০২:৩৬ পি.এম
যুদ্ধবিরতির পরেও, গাজায় ইসরাইলি হামলা থামছে না। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) নুসেইরাত শরণার্থী শিবির এবং খান ইউনিসে আলাদা আলাদা ড্রোন হামলা চালিয়ে দখলদাররা। চলমান হামলার ফলে গত ২৪ ঘণ্টায় কমপক্ষে চার জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ১২ জন। অন্যদিকে, অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি অভিযানে একজন ফিলিস্তিনিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
যদিও কাগজে-কলমে গাজায় যুদ্ধবিরতি রয়েছে, মাঠের বাস্তবতা কিন্তু ভিন্ন। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবারও ইসরাইল ড্রোন হামলা চালায়। মধ্য গাজার নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে মোটরসাইকেলকে লক্ষ্য করে হামলা এবং দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে আলাদা ড্রোন হামলায় বেশ কজন আহত হওয়ার খবর জানিয়েছে জরুরি সেবা কর্তৃপক্ষ। ২৪ ঘণ্টায় বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনির মৃত্যুর খবরও পাওয়া গেছে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরাইলের হামলায় নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। আহত এক লাখ ৭৩ হাজারেরও বেশি। গেল বছরের অক্টোবরের যুদ্ধবিরতির পর এক হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, গাজার পুনর্গঠনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ধ্বংসস্তূপ সরানো। গাজা সিটির মেয়র রুশদি আল-সাররাজ জানিয়েছেন, পুরো উপত্যকাজুড়ে প্রায় ৬ কোটি ৮০ লাখ টন ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে আছে।
সড়ক সচল করা গেলেও, আবাসিক, বাণিজ্যিক এবং সরকারি ভবনের ধ্বংসস্তূপ সরাতে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর আরও দ্রুত পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বাহিনী অভিযান অব্যাহত রেখেছে। সিলওয়ান এলাকায় ফিলিস্তিনি তরুণদের ওপর হামলার পাশাপাশি গ্রেফতারও হচ্ছে। একই এলাকায় একটি নরসুন্দর দোকান ও একটি বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছে। এছাড়া, জেরুজালেমের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মিখমাসে স্থানীয় কাউন্সিল ভবন দখল করে সেখানে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করেছে ইসরাইলি বাহিনী।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন