ৪৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। এ সময় আলী হোসেনকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযানের সময়ে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ এবং এলাকার বেশ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র এবং গুলি জব্দ করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তার হওয়া তিনজনের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী বলেছেন, অপরাধ দমনে পিরোজপুর জেলা পুলিশের এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মসজিদের ৩০ শতাংশ কাজ শেষেও স্থানান্তরের গুজব, গৌরনদীতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫৮ পি.এম


মসজিদের ৩০ শতাংশ কাজ শেষেও স্থানান্তরের গুজব, গৌরনদীতে

বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের পাশ্ববর্তী জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় গৌরনদী মডেল মসজিদ ও ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ রহস্যজনক কারণে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে দ্রুত নির্মাণ কাজ শুরুর দাবিতে গত শুক্রবার (৩ জুলাই) বাদ জুমা মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে বক্তারা স্থানীয় সংসদ সদস্য ও তথ্যমন্ত্রী এম জহির উদ্দিন স্বপনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

নির্মাণাধীন মডেল মসজিদের সামনে মহাসড়কের পাশে সচেতন গৌরনদী উপজেলার মুসুল্লীগণের ব্যানারে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন চলাকালীন সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, সচেতন মুসুল্লীসহ সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ। বক্তারা অভিযোগ করেন, নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে গৌরনদী মডেল মসজিদ ও ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ বিগত ২০২০ সালে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পাশ্ববর্তী জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকা আশোকাঠী ব্রাক অফিসের পাশের জমিতে শুরু করা হয়। ইতোমধ্যে নির্মাণ কাজের ৩০ ভাগ সম্পন্ন করেছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। কিন্তু হঠাৎ করে গত দশদিন থেকে পুরো নির্মাণ কাজ বন্ধ করে রেখেছে ঠিকাদার।

স্থানীয় তরুণ সমাজ সেবক ও পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. এনামুল হক জানান, কাজ বন্ধের ব্যাপারে ঠিকাদারের সাথে যোগাযোগ করার পর তিনি জানিয়েছেন, সরকারের কোন এক কর্মকর্তা কাজটি বন্ধ রাখতে বলেছেন। কারণ মডেল মসজিদটির অন্যত্র স্থানান্তর করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। বিষয়টি স্থানীয় সচেতন মুসুল্লীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ফলে মুসুল্লীদের অংশগ্রহণে দ্রুত নির্মাণ কাজ শুরুর দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গৌরনদী পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও পৌর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান আকবর বলেন, ৩০ ভাগ নির্মাণ কাজ শেষের পরে এখন যদি মডেল মসজিদটি অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়, তাহলে সরকারের বিপুল পরিমাণ আর্থিক লোকসান হবে। তাছাড়া মডেল মসজিদটি অন্যত্র স্থানান্তর করার কোন যৌক্তিকতাও নেই। তাই যেকোন মূল্যে নির্মাণাধীনস্থানে কাজ সম্পন্নের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ তথ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। গৌরনদী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মো. শহিদুল ইসলাম শহিদ ঘরামী বলেন, সারাদেশের মডেল মসজিদগুলোর নির্মাণকাজ অনেক আগেই শেষ হলেও বিভিন্ন কারণে গৌরনদীর মডেল মসজিদের নির্মাণ কাজে ভাটা পরেছিল। এর পর, নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় মডেল মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। ঠিকাদারের ভাষ্যমতে ইতোমধ্যে নির্মাণ কাজের প্রায় ৩০ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এ অবস্থায় মডেল মসজিদটি যদি অন্যত্র স্থানান্তর করা হয় তাহলে সরকারের বিপুল পরিমাণ অর্থ লোকসান হবে। আর এ ষড়যন্ত্র যদি কেউ করে থাকে, তাদের গৌরনদীর মুসুল্লীদের নিয়ে প্রতিহত করা হবে। বর্তমানে যেখানে মডেল মসজিদের নির্মাণ কাজ হচ্ছে, সেখানেই দ্রুত পূর্ণাঙ্গ কাজ শেষ করার জন্য সাবেক কাউন্সিলর স্থানীয় সংসদ সদস্য ও তথ্যমন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অনুষ্ঠিত সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গৌরনদী পৌর জামায়াতের আমীর মাওলানা মো. হাফিজুর রহমান, গণঅধিকার পরিষদের উপজেলা সভাপতি সাংবাদিক সোলায়মান তুহিন, পৌর বিএনপির সদস্য হুমায়ুন পাইক, ওয়ার্ড যুবদল নেতা ওয়াশিম ফকির, আবু সাইদ, নুর আলম, নজরুল সরদার, আরিফ ফকির, সোবহান সরদার প্রমুখ। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ী মজিবর রহমান বলেন, মডেল মসজিদ শুধু নামাজ আদায়ের স্থান নয়; এটি ইসলামিক শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ, গণপাঠাগার এবং সামাজিক-ধর্মীয় কর্মকান্ডের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই সরকার প্রকল্পটি গ্রহণ করেছে। তাই নির্মাণকাজ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় গৌরনদীর মানুষ কাঙ্খিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

