ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘ব্যবসায়িক সিন্ডিকেট ভেঙে কৃষককে লাভবান করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে’


‘ব্যবসায়িক সিন্ডিকেট ভেঙে কৃষককে লাভবান করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে’

সারাদেশে সকল ব্যবসায়িক সিন্ডিকেট ভেঙে প্রান্তিক কৃষক যাতে তাদের উৎপাদিত পণ্যের জন্য ন্যায্য দাম পেতে পারে, সেই উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে, এটি বলেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান।

শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপায় পাট ও পেঁয়াজের বাজার পরিদর্শন করার পরে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, কৃষক যেন কোনোভাবেই ব্যবসায়িক সিন্ডিকেটের কারণে ক্ষতির সম্মুখীন না হন, সে দিকে সরকার মনোযোগ দিয়েছে। বাজারে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে প্রান্তিক কৃষকের স্বার্থ নিশ্চিত করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

মজুতদারদের সতর্ক করে আইনমন্ত্রী বলেন, মজুতদারের সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে মৃত্যুদণ্ড। তাই ভেবে চিন্তে মজুত করবেন। বাজার পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী শৈলকুপার বিভিন্ন হাট এবং বাজার ঘুরে দেখেন। তিনি ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন। তাৎক্ষণিকভাবে সমাধানযোগ্য সমস্যাগুলোর সমাধানের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি সাধারণ কৃষক ও চাষিরা যাতে কোনোক্রমে ক্ষতির সম্মুখীন না হন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদানের কাজ করেন। এ সময় শৈলকুপার বিএনপির নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণঅভ্যুত্থানে প্রথম বেইমানি করেছেন ডা. শফিকুর রহমান: বলেন রাশেদ খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:২৮ পি.এম


গণঅভ্যুত্থানে প্রথম বেইমানি করেছেন ডা. শফিকুর রহমান: বলেন রাশেদ খান

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন যে, গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে প্রথম বেইমানি করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে তিনি ঝিনাইদহের ঐতিহ্যবাহী মুরারীদহ মিয়ার দালান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এই মন্তব্য করেন।

পরিদর্শনকালে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপচারিতায় রাশেদ খান উল্লেখ করেন যে, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনার সঙ্গে প্রথম বেইমানি করেছেন।

এছাড়া, নাহিদ ইসলামের ভূমিকা সম্পর্কে তিনি জানান, গণঅভ্যুত্থানের আগে নাহিদ ইসলাম সঠিক পথেই ছিলেন। কিন্তু জামায়াতে ইসলামীর ফাঁদে পা দেয়ার পর থেকেই তিনি বিপথগামী হয়ে গেছেন।

এ সময় ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি এবং কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুয়াকাটায় একটি জালে ধরা পড়লো ৪৬ মণ ইলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩৩ পি.এম


কুয়াকাটায় একটি জালে ধরা পড়লো ৪৬ মণ ইলিশ

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে একটি মাছধরার ট্রলারের জালে ৪৬ মণ ইলিশ ধরা পড়েছে। নিলামের মাধ্যমে এসব ইলিশ বিক্রি হয়েছে প্রায় ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকায়, যা দীর্ঘদিন পর জেলেদের মধ্যে আনন্দের সঞ্চার করেছে।

জানা গেছে, গত ৬ আগস্ট পায়রা সমুদ্রবন্দরের শেষ বয়া সংলগ্ন গভীর সাগরে এফবি জুনাইদ নামের একটি মাছধরা ট্রলারে আলমগীর মাঝির জালে বিপুল পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) দুপুরে ট্রলারটি মাছ নিয়ে মহিপুর মৎস্য বন্দরে পৌঁছালে মনোয়ারা ফিশ আড়তে নিলামের মাধ্যমে মাছগুলো বিক্রি করা হয়।

আড়ত সূত্রে জানা যায়, এক কেজি বা তার বেশি ওজনের ২৪ মণ ইলিশ প্রতি মণ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা (প্রতি কেজি ২ হাজার ৮৭৫ টাকা) দরে বিক্রি হয়ে ২৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা পাওয়া যায়। এছাড়া ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ২২ মণ ইলিশ প্রতি মণ ৯৫ হাজার টাকার দরে প্রতি কেজি ২ হাজার ৩৭৫ টাকা হারে বিক্রি হয়ে ২০ লাখ ৯০ হাজার টাকা পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে ৪৬ মণ ইলিশ বিক্রি হয়েছে ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকায়।

