বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৫১ পি.এম
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের উদ্বোধনী ভাষণে সাধারণ পরিষদের সভাপতি ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘের কার্যকারিতা পুনরুদ্ধার, নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি সংস্কার এবং বৈশ্বিক আস্থা পুনর্গঠন সম্পর্কে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। চলতি অধিবেশনের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘আস্থা পুনরুদ্ধার, রূপান্তর ব্যবস্থাপনা: সবার জন্য কার্যকর জাতিসংঘ’।
ড. খলিলুর রহমান নিরাপত্তা পরিষদের কাঠামোগত বৈষম্য তুলে ধরে মন্তব্য করেন যে, জাতিসংঘের সবচেয়ে বড় আঞ্চলিক সদস্যগোষ্ঠী এবং শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের অন্যতম প্রধান অংশীদার হওয়া সত্ত্বেও আফ্রিকা নিরাপত্তা পরিষদে কোনো স্থায়ী আসন পায়নি। তাই আফ্রিকাকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের টেবিলে যথাযথভাবে স্থান দিতে হবে। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, আফ্রিকার প্রতিনিধিত্বের দাবি কোনো করুণা নয়; এটি ন্যায়বিচার এবং জাতিসংঘের নিজস্ব গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্ন।
তিনি নিরাপত্তা পরিষদকে আরও স্বচ্ছ, প্রতিনিধিত্বশীল এবং বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার ওপর গুরুত্ব দেন। এ ক্ষেত্রে সাধারণ পরিষদের আন্তঃসরকারি আলোচনা প্রক্রিয়ার প্রতি সমর্থন জানান তিনি।
জাতিসংঘের প্রতি বৈশ্বিক আস্থা পুনরুদ্ধারে তিনটি প্রধান কৌশলের ওপর জোর দেন খলিলুর রহমান—নিজেদের ব্যর্থতা সম্পর্কে স্পষ্টবাদী ও বাস্তববাদী হওয়া, সুনির্দিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে সুশীল সমাজ ও বিজ্ঞানীদের ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত করা।
বিশ্বব্যাপী বৈষম্য ও সামরিক খাতের ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি জানান, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের অগ্রগতি যখন থমকে আছে, ঠিক তখনই ‘ওইসিডি’ দেশগুলোর উন্নয়ন সহায়তা এক বছরে ২৩ শতাংশ কমে ১৭৫ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। এর বিপরীতে বিশ্বব্যাপী সামরিক ব্যয় লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে প্রায় ৩ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
গাজা, সুদান, ইউক্রেন, মিয়ানমার ও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইন এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার নীতি কখনোই নির্বাচনী বা পক্ষপাতমূলকভাবে প্রয়োগ করা যাবে না। পাশাপাশি বাংলাদেশের কক্সবাজারে অবস্থিত রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবির ও হাইতিতে জাতিসংঘের মানবিক কার্যক্রমের ইতিবাচক ভূমিকার উদাহরণও তিনি তুলে ধরেন।
প্রযুক্তির অপব্যবহার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ঝুঁকি নিয়ে বিশ্বনেতাদের সতর্ক করে সাধারণ পরিষদের সভাপতি বলেন, জল সরবরাহ, বিদ্যুৎ ও সামরিক খাতের মতো সংবেদনশীল ক্ষেত্রে এআইয়ের অপব্যবহার মানব সভ্যতার অস্তিত্বের জন্য চরম ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এআই অস্ত্র প্রতিযোগিতা ঠেকাতে বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞদের সাথে নিয়ে দ্রুত প্রমাণভিত্তিক বৈশ্বিক নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামো (‘গার্ডরেল’) তৈরির তাগিদ দেন তিনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কলম্বাস ক্রুর রিজার্ভ দলের কোচ ফেদেরিকো হিগুয়েইনকে বরখাস্ত করেছে মেজর লিগ সকারের ক্লাব। এক নারী রেফারিকে ‘এটা মনে রেখো, এটা পুরুষদের খেলা’ বলে মন্তব্য করার পর এবং হাত মেলানোর সময় তার হাত ছাড়তে অস্বীকৃতি জানানোর ঘটনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মঙ্গলবার ক্লাব কর্তৃপক্ষ এই তথ্য জানায়।
ফেদেরিকো হিগুয়েইন, যিনি আর্জেন্টিনার সাবেক ফরোয়ার্ড গনসালো হিগুয়েইনের ভাই, এর আগে লাল কার্ড দেখেছিলেন এবং দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছিলেন। এরপরই তাকে দল থেকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় ক্লাব।
কলম্বাস ক্রুর জেনারেল ম্যানেজার ইসা তাল বলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, ফেদেরিকো হিগুয়েইনকে তার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়াই আমাদের ক্লাব, খেলোয়াড় এবং সহায়ক স্টাফদের জন্য সবচেয়ে ভালো হবে’ বলে জানান।
তিনি আরও বলেন, ‘এই সপ্তাহের আলোচনা এবং গত এক মাসের ঘটনা পর্যালোচনার পর দেখা গেছে, আমাদের দলগুলোর একটির নেতৃত্বদানকারী হিসেবে যে মানদণ্ড প্রত্যাশিত, তা তিনি পূরণ করতে পারেননি’।
দ্য অ্যাথলেটিকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ক্লাবের অজ্ঞাতনামা সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, হিগুয়েইন ক্লাবের সঙ্গে পরবর্তী আলোচনায় নিজের আচরণ নিয়ে প্রতিফলন বা দায় স্বীকার করতে অনিচ্ছুক ছিলেন। জনসমক্ষে কোনো ক্ষমাও চাননি তিনি। এমএলএসের ডেভেলপমেন্ট লিগ এমএলএস নেক্সট প্রো-র একটি ম্যাচে এই ঘটনা ঘটে।
রেফারিদের ইউনিয়নের ভাষ্যমতে, হিগুয়েইন একজন নারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ‘দুটি ইচ্ছাকৃত শারীরিক নিপীড়ন এবং লিঙ্গবৈষম্যমূলক আচরণ করেছেন। তিনজন বার থামতে বলার পরও তার হাত চেপে ধরে রেখেছিলেন এবং ছাড়েননি’।
পেশাদার সকার রেফারি অ্যাসোসিয়েশন বলেছে, ‘এই শারীরিক হুমকির সঙ্গে যুক্ত হয় ওই কর্মকর্তাকে উদ্দেশ্য করে অবমাননাকর, লিঙ্গবৈষম্যমূলক এক মন্তব্য, ‘মনে রেখো, এটা পুরুষদের খেলা’।
লিগ কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞাকে ‘যথেষ্ট নয়’ বলে সমালোচনা করেছে এই ইউনিয়ন। অন্তত ছয় ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার দাবি জানিয়েছে তারা।
তারা এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘নারীরা এই খেলার প্রতিটি স্তরকেই আরও সমৃদ্ধ করে তোলেন। এটা প্রমাণ করতে গিয়ে তাদের হুমকি বা অবমাননাকর মন্তব্যের শিকার হতে হবে না’।
তারা আরও বলেছে, ‘আমাদের নারী কর্মকর্তারা বিশ্বমঞ্চে নিজেদের দক্ষতা প্রমাণ করেছেন। অন্যান্য কর্মকর্তাদের মতোই তাদেরও প্রাপ্য একই সম্মান, মর্যাদা এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ’।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান মন্তব্য করেছেন যে, গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ মানুষের মধ্যে ঐক্য, সম্প্রীতি ও আনন্দের বন্ধনকে পুনরুজ্জীবিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার যোশর বাজারে আয়োজিত ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ ২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, দেশের বাহ্যিক উন্নয়নের পাশাপাশি তরুণ ও কর্মক্ষম জনগণের শারীরিক ও মানসিক বিকাশেও গুরুত্ব দিতে হবে। এজন্য খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রসার অত্যন্ত প্রয়োজন। খেলাধুলার মাধ্যমে একটি সুস্থ ও সুশৃঙ্খল জাতি গড়ে তোলা সম্ভব।