মানববন্ধন থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মডেল মসজিদের কাজ সম্পন্ন করার জোর দাবি জানানো হয়। সরকারের সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলেও বক্তারা উল্লেখ করেন। এ ব্যাপারে মসজিদ নির্মাণকারী ঠিকাদার টিপু সুলতান বলেন, বরিশাল গণপূর্ত বিভাগ থেকে আমাকে মৌখিকভাবে নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। তাই কাজ বন্ধ রেখেছি। তিনি আরও বলেন, মসজিদ নির্মানের প্রায় ৩০% কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সে হিসেবে আমি প্রায় আড়াই কোটি টাকার বিল নিয়েছি। এ বিষয়ে জানতে বরিশাল গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর মুঠোফোনে ফোন করা হলেও, তার নাম্বার বন্ধ পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া যায়নি। তবে গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. ইব্রাহীম বলেন, মডেল মসজিদের নির্মাণ কাজ বন্ধের বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুনরায় চালু বিতর্কিত ফার্মেসি স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০১ পি.এম


পুনরায় চালু বিতর্কিত ফার্মেসি স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ

চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্রের সাথে মিল না রেখে ওষুধ সরবরাহের অভিযোগে বন্ধ করে দেওয়া মা মেডিকেল হল নামের ফার্মেসীটি পুনরায় চালু করা হয়েছে। এই ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর বন্দরের।

বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, ভূক্তভোগীদের অভিযোগের পর বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দরা বির্তকিত ওই ফার্মেসিটি সাময়িকভাবে বন্ধের নির্দেশ দিলেও অল্প সময়ের মধ্যেই পুনরায় সেই ফার্মেসিটি চালু করা হয়েছে। বাটাজোর ইউনিয়নের লক্ষণকাঠি গ্রামের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম জানালেন, গত ২৯ জুন টাইফয়েড ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত তার শিশু সন্তানের জন্য চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ইনজেকশন সংগ্রহ করতে তিনি বাটাজোর বাজারের মা মেডিকেল হলে যান।

অভিযোগ করে তিনি উল্লেখ করেছেন, চিকিৎসক যে ওষুধটি ব্যবস্থাপত্রে লিখেছিলেন, ফার্মেসি থেকে তার পরিবর্তে ভিন্ন একটি ইনজেকশন দেওয়া হয়। ওষুধটি নিয়ে চিকিৎসকের কাছে গেলে তিনি জানান, এটি তিনি ব্যবস্থাপত্রে লেখেননি। পরে আবার ফার্মেসিতে গেলে স্বত্বাধিকারী রিপন ভুলবশত অন্য ওষুধ দেওয়া হয়েছে বলে স্বীকার করেন।

