১২:১৬ পি.এম
বিশ্ববাজারে আর্জেন্টিনার গরুর মাংসের চাহিদা বাড়ছে। সেই চাহিদা মেটাতে দেশটি রফতানিও বাড়িয়েছে। বিশেষভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে শুল্ক কমানোর পর আর্জেন্টিনার মাংসের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বেড়েছে। চলতি বছরে দেশটি প্রায় ৩৫ কোটি ডলারের মূল্যে ৪১ হাজার ৭৭০ টন গরুর মাংস রফতানি করেছে।
আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা পূরণে খামারগুলোতে গরুকে দ্রুত ওজন বাড়ানোর জন্য ভুট্টা ও সয়াবিনভিত্তিক উচ্চ পুষ্টির খাদ্য খাওয়ানো হচ্ছে। এভাবে তাদের সুফল পেতে শুরু করেছে আর্জেন্টিনা। বৈশ্বিক বাজারে বাড়তি চাহিদা ও নতুন বাণিজ্য চুক্তির সুযোগ কাজে লাগিয়ে দেশটি এখন শুধু অভ্যন্তরীণ বাজার নয়, আন্তর্জাতিক বাজারেও গরুর মাংস রফতানিতে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
আগে ৩০০ কেজি ওজন হলেই গরু রফতানির জন্য প্রস্তুত করা হতো। বর্তমানে একই গরুকে আরও কয়েক মাস খামারে রেখে ওজন বাড়িয়ে ৫৫০ কেজি পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কারণ, গরুর ওজন যত বাড়ে, ততই রফতানি আয়ের পরিমাণ বাড়ে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন বাণিজ্য চুক্তি। ফলে কম শুল্কে আরও বেশি গরুর মাংস রফতানির সুযোগ পেয়েছে আর্জেন্টিনা।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসেই যুক্তরাষ্ট্রে আর্জেন্টিনার গরুর মাংস রফতানি আগের সালের একই সময়ের তুলনায় ১৫৮ শতাংশ বেড়েছে। এ সময় দেশটি ৪১ হাজার ৭৭০ টন গরুর মাংস রফতানি করেছে, যার মূল্য প্রায় ৩৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার।
বর্তমানে আর্জেন্টিনায় উৎপাদিত গরুর মাংসের প্রায় ৩০ শতাংশ বিদেশে রফতানি হয়। বিশ্লেষকদের ধারণা, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এই হার বেড়ে ৪০ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন