মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:৩৮ পি.এম
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা মহানগর উত্তরের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই কমিটির সভাপতি হিসেবে অ্যাডভোকেট আশিকুজ্জামান মোল্লা এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মো. তানিম ওয়াহিদকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবু বাকের মজুমদার এবং সাধারণ সম্পাদক তাহমীদ আল মুদ্দাসসীর চৌধুরীর সই করা একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।
এক বছরের জন্য অনুমোদিত এই কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আশিকুজ্জামান মোল্লা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি) থেকে নেতৃত্ব প্রদান করেন। পরে তিনি বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের প্রতিষ্ঠাতা কেন্দ্রীয় সংগঠক এবং ঢাকা মহানগর সার্চ কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। জাতীয় ছাত্রশক্তির আত্মপ্রকাশের পর তিনি ঢাকা মহানগর উত্তরের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক হিসেবে কাজ করেন।
অন্যদিকে, তানিম ওয়াহিদ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর বনানী এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর রামপুরায় স্লুইস গেটের কাছে ভাসমান অবস্থায় একটি বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৃত ব্যক্তির নাম আলম মুন্সি, বয়স ৭৪ বছর।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামপুরা ব্রিজ সংলগ্ন স্লুইস গেট থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। সন্ধ্যায় ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে পাঠানো হয়েছে।
রামপুরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, আলম মুন্সি ছিলেন ভবঘুরে। তার বাড়ি পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার ইকড়ী মুন্সিবাড়ি এলাকায়। তিনি রাজধানীতে ভাসমান জীবনযাপন করতেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বার্ধক্যজনিত কারণে পানিতে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে। পানির স্রোতে ভেসে মরদেহটি স্লুইস গেটের কাছে এসে আটকে ছিল।
এসআই আরও জানিয়েছেন, দুই বছর আগে তিনি বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। তার পরিবার তখন সংশ্লিষ্ট থানায় নিখোঁজের বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। এরপর থেকে তারা বিভিন্ন জায়গায় তার খোঁজ করছিলেন, কিন্তু কোথাও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। আজ তার মরদেহ উদ্ধারের পর ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর গ্রামে তার বাড়িতে খবর দেয়া হলে পরিবারের সদস্যরা এসে পরিচয় নিশ্চিত করেন এবং এসব তথ্য জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের মুখে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে গত রোববার (১৮ অক্টোবর) এই অস্ত্রপচারটি অনুষ্ঠিত হয় বলে জানা গেছে। জামায়াত আমির দেশবাসীর কাছে পরিপূর্ণ সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়েছেন।
মঙ্গলবার চট্টগ্রামে জামায়াতে ইসলামী এবং অঙ্গ সংগঠনের একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নিতে যান ডা. শফিকুর রহমান। এসব অনুষ্ঠানে তার মুখাবয়বে কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়, যা সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
জামায়াতে ইসলামী’র সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সময় সংবাদকে জানান, গত রোববার আমির জামায়াতের স্ক্রিনে (মুখের ত্বকে) একটি লেজার সার্জারি হয়েছে। সার্জারির পর থেকে তার মুখে কিছুটা ফোলা ভাব দেখা যাচ্ছে।
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে বিশ্রামের পরামর্শ থাকলেও সাংগঠনিক ব্যস্ততার কারণে তাকে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিতে হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, কয়েকদিন বিশ্রাম নিলে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠবেন।
প্রতিবেদককে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান মুঠোফোনে জানান, ‘দু-তিন দিন আগে আমার মুখে একটি লেজার সার্জারি হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবো বলে আশা করছি।’
