ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সব মাদরাসায় চারটি ফুটবল দল গঠনের নির্দেশ, ক্রীড়া কার্যক্রম বাড়ানোর উদ্যোগ


সব মাদরাসায় চারটি ফুটবল দল গঠনের নির্দেশ, ক্রীড়া কার্যক্রম বাড়ানোর উদ্যোগ

দেশের প্রতিটি মাদরাসায় চারটি করে ফুটবল দল গঠনের নির্দেশনাটি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে। প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উপলক্ষে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আগামী ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে দাখিল ও আলিম স্তরের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে চারটি দলের গঠন করে বোর্ডে তথ্য পাঠানোর জন্য বলা হয়েছে। একই সঙ্গে আন্তঃশ্রেণি ফুটবল প্রতিযোগিতা আয়োজন এবং নিয়মিত অনুশীলনের ব্যবস্থা করার কথাও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এস এম তৌহিদুজ্জামান স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনাটি প্রদান করা হয়।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৯ আগস্ট চট্টগ্রাম স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর উদ্বোধন করবেন।

একই দিন সারা দেশে একই সময়ে টুর্নামেন্ট শুরু হবে। এই কারণে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফুটবল দল গঠনের জন্য এবং দলকে প্রস্তুত করতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

নির্দেশনায় উল্লেখ আছে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে যোগ্যতার ভিত্তিতে দাখিল (ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি) পর্যায়ে একটি ছাত্র এবং একটি ছাত্রী দল এবং আলিম (প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষ) পর্যায়ে একটি ছাত্র এবং একটি ছাত্রী দল গঠন করতে হবে। গঠিত দলগুলোর জন্য অভিজ্ঞ শিক্ষক বা প্রশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে নিয়মিত অনুশীলনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

এছাড়া খেলাধুলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, দলগত চেতনা এবং সুস্থ জীবনধারা গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে। টুর্নামেন্ট-সংক্রান্ত পরবর্তী নির্দেশনাগুলোও যথাযথভাবে অনুসরণ করে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আগামী ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে সকল প্রতিষ্ঠানে ফুটবল দল গঠন করে registrar@bmeb.gov.bd ঠিকানায় ই-মেইলে তথ্য পাঠানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, ক্রীড়ানুরাগী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও শিক্ষানুরাগীদের সম্পৃক্ত করে প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়নে আন্তরিক সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাবির নারী শিক্ষার্থীরা: ইতিহাসের আড়ালে এক সাহসী অধ্যায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০১ এম


জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাবির নারী শিক্ষার্থীরা: ইতিহাসের আড়ালে এক সাহসী অধ্যায়

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ছিল আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচিতে শুরু থেকেই পুরুষ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শত শত নারী শিক্ষার্থীও সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। কেউ মিছিলের সামনের সারিতে উপস্থিত ছিলেন, কেউ আহতদের উদ্ধার ও চিকিৎসায় সহযোগিতা করেন, আবার কেউ হলের বিধিনিষেধকে উপেক্ষা করে রাজপথে নেমে আসেন। ইন্টারনেট বন্ধ থাকা, পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা এবং নিরাপত্তাহীনতার মধ্যেও অনেকেই আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পরেও রাবির নারী শিক্ষার্থীদের সাহস, ত্যাগ এবং নেতৃত্বের নানা দিক আলোচনায় রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, আন্দোলনে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান থাকলেও সেই অভিজ্ঞতার অনেকটাই এখনো যথাযথভাবে নথিবদ্ধ করা হয়নি।

আন্দোলনের শুরুর দিকে অনেক নারী শিক্ষার্থী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছিলেন, তবে সহিংসতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা সংগঠিতভাবে আন্দোলনে যুক্ত হন। বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হল, জুলাই-৩৬ হল (তৎকালীন বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল), মন্নুজান হল, বেগম খালেদা জিয়া হলসহ ছয়টি ছাত্রী হল থেকে শিক্ষার্থীরা দলবেঁধে মিছিল ও বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতা এবং নানা বাধা সত্ত্বেও তারা রাজপথে অবস্থান নেন।

একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা এবং হল ছাড়ার নির্দেশ দিলে নারী শিক্ষার্থীরা চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েন। অনেকেই তাৎক্ষণিকভাবে বাড়ি ফিরতে পারেননি। ট্রেন-বাস চলাচলে বিঘ্ন, ইন্টারনেট বন্ধ এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার কারণে অনেককে রাজশাহীতেই আটকে থাকতে হয়। পরে তারা বিভিন্ন মেস, পরিচিতজন অথবা সহপাঠীদের বাসায় আশ্রয় নেন। তবুও মেসে পুলিশি তল্লাশির খবর ছড়িয়ে পড়লে সেখানে অনিরাপত্তা তৈরি হয়। প্রায় এক সপ্তাহ পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে তারা নিজ নিজ বাড়িতে ফিরতে সক্ষম হন। তবে নিজ নিজ এলাকায় অবস্থান করেও ৫ আগস্ট পর্যন্ত আন্দোলনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে তারা যুক্ত ছিলেন বলে জানান তারা।

আন্দোলনে শুধু অংশগ্রহণ নয়, ব্যানার তৈরি, কর্মসূচির সমন্বয়, আহতদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া এবং সহপাঠীদের সহায়তাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন নারী শিক্ষার্থীরা। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য অনুযায়ী, সংঘাতের মুহূর্তেও তারা পিছু হটেননি; বরং সহপাঠীদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে মানববর্ম তৈরি করেছিলেন।

জুলাই আন্দোলনের সময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক পরিষদের অন্যতম নারী সদস্য তাসিন খান বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল বন্ধ করে শিক্ষার্থীদের বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার পর আমি সমন্বয়ক পরিষদে যুক্ত হই। তখন আমি মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলাম—স্বাভাবিক জীবনে হয়তো আর ফেরা হবে না। মনে হয়েছিল, বেঁচে থাকলেও হয়তো জেলে যেতে হবে কিংবা পলাতক জীবন কাটাতে হবে। ৫ আগস্টের পরের জীবনকে আমি বোনাস জীবন মনে করি। জুলাই আমাকে বিবেকের গুরুত্ব গভীরভাবে উপলব্ধি করিয়েছে। আন্দোলনের পর আমি স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছি। বিভিন্ন সুযোগ এলেও কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হইনি। রাজনীতিসচেতন নাগরিক হিসেবে থাকতে চাই এবং দলান্ধতাকে সবসময় প্রত্যাখ্যান করি।"

তিনি আরও বলেন, "জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পরও সেই সময়ের অভিজ্ঞতা আমাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতিগুলোর একটি। ন্যায়বিচার ও অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে সাহস, ঐক্য ও দায়িত্ববোধের কোনো বিকল্প নেই।"

জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া আরেক নারী শিক্ষার্থী এবং রাকসুর মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সাইয়েদা হাফসা বলেন, "কোটা সংস্কার আন্দোলন একটি যৌক্তিক আন্দোলন। তাই শুরু থেকেই আমরা এর সঙ্গে ছিলাম। আমাদের সংগঠনের সদস্যরা ৭ জুলাই থেকেই অনলাইন ও অফলাইন—দুই মাধ্যমে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। সব হল থেকেই নারী শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে যুক্ত হন।"

তিনি বলেন, "১৪ জুলাই রাতে বেগম খালেদা জিয়া হলের ছাত্রীরা হলের তালা ভেঙে বেরিয়ে মিছিলে যোগ দেন। অন্য হলের ছাত্রীরাও একইভাবে আন্দোলনে অংশ নেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েও গণজোয়ার সৃষ্টি হয়। কেউ লাঠি, কেউ মরিচের গুঁড়ো, আবার কেউ বেডের স্ট্যান্ড হাতে নিয়ে আন্দোলনে নেমে পড়েন।"

হাফসা আরও বলেন, "১৬ জুলাই সন্ধ্যায় ক্যাম্পাসে টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেডের বিস্ফোরণের শব্দ এবং গ্যাসের প্রভাব মেয়েদের হল পর্যন্ত পৌঁছে যায়। একই সময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অস্ত্র নিয়ে ক্যাম্পাসে আসছে—এমন গুজব ছড়িয়ে পড়ে। সেদিন রাতেই বিশ্ববিদ্যালয় ছুটি ঘোষণা করা হয়। পরদিন অনেক শিক্ষার্থী ক্যাম্পাস ছাড়লেও কিছু সাহসী ছাত্রী শেষ পর্যন্ত হল না ছাড়ার সিদ্ধান্তে অনড় ছিলেন। পরে প্রশাসনের নির্দেশে তাদেরও হল ছাড়তে হয়।"

