ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শীর্ষ সন্ত্রাসী তানিম রেজা বাপ্পি ৪ সহযোগীসহ গ্রেফতার


শীর্ষ সন্ত্রাসী তানিম রেজা বাপ্পি ৪ সহযোগীসহ গ্রেফতার

রাজধানীর মতিঝিল এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী তানিম রেজা বাপ্পিকে ৪ সহযোগীর সহিত গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বেশ কিছু বিদেশি অস্ত্র। শনিবার (১৮ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, গত কয়েক মাস ধরে মতিঝিল এলাকায় যে সব অপরাধ কর্মকাণ্ড ঘটেছে, তার বেশিরভাগ কাজের সঙ্গে বাপ্পি ও তার সহযোগীদের সংযোগ পাওয়া গেছে। পরে শুক্রবার (১৭ জুলাই) মতিঝিল এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ওসমান গণি বলেন, গ্রেফতারদের প্রদানকৃত তথ্যের ভিত্তিতে বাপ্পির কথিত অফিস থেকে লুকানো অবস্থায় তিনটি বিদেশি রিভালভার উদ্ধার করে পুলিশ। সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয় যে, সন্ত্রাসী বাপ্পির বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টাসহ মোট ৭টি মামলা রয়েছে। এর আগে বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হলেও জামিনে বেরিয়ে আবারো অপরাধ কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছিল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশু সন্তানকে নিয়ে দিশেহারা রেশমা, কোথায় হবে তার ঠিকানা?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:১৬ পি.এম


শিশু সন্তানকে নিয়ে দিশেহারা রেশমা, কোথায় হবে তার ঠিকানা?

বাংলাদেশে পুশইন প্রক্রিয়া নিয়ে একটি নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, শুধু ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকই নয়, ভারতীয় নাগরিকদেরও বাংলাদেশি পরিচয় দিয়ে জোরপূর্বক সীমান্ত পার করে বাংলাদেশে পাঠানো হচ্ছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুরে বেনাপোল সীমান্ত এলাকায় এমন একটি নারী, রেশমা খাতুনের সন্ধান পাওয়া যায়। তার সঙ্গে রয়েছে একটি শিশু সন্তান। চোখেমুখে আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তার ছাপ নিয়ে তিনি দেশে ফেরার উপায় খুঁজছেন।

রেশমা খাতুন জানিয়েছেন, তিনি ভারতের বাসিন্দা। মুম্বাইয়ের একটি কারখানায় কাজ করার সময় পুলিশ তাকে এবং আরও কয়েকজনকে আটক করে। তিনি বারবার নিজেকে ভারতীয় নাগরিক বলে পরিচয় দিয়েছিলেন, কিন্তু পুলিশ তার কথা আমলে নেয়নি। পরে তাকে অন্যদের সঙ্গে বিমানে কলকাতায় নেওয়া হয়। সেখান থেকে গভীর রাতে চট্টগ্রাম সীমান্ত দিয়ে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন তিনি।

বাংলাদেশে তার কোনো আত্মীয়-স্বজন বা পরিচিত না থাকায় রেশমা চরম বিপাকে পড়েছেন। পরে স্থানীয় পথচারীরা তাকে সাহায্য করে বাসে তুলে বেনাপোলে পাঠিয়ে দেন। বর্তমানে তিনি নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন স্থানে ঘুরছেন।

স্থানীয় সীমান্তবাসীর মন্তব্য, যদি রেশমা প্রকৃতপক্ষে ভারতীয় নাগরিক হন, তাহলে মানবিক ও আইনিভাবে তাকে নিজ দেশে ফেরানোর পদক্ষেপ নিতে হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দুই দেশের কর্তৃপক্ষকে দ্রুত উদ্যোগ নিতে হবে।

এদিকে সীমান্তে ভারতীয় নাগরিক দাবি করা নারী চলাফেরা করলেও বিষয়টি নিয়ে সেখানের আইনশৃঙ্খলাবাহিনী পক্ষ থেকে তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। তবে তারা বিষয়টি তাদের কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন বলেও জানা গেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কানে ফোন, ট্রেনের ধা-ক্কায় শে-ষ হলো মাদরাসা শিক্ষকের জী-বন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২১ পি.এম


কানে ফোন, ট্রেনের ধা-ক্কায় শে-ষ হলো মাদরাসা শিক্ষকের জী-বন

যশোরে মোবাইলে কথা বলতে বলতে রেললাইন ধরে হাঁটার সময় ট্রেনের ধাক্কায় এক মাদরাসা শিক্ষকের মৃত্যু ঘটেছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার দিকে অভয়নগর উপজেলার মশরহাটী এলাকায় এই দুঘর্টনা ঘটে।

