বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৫২ পি.এম
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান মন্তব্য করেছেন যে, গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ মানুষের মধ্যে ঐক্য, সম্প্রীতি ও আনন্দের বন্ধনকে পুনরুজ্জীবিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার যোশর বাজারে আয়োজিত ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ ২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, দেশের বাহ্যিক উন্নয়নের পাশাপাশি তরুণ ও কর্মক্ষম জনগণের শারীরিক ও মানসিক বিকাশেও গুরুত্ব দিতে হবে। এজন্য খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রসার অত্যন্ত প্রয়োজন। খেলাধুলার মাধ্যমে একটি সুস্থ ও সুশৃঙ্খল জাতি গড়ে তোলা সম্ভব।
তিনি বলেন, নৌকাবাইচ গ্রামবাংলার দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য। ছোটবেলায় ঢাকার বুড়িগঙ্গায় নৌকাবাইচ দেখে যে নির্মল আনন্দ উপভোগ করতাম, সময়ের পরিবর্তন ও সামাজিক জটিলতায় সেই আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে গেছে। ঐতিহ্যবাহী এ আয়োজনের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে সেই আনন্দ ও পারস্পরিক সম্প্রীতি আবারও ফিরে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
আবদুল মঈন খান আরও বলেন, রাজনৈতিক জটিলতা ও প্রতিহিংসা থেকে মুক্ত হয়ে দেশকে একটি সুন্দর, ঐতিহ্যময় ও স্বাভাবিক জীবনধারার দিকে এগিয়ে নিতে হবে। লেখাপড়া, রাজনীতি ও দেশের মানুষের কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি বাংলাদেশের পুনর্জাগরণে সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে।
নৌকাবাইচ আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিবপুর ও রায়পুরার নেতৃবৃন্দ ও কর্মীদের অভিনন্দন জানিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে নরসিংদী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মনজুর এলাহির সভাপতিত্বে নরসিংদী-১ আসনের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন নৌকাবাইচের উদ্বোধন করেন। পরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী নৌকাবাইচ পরিদর্শন করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থী, আরাফাত সায়েম (১৪) এবং ইকরামুল হাসান মিনহাজ (১৪), গত তিন দিন ধরে খোঁজ মিলছে না। তারা রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে স্কুল ও মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে পৃথকভাবে নিখোঁজ হয়ে যায়।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টায় তাদের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিভাবকরা, প্রবাসী এমরান হোসেন ও ব্যবসায়ী জাকির হোসেনসহ অন্যান্য স্বজনরা।
নিখোঁজ আরাফাত সায়েম কেরোয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইয়াকুব আলী হাজী বাড়ির ব্যবসায়ী জাকির হোসেন এবং গৃহিণী আমেনা বেগমের একমাত্র সন্তান। সে রায়পুর এল এম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
অন্যদিকে, নিখোঁজ মো. ইকরামুল হাসান মিনহাজ চরপাতা ইউনিয়নের গাজিনগর এলাকার প্রবাসী এমরান হোসেন ও গৃহিণী ফাহিমা আক্তারের একমাত্র ছেলে। মিনহাজও রায়পুর আলিয়া কামিল মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র।
এদিকে, নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থীর অভিভাবক ও স্বজনরা তাদের সন্ধান চেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহযোগিতা চেয়েছেন। তারা জানান, রোববার সকালে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী মিনহাজ এবং সায়েম স্কুল ও মাদ্রাসায় যাওয়ার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছে।
