বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:১০ পি.এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি ভুয়া প্রবেশপত্র দিয়ে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে এক শিক্ষার্থী ও তার সহযোগীকে কলেজ কর্তৃপক্ষ আটক করেছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে মোট ৪০ হাজার টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) কসবা তফজ্জল আলী ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রের এইচএসসি-২০২৬ পরীক্ষায় এ ঘটনাটি ঘটে। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন কসবা মহিলা ডিগ্রি কলেজের অকৃতকার্য শিক্ষার্থী তাসফিয়া রহমান জান্নাত (১৮) এবং তার সহযোগী ইনজামুল হক (১৯)।
কসবা তফাজ্জল আলী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ বলেন, তাসফিয়া রহমান জান্নাত তার এক পরিচিত যুবকের সহযোগিতায় এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি ভুয়া অ্যাডমিট কার্ড তৈরি করেন এবং তা ব্যবহার করে পরীক্ষায় অংশ নিতে আসেন। পরীক্ষা শুরুর আগে প্রবেশপত্র যাচাইয়ের সময় অ্যাডমিট কার্ডে উল্লেখিত কোড নম্বর ও পরীক্ষার বিষয়ের সঙ্গে অসঙ্গতি ধরা পড়ে। এতে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের সন্দেহ হলে তারা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে বোর্ড থেকে নিশ্চিত হয় যে অ্যাডমিট কার্ডটি সম্পূর্ণ ভুয়া। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনকে জানানো হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়।
কসবা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তানজিল কবির জানান, টেস্ট পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হওয়ায় তাসফিয়া রহমান জান্নাত এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তার সহযোগীর সহায়তায় একটি জাল প্রবেশপত্র তৈরি করে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়ার চেষ্টা করেন। কলেজ কর্তৃপক্ষের তৎপরতায় তিনি ধরা পড়েন। তদন্তে জানা যায়, ভুয়া প্রবেশপত্র তৈরিতে ইনজামুল হক তাকে সহায়তা করেছেন।
এই অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত উভয়কে ২০ হাজার টাকা করে মোট ৪০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধে জড়াবেন না এই মর্মে তাদের কাছ থেকে কঠোর মুচলেকা নেয়া হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের আলোচিত টিকটকার আলী হায়দরাবাদী সম্প্রতি তার স্ত্রী জয়নাব আলীকে তালাক দেওয়ার মুহূর্তের ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করায় ব্যাপক বিতর্কের মুখে পড়েছেন। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর নেটিজেনদের মধ্যে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ডেইলি পাকিস্তানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে আলীকে তার ভাইদের উপস্থিতিতে জয়নাবকে উদ্দেশ্য করে বলতে শোনা যায়, "আমি আমার ভাইদের আগে তোমাকে তালাক দিচ্ছি।" তারপরই ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিও প্রকাশের পর জয়নাব আলীও একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন। সেখানে তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় দেখা যায়। তিনি পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজের কাছে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আবেদন জানিয়ে বলেন, "মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজের কাছে আমার আবেদন, আমাকে এই দানবের হাত থেকে বাঁচান। অনুগ্রহ করে আমাকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা দিন। আমার জীবন চরম বিপদের মধ্যে রয়েছে।"
জয়নাবের অভিযোগ, তালাক দেওয়ার পাশাপাশি আলী তাকে গুরুতর পরিণতির হুমকিও দিয়েছেন। তার দাবি, আলী বলেছেন যে তার লাখ লাখ অনুসারী এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে, যার প্রভাব খাটিয়ে তার ক্ষতি এমনকি হত্যাও করা হতে পারে।
এসব অভিযোগ সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অনেকেই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন টিকটকার আলী হায়দরাবাদী। পরে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় হাতে পবিত্র কুরআন নিয়ে তিনি জয়নাবের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন।
শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগের জবাবে আলী বলেন, তিনি কখনোই জয়নাবের হাত বা আঙুল ভাঙেননি। এছাড়া তালাকের ভিডিও ধারণের বিষয়ে তার দাবি, এটি সামাজিক মাধ্যমে প্রচারের উদ্দেশ্যে নয়; বরং ভবিষ্যতের প্রয়োজনে প্রমাণ হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছিল।
আলীর ভাষ্য, তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন আগে থেকেই তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। সে কারণেই তিনি তালাকের পুরো প্রক্রিয়া ভিডিওতে ধারণ করেন।
একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, জয়নাবের পরিবার তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। এ ঘটনায় হতাশা প্রকাশ করে আলী বলেন, "আমি কখনোই ভাবিনি যে জয়নাব এত নিচে নামতে পারে।"
এ ঘটনায় এখনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো তদন্ত বা আইনি পদক্ষেপের ঘোষণা পাওয়া যায়নি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের মুলাদী উপজেলায় পুলিশের হেফাজত থেকে হ্যান্ডকাফসহ আওয়ামী লীগের একজন কর্মীকে ছিনিয়ে নিয়েছে স্থানীয়রা। এ ঘটনার পর পুলিশের সঙ্গে দেনদরবার ও সমঝোতার মাধ্যমে গভীর রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করার পর হ্যান্ডকাফটি ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের রামারপুল বাজারে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাটির পর বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) মুলাদী থানায় সরকারি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে এসআই মনির হোসেন একটি মামলা দায়ের করেন।
স্থানীয় সূত্রে খবর পাওয়া গেছে, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটার ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলার ৫ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি রাসেদুল ইসলাম সেতু ভূঁইয়া। বুধবার বিকেলে বাজারে তাকে দেখে পুলিশ গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারের পরপরই স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশকে চারদিকে ঘিরে ফেলে। সর্বশেষ তারা পুলিশের কাছ থেকে সেতুকে হ্যান্ডকাফসহ ছিনিয়ে নেয়।
এদিকে হ্যান্ডকাফ ফেরত পেতে স্থানীয়দের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছালে, গভীর রাতে পুলিশের দেওয়া চাবি নিয়ে হ্যান্ডকাফটি খুলে স্থানীয়রা ফেরত দেয়।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খন্দকার সোহেল রানা।
তিনি জানান, 'ঘটনার পরপরই তারা হ্যান্ডকাফ ফেরত পেয়েছেন। আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটার ঘটনায় পুলিশ একটি মামলা করেছে। সেতু ভূঁইয়া ওই মামলার ৫ নম্বর আসামি। তাকে ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে বৃহস্পতিবার এসআই মনির হোসেন থানায় নতুন একটি মামলা দায়ের করেছেন।'
ওসি জানিয়েছেন, নতুন মামলার পর আসামি সেতু ভূঁইয়া সহ ঘটনাটির সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার, উপকূলীয় এলাকায় টহল ও নজরদারি, মানবিক সহায়তা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সমুদ্রসম্পদ ও সার্বভৌমত্বের সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
এরই ধারাবহিকতায় আজ বৃহস্পতিবার জাপানের অফিশিয়াল সিকিউরিটি অ্যাসিস্ট্যান্স (ওএসএ) এর আওতায় প্রাপ্ত ৫টি পেট্রোল বোট জাপান সরকারের প্রতিনিধি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নিকট হস্তান্তর করে।
এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম প্রধান অতিথি এবং জাপানের পররাষ্ট্র বিষয়ক সংসদীয় উপমন্ত্রী শিমাদা তোমোয়াকি বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও, অনুষ্ঠানে জাপানের প্রতিনিধি দল, নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত অতিথি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
জাপানের সাথে দীর্ঘদিনের পারস্পারিক আস্থা, বন্ধুত্ব এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বের ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে ৫টি উচ্চগতিসম্পন্ন পেট্রোল বোট সংগ্রহের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও জাপান সরকারের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। নোট বিনিময়ের মাধ্যমে ২০২৩ সালে নভেম্বরে প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয় এবং প্রকল্পের কার্যক্রম শেষে গত ৬ ফেব্রুয়ারি বোটগুলো চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছায়।
জাপানি বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে 'বানৌজা নির্ভীক'-এ বোটগুলোর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে নৌবাহিনীর সদস্যদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রতিটি বোটের দৈর্ঘ্য ১৬.১৫ মিটার, প্রস্থ ৩.৫৩ মিটার, গভীরতা ১.৭৮ মিটার ও ধারণ ক্ষমতা ১৩.৫ টন।
পেট্রোল বোটগুলো সর্বোচ্চ ৩২ মাইল গতিতে চলাচল করতে সক্ষম। এ সকল বোট কম গভীরতাসম্পন্ন জলপথে চলাচলের উপযোগী এবং উচ্চগতিসম্পন্ন হওয়ায় দেশের নদী, মোহনা ও উপকূলীয় অঞ্চলের সংকীর্ণ ও দুর্গম নৌপথে অধিক দক্ষতা ও কার্যকারিতার সঙ্গে অভিযান পরিচালনা করতে সক্ষম হবে।
দেশের সমুদ্র বন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার, টহল অভিযান, নজরদারি, অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান, মানবিক সহায়তা, দুর্যোগ মোকাবিলা ও যে কোন জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া প্রদানে এসব বোট কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। উল্লেখ্য, ওএসএ কর্মসূচির আওতায় বাস্তবায়িত এ প্রকল্প বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার ক্ষেত্রকে সম্প্রসারিত করবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএআরআই) উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। এ বছর এ বিষয়ে বিএআরআই এর থিম শ্লোগান "জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে লড়াই, অভিযোজনই হোক কৃষি বিজ্ঞানীদের শ্রেষ্ঠ সাফল্য।"
একজাতীয় গাছ না লাগিয়ে প্রকৃতিতে কার্যকর ও শোভাবর্ধনকারী বিভিন্ন প্রজাতির মিশ্র উদ্ভিদ, মসলা ও ঔষধি এবং ফলদ গাছের বিভিন্ন চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন বিএআরআই’র মহাপরিচালক কৃষিবিদ ড. মো. মন্জুরুল কাদির।
উদ্বোধন পরবর্তী বক্তব্যে ড. কাদির বলেন, বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে কার্বন ক্রেডিট অর্জন এবং মৌমাছির আবাসস্থল সৃষ্টি করে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করা বর্তমান সরকারের একটি অত্যন্ত দূরদর্শী ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ। মৌমাছির আবাসস্থল সৃষ্টির ফলে কৃষকরা মধু ও মোম আহরণ করে অতিরিক্ত অর্থনৈতিক সুবিধাও লাভ করতে পারেন। এছাড়া একই সাথে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা করবে এবং কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে লাভবান করে। অন্যদিকে এ উদ্যোগের ফলে বিভিন্ন প্রজাতির ফুল ও ফলদ গাছ বৃদ্ধি পেয়ে মৌমাছির আদর্শ আবাসস্থল সমৃদ্ধ করবে। এতে মৌমাছিরা গাছ থেকে মধু সংগ্রহের পাশাপাশি ফুলে ফুলে ঘুরে পরাগায়ন (চড়ষষরহধঃরড়হ) নিশ্চিত করবে এবং বিশ্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ফসল, বিশেষ করে ফল, সবজি, মসলা ও তেলবীজ পরাগায়নের জন্য মৌমাছির ওপর নির্ভরশীল। তাই গাছপালা বাড়লে মৌমাছির সংখ্যা বৃদ্ধি পায়, যা পরোক্ষভাবে ফসলের ফলন ২০% থেকে বহুগুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়।
এসময় বক্তব্য রাখেন আঞ্চলিক মসলা কেন্দ্র, গাজীপুরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহা: মাসুদুল হক ঝন্টু। আরও উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও যোগাযোগ) ড. রেশমা সুলতানা, পরিচালক (গবেষণা উইং) ড. ফারুক আহমেদ, পরিচালক (উদ্যানতত্ব গবেষণা কেন্দ্র) ড. কাউছার উদ্দিন আহম্মেদ, পরিচালক (কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্র) ড. নির্মল কুমার দত্ত, পরিচালক (পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন উইং) ড. হাবিব মোহাম্মদ নাসের, পরিচালক (সেবা ও সরবরাহ উইং) ড. মো. মোশারফ হোসেন মোল্লা প্রমুখ।
উল্লেখ্য, এ বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির আওতায় বিএআরআই এর উদ্যোগে সারাদেশের ছয়টি কেন্দ্র, আঞ্চলিক কেন্দ্র ও স্টেশনসহ বিভিন্ন উপ-কেন্দ্রসমূহ ও তার আওতাধীন এলাকায় পাঁচ বছরে পর্যায়ক্রমে সাড়ে সাত লাখ এবং সুচনা বছরে প্রায় ১.৩৩ লাখ বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ, মসলা ও ঔষধি এবং শোভাবর্ধনকারী গাছ উৎপাদন, সংগ্রহ, বিতরণ, রোপণ ও পরিচর্যা করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