সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:১৯ পি.এম
কখনো কখনো বাস্তব জীবনের ঘটনাবলী সিনেমার কাহিনীকে হার মানাতে পারে। নেদারল্যান্ডসে বেড়ে ওঠা দুই নারীর জীবনে ঘটেছে এমনই একটি অবিশ্বাস্য ঘটনা। দীর্ঘ সময়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধু মিনা গেলটিঙ্ক ও মিনাল টিজেন ৩০ বছর পর ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে জানতে পারেন যে তারা আসলে একই বাবা-মায়ের সন্তান, অর্থাৎ আপন বোন।
আশির দশকে ভারতের মুম্বাইয়ে জন্মগ্রহণ করা মিনা ও মিনালকে জন্মের কয়েক মাস পর দুটি আলাদা অনাথ আশ্রম থেকে দুই ডাচ দম্পতি দত্তক নেন। এরপর তারা নেদারল্যান্ডসের কাছাকাছি এলাকায় বড় হন।
কৈশোরের শুরুতে একটি দত্তক গ্রহণকারী সংস্থার অনুষ্ঠানে তাদের প্রথম দেখা হয়। প্রথম দেখাতেই দুজনের চেহারা ও অঙ্গভঙ্গিতে অদ্ভুত মিল দেখে তারা অবাক হন। তাদের বন্ধুদেরও বিষয়টি নজরে আসে। এমনকি মিনা তখন বলেছিলেন, মিনালের নাক ও হাসি তাঁর নিজের মতো।
সেই সাক্ষাতের পর তারা ফোন নম্বর ও ঠিকানা বিনিময় করেন। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। বছরের পর বছর তারা একে অপরকে চিঠি লিখেছেন। চিঠিতে নিজেদের স্কুল, বন্ধু, সম্পর্ক, ভ্রমণ, নাচ, খেলাধুলা ও সংগীত নিয়ে আলোচনা করতেন। মজার বিষয়, দুজনেরই প্রিয় ব্যান্ড ছিল ব্যাকস্ট্রিট বয়েজ।
তবে প্রায় ১৫ বছর আগে তাদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। মিনাল ফ্রান্সে চলে যান। অন্যদিকে, প্রথম সন্তানের মা হওয়ার কারণে ব্যস্ত হয়ে পড়েন মিনা।
২০১৭ সালে ভারতে জন্ম নেওয়া দত্তক সন্তানদের একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে মিনা ডিএনএ পরীক্ষার বিষয়ে জানতে পারেন। পরে তিনি নিজেও পরীক্ষা করান। কিন্তু তখন কোনো উল্লেখযোগ্য মিল পাওয়া যায়নি। একসময় ফোনের মেমোরি পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় তিনি ডিএনএ পরীক্ষার অ্যাপটিও মুছে দেন।
এরপর চলতি বছরের ২০ মে ফেসবুকে মিনালের একটি বার্তা পান মিনা। সেখানে লেখা ছিল, "আমাকে মনে আছে?" বার্তার সঙ্গে মিনাল তার ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফলের একটি স্ক্রিনশটও পাঠান। তিনি এপ্রিল মাসে নেদারল্যান্ডসে নিজের দত্তক বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে ডিএনএ পরীক্ষা করেছিলেন।
বার্তা পাওয়ার পর মিনা আবার সেই অ্যাপ ইনস্টল করেন। ফলাফল দেখে তিনি হতবাক হয়ে যান। পরীক্ষায় দেখা যায়, তাদের ডিএনএ শতভাগ মিলে গেছে। অর্থাৎ তারা একই জৈবিক বাবা-মায়ের সন্তান।
মিনা বলেন, ফলাফল দেখে তিনি কেঁদে ফেলেছিলেন। তার ভাষায়, "মিনাল যেন তাঁর জীবনের হারিয়ে যাওয়া ধাঁধার সেই অংশ, যার জন্য তিনি এতদিন অপেক্ষা করছিলেন।"
এরপর আগস্টের এক রৌদ্রোজ্জ্বল দিনে দুই পুরোনো বন্ধু প্রথমবারের মতো বোন হিসেবে দেখা করেন। তাদের সেই আবেগঘন পুনর্মিলনে কান্না, আলিঙ্গন এবং হাসির আবহ ছিল। এরপর তারা একসঙ্গে প্রথমবারের মতো সেলফিও তোলেন।
তিন সন্তানের মা মিনা বলেন, "অসাধারণ অনুভূতি ছিল। মনে হলো, ঘরে ফিরে এসেছি।"
ফ্রান্সে সঙ্গী ও দুই ছেলেকে নিয়ে থাকা মিনালও বিষয়টিকে অবিশ্বাস্য বলে মনে করেন। তিনি বলেন, "বোন হওয়ার আগে আমরা বন্ধু ছিলাম। আমরা পুরো সময়টাই বোন ছিলাম, শুধু আমরা তা জানতাম না।"
ডিএনএ পরীক্ষার পর থেকে দুজন প্রায় এক দিন পরপর কথা বলছেন। তারা একে অপরের পরিবার, সন্তান, সঙ্গী এবং বাবা-মায়ের সঙ্গেও দেখা করেছেন। তাদের কথাবার্তা ও আচরণেও রয়েছে বিস্ময়কর মিল। পরিবারের সদস্যরা লক্ষ্য করেছেন, তারা একে অপরের কথা শেষ করে দেন, একইভাবে মাথা নাড়েন এবং হাঁটেন।
মিনা জানান, তাদের এখন সবচেয়ে বড় ইচ্ছা যে জায়গা থেকে তাদের গল্পের শুরু, সেখানে আবার একসঙ্গে ফিরে যাওয়া। তারা কোনো একদিন ভারতে গিয়ে মুম্বাইয়ের রাস্তায় পাশাপাশি হাঁটতে চান।
