রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৩২ পি.এম
আজ (রোববার) প্রায় দেড় মাস পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বোর্ড সভা, যা হোম ক্রিকেটে অনুষ্ঠিত হবে। এই সভায় দেশের ক্রিকেটের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ নীতি-নির্ধারণী এবং ভবিষ্যতের বড় সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিসিবির সংশ্লিষ্ট পরিচালকদের সূত্রে জানা গেছে, আজকের সভার এজেন্ডায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বিশেষ করে জাতীয় দলের নেতৃত্ব, ঘরোয়া ক্রিকেটের নতুন ক্যালেন্ডার এবং বিপিএলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আজকের সভাটি পুরো ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক কৌতুহল সৃষ্টি করেছে।
এক নজরে আলোচনার শীর্ষ বিষয়সমূহ
বিপিএল নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত না হওয়ায় বোর্ডের নিজস্ব উদ্যোগে দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি জমকালো টি-টোয়েন্টি লিগ আয়োজন করা সম্ভব হবে কি না, সেই বিষয়ে আজ বোর্ড পরিচালকদের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুর রহিম সরকারকে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হযরত আলী মিলন দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) আহমেদ পেয়ার।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে কাবিলপুর ইউনিয়নের বটতলা বাজার এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মিছিলের ঘটনায় ওসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এছাড়া, বাতানিয়া গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা ও চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী শাহজাহান খোকনের বাড়িতে আয়োজিত ভূরিভোজে অংশ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
সেনবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হযরত আলী মিলন জানিয়েছেন, শনিবার সন্ধ্যায় ওসি প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে প্রত্যাহারের কারণ সম্পর্কে তিনি অবগত নন। বটতলা এলাকায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মিছিলের ঘটনায় শনিবার থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের পাঁচ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩০ থেকে ৩৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) আহমেদ পেয়ার মন্তব্য করেছেন, "একজনের বাড়িতে গিয়ে দাওয়াত খাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওসি আবদুর রহিম সরকারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।" তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কিন্তু তদন্ত প্রতিবেদন এখনও পাওয়া যায়নি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ এবং লোহিত সাগর উপকূলবর্তী কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনায় ব্যাপক ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে।
এই তথ্য ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির একটি প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।
হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া আল-সারিয়া অনলাইনে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানান, সৌদি রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর স্থাপনা রিয়াদের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং উপকূলীয় শহর ইয়ানবুর লক্ষ্য করে এই হামলা পরিচালিত হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সম্প্রতি সানায় সৌদি জোটের বিমান হামলা এবং ইয়েমেনজুড়ে ৩০০টিরও বেশি হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে তারা বিপুলসংখ্যক ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করে এই সমন্বিত আক্রমণ চালিয়েছেন।
সৌদি কর্তৃপক্ষ জানায়, রিয়াদের দিকে আসা একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তারা সফলভাবে ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে। তবে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রিয়াদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিকটবর্তী একটি জ্বালানি ট্যাংকে ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়, যা কিছু সময়ের জন্য বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটায়। সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট জানিয়েছে, বিশ, তাইফ, ফারাসান ও ইয়ানবু শহরে চালানো আরও বেশ কিছু হামলা বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিহত করা হয়েছে।
হামলা ও পাল্টাহামলা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত নিজেদের নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। তারা উল্লেখ করে, বেসামরিক বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন স্থানে হুতিদের হামলা দ্রুত সামরিক সংঘাত বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং মার্কিন নাগরিকদের ওই অঞ্চলে ভ্রমণের বিষয়টি পুনর্মূল্যায়ন করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের মুম্বাইয়ে একটি দ্রুতগতির বিএমডব্লিউ প্রাইভেট কার সেতু থেকে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় তিনজন তরুণের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া, আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোরের দিকে মুম্বাইয়ের কোস্টাল রোডে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। খবর এনডিটিভির
কালো রঙের বিএমডব্লিউটি মেরিন ড্রাইভ থেকে হাজি আলীর দিকে যাচ্ছিল। সেতুর ওপর ওঠার পর চালক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে, ফলে গাড়িটি রেলিংয়ে ধাক্কা দিয়ে নিচে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর চারজনকেই নায়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকেরা সেখানে তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়া, ২০ বছর বয়সী এক যুবককে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ট্রমা ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে শনয় গজ্জল (২১) ও ধিরিয়া শেঠ (১৭) নামে দুজনের পরিচয় জানা গেছে। অন্য নিহতের বয়স আনুমানিক ২৫ বছর, তবে তার পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।
রোববার ভোর ৫টা ২০ মিনিটে কোস্টাল রোড কন্ট্রোল রুমে দুর্ঘটনার খবর আসে। গাড়িটি সেতুর ঝুলন্ত একটি সাইনবোর্ড ভেঙে ফেলে। দুর্ঘটনার ফলে বিএমডব্লিউটির ছাদ দুমড়ে যায়, উইন্ডশিল্ড চূর্ণ হয়ে যায় এবং সামনের অংশ পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়ে যায়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সংসারে ভালোবাসা, যত্ন এবং দায়িত্বের উপস্থিতি রয়েছে। কিন্তু ব্যস্ততার কারণে অনেক সময় প্রিয় মানুষটির প্রশংসা করা হয়ে ওঠে না। অথচ একটি ছোট্ট প্রশংসা, আন্তরিক কিছু কথা কিংবা হঠাৎ করে বলা ‘আজ তোমাকে খুব সুন্দর লাগছে’—সম্পর্কে নতুন উষ্ণতা আনতে পারে।
প্রশংসা করার জন্য সব সময় বড় কোনো আয়োজনের প্রয়োজন হয় না। বরং সহজ এবং মন থেকে বলা কথাগুলোই সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে। তবে প্রশংসা করতে গিয়ে এমন কিছু বলা উচিত নয়, যা উল্টো নতুন ঝামেলার সৃষ্টি করতে পারে। যেমন, ‘আজ তোমাকে আগের চেয়ে রোগা লাগছে’—এটি প্রশংসা নাকি অন্য কোনো প্রশ্নের সূচনা, তা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে।
তাহলে স্ত্রীকে খুশি করতে চাইলে বলা যেতে পারে এমন ১০টি সহজ কথা।
১. ‘আজ তোমাকে খুব সুন্দর লাগছে’
প্রতিদিন দেখা হওয়ার কারণে অনেক সময় প্রিয় মানুষের সৌন্দর্য চোখে অভ্যাস হয়ে যায়। তাই হঠাৎ একদিন আন্তরিকভাবে বলুন, ‘আজ তোমাকে বেশ সুন্দর লাগছে।’
কিন্তু কথাটি যেন মুখস্থ সংলাপের মতো শোনায় না। সত্যি মনে হলে বলুন। এই ছোট্ট কথাটি স্ত্রীর মনে আনন্দ দিতে পারে।
২. রান্নার প্রশংসা করুন
যদি স্ত্রী রান্না করে খাওয়ান এবং আপনি শুধু ‘ভালো হয়েছে’ বলে উঠে যান, তাহলে প্রশংসার বড় সুযোগটি হাতছাড়া হয়ে যাবে।
মাঝেমধ্যে একটু বাড়িয়ে বলতেই পারেন, ‘এই রান্না তো রেস্তোরাঁতেও পাওয়া যাবে না!’ তবে প্রতিদিন একই কথা বলার প্রয়োজন নেই। নইলে কোনো দিন রান্না একটু ভিন্ন হলে প্রশ্ন আসতে পারে—‘কাল তাহলে মিথ্যা বলেছিলে?’