নিখোঁজ শিশু সায়েমের বাবা জাকির হোসেন এবং মিনহাজের বাবা এমরান হোসেন বলেন, ‘রোববার সকালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার জন্য তারা বাড়ি থেকে বের হয়েছে। এরপর সারাদিন আর বাড়িতে ফেরেনি। আমরা সব আত্মীয়স্বজনের বাসায় খোঁজাখুঁজি করেছি। কিন্তু কোথাও তাদের খোঁজ পাইনি। পরে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে থানায় পৃথক সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছি। আমরা সবার কাছে সহযোগিতা চাইছি। তাদের সন্ধান পেলে আমাদের জানানোর অনুরোধ জানাচ্ছি।’
রায়পুর থানার ওসি নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, সায়েম ও মিনহাজ নামে দুই শিক্ষার্থীর নিখোঁজ ডায়েরি আমরা পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। পুলিশ তাদের উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান প্রায় ৯ বছর আগে প্রথম সন্তানের জন্ম দিয়েছেন, তৈমুর। তবে, তার পোস্ট-প্রেগন্যান্সি ট্রান্সফর্মেশন এখনও তার ভক্তদের মনে রয়েছে। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় তিনি নিজেকে লুকিয়ে রাখেননি, এবং প্রসবের পরও তিনি পাপারাজ্জিদের ক্যামেরায় বহুবার ধরা পড়েছেন। কঠোর ব্যায়াম কিংবা ক্র্যাশ ডায়েটের মাধ্যমে নয়, বরং দ্রুত ওজন কমানোর জন্য তিনি চেষ্টা করেছেন। প্রেগন্যান্সির পর ওজন কমানোর বিষয়টি তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তবে রোগা হওয়ার জন্য তিনি কখনোই চেষ্টা করেননি।
কারিনা একা নন, প্রত্যেক নারীর গর্ভাবস্থায় ওজন বৃদ্ধি ঘটে। এ নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করার প্রয়োজন নেই। তবে, সন্তান জন্মের পর প্রতিটি মায়ের জীবন পরিবর্তিত হয়। নিজেদের যত্ন নেওয়ার জন্য সময় থাকে না, কিন্তু এর মধ্যেও নিজেদের খেয়াল রাখতে হয়।
ক্র্যাশ ডায়েট বা খাওয়াদাওয়া বন্ধ করার প্রয়োজন নেই। বরং, কারিনা কাপুরের মতো একটি ব্যালান্সড ও পুষ্টিকর ডায়েটের দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত। কঠোর শরীরচর্চার প্রয়োজন নেই, তবে সক্রিয় থাকার চেষ্টা করতে হবে। যে কোনো ধরনের এক্সারসাইজ করলেই উপকার পাওয়া যাবে। তবে মনে রাখতে হবে, ওজন একদিনে কমবে না; ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে।
২০১৭ সালে এক সাক্ষাৎকারে কারিনা জানিয়েছিলেন, গর্ভাবস্থায় তার ওজন প্রায় ১৮ কেজি বেড়ে গিয়েছিল। তবে তিনি তার পছন্দের খাবার খাওয়া বন্ধ করেননি। প্রতিদিন ভাত এবং ঘি দিয়ে পরোটা খেতেন তিনি।
তৈমুরের জন্মের পর তিনি খাওয়াদাওয়া বন্ধ করেননি। তার মতে, না খেয়ে কখনোই ওজন কমানো সম্ভব নয়। তখন তার পুষ্টিবিদ ছিলেন রুজুতা দিবেকর। রুজুতা একবার কারিনা প্রসঙ্গে জানিয়েছিলেন, তার পোস্ট-প্রেগন্যান্সি ডায়েট ছিল খুব সাধারণ। তিনি একটি ব্যালান্সড ডায়েট মেনে চলতেন, যেখানে পর্যাপ্ত ফ্যাট ও কার্বোহাইড্রেট ছিল। সেই সময়, ডায়েটের পাশাপাশি কারিনা ফিটনেস ও স্ট্রেন্থের ব্যাপারেও সচেতন ছিলেন।
সাইফপত্নী যোগাসনে বিশ্বাসী। আজও তিনি যোগব্যায়াম করে ফিটনেস বজায় রেখেছেন। তবে তৈমুরের জন্মের পর কারিনা জিমে বেশি সময় কাটিয়েছেন। ফ্রিহ্যান্ড ও কার্ডিওর ওপর তিনি জোর দিয়েছেন। ট্রেডমিলে জোরে হাঁটা, কেটেল বল থেকে রোপ ট্রেনিং— সব কিছু করেছেন। কারিনা জানিয়েছেন, প্রেগন্যান্সির সময়ে যে পরিমাণ ওজন বেড়েছিল, তা ঝরাতে চান, তবে রাতারাতি নয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ফের ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা বৃদ্ধি করেছে। এর ফলে ২২ ক্যারেট মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন দাম স্থির করা হয়। নতুন দাম কার্যকর হয়েছে সেদিন সকাল ১০টা থেকে। আজ বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নির্ধারিত দামেই বিক্রি হবে স্বর্ণ।
বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধির কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
একটি বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস উল্লেখ করেছে, অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। তবে স্বর্ণ ও রুপার অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
