ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ডোপ টেস্টের খবর শুনেই পালালেন চাঁদপুরের পুলিশ কর্মকর্তা মামুন


ডোপ টেস্টের খবর শুনেই পালালেন চাঁদপুরের পুলিশ কর্মকর্তা মামুন

মাদক শনাক্তকরণের (ডোপ টেস্টে) খবর শুনে দুই দিন ধরে গা ঢাকা দিয়েছেন চাঁদপুর নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মামুন উর রশিদ।

এটি জানা গেছে যে, নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ১৮ জন পুলিশ সদস্যের মধ্যে এসআই মামুন উর রশিদের আচরণ সন্দেহজনক হওয়ায় তাকে ডোপ টেস্টের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ডোপ টেস্টের বিষয়টি জানতে পেরে তিনি ১৫ সেপ্টেম্বর ফাঁড়ি থেকে চলে যান।

এদিকে, তার গা ঢাকা দেওয়ার বিষয়টি জানার পর চাঁদপুরের পুলিশ সুপারের নির্দেশে পুলিশ সদস্যরা তাকে খুঁজে বের করে ফাঁড়িতে নিয়ে আসার জন্য তার বাসায় যান। তবে সেখানে গিয়েও তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার এবং বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুদিনই তার বাসায় পুলিশ সদস্য পাঠানো হয়েছে। কিন্তু তাকে বাসায় পাওয়া যায়নি। এমনকি তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরটিও মঙ্গলবার থেকে বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।

পুলিশ ফাঁড়ি থেকে জানানো হয়েছে যে, ফাঁড়িতে কর্মরত সদস্যদের মধ্যে যাদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হবে, তাদের পর্যায়ক্রমে ডোপ টেস্টের আওতায় আনা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মক্কার পবিত্র স্থাপনায় হামলার প্রতিবাদে শায়খ সুদাইসের বক্তব্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:১৬ পি.এম


মক্কার পবিত্র স্থাপনায় হামলার প্রতিবাদে শায়খ সুদাইসের বক্তব্য

মক্কার পবিত্র স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীর ধর্মীয় বিষয়ক প্রেসিডেন্ট শায়খ ড. আবদুর রহমান আস-সুদাইস। তিনি মুসলিমদের ঐক্য বজায় রাখার পাশাপাশি যাচাই ছাড়া তথ্য প্রচার না করার এবং সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

একটি বিবৃতিতে শায়খ সুদাইস উল্লেখ করেন, পবিত্র স্থানগুলোতে হামলা ইসলামের শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধের মৌলিক নীতির পরিপন্থী। ইসলাম আগ্রাসন নিষিদ্ধ করেছে এবং মানুষের জীবন, সম্পদ ও মর্যাদা রক্ষার নির্দেশ দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানের হৃদয়ে পবিত্র স্থানগুলোর বিশেষ মর্যাদা রয়েছে। এসব স্থানের নিরাপত্তার জন্য যেকোনো ধরনের হুমকি অত্যন্ত গুরুতর বিষয় হিসেবে বিবেচিত হওয়া উচিত।

ঐক্য ও সংহতি বজায় রাখার গুরুত্বের ওপরও জোর দেন শায়খ আল-সুদাইস। তিনি জাতীয় সংহতি বজায় রাখতে সহযোগিতা করার এবং তথ্য প্রচারের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে গুজব বা যাচাই না করা কোনো তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন।

কোরআন ও সুন্নাহর শিক্ষার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মুসলমানদের উচিত আগ্রাসন থেকে বিরত থাকা, বিশৃঙ্খলা ও অনাচার প্রতিরোধ করা এবং কঠিন পরিস্থিতিতে ঐক্যবদ্ধ থাকা।

শায়খ সুদাইস আরও বলেন, তথ্যের জন্য সরকারি ও বিশ্বস্ত সূত্রের ওপর নির্ভর করতে হবে। বিভ্রান্তি, বিভাজন বা অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে এমন কোনো সংবাদ প্রচার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

বিবৃতির শেষে সৌদি আরব, দেশটির নেতৃত্ব ও জনগণের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা অব্যাহত থাকার জন্য দোয়া করেন তিনি। পাশাপাশি পবিত্র স্থানগুলো এবং সেগুলোর সেবা ও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের সুরক্ষার জন্যও দোয়া করেন।

এ ছাড়া মুসলিম বিশ্বে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়কে ক্ষতি ও দুর্ভোগ থেকে রক্ষার জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন শায়খ আল-সুদাইস।

সূত্র : দ্য ইসলামিক ইনফরমেশন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ২ কেজি ১০০ গ্রাম ‘রাজা’ ইলিশ, বিক্রি ৭২০০ টাকায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:১৯ পি.এম


বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ২ কেজি ১০০ গ্রাম ‘রাজা’ ইলিশ, বিক্রি ৭২০০ টাকায়

বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ধরা পড়া ২ কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের একটি বড় ইলিশ (রাজা ইলিশ) ৭ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা মৎস্য আড়তে নিলামে প্রতি কেজি ৩ হাজার ৬২৫ টাকা হিসেবে মাছটি কিনে নেন কুয়াকাটা মা-মনি ফিশের ম্যানেজার মিজান।

মাছটি নিয়ে আসা জেলে সোহরাফ গাজী জানান, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) পায়রা বন্দর সংলগ্ন পাইপ বয়ার গভীর সমুদ্রে জাল ফেলেছিলেন তিনি। জাল তোলার সময় অন্যান্য মাছের সঙ্গে বড় ইলিশটি উঠে আসে। পরে বুধবার সকাল ৯টার দিকে মাছটি বিক্রির জন্য কুয়াকাটা মৎস্য আড়তে নিয়ে যান তিনি।

সোহরাফ গাজী আরও জানান, তিনি প্রায় এক দশক ধরে বঙ্গোপসাগরের গভীরে গিয়ে মাছ ধরছেন। তার ভাষ্য, সাধারণত এত বড় ইলিশ জালে পাওয়া যায় না। প্রায় সাত বছর পর এবার আবার বড় আকৃতির একটি ইলিশ পেয়েছেন তিনি।

মাছটির ক্রেতা কুয়াকাটা মিজান বলেন, বাজারে বর্তমানে এ আকারের ইলিশ খুব বেশি পাওয়া যায় না। এ কারণে নিলামে মাছটি কিনেছি। মাছটি শরীয়তপুরের এক প্রবাসীর ভাইয়ের বাড়িতে পাঠানো হবে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, বড় ইলিশ বাজারে উঠলেও এর দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক ড. রাজীব সরকার জানান, বড় ইলিশের সংখ্যা কমে যাওয়ার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। ছোট ইলিশ নির্বিচারে আহরণ, নদীর পানিপ্রবাহ কমে যাওয়া, বাঁধ ও স্লুইসগেটের কারণে অভিবাসনে বাধা, অবৈধ জালের ব্যবহার এবং সহ-ব্যবস্থাপনার ঘাটতি বড় ইলিশের উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

এ ছাড়া পানি দূষণ, প্ল্যাঙ্কটনের স্বল্পতা, জলবায়ু পরিবর্তন ও লবণাক্ততার পরিবর্তনের মতো পরিবেশগত বিষয়গুলোও ইলিশের প্রজনন ও খাদ্য সরবরাহে প্রভাব ফেলছে বলে জানান তিনি।

পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজন কুমার নন্দী বলেন, গভীর সমুদ্রে এ ধরনের বড় ইলিশ ধরা পড়া ইতিবাচক বিষয়। এটি ইলিশ সংরক্ষণে নিষেধাজ্ঞার সুফলের একটি দিক হতে পারে। বড় ইলিশে তুলনামূলক বেশি ফ্যাট থাকায় এতে ওমেগা-৩ ও বিভিন্ন ভিটামিন পাওয়া যায়। জালের প্রশস্ততা বাড়ানো গেলে ভবিষ্যতে আরও বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের নতুন মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেলেন এহসান মাহমুদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:১৯ পি.এম


জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের নতুন মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেলেন এহসান মাহমুদ

এহসান মাহমুদকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালক (ডিজি) পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি প্রজ্ঞাপনে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আইন, ২০২৬’ অনুযায়ী, এহসান মাহমুদকে তার যোগদানের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।

এছাড়া, প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ রয়েছে যে, তাকে চুক্তি ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়ার শর্ত হলো, অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগ করতে হবে।

উপসচিব মো. গোলাম রব্বানীর স্বাক্ষরিত আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জনস্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাড়ির বাইরে বের হলে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থেকে নিজেকে রক্ষা করার উপায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২০ পি.এম


বাড়ির বাইরে বের হলে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থেকে নিজেকে রক্ষা করার উপায়

বাড়িতে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমানোর জন্য অনেকেই বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। তবে বাড়ির বাইরে পা রাখার সাথে সাথে নতুন বিপদের সম্মুখীন হতে হতে পারেন। পিচ্ছিল মেঝে, ভেজা স্থান, অসমান পথ, সিঁড়ি, অথবা মানুষের ভিড়—যেকোনো জায়গায় হঠাৎ ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

পড়ে গিয়ে হাড় ভাঙা, মাথায় আঘাতসহ গুরুতর শারীরিক ক্ষতি হতে পারে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে এ ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি পায়। তাই বাইরে বের হওয়ার পর কোথায় কী ধরনের বিপদ থাকতে পারে তা আগে থেকেই জানা এবং সতর্ক থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

দোকানে কেনাকাটার সময়

দোকানের মেঝে অনেক সময় মসৃণ ও পিচ্ছিল হয়ে থাকে। কোথাও পানি পড়ে থাকলে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই কেনাকাটার সময় এমন জুতা পরা উচিত, যার তলা সহজে পিছলে যায় না।

যাদের ভারসাম্য রাখতে সমস্যা হয়, তারা কেনাকাটার গাড়ি ধরে হাঁটতে পারেন। প্রয়োজনে চার চাকার হাঁটার সহায়ক যন্ত্রও ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে শরীর স্থির রাখতে সুবিধা হয়। একই সঙ্গে এতে বসার ব্যবস্থা থাকলে প্রয়োজনের সময় বিশ্রামও নেওয়া যায়।

দোকানের উঁচু তাক থেকে কোনো জিনিস নামানোর সময়ও সাবধান হতে হবে। কাঁধের ওপরের উচ্চতায় থাকা জিনিস নিতে গেলে ভারসাম্য হারিয়ে পেছনে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই কোনো কিছু ধরতে গেলে এক পা সামনে ও অন্য পা পেছনে রেখে দাঁড়ানো ভালো। প্রয়োজনে অন্যের সাহায্য নেওয়া নিরাপদ।

ভিড়ের জায়গায় বাড়তি সতর্কতা

বিমানবন্দর, বিপণিবিতান, প্রেক্ষাগৃহ কিংবা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মতো জায়গায় অনেক মানুষের ভিড় থাকে। এ সময় অন্যের ধাক্কায় হঠাৎ ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

এ ধরনের জায়গায় সঙ্গীর হাত ধরে হাঁটা যেতে পারে। যাদের ভারসাম্যের সমস্যা রয়েছে, তারা হাঁটার সহায়ক যন্ত্র ব্যবহার করতে পারেন। এতে আশপাশের মানুষও বুঝতে পারবেন যে আপনার চলাফেরায় বাড়তি জায়গা প্রয়োজন।

পার্ক ও খেলার মাঠে

পার্কে হাঁটা, দৌড়ানো কিংবা ঘুরতে গেলে মাটির অসমান অংশের দিকে নজর রাখা জরুরি। শিশুদের বা নাতি-নাতনিদের নিয়ে খেলার মাঠে গেলেও সতর্ক থাকতে হবে।

বিশেষ করে দুই ধরনের পথ বা মাটি যেখানে মিলেছে, যেমন গাড়ি রাখার জায়গা থেকে নরম মাটির খেলার মাঠে যাওয়ার অংশ—সেখানে হোঁচট খাওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।