ট্রলারের মাঝি আলমগীর জানান, প্রায় পাঁচ বছর পর একসঙ্গে এত বড় চালানের ইলিশ পাওয়া গেছে। একবার জাল ফেলতেই প্রায় দুই হাজার ২০০ পিস ইলিশ ধরা পড়ে। দীর্ঘ সময়ের লোকসানের পর এই ধরনের মাছ পেয়ে আমরা খুবই খুশি।

মনোয়ারা ফিশের ম্যানেজার সগির আকন বলেন, দীর্ঘদিন পর এত বড় চালানের ইলিশ এসেছে। বর্তমানে বাজারে ইলিশের দাম অনেক বেশি থাকায় জেলেরা ভালো মূল্য পেয়েছেন। সচরাচর এত বড় আকারের ইলিশ একসঙ্গে পাওয়া যায় না।

ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত ডব্লিউসিএস ও ওয়ার্ল্ডফিশের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে বেশির ভাগ মাছ ধরার বোটে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ইলিশের দেখা মিলছে না। তবে এরই মধ্যে একটি ট্রলারে একসঙ্গে ৪৬ মণ ইলিশ ধরা পড়ার ঘটনা নিঃসন্দেহে স্বস্তির খবর এবং জেলেদের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে।

তিনি আরও যোগ করেন, একদিনের এই বেশি আহরণকে সামগ্রিকভাবে ইলিশের প্রাচুর্যের সূচক হিসেবে দেখা উচিত নয়; বিষয়টি ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণ ও বৈজ্ঞানিক তথ্যের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা উচিত। ইলিশের এই ইতিবাচক ধারা ধরে রাখতে জেলেদের সচেতনতা, প্রজনন মৌসুমে মাছ আহরণ থেকে বিরত থাকা এবং সংরক্ষণ কার্যক্রমের ধারাবাহিক বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, কিছুদিন আগেও সাগরে ইলিশের খরা ছিল। বর্তমানে জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ছে। যদি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকে, তবে আরও বেশি ইলিশ মিলতে পারে। এতে জেলে, আড়তদারসহ ইলিশ সংশ্লিষ্ট সবাই লাভবান হবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে অ বৈ ধ বসতি স্থাপনকারীদের নারকীয় তা ণ্ড ব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩৭ পি.এম


ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে অ বৈ ধ বসতি স্থাপনকারীদের নারকীয় তা ণ্ড ব

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতি স্থাপনকারীরা নারকীয় তাণ্ডব চালাচ্ছে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় গ্রামে গ্রামে ফিলিস্তিনিদের বাড়ি-ঘরে হামলার পাশাপাশি অগ্নিসংযোগও চলছে।

অ্যাম্বুলেন্সেও হামলা চালানো হচ্ছে গুলিবিদ্ধদের হাসপাতালে নেওয়ার সময়। অন্যদিকে গাজায় লাখো বাস্তুচ্যুত মানুষের জীবন অনিশ্চয়তায় কাটছে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিভিন্ন রোগ ছড়িয়ে পড়ছে। এর মধ্যেই ইসরাইলি হামলা অব্যাহত রয়েছে।

সম্প্রতি পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। একের পর এক গ্রামে তারা সহিংস হামলা চালাচ্ছে। ফিলিস্তিনিরা আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। শুক্রবার বেথলেহেমের আবু নুজাইম গ্রামে হামলা চালায় সেটেলাররা। ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয় এবং বেশ কয়েকজন হতাহত হন।

গুলিবিদ্ধদের হাসপাতালে নেওয়ার সময় ইসরাইলিরা অ্যাম্বুলেন্সেও হামলা করে। গাড়ির জানালা ভেঙে মরিচের গুঁড়া স্প্রে করা হয়, ফলে অ্যাম্বুলেন্স কর্মীরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। হামলাকারীরা পরে গ্রামের প্রধান সড়ক বন্ধ করে দেয়।

পশ্চিম তীরের হেবরনে অবৈধ বসতি স্থাপনকারীরা সহিংস আক্রমণ করে যাচ্ছে। মাসাফের ইয়াত্তায় তুবা এলাকায় ফিলিস্তিনি বাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে, এর ফলে তিনটি পরিবার, ১৪ শিশু সহ, বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

হামলায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা ধ্বংস হয়েছে এবং বিপুল পরিমাণ পশুখাদ্য নষ্ট হয়েছে। জাতিসংঘের হিসাব মতে, বছরের প্রথম সাত মাসেই বসতি স্থাপনকারীদের হামলা ও সংশ্লিষ্ট বিধিনিষেধে দুই হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

শুক্রবার পশ্চিম তীরের নাবলুস ও বেথলেহেম গভর্নরেটজুড়ে একের পর এক হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী এবং বসতি স্থাপনকারীরা। এতে দুইজন প্যারামেডিক সহ ছয়জন ফিলিস্তিনি আহত হন। প্যালেস্টাইন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (পিআরসিএস) জানায়, নাবলুসের পূর্বে অবস্থিত বেইত ফুরিক-এই তাদের কর্মীরা ইসরাইলি বাহিনীর হাতে মার খাওয়া এক ব্যক্তির চিকিৎসা প্রদান করেন।

গাজার আকাশে যুদ্ধবিমান এবং ড্রোনের তৎপরতা কিছুটা কমলেও বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য অনিশ্চয়তা কাটেনি। তাঁবু ও অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে লাখো ফিলিস্তিনি মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

অতিরিক্ত ভিড়, বিশুদ্ধ পানির সংকট, ইঁদুরের উপদ্রব এবং স্বাস্থ্যসেবার সীমাবদ্ধতা বিভিন্ন রোগে ছড়িয়ে পড়ছে। জাতিসংঘ জানাচ্ছে, যুদ্ধবিরতির পরও শত শত শিশু নিহত হয়েছে। প্রতিদিনই হামলার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন বেসামরিক মানুষ।

এই পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে সেনা পাঠাতে অনুমোদন দিয়েছে উগান্ডার সংসদ। মরক্কোও সেনা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহারের ধাপ শেষ হলে গাজায় এই বাহিনী মোতায়েন হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের ৪০ কোটি ডলারের বলরুম প্রকল্পে আদালতের স্থগিতাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪৩ পি.এম


ট্রাম্পের ৪০ কোটি ডলারের বলরুম প্রকল্পে আদালতের স্থগিতাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে হোয়াইট হাউসের পূর্ব পাশে নির্মাণাধীন ৪০ কোটি ডলারের হোয়াইট হাউস বলরুম প্রকল্পের কাজ আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন একটি ফেডারেল আপিল আদালত। শুক্রবার (৭ আগস্ট) ইউএস কোর্ট অব অ্যাপিলস ফর দ্য ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়া সার্কিট এ বিষয়ে রায় দেন।

আদালত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, হোয়াইট হাউসে বড় ধরনের স্থাপনা নির্মাণের মতো সিদ্ধান্ত এককভাবে প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতার আওতায় পড়ে না। তাদের মতে, এ ধরনের পরিবর্তনের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষমতা কংগ্রেসের। আদালত রায়ে প্রেসিডেন্টের দায়িত্বের সাময়িক চরিত্রের কথাও উল্লেখ করেন।

আদালত এ নিয়ে বলেন, ‘প্রত্যেক প্রেসিডেন্টেরই স্মরণ রাখা উচিত যে তারা হোয়াইট হাউসে সাময়িক সময়ের জন্য অতিথি, এ ভবনের মালিক নন। হোয়াইট হাউসে কোনো বিশালাকৃতির বলরুম নির্মাণ করা হবে কি হবে না— সে সিদ্ধান্ত নেবে কংগ্রেস (যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্ট)। এটা রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগের স্বেচ্ছাধীন কোনো বিষয় নয়।’

ট্রাম্পের নির্দেশে গত বছর হোয়াইট হাউসের ইস্ট উইং ভেঙে প্রায় ৯০ হাজার বর্গফুটের একটি বিশাল বলরুম নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। প্রশাসনের দাবি, বড় রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান আয়োজন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতির জন্য এ ধরনের একটি স্থাপনা প্রয়োজন। তবে প্রকল্প শুরুর আগে কংগ্রেসের অনুমোদন নেওয়া হয়নি।

এ নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয় ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণবিষয়ক সংগঠন ন্যাশনাল ট্রাস্ট ফর হিস্টোরিক প্রিজারভেশন। সংগঠনটি অভিযোগ করেছে, হোয়াইট হাউসের ঐতিহাসিক ইস্ট উইং ভেঙে নতুন স্থাপনা নির্মাণের মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসন প্রেসিডেন্টের সাংবিধানিক ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছে।

এর আগে গত এপ্রিলে ইউএস ডিস্ট্রিক্ট জাজ রিচার্ড লিওন প্রকল্পটির নির্মাণকাজ স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এবার ফেডারেল আপিল আদালতের রায়ে সেই নিষেধাজ্ঞাই বহাল রাখা হয়েছে।

তবে ট্রাম্প প্রশাসনের সামনে উচ্চতর আদালতে যাওয়ার সুযোগ থাকছে। আপিল আদালত তাদের যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করার সুযোগ দিতে বর্তমান আদেশটি ১৪ দিনের জন্য স্থগিত রেখেছেন।

রায়ের পর পরই হোয়াইট হাউস বা যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%