তিনি বলেন, নৌকাবাইচ গ্রামবাংলার দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য। ছোটবেলায় ঢাকার বুড়িগঙ্গায় নৌকাবাইচ দেখে যে নির্মল আনন্দ উপভোগ করতাম, সময়ের পরিবর্তন ও সামাজিক জটিলতায় সেই আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে গেছে। ঐতিহ্যবাহী এ আয়োজনের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে সেই আনন্দ ও পারস্পরিক সম্প্রীতি আবারও ফিরে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
আবদুল মঈন খান আরও বলেন, রাজনৈতিক জটিলতা ও প্রতিহিংসা থেকে মুক্ত হয়ে দেশকে একটি সুন্দর, ঐতিহ্যময় ও স্বাভাবিক জীবনধারার দিকে এগিয়ে নিতে হবে। লেখাপড়া, রাজনীতি ও দেশের মানুষের কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি বাংলাদেশের পুনর্জাগরণে সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে।
নৌকাবাইচ আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিবপুর ও রায়পুরার নেতৃবৃন্দ ও কর্মীদের অভিনন্দন জানিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে নরসিংদী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মনজুর এলাহির সভাপতিত্বে নরসিংদী-১ আসনের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন নৌকাবাইচের উদ্বোধন করেন। পরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী নৌকাবাইচ পরিদর্শন করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থী, আরাফাত সায়েম (১৪) এবং ইকরামুল হাসান মিনহাজ (১৪), গত তিন দিন ধরে খোঁজ মিলছে না। তারা রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে স্কুল ও মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে পৃথকভাবে নিখোঁজ হয়ে যায়।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টায় তাদের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিভাবকরা, প্রবাসী এমরান হোসেন ও ব্যবসায়ী জাকির হোসেনসহ অন্যান্য স্বজনরা।
নিখোঁজ আরাফাত সায়েম কেরোয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইয়াকুব আলী হাজী বাড়ির ব্যবসায়ী জাকির হোসেন এবং গৃহিণী আমেনা বেগমের একমাত্র সন্তান। সে রায়পুর এল এম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
অন্যদিকে, নিখোঁজ মো. ইকরামুল হাসান মিনহাজ চরপাতা ইউনিয়নের গাজিনগর এলাকার প্রবাসী এমরান হোসেন ও গৃহিণী ফাহিমা আক্তারের একমাত্র ছেলে। মিনহাজও রায়পুর আলিয়া কামিল মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র।
এদিকে, নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থীর অভিভাবক ও স্বজনরা তাদের সন্ধান চেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহযোগিতা চেয়েছেন। তারা জানান, রোববার সকালে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী মিনহাজ এবং সায়েম স্কুল ও মাদ্রাসায় যাওয়ার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছে।