নিহত মাদরাসা শিক্ষকের নাম হোসাইন আহমেদ (২২), যার বাড়ি যশোরের মনিরামপুর উপজেলার জয়পুর গ্রামে অবস্থিত। তিনি পেশায় একজন মাদরাসা শিক্ষক ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, শুক্রবার সন্ধ্যায় হোসাইন আহমেদ মোবাইলে কথা বলতে বলতে রেললাইন ধরে হাঁটছিলেন। এ সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী মহানন্দা এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় তিনি গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মৌসুমী ইয়াসমিন জানান, ট্রেন দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় এক মাদরাসা শিক্ষককে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

এ বিষয়ে অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেছেন, খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত্যুর বিষয়টি যশোর রেলওয়ে পুলিশকে জানানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীতে মোটরসাইকেল চোরচক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২৫ পি.এম


নোয়াখালীতে মোটরসাইকেল চোরচক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার

নোয়াখালীতে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোরচক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাতে সদর উপজেলার কাঞ্চন মেম্বারের পুল এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন হাতিয়া উপজেলার শূণ্যের চর এলাকার মিরাজ উদ্দিনের ছেলে মো. ফয়সাল (৩৫) এবং সুবর্ণাচর উপজেলার চর আলাউদ্দিনের রফিক উল্লার ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৩২)।

পুলিশ জানিয়েছে, গত ১২ জুলাই রাত ১০টার দিকে নোয়াখালী জেলা শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে সাংবাদিক আবু নাছের মঞ্জুর মোটরসাইকেলটি চুরি হয়। পরদিন এ ঘটনায় তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। এর দুই মাস আগে সোনাপুর থেকে জয়দেব নামে অপর এক যুবকের একটি মোটরসাইকেল চুরি হয়েছিল।

শুক্রবার ফয়সাল (চোরচক্রের সদস্য) জয়দেবের মোটরসাইকেলটি ফেরত দেওয়ার কথা বলে তার কাছ থেকে বিকাশে ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। কিন্তু টাকা পাওয়ার পর মোটরসাইকেল ফেরত দিতে তিনি গড়িমসি শুরু করেন।

একপর্যায়ে আরও টাকা দেওয়ার কথা বলে জয়দেব ও তার বন্ধুরা কৌশলে ফয়সাল ও জাহাঙ্গীরকে ডেকে নিয়ে পুলিশে খবর দেন। এ সময় সুধারাম মডেল থানার এস আই ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ফয়সাল ও জাহাঙ্গীরের কাছ থেকে প্রথমে আবু নাছের মঞ্জুর মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে। পরে রাতে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী জয়দেবের মোটরসাইকেলটিও উদ্ধার করা হয়।

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার ফয়সাল ও জাহাঙ্গীর আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোরচক্রের সক্রিয় সদস্য। চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে এক জেলা থেকে মোটরসাইকেল চুরির পর অন্য জেলায় পাচার করে আসছে। তারা নোয়াখালী থেকে গত কয়েকদিনে আরও কয়েকটি মোটরসাইকেল চুরি করে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

তিনি আরও বলেন, চক্রের বাকি সদস্যদের ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে। এ ঘটনায় দায়ের করা দুটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ তাদেরকে আদালতে পাঠানো হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেমরায় পুলিশ সদস্যের ‘আত্মহত্যা’, ফেনীতে থামছে না মায়ের কান্না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩২ পি.এম


ডেমরায় পুলিশ সদস্যের ‘আত্মহত্যা’, ফেনীতে থামছে না মায়ের কান্না

রাজধানীর ডেমরা পুলিশ লাইন্সের বহুতল ভবনের seventh তলায় সাইদুল ইসলাম (২১) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আত্মহত্যার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ত্রীর উদ্দেশ্যে একটি আবেগঘন দীর্ঘ পোস্ট তিনি দিয়েছিলেন। এদিকে, সাইদুলের আকস্মিক মৃত্যুর খবরে তার গ্রামের বাড়ি ফেনীতে শোকের মাতম শুরু হয়েছে। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তার মা, এবং তার আহাজারি কিছুতেই থামছে না।

নিহত সাইদুল ইসলাম ফেনী সদর উপজেলার লেমুয়া ইউনিয়নের উত্তর চাঁদপুর গ্রামের মো. সাদেকের একমাত্র ছেলে। তিনি বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে যোগদান করেছিলেন প্রায় ৯ মাস আগে। কর্মসূত্রে তিনি ডেমরা পুলিশ লাইন্সের ২০ তলা ভবনের ৭ম তলায় থাকতেন।

