ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বন্যায় বোবা প্রাণীদের নীরব কষ্ট, এখনই যা করা প্রয়োজন


বন্যায় বোবা প্রাণীদের নীরব কষ্ট, এখনই যা করা প্রয়োজন

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান বন্যায় মানুষ যেমন ঘরবাড়ি হারিয়ে দুর্ভোগের শিকার হয়েছে, তেমনি সবচেয়ে অসহায় অবস্থায় গৃহপালিত পশু, পাখি ও রাস্তার প্রাণীরা রয়েছে। বন্যায় হঠাৎ করে পানিবন্দি হয়ে পড়া এসব বোবা প্রাণী তাদের নিজেদের নিরাপদ স্থানে নিতে পারে না, খাবার বা বিশুদ্ধ পানি জোগাড় করতেও তারা সক্ষম হয় না, এমনকি বিপদের কথা কাউকে জানাতেও পারে না। তাই বর্তমান বন্যা পরিস্থিতিতে মানুষের পাশাপাশি প্রাণীদের জীবন রক্ষায়ও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

প্রথম কাজ নিরাপদ আশ্রয়।

বন্যার সময় প্রাণীদের দ্রুত উঁচু ও শুকনো স্থানে সরিয়ে নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। গরু, ছাগল, ভেড়া বা হাঁস-মুরগিকে মাচা, উঁচু বাঁধ, স্কুলের মাঠ, নৌকা বা নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। রাস্তার কুকুর ও বিড়ালের জন্যও উঁচু ছাদ, বারান্দা বা শুকনো কোনো কোণে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা দরকার।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বন্যার সময় গবাদিপশুকে খুঁটিতে বেঁধে রাখা অত্যন্ত বিপজ্জনক। পানির উচ্চতা বাড়লে তারা সরে যেতে পারে না এবং তাদের ডুবে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই বন্যার সময় পশুগুলোকে মুক্তভাবে নিরাপদ স্থানে থাকার সুযোগ দিতে হবে।

খাদ্যের ব্যবস্থা আগে থেকেই।

বন্যার সময় ঘাস ও স্বাভাবিক খাদ্য পাওয়া কঠিন হয়ে যায়। তাই গবাদিপশুর জন্য খড়, ভুসি, দানাদার খাবার ও শুকনো খাদ্য আগে থেকেই সংরক্ষণ করে উঁচু ও শুকনো স্থানে রাখতে হবে। যদি কাঁচা ঘাস না পাওয়া যায় তবে কলাগাছ, কাঁঠাল পাতা বা অন্যান্য নিরাপদ গাছের পাতা বিকল্প খাদ্য হিসেবে দেওয়া যেতে পারে।

রাস্তার কুকুর ও বিড়ালের জন্য শুকনো বিস্কুট, ভাত, মাছের টুকরো বা সহজপাচ্য খাবার উঁচু জায়গায় রেখে আসা যেতে পারে। তবে খাবার এমনভাবে রাখতে হবে, যাতে তারা নিরাপদে খেতে পারে এবং পানিতে ভেসে না যায়।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

বিশুদ্ধ পানি সবচেয়ে জরুরি।

বন্যার সময় প্রাণীদের জন্য বিশুদ্ধ পানির সংকট বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। এই দূষিত পানি পান করলে ডায়রিয়া, পেটের অসুখ ও বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই প্রাণীদের জন্য ফুটানো, বিশুদ্ধ বা নিরাপদ উৎসের পানি সরবরাহ করতে হবে। সম্ভব হলে আলাদা পাত্রে পরিষ্কার পানি রেখে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে তারা সহজে পান করতে পারে।

রোগবালাই প্রতিরোধে সতর্কতা।

বন্যার পানিতে দীর্ঘ সময় থাকলে গবাদিপশুর খুরের রোগ, ক্ষুরারোগ, তড়কা, বাদলা বা পেটের অসুখ হতে পারে। প্রাণীদের শরীরে জ্বর, ক্ষুধামন্দা, দুর্বলতা, পেট খারাপ বা হাঁটতে অসুবিধা দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