তাহলে পার্কে হাঁটার সময় ভালোভাবে মাটিতে আঁকড়ে থাকা এমন জুতা পরা উচিত। হাঁটার উপযোগী জুতা বা পাহাড়ি পথে হাঁটার জুতাও ব্যবহার করা যেতে পারে।

সিঁড়িতে ওঠানামার সময়

সিঁড়িতে ওঠানামার সময় শরীর অস্থির লাগলে, সম্ভব হলে সিঁড়ির বদলে লিফট ব্যবহার করা ভালো। লিফটের সুযোগ না থাকলে ধীরে ও বাড়তি সতর্কতার সঙ্গে সিঁড়ি ব্যবহার করতে হবে।

বাইরের সিঁড়ির ধাপ বাড়ির সিঁড়ির মতো একই মাপের নাও হতে পারে। তাই অবশ্যই হাতল ধরে উঠতে বা নামতে হবে। চোখের সমস্যা থাকলে প্রয়োজনীয় চশমা ব্যবহার করুন।

সিঁড়ি অন্ধকার হলে এক হাতে হাতল ধরে অন্য হাতে ছোট আলো রাখুন। প্রয়োজনে মুঠোফোনের আলোও ব্যবহার করা যেতে পারে।

শৌচাগারেও লুকিয়ে বিপদ

সর্বসাধারণের ব্যবহারের শৌচাগারে ভেজা ও পিচ্ছিল মেঝে পড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ। এর সঙ্গে কম আলো এবং নিচু কমোড থাকলে ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।

তাহলে শৌচাগারে ঢোকার সময় ধীরে ও সতর্কভাবে হাঁটুন। সঙ্গে মুঠোফোন রাখা ভালো। নিচু কমোড থেকে উঠে দাঁড়াতে সমস্যা হলে সাহায্যের জন্য ফোন করতে হতে পারে।

আলো কম থাকলে মুঠোফোনের আলো ব্যবহার করা যেতে পারে। সুযোগ থাকলে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য নির্ধারিত শৌচাগার ব্যবহার করা যেতে পারে। সেখানে সাধারণত ধরার হাতল এবং তুলনামূলক উঁচু কমোড থাকে।

ভেজা মেঝে পার হওয়ার সময় ধীরে হাঁটুন। ভারসাম্য বাড়াতে পায়ের পাতার সামনের অংশ সামান্য বাইরের দিকে রেখে হাঁটতে পারেন।

গাড়ি রাখার জায়গায়

দোকান থেকে দূরে গাড়ি রেখে বেশি হাঁটা শরীরচর্চার জন্য ভালো হতে পারে। তবে যাদের দীর্ঘক্ষণ হাঁটলে দুর্বল লাগে কিংবা অস্থিসন্ধিতে ব্যথা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে বেশি দূরে গাড়ি রাখলে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

তাহলে প্রয়োজন হলে গন্তব্যের কাছাকাছি গাড়ি রাখা ভালো। চলাফেরায় বিশেষ সহায়তা প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য নির্ধারিত গাড়ি রাখার অনুমতিপত্র নেওয়া যেতে পারে।

গাড়ি রাখার সময় অন্য গাড়ির একেবারে পাশে গাড়ি রাখা উচিত নয়। দুই গাড়ির মাঝখান দিয়ে বের হওয়ার সময় শরীর ঘোরানো বা পাশ ফিরে হাঁটতে হতে পারে। এতে পা পিছলে বা ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ে।

তাহলে গাড়ি থেকে নামার সময় শরীর সহজে ঘোরানো এবং হাঁটার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা রাখা জরুরি। নির্ধারিত বিশেষ জায়গা খালি থাকলে প্রয়োজন অনুযায়ী সেটি ব্যবহার করুন।

অফিস ভবনেও রয়েছে নানা ঝুঁকি

অফিস ভবনেও বাড়ির মতো সিঁড়ি, পিচ্ছিল মেঝে, ছড়িয়ে থাকা জিনিসপত্র, কম আলো এবং আলগা কার্পেট থেকে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