সিরাজুল ইসলাম আরও বলেন, খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছেন এটি ওই ফার্মেসির প্রথম কোন ঘটনা নয়। এর আগেও ঢাকা সম্মিলিত সাময়িক হাসপাতালের এক চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্রের ওষুধের পরিবর্তে অন্য ওষুধ দেওয়ার কারণে তার সন্তানের শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছিল। বাটাজোর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ও বাটাজোর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আকতার হোসেন বাবুল এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়ার পরপরই বলেন, আমাদের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রাথমিকভাবে ফার্মেসিটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছি। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, বাজার কমিটির ওই সিদ্ধান্তের পরেও অল্প সময়ের ব্যবধানে ফার্মেসিটি পুনরায় খোলা করা হয়েছে। এতে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। মা মেডিকেল হলের স্বত্বাধিকারী মো. রিপন বলেন, চিকিৎসক ইসোমিপ্রাজল গ্রুপের ইসোনিক্স ২০ মিলিগ্রাম লিখেছিলেন। ভুলবশত ৪০ মিলিগ্রাম দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি বুঝতে পেরে আমরা তা সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছি। পূর্বের অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি কোনো ভুল ওষুধ দিইনি। চিকিৎসক একটি নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের সাবান লিখেছিলেন। সেটি আমার কাছে না থাকায় একই ধরনের অন্য একটি সাবান দিয়েছিলাম।

তিনি আরও বলেন, বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ ফার্মেসিটি বন্ধ রাখতে বলেছেন। আমি তাদের সঙ্গে আলোচনা করে আমার ভুল স্বীকার করে ভবিষ্যতে আর এ ধরনের ভুল হবে না মর্মে মুচলেকা দিয়েছি।

ভুক্তভোগী সিরাজুল ইসলাম বলেন, বাজার কমিটি ফার্মেসিটি বন্ধ করে দিলেও পরে আবার সেটি চালু হয়ে যায়। এখনো কোনো প্রতিকার পাইনি। আমি চাই না বিষয়টি কোনোভাবে যেন ধামাচাঁপা পরে যায়। তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে আমার দাবি, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কবরস্থান থেকে ককটেল নিক্ষেপের অভিযোগে চার আ.লীগ নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০৪ পি.এম


কবরস্থান থেকে ককটেল নিক্ষেপের অভিযোগে চার আ.লীগ নেতা

 

আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সড়ক অবরোধ ও মিছিল করেছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতারা।

ঠেকাতে গেলে ছুড়েছেন ককটেল ও পেট্রোল বোমা। এতে বিঘ্নিত হয়েছে দেশের শান্তি ও শৃঙ্খলা।

এসব অভিযোগ উল্লেখ করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলটির ২৪৮ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন মারজুক আব্দুল্লাহ নামে এক যুবক।

ওই মামলার আসামির তালিকায় রয়েছেন চারজন মৃত নেতার নাম।

মামলার বাদি মারজুক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা।

বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) তিনি মামলাটি দায়ের করেছেন।

বিচারক এসএম শরীয়ত উল্লাহ অভিযোগ আমলে নিয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনারকে তদন্তের নির্দেশও দিয়েছেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব মজুমদার জানিয়েছেন, এই নালিশী মামলায় অস্ত্র, বিস্ফোরক, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও হত্যার হুমকিসহ বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

তবে আসামির তালিকায় চারজন প্রয়াত নেতার নাম যুক্ত করায় অভিযোগের সত্যতা ও মামলার উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

মামলার আসামির তালিকায় রয়েছেন-বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, সাবেক সাংসদ জেবুন্নেছা আফরোজ, বরিশাল জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর, সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু, সিটি করপোরেশনের সাবেক প্যানেল মেয়র জিয়াউর রহমান বিপ্লব এবং রফিকুল ইসলাম খোকন।

এছাড়াও মামলায় সিটি করপোরেশনের ১৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি খন্দকার রেজাউর রহমান রেজা, ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আবুল ফারুক হুমায়ুন, ২২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এইচএম হাফিজুর রশিদ শিবলী ও ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী হাওলাদারের নাম রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মামলার ২১২ নম্বর আসামি খন্দকার রেজাউর মারা গেছেন ২০২২ সালের ২২ জানুয়ারি।

