ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভূমিকম্প মোকাবিলায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবী প্রস্তুত করার উদ্যোগ সরকারের


ভূমিকম্প মোকাবিলায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবী প্রস্তুত করার উদ্যোগ সরকারের

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ভূমিকম্প বিষয়ক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে হওয়া এ সভায় ভূমিকম্প-পরবর্তী জরুরি সাড়া ও সরকারের সার্বিক প্রস্তুতি জোরদার করার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সভায় জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন এবং ভূমিকম্প-পরবর্তী জরুরি সেবা প্রদান করতে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়াও, তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহের প্রস্তুতি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। উল্লেখ্য, ইতোমধ্যে ৭০ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের ডাটাবেজ প্রস্তুত করা হয়েছে এবং দ্রুত বাকি ৩০ হাজার স্বেচ্ছাসেবকও প্রস্তুত করা হবে।

বৈঠকে ভূমিকম্প মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণের বিষয়ে মতবিনিময়ও করা হয়। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ভূমিকম্প প্রস্তুতি বিষয়ক একটি বিশেষ সেল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

এছাড়া, সম্ভাব্য দুর্যোগকালীন সময়ে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করার উপায় নিয়েও আলোচনা করা হয়। ঢাকা শহরে Humanitarian Staging Area (HSA) স্থাপনের বিষয়েও সভায় কথা শেষ হয়।

সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম. এ. মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. সাইদুর রহমান খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীতে গ্যাস অনুসন্ধানে বাপেক্সের নতুন উদ্যোগ, শুরু হলো কূপ খনন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩২ পি.এম


নোয়াখালীতে গ্যাস অনুসন্ধানে বাপেক্সের নতুন উদ্যোগ, শুরু হলো কূপ খনন

নোয়াখালী, ২৯ জুলাই, ২০২৬ : নোয়াখালীতে নতুন গ্যাসকূপের খননের কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)। মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই দুপুরে বাপেক্স এই নতুন কূপটির খননকাজের সূচনা করে। আজ বুধবার সকাল থেকে খননের কাজ পুরোদমে চলছে।

কূপটি সফলভাবে খনন ও ড্রিল স্টেম টেস্ট (ডিএসটি) পরীক্ষা সম্পন্ন হলে প্রতিদিন এখান থেকে ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

বাপেক্স কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে কূপটি মাটির নিচে ১ হাজার ৫৫০ মিটার খননের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ১ হাজার ৩৬১ মিটার ও ১ হাজার ৪৫০ মিটার মাটির নিচে ২টি জোনে প্রাকৃতিক গ্যাস মিলতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি ডিরেকশনাল ওয়েল পদ্ধতিতে মেজারমেন্ট হোয়াইল ড্রিলিং বা এমডব্লিওডি ম্যাথডে খননের কাজ চলছে।

উল্লেখ্য, নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের বড় চারিগাঁও গ্রামে নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান মিলে। ৪৫ দিন খনন এবং ১৫ দিন ডিএসটি টেস্ট পরে জানা যাবে মজুদকৃত গ্যাসের পরিমাণ।

সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ খনন প্রকল্পের ড্রিলিং ইনচার্জ জাকির হোসেন খান জানান, ৪৫ দিনের মধ্যে খননের কাজ এবং ১৫ দিনের ডিএসটি টেস্ট শেষে এখানে মজুদকৃত গ্যাসের পরিমাণ জানা যাবে। এক হাজার ৫৫০ মিটার খননের জন্য প্রাথমিকভাবে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্পটির নাম দেয়া হয়েছে 'সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ খনন প্রকল্প'।

বাপেক্স বলছে, নোয়াখালীর এই অঞ্চল তথা বেগমগঞ্জে ১৯৭৬ সালে প্রথম কূপের সন্ধান মেলে। ১৯৭৮ সালে দ্বিতীয় কূপের সন্ধান মিললে সেগুলো ড্রিলিং করা হয়। তবে এই দুটি কূপে কোনও গ্যাস পাওয়া যায়নি। ২০১৩ সালে তৃতীয় কূপের সন্ধান মিললে ড্রিলিং শেষে কূপ থেকে গ্যাস প্রোডাকশনে যায় এবং ২০১৮ সালে একই কূপে ওয়ার্কওভার করে প্রতিদিন ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রেডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

এছাড়াও 'সুন্দলপুর-১', 'সুন্দলপুর-২', 'সুন্দলপুর-৩' নামে নোয়াখালীতে তিনটি গ্যাসকূপ খনন করেছিলো বাপেক্স। যার মধ্যে সুন্দলপুর-১ ও সুন্দলপুর-৩ এর উৎপাদন বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। সুন্দলপুর-২ থেকে এখনও জাতীয় গ্রীডে গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে। তবে সুন্দলপুর-৩ এর ওয়ার্কওভার শেষে আবারও সেটি থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রংপুরে ৩ মাসে ৩১৬ পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার ১২০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩৯ পি.এম


রংপুরে ৩ মাসে ৩১৬ পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার ১২০০

রংপুর নগরীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় প্রসাধনী, কাপড়, নকল বিড়ি-সিগারেটসহ বিভিন্ন পণ্য জব্দ করেছে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)।

এ ঘটনায় লাভলু নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে আরএমপি সদর দপ্তরের মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, বিশেষ অভিযানে একটি কুরিয়ার সার্ভিসের পিকআপ ভ্যান থেকে ১৫ বস্তা ভারতীয় প্রসাধনী, ৯ বস্তা ভারতীয় কাপড়, দেড় লাখ শলাকা নকল বিড়ি, ২৩ বস্তা নকল ব্র্যান্ডের সিগারেট, ২ বস্তা নকল আকিজ বিড়ি এবং ৫০টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার আরও জানান, গত তিন মাসে আরএমপি বিভিন্ন অভিযানে ৩১৬ জন পরোয়ানাভুক্ত আসামি, ২৮২ জন মাদক কারবারি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণযন্ত্রের (এসি) তামা চোর চক্রের ৫৩ সদস্য, নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার ৩২ আসামি, হত্যা মামলার ৫ আসামি, নিষিদ্ধ সংগঠনের ১২ সদস্য এবং বিভিন্ন মামলার আরও ৯২৬ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।