এর পাশাপাশি চলন্ত সিঁড়ি, মই, নির্মাণকাজের জায়গা, বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও নির্মাণসামগ্রীও বিপদ তৈরি করতে পারে।

নিজের কর্মস্থলে মেঝেতে পড়ে থাকা জিনিসপত্র ও লম্বা বৈদ্যুতিক তার সরিয়ে রাখুন। কোনো বিপজ্জনক জায়গা চোখে পড়লে কর্তৃপক্ষকে জানান।

কোনো কাজে অফিস ভবনে গেলে তাড়াহুড়া করে হাঁটবেন না। ধীরে ও সচেতনভাবে চলুন। চারপাশ দেখে কোথায় হোঁচট বা পিছলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে তা আগে থেকেই খেয়াল করুন।

আবহাওয়ার কারণেও বাড়তে পারে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি।

বাইরে বের হওয়ার আগে আবহাওয়ার বিষয়টিও মাথায় রাখা জরুরি।

তীব্র গরম ও রোদে শরীরে পানির ঘাটতি হলে মাথা ঘুরতে বা শরীর দুর্বল লাগতে পারে। এতে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। তাই বাইরে যাওয়ার সময় মাথায় টুপি ব্যবহার করুন, সঙ্গে পানির বোতল রাখুন এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন। সম্ভব হলে ছায়ায় থাকুন বা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঠান্ডা জায়গায় বিশ্রাম নিন।

অন্যদিকে বৃষ্টি বা বরফের কারণে রাস্তা ও মেঝে পিচ্ছিল হয়ে যেতে পারে। এ সময় পিছলে যায় না এমন জুতা পরা জরুরি। জুতার তলা যেন মাটিতে ভালোভাবে আঁকড়ে থাকতে পারে, সেদিকে খেয়াল রাখুন। প্রয়োজনে জুতার ওপর বিশেষ রাবারের আবরণ ব্যবহার করা যেতে পারে।

শরীরের ভারসাম্য ঠিক রাখাও জরুরি

বাইরে কোথাও গেলেই পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি পুরোপুরি এড়ানো সম্ভব নয়। তবে নিয়মিত ভারসাম্যের অনুশীলন করলে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে শরীরকে সামলে নেওয়ার সক্ষমতা বাড়তে পারে।

শরীরের ভারসাম্য ঠিক রাখার ক্ষেত্রে পায়ের পেশি ও শরীরের মধ্যবর্তী অংশের পেশির শক্তি গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি দৃষ্টিশক্তি, ভেতরের কানের সুস্থতা এবং পা ও অস্থিসন্ধির অনুভূতিও ভারসাম্য রক্ষায় ভূমিকা রাখে।

কারও যদি মনে হয় তার ভারসাম্য রাখতে সমস্যা হচ্ছে, তাহলে শারীরিক চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।

সুস্থ ব্যক্তিরা নিয়মিত ব্যায়ামের অংশ হিসেবে পায়ের পেশি ও শরীরের মধ্যবর্তী অংশ শক্তিশালী করার কিছু সহজ অনুশীলন করতে পারেন। যেমন—একটি চেয়ারের সামনে দাঁড়িয়ে বসে আবার উঠে দাঁড়ানো। এভাবে পরপর পাঁচ থেকে ১০ বার করা যায়। এছাড়া এক পা সামনে রেখে শরীর নিচু করার অনুশীলন এবং পা ওঠানোর অনুশীলনও করা যায়।

ভারসাম্য বাড়াতে এক পায়ে ৩০ সেকেন্ড করে দাঁড়িয়ে থাকার অনুশীলন করা যেতে পারে। ঘরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে এমনভাবে হাঁটার চেষ্টা করা যায়, যেন সরু দড়ির ওপর দিয়ে হাঁটছেন।

নিয়মিত শরীরচর্চা, নিজের শারীরিক সক্ষমতা সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং বাইরে চলাফেরার সময় আশপাশের ঝুঁকি আগে থেকে বুঝে চলাই পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা কমানোর গুরুত্বপূর্ণ উপায়।

সূত্র: হার্ভার্ড

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%