সাইদুলের মৃত্যুর খবর ফেনীর গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। পরিবারের একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে পাগলপ্রায় তার মা। প্রতিবেশীরা তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করলেও পুরো এলাকার বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে তার কান্নায়। কাঁদতে কাঁদতে সাইদুলের মা বলছিলেন, মাগরিবের নামাজের পরও ছেলের সাথে তার কথা হয়েছিল। পরিবারের অমতে গিয়ে করার মত বিয়েই যেন ছেলের জন্য কাল হলো, এমনটাই বিলাপ করে বলছিলেন শোকাতুর মা।

নিহত সাইদুল ইসলামের চাচা মো. সোহাগ জানান, কিছুদিন আগে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে সাইদুল ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার এক তরুণীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ শুরু হয়ে যায়। এরই ধারাবাহিকতায় গত সপ্তাহে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। বিয়ের মাত্র দেড় মাসের মাথায় এই অনাকাঙ্ক্ষিত বিচ্ছেদ মেনে নিতে পারেননি সাইদুল। বিচ্ছেদের পর থেকেই সাইদুল চরম মানসিক বিষণ্নতায় ভুগছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত বিরহ সইতে না পেরেই এই অবস্থা।

লেমুয়ার উত্তর চাঁদপুর গ্রামের বাসিন্দা এম. এমরান পাটোয়ারী জানান, পুলিশ লাইন্স থেকে ফোন করে মৃত্যুর খবরটি পরিবারকে জানানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে বিকেলে ডেমরায় প্রথম নামাজে জানাজা পরবে এবং মরদেহ রাতে বাড়িতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। লাশ বাড়িতে আসলে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। শুক্রবার বিকালে নিহতের বাবা মো. সাদেক ডেমরা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন।

ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম বলেন, ডেমরাতে সাইদুল ইসলাম নামের এক পুলিশ সদস্য আত্মহত্যা করেছে বলে লোকজনের মুখে শুনেছি। তার বাড়ি নাকি ফেনীতে। এবিষয়ে খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ডেমরা পুলিশ লাইন্সের নিজ কক্ষে গলায় ফাঁস দেন সাইদুল। পরে সহকর্মীরা তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ ফারুক জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে।

আত্মহত্যার প্রায় ১৬ ঘণ্টা আগে নিজের ফেসবুক আইডিতে স্ত্রীর সঙ্গে পুরোনো কিছু ছবি ও ভিডিও সংযুক্ত করে একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাস দেন সাইদুল। সেখানে বৈবাহিক জীবনের তীব্র মানসিক কষ্ট, হতাশা ও স্ত্রীর প্রতি ক্ষোভের কথাও তুলে ধরেন।

ফেসবুক পোস্টে সাইদুল লিখেছিলেন-'তোমায় কেন্দ্র করে আমি যে জগৎ সাজিয়ে গুছিয়ে গড়ে তুলেছিলাম একটু একটু করে, হঠাৎ যেন সে জগৎটাকে দুদিনেই চোখের সামনে ভেঙেচুরে চুরমার করে দিলে... সমুদ্রের মাঝখানে তরী ডোবা মানুষ অনেকক্ষণ সাঁতার কাটার পর যেমন কূলের দেখা না পেয়ে শেষমেশ নিয়তিকে মেনে নেয়, সাদরে গ্রহণ করে মৃত্যুকে, তেমনি আমারও যেন কিছুই করার নেই।'

সম্পর্কের ইতি টানা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি আরও লেখেন, 'তোমারে ভালোবাসাটা অপরাধ? নাকি সবকিছু উপেক্ষা করে তোমাকে বিয়ে করাটা অপরাধ? তুমি না বলছিলা, মৃত্যু ছাড়া তুমি কখনোই আমাকে ছেড়ে যাবে না? এখন কই তুমি?' স্ত্রীকে বারবার সুযোগ দেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি লিখেন, "মানুষকে এতটাও বিশ্বাস করতে হয় না যে বিশ্বাস করলে নিজেই আর বাঁচার সুযোগ থাকে না।'

পোস্টের শেষ অংশে নিজের বাবা-মায়ের প্রতি ক্ষমা চেয়ে অত্যন্ত আবেগতাড়িত কথা লেখেন এই পুলিশ সদস্য। তিনি লেখেন- ‘দুঃখিত আম্মু-আব্বু, আপনাদের ছেলে আর নিতে পারতেছে না আম্মু, আর পারতেছে না। আর তিলে তিলে মরার শক্তি আমার নাই। মাপ করবেন আপনাদের অযোগ্য ছেলেকে।'

একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে সাইদুলের পরিবারে এখন শুধুই শূন্যতা। ঘটনার পেছনে আরো গভীর কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%