বাজুস আরও জানিয়েছে, পুরোনো অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে ১২ শতাংশ এবং পুরোনো অলংকার পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে ফেসবুকের বিশাল ব্যবহারকারী সংখ্যা এবং অনলাইন ব্যবসার সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে, রাজধানী ঢাকায় অফিস স্থাপনে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা। একই সঙ্গে, দেশের ই-কমার্স এবং অনলাইন ব্যবসা সম্প্রসারণের পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহও দেখিয়েছে মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ এ তথ্য জানান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য নিউইয়র্ক সফরের প্রথম দিনের বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল।
শামা ওবায়েদ বলেন, মেটার সঙ্গে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আলোচনা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও সময়সূচির কারণে তিনি এতে অংশ নিতে পারেননি। তবে বাংলাদেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা আলোচনা করেছেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ঢাকায় মেটার অফিস স্থাপনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে অফিস খোলার ব্যাপারে অত্যন্ত আগ্রহী। ঢাকাকে তাদের কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।
বাংলাদেশে ফেসবুকের বিশাল ব্যবহারকারী সংখ্যা মেটার এ আগ্রহের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিভিন্ন ডিজিটাল পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের আগস্টে বাংলাদেশে ফেসবুকের আনুমানিক ব্যবহারকারী সংখ্যা ৭ কোটি ৫১ লাখের বেশি ছিল। তবে এই তথ্য মেটার বিজ্ঞাপনভিত্তিক পরিসংখ্যান থেকে এসেছে; এগুলোকে প্রকৃত সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা হিসেবে ধরা উচিত নয়।
বৈঠকে বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তা আইনসহ ডিজিটাল খাতের বিভিন্ন নীতিগত বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি, ই-কমার্স, অনলাইন ব্যবসা-বাণিজ্য এবং ডিজিটাল অর্থনীতির সম্প্রসারণে মেটার সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করেছেন দুই পক্ষ।
বাংলাদেশে কার্যক্রম সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে সম্প্রতি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জন্য পেমেন্ট সুবিধা চালু করেছে মেটা। এর ফলে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা বিকাশের মতো স্থানীয় পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে মেটার প্ল্যাটফর্মে বিজ্ঞাপনের অর্থ পরিশোধ করতে পারছেন। এতে ছোট ও মাঝারি ব্যবসাগুলোর ডিজিটাল বিজ্ঞাপন ব্যবহারের সুযোগ আরও বাড়ছে।
এছাড়া, মেটা এবং লাইটক্যাসল পার্টনার্স সম্প্রতি ঢাকায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল প্রযুক্তি নিয়ে একটি আয়োজন করেছে। এই আয়োজনে ছোট ও মাঝারি ব্যবসাগুলোকে ডিজিটাল বিপণন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ব্যবসায়িক সরঞ্জাম ব্যবহারে প্রশিক্ষণের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
মেটার ‘স্মল বিজনেস গ্রোথ একাডেমি’র আওতায় বাংলাদেশে এক হাজারের বেশি ছোট ও মাঝারি ব্যবসাকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।
শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী এবং দ্রুত সম্প্রসারিত অনলাইন ব্যবসার বাজারকে কাজে লাগিয়ে মেটার সঙ্গে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে ডিজিটাল বাণিজ্য, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, অনলাইন নিরাপত্তা এবং প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থানে এই সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