ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যমুনা নদীর জোড়া নৌ-বন্দর গঠনের মাধ্যমে নতুন আশা বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের অর্থনীতিতে


যমুনা নদীর জোড়া নৌ-বন্দর গঠনের মাধ্যমে নতুন আশা বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের অর্থনীতিতে

স্থানীয় বাসিন্দারা আশাবাদী হয়ে উঠেছেন, বগুড়ার সারিয়াকান্দি ও ধুনট উপজেলায় যমুনা নদী বরাবর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া দুটি অভ্যন্তরীণ নৌ-বন্দরকে কেন্দ্র করে। তারা মনে করছেন, বন্দর দুটি চালু হলে ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষিপণ্য পরিবহন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। তাছাড়া, এর ফলে উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতিতে নতুন গতি যুক্ত হবে।

যমুনা নদী গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জ ও জামালপুরের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীর তীরে সহস্রাধিক চর জেগে উঠেছে। যদিও বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে, যোগাযোগের সীমাবদ্ধতা, কৃষিপণ্য বিপণনের সুযোগের অভাব এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সেবার অপ্রতুলতা চরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন লাভে বাধা দিচ্ছে।

বর্ষা কিংবা খরার সময়ে নদীপাড়ের মানুষের দুর্ভোগ অনেক বেড়ে যায়। যদি নৌ-বন্দর দুটি বাস্তবায়ন করা হয়, তবে সারিয়াকান্দিঘাট থেকে জামালপুর এবং ময়মনসিংহ রুটের জামথল, মথুরাপাড়া থেকে দেঘিপাড়া পর্যন্ত নৌ-যোগাযোগ সহজ হয়ে যাবে। অপরদিকে, ধুনটের শহরাবাড়ী বন্দর থেকে সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার টেকুরিয়াহাট ও বেশাঘীর চরে যাতায়াত সহজ হবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এতে কৃষি উৎপাদন ও বিপণনের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে, সেইসঙ্গে পর্যটন শিল্পের উন্নতি ঘটতে পারে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

থাকছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মতামত, তারা জানাচ্ছেন, নদীবন্দর চালু হলে বড় নৌযান চলাচলের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এতে মাঝনদীতে ঝড়-ঝঞ্ঝার সময়ে ঝুঁকি হ্রাস পাবে এবং পণ্য পরিবহনের ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। ফলে মানুষ কম খরচে স্বাভাবিকভাবে পারাপার ও পণ্য পরিবহন করতে সক্ষম হবেন।

ব্যবসায়ীদের মতে, নৌ-বন্দর চালু হলে চরাঞ্চলে উৎপাদিত কৃষিপণ্য মধ্যস্বত্বভোগীদের হাত এড়িয়ে সরাসরি দেশের বড় পাইকারি বাজারে পাঠানো সম্ভব হবে। এতে পরিবহন ব্যয় কমবে, কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাবেন এবং বন্দরকেন্দ্রিক শিল্প-কারখানা গড়ে ওঠার মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি বগুড়ার সভাপতি এম এস এম আতিকুর রহমান বাদল দাবি করেছেন, সারিয়াকান্দির চরাঞ্চলের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর সুযোগ আসবে। তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য শুধু সড়কপথে নয়, নদীবন্দর ব্যবস্থার মাধ্যমে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা সহ দেশের নানা স্থানে সহজে পাঠানো সম্ভব হবে। এতে মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগও বৃদ্ধি পাবে।

শুধু স্থানীয় যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন নয়, এই অভ্যন্তরীণ নৌ-বন্দরগুলোর মাধ্যমে বগুড়ার সঙ্গে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনার নৌপথে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করা হবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এতে স্থলপথের তুলনায় কম খরচে এবং সুবিধার সঙ্গে পণ্যের পরিবহন ঘটবে।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

বগুড়া-১ আসনের সংসদ সদস্য কাজী রফিকুল ইসলাম বলেছেন, আগামীতে এখানে একটি পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুলতে চান। সাধারণ মানুষের কাছে নদীবন্দরের সুবিধা পৌঁছানোর চেষ্টা করবেন। তিনি জানান, দীর্ঘকাল ধরে এই এলাকায় মানুষ বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। নৌ-বন্দর বাস্তবায়নের মাধ্যমে সেই বৈষম্য দূর করার পাশাপাশি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদারীপুরে মানবপাচার মামলার প্রধান আসামি জুলহাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১৯ পি.এম


মাদারীপুরে মানবপাচার মামলার প্রধান আসামি জুলহাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে

মাদারীপুরে মানব পাচারের অভিযোগে করা মামলার প্রধান আসামি জুলহাস তালুকদারকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে, তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে সকালে ঢাকার কদমতলীর স্মৃতিধারা আবাসিক এলাকায় একটি যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে ধরে আনা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া জুলহাস মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার সত্যবদী গ্রামের একজন বাসিন্দা। জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইতালিসহ বিভিন্ন দেশে মানব পাচার করে আসছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে তথ্য অনুযায়ী, মাদারীপুরের রাজৈরের বাসিন্দা আরমান শেখকে ইতালি পাঠানোর উদ্দেশ্যে জুলহাস তালুকদারসহ ৯ জনের একটি চক্র ২৩ লাখ টাকা নেয়। কিন্তু পরে আরমানকে ইতালি পাঠানোর পরিবর্তে লিবিয়ায় আটক করে মাফিয়াদের কাছে তুলে দেওয়া হয়। সেখানে আরমানের ওপর নির্মম শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। তাকে বাঁচানোর জন্য পরিবারের সদস্যরা কয়েক দফায় আরও ৪৯ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিতে বাধ্য হন। এরপরও চক্রটি অতিরিক্ত টাকা দাবি করে।

এ ঘটনায় গত ১২ জুন আরমানের মা জাহানারা বেগম বাদী হয়ে রাজৈর থানায় মানব পাচার আইনে দালাল চক্রের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে জুলহাস তালুকদারকে রাজৈর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে র‍্যাব-৮ ও ১০ এর মাধ্যমে।

দুপুরের পরে জুলহাস তালুকদারকে আদালতে প্রেরণ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, মানব পাচার আইনে করা মামলার প্রধান আসামি জুলহাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শিগগিরই আদালতে অপরাধীদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হবে। এ ছাড়া জুলহাসের বিরুদ্ধে মানব পাচার ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মোট ১৫টি মামলা রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দীর্ঘ কারাভোগ শেষে বাড়ি ফিরে জানতে পারলেন স্ত্রী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩৪ পি.এম


দীর্ঘ কারাভোগ শেষে বাড়ি ফিরে জানতে পারলেন স্ত্রী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা

বগুড়ার শহরতলীতে স্বামী কারাগারে থাকার সময় মানসিক ভারসাম্যহীন একটি নারীর উপর দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা অভিযুক্ত দুজনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে। অপর এক অভিযুক্ত পালিয়ে গেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

বগুড়া সদর থানার তদন্ত কর্মকর্তা মাহফুজ আলম বলেন, আটক করা দুজন হলেন- ওই এলাকার আলমগীর হোসেন (৩০) ও শহিদুল ইসলাম (৩২)। তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা হয়েছে। একই মামলার আরেক আসামী মাহবুবুর রহমান পলাতক রয়েছেন।

মাহিফুজ আলম আরো বলেন, ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার অভিযোগের ভিত্তিতে তিনজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা হয়েছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী একটি মাদক মামলায় দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। এই সময় ওই নারীকে তিন ব্যক্তি মিলে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। তার স্বামী জামিনে যখন বাড়ি ফেরেন তখন ধর্ষণের বিষয়টি জানা যায়। মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে স্থানীয় লোকজন দুজন অভিযুক্তকে আটক করে থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ তাদের থানায় নিয়ে যায়। তৃতীয় অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ পৌঁছানোর আগেই পালিয়ে যায়।

ভুক্তভোগীর স্বামী জানান, জামিনে কারাগার থেকে বাড়ি ফেরার পর তিনি জানতে পারেন যে তার স্ত্রী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা। বিষয়টি জানতে চাইলে তার স্ত্রী বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাকে কয়েক মাস ধরে পালাক্রমে ধর্ষণ করেছেন। এরপর তিনি বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীকে জানান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য পুনর্নির্মাণের জন্য ১৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩৬ পি.এম


বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য পুনর্নির্মাণের জন্য ১৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন

ঝিনাইদহে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য পুনর্নির্মাণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন। বিজয় দিবসের আগে নতুন ভাস্কর্য স্থাপন করার বিষয়টি জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন।

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পূর্ণাঙ্গ ভাস্কর্য নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় এবং উপযুক্ত জায়গা নির্ধারণ, নকশা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ১৪ সদস্যর একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য পুনর্নির্মাণের প্রস্তুতিমূলক সভায় এসব সিদ্ধান্ত তুলে ধরা হয়। সভায় জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পরিবারের সদস্য, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

কমিটিতে জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার (পদাধিকারবলে), জেলা পরিষদের প্রশাসক (পদাধিকারবলে), স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক, পৌরসভার প্রশাসক রথীন্দ্র নাথ রায়, জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের প্রতিনিধি, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাতিজা হাফিজুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি আসিফ ইকবাল মাখন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিনিধিসহ রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রস্তুতিমূলক সভার শুরুতে বক্তব্য দেন বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাতিজা হাফিজুর রহমান। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ‘২০১৯ সালের ২৬ মার্চ ঝিনাইদহ-ঢাকা মহাসড়কের সড়কদ্বীপে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের নামে চত্বর ও ভাস্কর্যের নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল। সেই সময় বীরশ্রেষ্ঠের পরিবারের সদস্য হিসেবে আমাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। আমরা ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের দিন উপস্তিত ছিলাম। কিন্তু পরে গত ১৪ জুলাই পত্রপত্রিকায় দেখলাম, আমার চাচা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য ভেঙে ফেলা হচ্ছে। দিনের আলোতে কে বা কারা ভাস্কর্য ও চত্বর ভেঙে ফেলছে, তা প্রশাসনের কেউ বলতে পারেনি। পৌরসভার কেউ এ বিষয়ে আমাদের কিছু জানায়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান আমাদের গর্ব, ঝিনাইদহের গর্ব, বাংলাদেশের গর্ব। তার নামে হওয়ার চত্বর ও ভাস্কর্য ভেঙে ফেলার বিষয়টি আমরা পরিবারের সদস্যরা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না। আমরা চাই, একই স্থানে পূর্ণাঙ্গ ভাস্কর্য ও চত্বর পুনঃনির্মাণ করা হোক।’

তবে, জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার হাফিজুর রহমান বলেন, যে মহাসড়কের মাঝখানে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের নামে চত্বর ও ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়েছে, ওই জায়গাটি বিশ্বব্যাংকের উইকেয়ার প্রকল্পের আওতায় চলে গেছে।

এরপর বক্তব্য রাখেন যশোর-ঝিনাইদহ মহাসড়কের ৬ লেন প্রকল্পের ফেজ-১ এর উপসহকারী প্রকৌশলী নিলন আলী। তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ছয় লেন প্রকল্পের আওতায় যশোর-কুষ্টিয়া মহাসড়ক ও ঝিনাইদহ-ঢাকা মহাসড়কের চৌমুহনীতে বৃহৎ পরিসরে ইন্টারসেকশন (মোড়) হবে। ইন্টারসেকশন হলে সেখানে ভাস্কর্য রাখাও কঠিন হবে। কারণ, প্রকল্পের নকশায় ইন্টারসেকশনের মাঝখানে কোনো স্থাপনা রাখা হয়নি।

সভায় জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট এমএ মজিদ বলেন, বিগত সময়কাল ধরে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বরের নাম কেউ জানতো না। কোনো প্রচারণা ছিল না। মহাসড়কের মাঝখানে স্থাপনাটি অজানা কারণে আওয়ামী লীগের সরকার বন্ধ করে দেয়। সেখানে ভাস্কর্য ও চত্বর নির্মাণে ব্যাপক লুটপাট হয়েছে। এর ফলে ভাস্কর্যটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়নি।

জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের যুগ্ম আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. কামালউদ্দিন তার বক্তব্যে বলেন, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের নামে স্থাপিত চত্বর ও ভাস্কর্য সম্পর্কে জেলার অনেকেই অন্ধকারে ছিলেন। অনেকেই জানতেন না, সেখানে আসলে কার ভাস্কর্য ছিল। কারণ, বিগত দিনে ভাস্কর্যটির নির্মাণের কাজ শুরু হলেও তার পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়া হয়নি।

সভায় জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন বলেন, প্রয়োজনবোধে কমিটিতে দুই-একজন সদস্য বাড়ানো হতে পারে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, কমিটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্ভাব্য উপযুক্ত জায়গা যাচাই-বাছাই করবেন। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এ-সংক্রান্ত পরবর্তী কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪০ পি.এম


‘জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে’

বাংলাদেশের জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পকে নিরাপদ, আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব করার পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আন্তর্জাতিক সরবরাহব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করতে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) সহায়তায় বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর তথ্য দিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বুধবার (২২ জুলাই) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে নিজের কার্যালয়ে জাইকার একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশে জাইকার প্রধান প্রতিনিধি তাকাহাশি জুনকো।

বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের অর্থনীতিতে জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই শিল্পে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তবে খাতটির টেকসই উন্নয়নের জন্য নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার, পরিবেশ সুরক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করা প্রয়োজন।”

তিনি উল্লেখ করেন, “জাইকার সহযোগিতায় বাস্তবায়নাধীন ‘জাইকা জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ প্রকল্প’ এই খাতের সক্ষমতা বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

বৈঠকে জানানো হয়, প্রকল্পের আওতায় জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ ইয়ার্ডগুলোর সক্ষমতা মূল্যায়ন, সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক নির্দেশিকা প্রণয়ন করা হবে। পাশাপাশি জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ সুবিধা পরিকল্পনা (এসআরএফপি) যাচাই ও সনদ প্রদান এবং জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ পরিকল্পনা (এসআরপি) অনুমোদনের ব্যবস্থা উন্নত করা হবে।

খাতটিতে অনুমোদন প্রক্রিয়ার জটিলতা কমাতে একটি সমন্বিত অনলাইন ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি দফতরের অনুমোদন দ্রুত ও সহজে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে বৈঠকে জানানো হয়।

জাইকার প্রতিনিধিরা উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের প্রশাসনিক ও কারিগরি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তারা সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে কাজ করছেন। প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব শিল্পব্যবস্থা গড়ে তোলা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন জানান, বৈঠকে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে যুক্ত করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের বড় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সরবরাহব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

মন্ত্রী আরও বলেন, “স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বাড়িয়ে আন্তর্জাতিক শিল্পব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। জাইকার সহযোগিতায় বাংলাদেশের শিল্প খাত আরও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে।”

বৈঠকে বাংলাদেশ জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ বোর্ডের মহাপরিচালক এ এস এম শফিউল আলম তালুকদার এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মাহবুবা খাতুন মিনু উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%