মারজুক মামলায় অভিযোগ এনেছেন, রেজাউর গত ১০ জুন নগরীর গড়িয়ারপাড় এলাকায় আওয়ামী লীগের ব্যানারে মিছিল করেছেন এবং সড়কে হাতবোমা ছুড়েছেন।

মামলার ১৯৮ নম্বর আসামি আবুল ফারুকের মৃত্যু হয়েছে ২০২৩ সালের ২৫ মার্চ।

তার বিরুদ্ধেও ১০ জুনের মিছিলের অভিযোগ।

২০২১ সালের ১৯ অক্টোবর মারা গেছেন ২২৫ নম্বর আসামি হাফিজুর রশিদ এবং একই বছরের ২৬ জুলাই মারা যান ১৯৫ নম্বর আসামি আলী হাওলাদার।

তাদের বিরুদ্ধেও আনা হয়েছে ওই মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ।

বরিশাল সিটি করপোরেশনের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর রাজীব হোসেন খান বলেছেন, মারজুক নামের যে ব্যক্তি মামলাটি করেছেন তাকে বরিশালের সবাই মামলা ব্যবসায়ী বলে চেনেন।

আগেও তিনি একটি মামলা করেছিলেন।

এই মামলা যে ভুয়া তার বড় প্রমাণ আসামি চারজন মৃত।

তারা কি কবর থেকে উঠে এসে বাদীর ওপর ককটেল নিক্ষেপ করেছেন?

যাদের মারা গেছেন প্রত্যেকের জানাজায় আমি উপস্থিত ছিলাম।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের এক নেতা জানিয়েছেন, এই চারজন অনেকদিন আগেই মৃত্যুবরণ করেছেন।

তারা বরিশাল সিটিতে বেশ পরিচিত ছিলেন।

এই মামলা যিনি করেছেন, তিনি আসামি করার ভয় দেখিয়ে অনেকের থেকে চাঁদা তুলেছেন।

এসব বিষয়ে জানতে মামলার বাদী বরিশাল নগরীর ১০ নম্বর ওয়ার্ডের ক্লাব রোডের বাসিন্দা মারজুক আব্দুল্লাহর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে প্রশ্ন শুনেই তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

পরে একাধিকবার তাকে কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিফ করেননি।

পরবর্তীতে কলব্যাক করে মামলার সাক্ষীদের ওপর মারজুক দায় চাঁপিয়ে বলেন, রেজা নামে যে ব্যক্তির নাম দেওয়া হয়েছে মামলার আসামি হিসেবে, সেটা সাক্ষীদের ভুলের কারণে এসেছে।

বাকি তিনজনের বিষয় আমি কিছু জানিনা।

সাক্ষীদের ভুল ইনফরমেশনের কারণে এমনটা হয়েছে।

বরিশালের গবেষক আনিসুর রহমান খান স্বপন বলেন, মামলায় মৃতদের আসামি করা হয়ে থাকলে তা আদালত অবমাননা ও আদালতকে বিভ্রান্ত করার ঘটনা।

বিষয়টি নিয়ে পুলিশ প্রশাসনের স্ব-প্রণোদিত হয়ে কাজ করা উচিত।

বরিশাল আদালতের সিনিয়র আইনজীবী মেহেদী হাসান বলেন, তদন্তে মামলার অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে বাদী ও সাক্ষীদের বিরুদ্ধে আদালত ব্যবস্থা নিতে পারে।

সূত্রমতে, মারজুক আব্দুল্লাহ ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বরিশাল জেলার সাবেক সমন্বয়ক।

এখন তিনি জাতীয় ছাত্রশক্তির বরিশাল মহানগর শাখার যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক।

তিনি বরিশাল সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে নির্বাচনের ঘোষণাও দিয়েছিলেন।

২০২৫ সালের ১৪ মে আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতা আমির হোসেন আমুসহ ২৪৭ জনের নামে জুলাইয়ের মামলা করেছিলেন মারজুক।

সেসময় তার বিরুদ্ধে আসামি তালিকায় নাম রাখা ও বাদ দেওয়া নিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছিল।

বৈষম্যবিরোধীর নেতারাই সংবাদ সম্মেলন করে তখন মারজুকের বিরুদ্ধে মামলা বাণিজ্যের অভিযোগ তোলেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে তার পদ স্থগিত করে সংগঠনটির জেলা কমিটি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এল নিনো ‘শক্তিশালী’ রূপ নিতে যাচ্ছে, জাতিসংঘের সতর্কবার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০৮ পি.এম


এল নিনো ‘শক্তিশালী’ রূপ নিতে যাচ্ছে, জাতিসংঘের সতর্কবার্তা

প্রতীকী ছবি

এল নিনো ইতোমধ্যে এসেছে এবং জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যবর্তী সময়ের মধ্যে এটি দ্রুত একটি শক্তিশালী রূপ ধারণ করবে। এই পরিস্থিতিটি চরম ভাবাপন্ন আবহাওয়ার আশঙ্কা আরও বৃদ্ধি করছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) এই সতর্কবার্তা জাতিসংঘের জলবায়ু সংস্থা থেকে প্রকাশিত হয়েছে।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) জানিয়েছে, এই জলবায়ু পরিস্থিতি দ্রুত শক্তি সঞ্চয় করছে। একই সাথে সংস্থাটি দেশগুলোকে এর সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছে।

এল নিনো মধ্য ও পূর্ব নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের পৃষ্ঠীয় তাপমাত্রা বৃদ্ধির মাধ্যমে, এ থেকে বিশ্বজুড়ে বাতাস, বায়ুচাপ এবং বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন আসে। এটি সাধারণত প্রতি দুই থেকে সাত বছর পরে ঘটে এবং প্রায় ৯ থেকে ১২ মাস স্থায়ী হয়। এই অবস্থাটি মূলত এল নিনো এবং এর বিপরীত রূপ 'লা নিনা'-র মধ্যে ওঠানামা করে, মাঝের নিরপেক্ষ সময় বাদে।

ডব্লিউএমও-এর মাসিক 'গ্লোবাল সিজনাল ক্লাইমেট আপডেট' ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ‘জুলাই-সেপ্টেম্বরের মধ্যে এটি দ্রুত একটি শক্তিশালী এল নিনো পরিস্থিতিতে রূপ নিতে যাচ্ছে।’

জাতিসংঘের এই সংস্থাটি এল নিনোর তীব্রতাকে মৃদু, মাঝারি, শক্তিশালী এবং অত্যন্ত শক্তিশালী— এই চার ভাগে বিন্যস্ত করে থাকে। সেক্ষেত্রে, এবারের এল নিনো চারটির মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছাবার আশা করা হচ্ছে।

ডব্লিউএমও জানিয়েছে, উষ্ণমন্ডলীয় প্রশান্ত মহাসাগরে এল নিনোর পরিস্থিতি তৈরি হয়ে গেছে এবং আগামী মাসগুলোতে এটি দ্রুত শক্তিশালী হবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বিশ্বের অনেক অংশে চরম ভাবাপন্ন আবহাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে।

ডব্লিউএমও-এর জলবায়ু বিজ্ঞানী আলভারো সিলভা এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, গত মাস থেকে আমরা অধিকতর নিশ্চিত যে, নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরে একটি শক্তিশালী এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

তিনি আরও বলেছেন, আগামী মাসগুলোতে ডব্লিউএমও নতুন আপডেট জারি করতে পারে, যদি পূর্বাভাস নির্দেশ করে যে এটি সত্যিই একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এল নিনো হবে।

জেনেভা-ভিত্তিক এই সংস্থাটি জানিয়েছে, বিশ্বব্যাপী জলবায়ু কেন্দ্রগুলোর বিভিন্ন মডেল ব্যবহার করে তৈরি করা পূর্বাভাসগুলো মধ্য ও পূর্ব নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগর জুড়ে সমুদ্রের তাপমাত্রা ক্রমাগত এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধির দিক নির্দেশ করছে।

সংস্থাটি জানায়, প্রধান পর্যবেক্ষণ অঞ্চলগুলোর ঋতুভিত্তিক গড় সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। উত্তর গোলার্ধের শরৎকালেও এল নিনোর শক্তি বৃদ্ধি হবে এবং এর প্রভাব বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়বে।