৩. তার পরিশ্রমের কথা বলুন
ঘরের কাজ, অফিস, সন্তান সামলানো কিংবা পরিবারের বিভিন্ন দায়িত্ব—অনেক কাজই চোখে পড়ে না। তাই শুধু চেহারা বা সাজের প্রশংসা নয়, তার পরিশ্রমের কথাও স্বীকার করা উচিত।
বলতে পারেন, ‘তুমি যেভাবে সবকিছু সামলে রাখো, সত্যিই সেটা সহজ নয়।’ এ ধরনের কথাগুলো অনেক বেশি অর্থবহ হতে পারে।
৪. ভালো সিদ্ধান্তের প্রশংসা করুন
স্ত্রী যখন কোনো সিদ্ধান্ত নেন, তখন সব সময় নিজের মত চাপিয়ে না দিয়ে তার ভালো সিদ্ধান্তের কথাও স্বীকার করুন।
‘তুমি যেভাবে বিষয়টি ভেবেছ, সেটা ভালো হয়েছে’—এমন একটি বাক্য সম্পর্কের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান বৃদ্ধি করতে পারে।
৫. পোশাক বা সাজের প্রশংসা করুন
নতুন পোশাক, চুলের ধরন কিংবা সাজে ছোট কোনো পরিবর্তন চোখে পড়লে তা বলুন। ‘কিছুই তো বদলায়নি’ বলে চুপ করে থাকার চেয়ে একটি ছোট্ট প্রশংসা অনেক বেশি আনন্দ দিতে পারে।
তবে প্রশংসা করার সময় অন্য কারও সঙ্গে তুলনা করবেন না।
৬. তার হাসির প্রশংসা করুন
‘তোমার হাসিটা খুব সুন্দর’—এটি একটি সাধারণ কথা। কিন্তু এই সাধারণ কথাটিই বেশ কার্যকর হতে পারে।
যদি স্ত্রী আপনার কথা শুনে হেসে ফেলেন, তাহলে বুঝবেন প্রশংসার ফলও মিলতে শুরু করেছে।
৭. তার রসবোধের প্রশংসা করুন
সংসারে হাসতে পারাও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। স্ত্রী যদি আপনাকে হাসাতে পারেন, তার সেই গুণটিরও প্রশংসা করুন।
বলতে পারেন, ‘তোমার সঙ্গে থাকলে জীবনটা অন্তত একঘেয়ে লাগে না।’ তবে এর পর যদি স্ত্রী বলেন, ‘তাই নাকি? তাহলে আজ বাসনগুলোও তুমি মাজো’—তাহলে প্রশংসার সঙ্গে বাড়তি দায়িত্বও এসে যেতে পারে!
৮. তার যত্নের কথা স্বীকার করুন
অসুস্থ হলে ওষুধের কথা মনে করিয়ে দেওয়া, সময়মতো খেয়েছেন কি না জিজ্ঞেস করা কিংবা ছোটখাটো প্রয়োজনের কথা মনে রাখা—এসবই ভালোবাসার প্রকাশ।
তাহলে এসব যত্নকে স্বাভাবিক ধরে না নিয়ে মুখে বলুন, ‘তুমি আমার এত যত্ন নাও, সেটা আমি সত্যিই মনে রাখি।’ এমন কথা সম্পর্ককে আরও উষ্ণ করতে পারে।
৯. সবার সামনে সম্মান করুন
একান্তে প্রশংসা করা ভালো। তবে পরিবার বা বন্ধুদের সামনে স্ত্রীর কোনো ভালো দিক তুলে ধরলে সেটির আলাদা গুরুত্ব রয়েছে।
তার কাজ, সাফল্য কিংবা কোনো গুণের কথা অন্যদের সামনে বলুন। এতে তিনি বুঝতে পারবেন, আপনি শুধু একান্তে নয়, অন্যদের সামনেও তাকে সম্মান করেন।
১০. সরাসরি বলুন, ‘তোমাকে পেয়ে আমি খুশি’
সব প্রশংসার মধ্যে সবচেয়ে সহজ অথচ গভীর কথাগুলোর একটি হতে পারে—‘তোমাকে আমার জীবনে পেয়ে আমি খুশি।’
এর সঙ্গে মজার কোনো স্মৃতিও যোগ করতে পারেন। যেমন, ‘তুমি না থাকলে আমার মোবাইল, চাবি আর চার্জার কোনোটাই ঠিক জায়গায় থাকত না!’ এতে হাসির সঙ্গে ভালোবাসার কথাটিও পৌঁছে যাবে।
প্রশংসার জন্য বিশেষ দিনের দরকার নেই
স্ত্রীর প্রশংসা করার জন্য বিশেষ কোনো দিনের প্রয়োজন নেই। তবে কোনো উপলক্ষ থাকলে সেটিকে ভালোবাসা প্রকাশের সুযোগ হিসেবে কাজে লাগানো যেতে পারে।
সংসারে বড় উপহার, দামি রেস্তোরাঁয় খাওয়া কিংবা চমকপ্রদ আয়োজনের পাশাপাশি কখনো কখনো কয়েকটি আন্তরিক কথাই সবচেয়ে বেশি মনে থাকে।
তবে প্রশংসা করতে গিয়ে নিজের প্রশংসা চেয়ে বসবেন না। ‘আমি তো তোমার অনেক প্রশংসা করি, আমারটা কোথায়?’—এ ধরনের প্রশ্নটি না করাই ভালো। এতে ভালোবাসার মুহূর্তটি মুহূর্তেই হিসাব-নিকাশে পরিণত হতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