তবে এত বছর একে অপরের পাশে থাকতে না পারার আক্ষেপও রয়েছে মিনার। জীবনের কঠিন সময়ে বাবাকে হারানো কিংবা কোনো সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার মতো মুহূর্তে দুজন কেউই জানতেন না, যে তাদের পাশে থাকার মতো একজন আপন বোন পৃথিবীর অন্য প্রান্তে রয়েছেন।
দীর্ঘ তিন দশকের বন্ধুত্বের পর ডিএনএ পরীক্ষা তাদের সম্পর্কের নতুন পরিচয় দিয়েছে। বন্ধুত্ব থেকে বোনত্বে বদলে যাওয়া এই গল্প যেন প্রমাণ করে যে রক্তের সম্পর্ক কখনো কখনো অজান্তেই মানুষকে একে অপরের কাছে টেনে রাখে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জুলাই মাসে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ দলের তিন নেতা এবং যুবলীগ ও ছাত্রলীগের চার শীর্ষ নেতার মামলার রায় মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ঘোষণা করা হবে।
বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রায় ঘোষণার জন্য এই দিন নির্ধারণ করেন। এর আগে, গত ১৮ আগস্ট মামলার উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে বিষয়টি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখা হয়েছিল।
মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।
বিচারকাজ চলাকালে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আসামিদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডসহ সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়ারও আবেদন জানানো হয়েছে।
প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্কে বলা হয়, জুলাই গণআন্দোলন দমন করতে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন পর্যায়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডেকে ছাত্র-জনতা হত্যার জন্য চূড়ান্ত নীলনকশা ও পরিকল্পনা করা হয়েছিল। ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া অডিও ও ভিডিও ফুটেজে এই ষড়যন্ত্রের স্পষ্ট প্রমাণ উঠে এসেছে।
প্রসিকিউশন ট্রাইব্যুনালকে আরও জানায়, আন্দোলন চলাকালে বিক্ষোভকারীদের দেখামাত্র গুলির যে বিতর্কিত নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, তা সরাসরি বাস্তবায়ন করেছিলেন ওবায়দুল কাদের। এই নির্দেশের নৃশংস পরিণতিতে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সারা দেশে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে শত শত নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ডোপ টেস্টে বেনজোডায়াজেপিনস ও অ্যামফিটামিন/মেথঅ্যামফিটামিন পজিটিভ আসার কারণে পুলিশ সদর দপ্তরের পুলিশ সুপার (টিআর) আ ফ ম নিজাম উদ্দিনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ জারি করা হয়। উল্লেখ্য, গত ১০ সেপ্টেম্বর এই প্রজ্ঞাপনটি স্বাক্ষরিত হয়।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে যে, পুলিশ সুপার আ ফ ম নিজাম উদ্দিন বর্তমানে রংপুর রেঞ্জের ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত আছেন। তিনি চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি মিরপুর সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত ডিএসসিএসসি-২০২৬ কোর্সে অংশগ্রহণের জন্য পুলিশ সদর দপ্তর থেকে প্রস্থান করেন।