নিখোঁজ শিশু সায়েমের বাবা জাকির হোসেন এবং মিনহাজের বাবা এমরান হোসেন বলেন, ‘রোববার সকালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার জন্য তারা বাড়ি থেকে বের হয়েছে। এরপর সারাদিন আর বাড়িতে ফেরেনি। আমরা সব আত্মীয়স্বজনের বাসায় খোঁজাখুঁজি করেছি। কিন্তু কোথাও তাদের খোঁজ পাইনি। পরে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে থানায় পৃথক সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছি। আমরা সবার কাছে সহযোগিতা চাইছি। তাদের সন্ধান পেলে আমাদের জানানোর অনুরোধ জানাচ্ছি।’
রায়পুর থানার ওসি নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, সায়েম ও মিনহাজ নামে দুই শিক্ষার্থীর নিখোঁজ ডায়েরি আমরা পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। পুলিশ তাদের উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান প্রায় ৯ বছর আগে প্রথম সন্তানের জন্ম দিয়েছেন, তৈমুর। তবে, তার পোস্ট-প্রেগন্যান্সি ট্রান্সফর্মেশন এখনও তার ভক্তদের মনে রয়েছে। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় তিনি নিজেকে লুকিয়ে রাখেননি, এবং প্রসবের পরও তিনি পাপারাজ্জিদের ক্যামেরায় বহুবার ধরা পড়েছেন। কঠোর ব্যায়াম কিংবা ক্র্যাশ ডায়েটের মাধ্যমে নয়, বরং দ্রুত ওজন কমানোর জন্য তিনি চেষ্টা করেছেন। প্রেগন্যান্সির পর ওজন কমানোর বিষয়টি তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তবে রোগা হওয়ার জন্য তিনি কখনোই চেষ্টা করেননি।
কারিনা একা নন, প্রত্যেক নারীর গর্ভাবস্থায় ওজন বৃদ্ধি ঘটে। এ নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করার প্রয়োজন নেই। তবে, সন্তান জন্মের পর প্রতিটি মায়ের জীবন পরিবর্তিত হয়। নিজেদের যত্ন নেওয়ার জন্য সময় থাকে না, কিন্তু এর মধ্যেও নিজেদের খেয়াল রাখতে হয়।
ক্র্যাশ ডায়েট বা খাওয়াদাওয়া বন্ধ করার প্রয়োজন নেই। বরং, কারিনা কাপুরের মতো একটি ব্যালান্সড ও পুষ্টিকর ডায়েটের দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত। কঠোর শরীরচর্চার প্রয়োজন নেই, তবে সক্রিয় থাকার চেষ্টা করতে হবে। যে কোনো ধরনের এক্সারসাইজ করলেই উপকার পাওয়া যাবে। তবে মনে রাখতে হবে, ওজন একদিনে কমবে না; ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে।
২০১৭ সালে এক সাক্ষাৎকারে কারিনা জানিয়েছিলেন, গর্ভাবস্থায় তার ওজন প্রায় ১৮ কেজি বেড়ে গিয়েছিল। তবে তিনি তার পছন্দের খাবার খাওয়া বন্ধ করেননি। প্রতিদিন ভাত এবং ঘি দিয়ে পরোটা খেতেন তিনি।
তৈমুরের জন্মের পর তিনি খাওয়াদাওয়া বন্ধ করেননি। তার মতে, না খেয়ে কখনোই ওজন কমানো সম্ভব নয়। তখন তার পুষ্টিবিদ ছিলেন রুজুতা দিবেকর। রুজুতা একবার কারিনা প্রসঙ্গে জানিয়েছিলেন, তার পোস্ট-প্রেগন্যান্সি ডায়েট ছিল খুব সাধারণ। তিনি একটি ব্যালান্সড ডায়েট মেনে চলতেন, যেখানে পর্যাপ্ত ফ্যাট ও কার্বোহাইড্রেট ছিল। সেই সময়, ডায়েটের পাশাপাশি কারিনা ফিটনেস ও স্ট্রেন্থের ব্যাপারেও সচেতন ছিলেন।
সাইফপত্নী যোগাসনে বিশ্বাসী। আজও তিনি যোগব্যায়াম করে ফিটনেস বজায় রেখেছেন। তবে তৈমুরের জন্মের পর কারিনা জিমে বেশি সময় কাটিয়েছেন। ফ্রিহ্যান্ড ও কার্ডিওর ওপর তিনি জোর দিয়েছেন। ট্রেডমিলে জোরে হাঁটা, কেটেল বল থেকে রোপ ট্রেনিং— সব কিছু করেছেন। কারিনা জানিয়েছেন, প্রেগন্যান্সির সময়ে যে পরিমাণ ওজন বেড়েছিল, তা ঝরাতে চান, তবে রাতারাতি নয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