কোনো প্রাণী অসুস্থ হলে স্থানীয় প্রাণিসম্পদ অফিস, কৃষি তথ্য সার্ভিস বা নিকটস্থ পশু চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা অত্যন্ত জরুরি। সময়মতো চিকিৎসা পেলে অনেক প্রাণীর জীবন রক্ষা করা সম্ভব।

রাস্তার প্রাণীদেরও দায়িত্ব নিতে হবে।

বন্যার সময় রাস্তার প্রাণীরা সবচেয়ে বেশি অবহেলিত হয়ে পড়ে। তাদের খাবার, আশ্রয় ও নিরাপদ স্থান থেকে বঞ্চিত হতে হয়। তাই স্থানীয় মানুষ, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও প্রশাসনের উচিত তাদের জন্য অস্থায়ী আশ্রয়, খাবার ও পানির ব্যবস্থা করা। ছোট ছোট মানবিক উদ্যোগও অনেক প্রাণীর জীবন বাঁচাতে পারে।

সম্মিলিত উদ্যোগই পারে প্রাণ বাঁচাতে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৪, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ জন

দুর্যোগের সময়ে মানুষ ও প্রাণী উভয়ই প্রকৃতির কাছে অসহায়। তাই বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ কার্যক্রমের পাশাপাশি প্রাণী উদ্ধারের বিষয়টিও গুরুত্ব দিতে হবে। পরিবার, স্থানীয় প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও প্রাণিপ্রেমীদের সমন্বিত উদ্যোগে গৃহপালিত পশু, পাখি ও রাস্তার প্রাণীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বোবা প্রাণীদের বাঁচানো শুধু মানবিক দায়িত্ব নয়, এটি পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষারও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই বর্তমান বন্যা পরিস্থিতিতে তাদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়, শুকনো খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সোমবার শোক দিবস পালনের ঘোষণা বিএনপির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১০ পি.এম


সোমবার শোক দিবস পালনের ঘোষণা বিএনপির

দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে সোমবার (১৩ জুলাই) ঢাকাসহ সারা দেশে শোক দিবস পালনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। রুহুল কবির রিজভী নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, "মরহুম ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে বিএনপি এক দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করছে। সোমবার সারা দেশব্যাপী শোক দিবস পালন করা হবে। এই উপলক্ষে দলীয় সব কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে এবং নেতাকর্মীরা প্রত্যেকে কালো ব্যাজ ধারণ করবেন।" ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের প্রথম নামাজে জানাজা বাদ জোহর ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে এবং পরে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় বিকাল ৫টায় জানাজা হবে। মরহুম জমিরউদ্দিন সরকারের রুহের মাগফেরাত কামনা করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, "ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আমাদের মাঝে আর নেই। তিনি আমাদের থেকে বহু দূরে চলে গেছেন। ছাত্রজীবনে ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে এ দেশের প্রতিটা অধিকারের আন্দোলন, স্বাধীনের আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম, গণতান্ত্রিক আন্দোলন প্রতিটা আন্দোলনে তার অনন্য ভূমিকা। তিনি ছিলেন সমকালীন রাজনীতির এক জীবন্ত ইতিহাস। তার মহিমান্বিত অবদান স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। তার মৃত্যুতে দেশ হারাল একজন অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ানকে, দেশ হারাল এক অভিভাবককে।" এসময় দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, "চট্টগ্রামসহ দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল পানিতে ডুবে গেছে। বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে আমাদের প্রধানমন্ত্রী এবং দলের চেয়ারম্যান দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন।" সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, আবদুস সালাম আজাদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবদুস সাত্তার পাটোয়ারি, অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা ডা. জাহিদ হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, রোববার ভোর ৪টা ১৮ মিনিটে শ্যামলীর স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য জমিরউদ্দিন সরকার। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলা আবেদন খারিজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১১ পি.এম


হামে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলা আবেদন খারিজ

হামের কারণে মেয়ের অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগ এনে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমসহ মোট চারজনের বিরুদ্ধে এক বাবার দেওয়া মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আদালত।

রোববার (১২ জুলাই) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এই আদেশ দেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী আশুতোষ ভৌমিক জানান, মামলাটি গ্রহণ করার তেমন উপাদান না থাকায় আদালত কর্তৃক খারিজের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

গত ৫ জুলাই সকালে আদালতে ৯ মাস বয়সী সাউদা নুসকানের বাবা সিরাজুল ইসলাম মামলার আবেদনটি জমা দেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশের নিশ্চয়তা দেয়। পরে জানানো হয়, ১২ জুলাই এই বিষয়ে আদেশ দেওয়া হবে।

ড. ইউনূস এবং নূরজাহান ছাড়াও স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর এবং সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমকে মামলায় আসামি করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছিল।

মামলার আবেদনে বলা হয়, ফেব্রুয়ারির শেষে এবং মার্চের শুরুতে শরীয়তপুর সদরের নয় মাস বয়সী সাউদা মুসকান মারাত্মক জ্বরে আক্রান্ত হন। স্থানীয় চিকিৎসার ফল না আসায় শিশুটিকে মার্চের প্রথম সপ্তাহে ঢাকার মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। সেখানে হামের চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না পেয়ে শিশুটিকে মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে ২২ মার্চ স্থানান্তর করা হয়।

মহাখালীর চিকিৎসক ও নার্সদের বিরুদ্ধে চিকিৎসার ক্ষেত্রে অসহযোগিতা ও অবহেলার অভিযোগ তুলতে গিয়ে বলা হয়েছে, বাদীর স্ত্রীর হাতে ২৬ মার্চ অক্সিজেন সিলিন্ডার ধরিয়ে বাচ্চার মুখে লাগাতে বলা হয়েছিল। কিন্তু শিশুর মা ব্যর্থ হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুইপারকে দিয়ে শিশুর মুখে তা লাগিয়ে দেন। এর ঘণ্টা দুই পর শিশুটি মারা যায়।

মামলার আর্জিতে বলা হয়, শিশুদের টিকার যোগান সময়মতো না থাকা, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়া এবং টিকা কেনা ও দেওয়ার ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের ‘মারাত্মক খামখেয়ালিপনা’ ও অবহেলার কারণে দেশে ছয় শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে সাউদা মুসকানও একটি।

এগুলোতে অভিযুক্তদের কোনোভাবেই দায় এড়ানোর সুযোগ নেই এবং রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকার পরও হামজনিত শিশু মৃত্যুর প্রতিরোধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ তারা গ্রহণ করেননি; এজন্য তারা এক্ষেত্রে দায়ী এবং প্রচলিত আইনে শান্তি পাওয়ার যোগ্য।

এর পূর্বে একই ধরনের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মুহাম্মদ ইউনূস, নূরজাহান বেগমসহ আরও অনেকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলার আবেদন খারিজ হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

থানা ভবন ভাঙার সময় বোমাসদৃশ বস্তু বিস্ফোরিত হওয়ার পর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১২ পি.এম


থানা ভবন ভাঙার সময় বোমাসদৃশ বস্তু বিস্ফোরিত হওয়ার পর

সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ থানার পুরনো ভবন ভাঙার কাজ চলাকালীন একটি বোমাসদৃশ বস্তু মাটির নিচে বিস্ফোরিত হয়ে যায়। এই বিস্ফোরণের ফলে দুই নির্মাণ শ্রমিক আহত হয়েছেন।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুর দেড়টার সময়ে থানা চত্বরের ভেতরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

আহত শ্রমিকেরা হচ্ছেন, উপজেলার বাজারগ্রাম এলাকার গফফার মোড়লের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৪২) এবং একই এলাকার কামরুল হাসান (৩০)। তাদের দ্রুত উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, পুরানো থানার ভবনটি ভাঙার কাজের অংশ হিসেবে শ্রমিকরা ভবনের ফ্লোরের নিচের মাটি অপসারণের কাজ করছিলেন। ঠিক ওই সময় বাজারগ্রাম এলাকার বাসিন্দা গফফার মোড়লের ছেলে শ্রমিক রফিকুল ইসলাম (৪২) কোদাল দিয়ে মাটির ওপর আঘাত করলে মাটির নিচে একটি বোমাসদৃশ বস্তু বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। এই বিস্ফোরণের ফলে রফিকুলের দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর আঘাত লেগেছে। এমনকি একই সময়ে পাশে থাকা অপর শ্রমিক কামরুলের ডান পায়ে গুরুতর জখম হয়।

এই ঘটনার পর এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বিস্ফোরণের প্রকৃতি নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হলেও পুলিশ বলছে, এটি ককটেল হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত নয়।

এ বিষয়ে কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, পুরনো থানার ভবনের মাটি সরানোর সময় এক শ্রমিকের কোদালের আঘাতে একটি বিস্ফোরণ ঘটে। প্রাথমিকভাবে এটি ককটেল মনে হচ্ছে না। এটি আতশবাজি জাতীয় কোনো বস্তু হতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঠিকাদার উধাও, সেতুর কাজ ফেলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ পি.এম


ঠিকাদার উধাও, সেতুর কাজ ফেলে

খুলনার পাইকগাছা ও সাতক্ষীরার তালা উপজেলার মধ্যে যোগাযোগের জন্য সেতুর নির্মাণ কাজ পাঁচ বছরেও শেষ হবে না। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ ফেলে উধাও হয়ে যাওয়ায় ভাঙা সাঁকো দিয়ে হাজার হাজার মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পার হচ্ছেন।

কপোতাক্ষ নদের ওপর শালিখা সেতুর নির্মাণ কাজ ২০২১ সালের ১৯ অক্টোবর শুরু হয়েছিল। এলজিইডির উদ্যোগে প্রায় সাত কোটি টাকা ব্যয়ে বাঁকা-পাটকেলঘাটা সড়কে ৬৬ মিটার দীর্ঘ এই আরসিসি গার্ডার সেতুর নির্মাণ কাজ ২০২৩ সালের আগস্টে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে ৬৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করার পর ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। ইতোমধ্যে ঠিকাদার ৪ কোটি ৪৫ লাখ, ৬৬ হাজার ৭২৩ টাকা তুলে নিয়েছেন। এরপর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন ও যন্ত্রপাতি রাতের আঁধারে সাইট থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

তাহলে তালা উপজেলার খেশরা, শালিখা, বালিয়া, জালালপুর ও মাগুরা ইউনিয়নের মানুষ প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো দিয়ে পার হচ্ছেন। সাইকেল, ভ্যান, ইঞ্জিনভ্যান ও মোটরসাইকেলও এই ঝুকিপূর্ণ সাঁকোর ওপর দিয়ে চলাচল করছে।

কাটিপাড়া বাজার, বাঁকা বাজার, পাইকগাছা, কয়রা, আশাশুনি ও সাতক্ষীরা জেলার সঙ্গে যোগাযোগের এই গুরুত্বপূর্ণ পথে প্রতিদিন হাজারো মানুষ গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ করে থাকেন।

এলজিইডি সূত্র জানায়, ঠিকাদারকে একাধিকবার তাগিদ দেওয়ার পরও কোন সাড়া না মেলায় ২০২৩ সালের ১০ মার্চ ২৮ দিনের চূড়ান্ত নোটিশ প্রদান করে কাজ বাতিলের ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তবে গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘এস এ-জেডটি (জেভি)’ পুরোপুরি উধাও হয়ে যায়।

প্রতিষ্ঠানটির এস এ-জেডটি (জেভি) জিয়াউল হাসান টিটুর বক্তব্য জানার জন্য তার মোবাইল নাম্বারে কয়েকবার ফোন দেওয়া হলেও নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।

উপজেলা প্রকৌশলী শাফিন শোয়েব জানান, আপাতত শালিখা ব্রিজের কাজ বন্ধ রয়েছে। আমরা বারবার কার্যাদেশটি বাতিলের জন্য জেলা অফিসে সুপারিশ করেছি। কাজটি বাতিল হলে পুনরায় দরপত্র আহ্বান করে নতুন করে কাজ শুরু করা হবে।

পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও এই সেতুর কাজ শেষ হয়নি। ঠিকাদার পালিয়ে গেলেও প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ নেই। এমন পরিস্থিতিতে ভোগান্তির শেষ কোথায়, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%