এসময় তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মালদ্বীপকে পরাজিত করে বেগম খালেদা জিয়া আইএইচএফ নেশনস ট্রফির ফাইনালে পৌঁছেছে বাংলাদেশ নারী হ্যান্ডবল দল। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) পল্টনের শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী স্টেডিয়ামে মালদ্বীপকে ৩৩-২০ গোলে পরাজিত করেছে স্বাগতিকরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশের মেয়েরা তাদের আধিপত্য প্রদর্শন করতে থাকে। প্রথমার্ধে তারা ১৬-৫ গোলে এগিয়ে ছিল। দ্বিতীয়ার্ধেও তাদের সেই দাপট অব্যাহত থাকে, ফলে বড় জয় নিশ্চিত করে দলটি। বাংলাদেশের হয়ে ৮ গোল করে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন মোসাম্মৎ সানজিদা আক্তার।
প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়েছিল নেপালকে ৩৩-২০ গোলে পরাজিত করে। তবে পরবর্তী ম্যাচে শক্তিশালী ভারতের কাছে তারা ৪৭-১৩ গোলে পরাজিত হয়।
ফাইনালে ওঠার জন্য মালদ্বীপের বিরুদ্ধে জয় ছিল বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই চাপকে সামলে নিয়ে তারা দাপুটে পারফরম্যান্সের মাধ্যমে শিরোপার লড়াইয়ে নিজেদের স্থান নিশ্চিত করেছে।
আগামী বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বেলা ৩টায় ফাইনালে ভারতের বিরুদ্ধে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। এর আগে বুধবার দুপুর ২টায় তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে লড়বে মালদ্বীপ ও নেপাল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবে হুথি বিদ্রোহীদের হামলার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে পাকিস্তান ও সৌদি আরবের সঙ্গে একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুমোদনের জন্য তুরস্কের পার্লামেন্টে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এই পদক্ষেপটি রিয়াদ ও ইসলামাবাদের সঙ্গে আঙ্কারার কৌশলগত সামরিক সম্পর্ককে আনুষ্ঠানিকভাবে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের তিনটি সূত্রের বরাতে এই তথ্য প্রকাশিত হয়।
গত আগস্টে তুরস্ক, পাকিস্তান এবং সৌদি আরব ঐতিহাসিক 'মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি' স্বাক্ষর করে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, জোটের যেকোনো সদস্য দেশের ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা বাকি সদস্যদের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য হবে। তবে চুক্তি স্বাক্ষরের সময় তিন দেশের সম্মিলিত প্রতিশ্রুতির বিস্তারিত বিবরণ তৎকালীন যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়নি।
চলতি মাসের শুরুতে রিয়াদে এই জোটের একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সৌদি আরবে দ্রুত সামরিক বাহিনী এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামরিক সক্ষমতা মোতায়েনের বিষয়ে একমত হয় দেশগুলো।
তুরস্কের একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা শিল্প রয়েছে। তারা সৌদি আরবে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং রিয়াদের সামরিক প্রযুক্তির চাহিদা পূরণে সহায়তা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তুরস্ক লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচল ও নৌনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দিতে সম্মত হয়েছে।
রয়টার্সের দুটি সূত্র জানায়, তুরস্কের পার্লামেন্ট স্পিকার নুমান কুরতুলমুশ বর্তমানে কিরগিজস্তান সফরে রয়েছেন। তিনি দেশে ফিরলেই চুক্তিটি পার্লামেন্টের পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটিতে পাঠাবেন। কমিটিতে জমা দেওয়ার পর চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বিষয়বস্তু ও বিস্তারিত তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অন্য একটি সূত্রের মতে, চলতি সপ্তাহের শুক্রবারের মধ্যেই পার্লামেন্টের পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটি এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু করতে পারে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তুরস্কের একজন কর্মকর্তা সংবাদ সংস্থাটিকে জানান, এই চুক্তির আওতায় তুরস্কের অবদান মূলত সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ, গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান এবং অস্ত্র ব্যবস্থা সহায়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি নিশ্চিত করেন যে, এই জোটের অধীনে এখন পর্যন্ত অন্য কোনো ধরনের সামরিক মোতায়েন করা হয়নি।
ইয়েমেনের হুথি হামলা মোকাবিলায় তুরস্ক কীভাবে সৌদি আরবকে রক্ষা করতে পারে, এমন প্রশ্নের জবাবে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানান, মক্কা চুক্তি কোনো 'আক্রমণাত্মক চুক্তি' নয়। তিনি স্পষ্ট করেন যে, তুরস্ক অন্য কোনো দেশে হামলা চালানোর জন্য সেনা পাঠাবে না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