মন্নুজান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী এবং বর্তমান হল সংসদের সহসভাপতি সুমাইয়া জাহান বলেন, "আন্দোলনের শুরু থেকেই নারী শিক্ষার্থীরা সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন। প্রথম দিকে ছোট ছোট দলে কর্মসূচিতে অংশ নিলেও আন্দোলন বিস্তৃত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন হল থেকে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ বাড়তে থাকে। বিশেষ করে মন্নুজান হলের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। তারা রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে নয়, বরং ন্যায্য দাবির পক্ষে সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে আন্দোলনে নেমেছিলেন।"

তিনি আরও বলেন, "টিয়ারশেল, হামলা ও সংঘর্ষের আশঙ্কা থাকলেও নারী শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের স্থান ত্যাগ করেননি। হল ছাড়ার দিনটি ছিল সবচেয়ে কঠিন। পরিবহন সংকট, ইন্টারনেট বিচ্ছিন্নতা ও অনিশ্চিত পরিস্থিতির কারণে অনেকেই নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেননি। সব প্রতিকূলতার মধ্যেও তারা সাহস, সংহতি ও দায়িত্ববোধের পরিচয় দিয়েছেন।"

লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী জান্নাতুন নাঈম তুহিনা বলেন, "নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের বলব, জুলাইকে শুধু একটি স্মৃতি হিসেবে নয়, শিক্ষা হিসেবে ধারণ করতে হবে। বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করে আমরা একটি স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটিয়েছি। সেই চেতনা ধরে রেখে এমন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে ন্যায়বিচার, জবাবদিহি ও মানবিকতা প্রতিষ্ঠিত হবে।"

সংশ্লিষ্টদের মতে, বড় রাজনৈতিক আন্দোলনের ইতিহাস তখনই পূর্ণতা পায়, যখন নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবার অবদান সমান গুরুত্বে নথিবদ্ধ করা হয়। শুধুমাত্র নেতৃত্বের গল্প নয়, সাধারণ নারী শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতাও ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দলিল। তাই রাবির জুলাই আন্দোলনে নারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিয়ে মৌখিক ইতিহাস, সাক্ষাৎকার ও তথ্যভিত্তিক গবেষণা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সামনের সারিতে অংশ নেওয়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের অধ্যাপক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. ইফতিখারুল আলম মাসউদ বলেন, "জুলাই বিপ্লব ও গণঅভ্যুত্থানে নারী শিক্ষার্থীরা সম্মুখসারির সংগঠক এবং অংশগ্রহণকারী হিসেবে গৌরবময় ভূমিকা পালন করেছেন। তারা শুধু সমর্থনেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না; মিছিলে নেতৃত্ব দিয়েছেন, স্লোগানে আন্দোলনকে বেগবান করেছেন, আহতদের চিকিৎসায় সহযোগিতা করেছেন এবং খাদ্য ও মানবিক সহায়তা দিয়েছেন। এমনকি গ্রেপ্তার সহযোদ্ধাকে ছাড়িয়ে আনা এবং আহতদের সেবাতেও তারা এগিয়ে গেছেন।"

তিনি বলেন, "তবে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নারীদের উপস্থিতি এখনো অপ্রতুল। আন্দোলনে তাদের অবদানও অনেক ক্ষেত্রে যথাযথ স্বীকৃতি পায়নি। বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।"

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইতিহাস নয়; এটি সাহস, ত্যাগ, প্রতিরোধ এবং মানবিকতারও ইতিহাস। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীরা সেই ইতিহাসে শুধু সহযাত্রী ছিলেন না, বরং অনেক ক্ষেত্রেই ছিলেন সামনের সারির অংশগ্রহণকারী। সংশ্লিষ্টদের মতে, তাদের অভিজ্ঞতা ও অবদান যত বেশি নথিবদ্ধ হবে, ততই সমৃদ্ধ ও পূর্ণতা পাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে এক যুবকের প্রাণহানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১২ এম


রাজধানীতে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে এক যুবকের প্রাণহানি