কোর্স চলাকালীন ৭ জুন অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তাকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) পাঠানো হয়। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার অংশ হিসেবে তার ডোপ টেস্ট করা হয়। পরীক্ষার ফলাফলে Urine Benzo Diazepines (BZO) এবং Amphetamine/Methamphetamine Positive পাওয়া যায়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ডোপ টেস্টের এই ফলাফল ডিএসসিএসসি কোর্সের শৃঙ্খলার পরিপন্থি। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী, এটি অসদাচরণ হিসেবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এই কারণে, একই বিধিমালার বিধি অনুযায়ী ৩১ আগস্ট থেকে পুলিশ সুপার আ ফ ম নিজাম উদ্দিনকে সরকারি চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এছাড়া, আদেশে আরও বলা হয়েছে যে, সাময়িক বরখাস্তকালে তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা পাবেন। জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ), নো ডেভেলপমেন্ট জোন এবং সংরক্ষিত পর্যটন এলাকার মধ্যে ১ দশমিক ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক নির্মাণের উপর হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা আপিল বিভাগে বহাল রাখা হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চ এই নির্দেশনা প্রদান করেন। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পিটিশনের শুনানি শেষে সর্বোচ্চ আদালত হাইকোর্টের আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে এই সিদ্ধান্ত নেন।
বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) পক্ষে শুনানিতে অংশগ্রহণকারী জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মিনহাজুল হক চৌধুরী জানান, আপিল বিভাগ হাইকোর্টকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, দুই সপ্তাহের মধ্যে এই বিষয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করতে হবে।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
এর আগে, বেলার দায়ের করা একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে সড়ক নির্মাণের উপর ৮ সপ্তাহের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
শিল্পকারখানায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে পেরে আশাবাদী হয়েছেন দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতারা। তারা মনে করছেন, সরকারের পক্ষ থেকে পাঁচটি ভাসমান এবং একটি স্থায়ী স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের মতো ইতিবাচক পদক্ষেপের ফলে তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন খাতের স্থবিরতা দূর হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে প্রথম সারির ২১টি ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে।
বৈঠকে অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে চলা গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে শিল্প উৎপাদনে বিঘ্ন ঘটছিল। ফলে বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা বজায় রাখা এবং সময়মতো রপ্তানি অর্ডার সরবরাহ করা কঠিন হয়ে পড়ছিল। প্রধানমন্ত্রী তাদের কথা শুনেছেন এবং দ্রুত সমাধানসহ দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট পথরেখা তুলে ধরেছেন।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সরকার সাময়িক সমাধানের দিকে নজর না দিয়ে ভবিষ্যতে অতিরিক্ত চাহিদা পূরণে অবকাঠামো তৈরির যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন আত্মবিশ্বাস জোগাবে। পুঞ্জীভূত সমস্যা সমাধানে সরকারের এমন স্পষ্ট ও দূরদর্শী অবস্থানকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন শিল্পমালিকেরা।
বৈঠকে শিল্প উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে নীতিগত সব ধরনের সহায়তার পাশাপাশি জ্বালানি সংকট কাটাতে ধাপে ধাপে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। সরকারের এই আশ্বাসে দেশের অর্থনীতি ও শিল্প খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে প্রত্যাশা করছেন দেশের তরুণ ও প্রবীণ উদ্যোক্তারা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