গতবারের এল নিনোর প্রভাবে ২০২৩ সালটি রেকর্ডের দ্বিতীয় উষ্ণতম বছর হিসেবে বিবেচিত। ২০২৪ সালটি হবে সর্বকালের সবচেয়ে উষ্ণতম বছর, যা শিল্পায়নের পূর্ববর্তী সময়কালের (১৮৫০-১৯০০) গড় তাপমাত্রার চেয়ে প্রায় ১.৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি।

যদিও এল নিনো সাধারণত নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে, তবে এর ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধির চূড়ান্ত রূপটি সাধারণত পরে দেখা যায়।

সিলভা জোর দিয়ে জানিয়েছেন, এল নিনোর প্রভাব বছরের শেষ অবধি ইন এবং পরেও, এমনকি ২০২৭ সালজুড়ে বিভিন্ন অঞ্চলে অনুভূত হবে।

ডব্লিউএমও জানিয়েছে, তারা আগাম সতর্কবার্তা সংক্রান্ত সহায়তা জোরদার করছে যেন দুর্যোগ প্রস্তুতির জন্য সুবিধা হয়; বিশেষ করে কৃষি ও স্বাস্থ্য খাতের মতো জলবায়ু-সংবেদনশীল খাতগুলোতে।

ডব্লিউএমও প্রধান চেলেন্তে সাউলো বলেন, জীবন বাঁচাতে এবং আমাদের অর্থনীতি ও সম্প্রদায়ের ওপর এর প্রভাব কমাতে এ ধরনের পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, ‘এল নিনো পরিস্থিতি ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে এবং এটি দ্রুত একটি শক্তিশালী রূপ ধারণ করবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এর ফলে অনেক অঞ্চলে খরা ও ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা এবং স্থলভাগে দাবদাহ ও সামুদ্রিক দাবদাহের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যাবে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ৬০ ডিগ্রি দক্ষিণ থেকে ৬০ ডিগ্রি উত্তরের মধ্যবর্তী বেশিরভাগ স্থলভাগে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তাপমাত্রা থাকার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিধি মেরু অঞ্চলের বাইরে প্রায় সমস্ত জনবহুল এলাকাকে অন্তর্ভুক্ত করে।

জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাসও একটি শক্তিশালী হতে থাকা এল নিনোর সাথে মিলে যায়। এর ফলে দক্ষিণ-পশ্চিম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ কিছু এলাকায় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত এবং ভারতীয় উপমহাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার অধিকাংশ এলাকায় স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

ডব্লিউএমও-এর মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এল নিনোর পুনরাবৃত্তি বা তীব্রতা বাড়ে— এমন কোনো প্রমাণ নেই। তবে সংস্থাটি মনে করে, জলবায়ু পরিবর্তন এর প্রভাবকে আরও তীব্র করতে পারে। কারণ উষ্ণ সমুদ্র এবং বায়ুমণ্ডল চরম আবহাওয়া যেমন— দাবদাহ এবং ভারী বৃষ্টিপাতের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি ও জলীয় বাষ্পের জোগান বাড়িয়ে দেয়।

উত্তর গোলার্ধের গ্রীষ্মকালে এল নিনোর কারণে সৃষ্ট উষ্ণ পানি মধ্য ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে হারিকেন বা ঘূর্ণিঝড় তৈরিতে নিয়ামক হিসেবে কাজ করতে পারে, যদিও আটলান্টিক মহাসাগরে এটি ঘূর্ণিঝড় গঠনে বাধা দেয়।

গত বৃহস্পতিবার, এল নিনোর কারণে ভারী বৃষ্টির ‘আসন্ন বিপদের’ মুখে পেরু তাদের ১৮০০টি পৌরসভার মধ্যে ৮০০টিতে ৬০ দিনের জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। পেরুর ৯৩ লাখেরও বেশি মানুষকে বন্যা এবং ভূমিধসের অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকিতে থাকার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%