রাজধানীতে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে এক যুবকের প্রাণহানি ঘটেছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দিবাগত রাত ২টার সময় হাজারীবাগের ভাগলপুর লেনের ৪৮/১/ই বাসার সামনে এই ঘটনাটি ঘটেছে। পরে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ভোর পৌনে ৬টার দিকে তার মৃত্যু ঘটে। নিহত যুবকের নাম সাগর হোসেন বুলেট, বয়স ২৮ বছর। তিনি হাজারীবাগের ভাগলপুর লেনের মৃত শাহাদত হোসেনের সন্তান। সাগর পেশা হিসেবে বেকার ছিলেন। বিষয়টি সম্পর্কে জানিয়ে হাজারীবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এবিএম তৌহিদ গণমাধ্যমকে জানান, রাতে জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পাই যে ভাগলপুর লেন এলাকার রাস্তায় এক যুবক রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। পরে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করি। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোরে তিনি মারা যান। তার মাথায় বেশ কয়েকটি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন বিদ্যমান ছিল। অতিরিক্তভাবে তিনি বলেন, কে বা কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের শনাক্তকরণের জন্য পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। এসআই আরও জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষে বড় নিয়োগ, ৬৪৭ পদে আবেদন করতে পারবেন অষ্টম শ্রেণি পাসরাও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৮ এম


বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষে বড় নিয়োগ, ৬৪৭ পদে আবেদন করতে পারবেন অষ্টম শ্রেণি পাসরাও

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ৭২টি পদের জন্য ৬৪৭ জনকে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি বের করেছে। আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে ২৭ জুলাই সকাল ১০টায়, যা চলবে ১৬ আগস্ট বিকেল ৫টা পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আবেদন করার সুযোগ পাবেন। আবেদনের ফি টেলিটক সিমের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।

এক নজরে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ সালের তথ্যাবলী:

পদের বিবরণ,

আবেদন করার নিয়ম এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

আবেদন শুরু করার দিন: ২৭ জুলাই ২০২৬ তারিখ সকাল ১০টা।

আবেদন শেষের দিন: ১৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখ বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

আবেদন পদ্ধতি: অনলাইনে।

চাকরির প্রকার: অস্থায়ী।

প্রার্থীর প্রকার: নারী ও পুরুষ।

কর্মস্থল: যে কোনো স্থান হতে পারে।

বয়স সীমা: ১ জুলাই ২০২৬ তারিখ অনুযায়ী ১৮ থেকে ৩২ বছর। বয়স প্রমাণের জন্য কোন প্রকার এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এবং বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইটে। আবেদনের সঙ্গে ৩০০-৩০০ সাইজের ছবি ও ৩০০-৮০ সাইজের স্বাক্ষর স্ক্যান করে যুক্ত করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পরে এবং অসম্পূর্ণ আবেদনপত্র গ্রহণযোগ্য হবে না।

আবেদন ফি: টেলিটক প্রি-পেইড সিমের মাধ্যমে পরীক্ষার ফি বাবদ ১-৪ নং পদের জন্য ১৬৮ টাকা, ৫-৪৩ নং পদের জন্য ১১২ টাকা, ৪৪-৭২ নং পদের জন্য ৫৬ টাকা অফেরতযোগ্য হিসেবে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পাঠাতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উচ্চ আদালতের পদক্ষেপে পরিবেশগত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় নতুন দৃষ্টান্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৮ এম


উচ্চ আদালতের পদক্ষেপে পরিবেশগত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় নতুন দৃষ্টান্ত

এস এম আশিকুজ্জামান ঢাকা, ২২ জুলাই, ২০২৬ : নদী দখল, পাহাড় কাটা, বন উজাড়, বায়ু ও শব্দদূষণ অথবা অবৈধ ইট ভাটার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের বিচারিক পদক্ষেপে পরিবেশগত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় দৃশ্যমান দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে। দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে উচ্চ আদালতের বিভিন্ন রায় ও নির্দেশনার গুরুত্ব অপরিসীম। এর মধ্যে বিশেষ উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো- গাছ কাটতে লাগবে অনুমতি ২০২৫ সালের ২৮ জানুয়ারি, হাইকোর্টের এক রায়ে ঢাকা শহরসহ অন্যান্য জেলা শহর ও উপজেলা পর্যায়ে গাছ কাটার ক্ষেত্রে অনুমতি নিতে কমিটি গঠনের নির্দেশনা প্রদান করেছেন। রায়ে হাইকোর্ট বলেছেন, কমিটির অনুমতি ছাড়া ঢাকা শহরসহ অন্যান্য জেলা শহর ও উপজেলা পর্যায়ে গাছ কাটা যাবে না। কিন্তু গ্রামাঞ্চলে ব্যক্তিমালিকানাধীন গাছ কাটার বিষয়টি এর আওতায় আসবে না। নদীকে ‘জীবন্ত সত্তা’ ঘোষণা ২০১৯ সালে হাইকোর্টের একটি ঐতিহাসিক রায়ে বাংলাদেশে সকল নদ-নদীকে ‘জীবন্ত সত্তা’ বা ‘লিভিং এনটিটি’ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। এতে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনকে নদীর আইনি অভিভাবক ঘোষণা করার পাশাপাশি নদী দূষণ ও দখল রোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাহাড় কাটা বন্ধের নির্দেশ দেশের বিভিন্ন স্থানে পরিবেশ ধ্বংস করে নির্বিচারে পাহাড় কাটা বন্ধে হাইকোর্ট একাধিক আদেশ প্রদান করেছেন। যেমন, ২০২৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় পাহাড় কাটা বন্ধে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। অন্যদিকে, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার দিনারপুরে পাহাড় কাটা এবং কুমিল্লার লালমাই পাহাড় কাটা বন্ধের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। সুতরাং, ২০২৪ সালের ২ এপ্রিল পার্বত্য জেলা রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার পর্যটন কেন্দ্র সাজেকে পাহাড় কাটা বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বায়ু দূषण রোধে নির্দেশনা রাজধানী ঢাকার বায়ু দূষণ রোধে হাইকোর্ট ৯ দফা নির্দেশনা প্রদান করেছেন। ২০২০ সালের ১৩ জানুয়ারি, হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশনাগুলো হলো- ১. ঢাকা শহরের মধ্যে বালি ও মাটি বহনকারী ট্রাকগুলোকে অবশ্যই বালি বা মাটি ঢেকে পরিবহন করতে হবে। ২. যেসব জায়গায় নির্মাণ কাজ চলছে, সেখানে নির্মাণসামগ্রী ঢেকে রাখতে হবে। ৩. ঢাকার সড়কগুলোতে পানি ছিটানোর যে নির্দেশ ছিল, সে অনুযায়ী যেসব জায়গায় পানি ছিটানো হচ্ছে না, সেসব এলাকায় পানি ছিটানোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ৪. সড়কের মেগা প্রজেক্টের নির্মাণ কাজ এবং কার্পেটিংয়ের যেসব কার্যক্রম চলছে, তা আইন-কানুন এবং চুক্তির শর্তাবলী মেনে করতে হবে, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। ৫. যেসব গাড়ি কালো ধোঁয়া ছাড়ে, সেগুলোকে জব্দ করতে হবে। ৬. সড়ক পরিবহন আইন অনুযায়ী রাস্তায় চলাচলকারী গাড়ির ইকোনমিক লাইফ নির্ধারণ করতে হবে এবং পুরাতন গাড়িগুলোর চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হবে। ৭. যেসব ইটভাটা যেসব লাইসেন্সবিহীনভাবে চলছে, সেগুলোর মধ্যে যেগুলো এখনো বন্ধ করা হয়নি, সেগুলো বন্ধ করে দুই মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে। ৮. পরিবেশ অধিদফতরের অনুমতি ছাড়া টায়ার পোড়ানো এবং ব্যাটারি রিসাইকেলিং বন্ধ করতে হবে। ৯. মার্কেট এবং দোকানের বর্জ্য প্যাকেট করে রাখতে হবে এবং মার্কেট ও দোকান বন্ধের পরে সিটি করপোরেশনকে ওই বর্জ্য অপসারণ করার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। হাজারীবাগের ট্যানারী স্থানান্তর বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতি-বেলা’র আনা একটি রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ২০০৯ সালে রাজধানীর হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি সাভারে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেয়। পরে হাইকোর্টের এই আদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগও বহাল রেখেছে। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত রক্ষা কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ২০২২ সালের ৯ নভেম্বর নির্দেশনা প্রদান করেছে হাইকোর্ট। এর পূর্বে ২০১১ সালের ৭ জুন কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ঝিলোঞ্জা, সুগন্ধা ও লাবনী পয়েন্ট এলাকা থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সুন্দরবন বাংলাদেশের ফুসফুস ২০১৯ সালের ২৭ আগস্ট, এক রিটের শুনানিতে হাইকোর্ট সুন্দরবনকে দেশের ফুসফুস উল্লেখ করে বলেন, অ্যামাজন যেমন পৃথিবীর ফুসফুস, ঠিক তেমনই সুন্দরবন আমাদের ফুসফুস। অন্যদিকে, ২০২১ সালে দেওয়া একটি রায়ে হাইকোর্ট বলেন, কোনো অবস্থাতেই সুন্দরবনের অভ্যন্তরে সংরক্ষিত ও সুরক্ষিত এলাকার খালের ভেতরে কোনো ইঞ্জিনচালিত নৌকা বা ট্রলার চলাচল করা যাবে না। কাঁকড়া জেলেরা নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য সুন্দরবনের সংশ্লিষ্ট স্টেশন অফিসে বাজারের নির্দিষ্ট পরিমাণ রাজস্ব দিয়ে পাস সংগ্রহ করে কেবল বৈঠাচালিত নৌকা এবং দোন দড়ির মাধ্যমে নির্দিষ্ট ওজনের কাঁকড়া আহরণ করতে পারবেন। পাস নিয়ে কাঁকড়া আহরণের জন্য সুন্দরবনের অভ্যন্তরে প্রবেশের সময় বন বিভাগের স্টেশন অফিস থেকে সংশ্লিষ্ট নৌকা ও নৌকার লোকদের কঠোরভাবে পরীক্ষা করা হবে। যাতে কোনো প্রকার ‘চারু’ (কাঁকড়া ধরার জন্য বাঁশের শলা দিয়ে নির্মিত চাঁই) এবং ‘বিষ’ কিংবা অন্য কোনো বেআইনি জিনিস বনের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে না পারে। এই রায়ের পর্যবেক্ষণে হাইকোর্ট বলেন, সুন্দরবন বাংলাদেশে দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের বিশাল জনগণের জীবন রক্ষা ও জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম এবং এটি জাতীয় সম্পদ। সুন্দরবন অক্ষুণ্ন থাকলে ওই বিশাল জনগণ বেঁচে থাকবে এবং সর্বোপরি প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকেও ওই এলাকা রক্ষা পাবে। অবৈধ ইটভাটা বন্ধের নির্দেশ বিভিন্ন সময় পরিবেশগত ছাড়পত্র, লাইসেন্স না থাকা কিংবা পরিবেশ দূষণ দায়ে হাইকোর্ট বিভিন্ন সময় অবৈধ ইটভাটা বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছে। ফলে অসংখ্য অবৈধ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেওয়া, জরিমানা আদায় ও বিদ্যুৎ-গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। দেশের আট বিভাগের বিভিন্ন স্থানে অবৈধ ইটভাটা কার্যক্রম যাতে শুরু না হতে পারে, সে বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে ২০২৪ সালের ২৮ নভেম্বর হাইকোর্ট নির্দেশনা প্রদান করেছে। পরিবেশ রক্ষায় উচ্চ আদালতের রায় ও আদেশের মাধ্যমে নেওয়া পদক্ষেপ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বাসস-কে বলেন, আমাদের দেশে পরিবেশ আইন ১৯৯৫ সালে তৈরি হয়েছিল। এর পরে বিধিমালা গৃহীত হয়েছে। কিন্তু পরিবেশ রক্ষার আইন ও বিধিমালা থাকলেও পরিবেশ রক্ষায় দৃশ্যমান কোনো ভূমিকা ছিল না। তিনি উল্লেখ করেন, উচ্চ আদালতের বিভিন্ন রায় ও আদেশের ফলে পরিবেশ রক্ষায় নানাবিধ কার্যক্রম পরিচালনায় সংশ্লিষ্টরা বাধ্য হয়েছেন। মনজিল মোরসেদ বলেন, জনস্বার্থের মামলা ও হাইকোর্টের নির্দেশনার ফলে পরিবেশ রক্ষায় অনেকটা পরিবর্তন এসেছে। সর্বোপরি, পরিবেশ রক্ষায় আমাদের উচ্চ আদালতের রায় ও আদেশগুলো অত্যন্ত প্রশংসনীয় পদক্ষেপ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%