এ সময় ১০ বস্তা তামার তার, ৩ হাজার ইয়াবা, ৫০ গ্রাম হেরোইন, ২০ কেজি গাঁজাসহ ফেনসিডিল, ট্যাপেন্টাডল ও মরফিন ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ বলেন, অনলাইন ও অফলাইন জুয়া বন্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ বিষয়ে তথ্য পাওয়া মাত্রই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি নগরীর যানজট কমাতে ট্রাফিক বিভাগ নিয়মিত কাজ করছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরএমপির উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী, মাহফুজুর রহমান, মারুফ আহমেদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের পুকুরে ডুবতে থাকা শিক্ষার্থী উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪২ পি.এম


ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের পুকুরে ডুবতে থাকা শিক্ষার্থী উদ্ধার

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) পুকুর থেকে এক শিক্ষার্থীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ আজিজুর রহমান হল সংলগ্ন পুকুরে এ ঘটনা ঘটে। ডুবে যাওয়া শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইয়াসীর আরাফাত সাজ্জাদ।

জানা গেছে, বৃষ্টিতে ভিজে দুই বন্ধু (ইউসুফ আর সাজ্জাদ) পুকুরে যায়। দুই জনের সিদ্ধান্ত হয় সাঁতার কেটে পুকুরটি পার হবে। যথারীতি সাঁতার শুরু করলে মাঝপথে ডুবে যায় এক বন্ধু (সাজ্জাদ)। আরেক বন্ধু (ইউসুফ) কোনো মতে অপর পাড়ে গিয়ে দেখে সাজ্জাদ ডুবে যাচ্ছিল। তখন চিৎকার করলে ঘটনাস্থলের কয়েকজন মিলে উদ্ধার করে মেডিকেলে নিয়ে যায়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থী ইউসুফ বলেন, "আমি আর ও সাঁতার কেটে পার হওয়ার জন্য একসাথে পানিতে নেমেছিলাম। আমি ওকে আগেই সতর্ক করেছিলাম, কিন্তু পানিতে নামার পর ও পিছিয়ে পড়ে আর আমি অর্ধেক পথ যেতেই প্রচণ্ড হাঁপিয়ে যাই। কোনোমতে শ্বাস নিয়ে ভেসে ভেসে অন্য পাড়ের কাছাকাছি পৌঁছালেও পায়ে দেওয়ার মতো কোনো মাটি পাচ্ছিলাম না। এমন সময় ও পিছন থেকে ডেকে বলল, ‘ইউসুফ, আমি পারতেছি না, আমাকে একটু নিয়ে যাও।’"

"ওর ডাক শুনে আমি প্যানিক হয়ে যাই এবং ওকে বাঁচাতে পিছনে ফিরতে গিয়ে আমার মুখে পানি ঢুকে যায়। আর না পেরে বাধ্য হয়ে আমি পাড়ে ফিরে আসি এবং চিৎকার করে সবাইকে ওকে বাঁচাতে বলি। পাড়ের একজন ওকে ধরতে যাওয়ার আগেই চোখের সামনে ও পানিতে ডুবে যায়; আমি দিশেহারা হয়ে হাতের কাছে কিছু না পেয়ে নিজের শার্টটা খুলে ওকে উদ্ধারের শেষ একটা চেষ্টা চালাই। পরে পাড়ের শিক্ষার্থীরা এসে ওকে উদ্ধার করেন।"

ইবি মেডিকেল সেন্টারের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. জাকিয়া বলেন, "ওই শিক্ষার্থীকে এখানে আনা হয় অচেতন অবস্থায়। পরে আমরা পেটে চাপ দিয়ে পানি বের করি। তারপর অক্সিজেন দিলাম। এখন মোটামুটি একটু ভালো আগের চেয়ে। আমরা প্রাইমারি ট্রিটমেন্ট দিয়ে দিয়েছি। ভেতরের ফুসফুসের পানি বের করার ইন্সট্রুমেন্ট তো আমাদের এখানে ওরকম ব্যবস্থা নাই। এখন শ্বাসকষ্ট হচ্ছে দেখে অ্যাম্বুলেন্সে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।"

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামান বলেন, "আমি সদরে শিক্ষার্থীর সাথে আছি। ডাক্তার পালস ও অক্সিজেন চেক করেছে। এখন মেডিসিন দেওয়া হয়েছে সাথে ২৪ ঘণ্টা অবজারভেশনে রাখা হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের পুকুরে নামার বিষয় আরও সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়া বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্তের পথে, খুলছে সম্ভাবনার নতুন দ্বার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪৯ পি.এম


বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়া বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্তের পথে, খুলছে সম্ভাবনার নতুন দ্বার

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানোর লক্ষ্যে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) স্বাক্ষরের চূড়ান্ত পর্যায়ের দিকে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। ইতোমধ্যে সিইপিএ নিয়ে চূড়ান্ত দফার আলোচনা করতে দক্ষিণ কোরিয়া সফর করছে বাংলাদেশের একটি বাণিজ্যিক প্রতিনিধিদল। পাশাপাশি, দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী কিম জং-ক্বানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ঢাকায় আসছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এই চুক্তি আগামী ৪ আগস্ট সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বুধবার (২৯ জুলাই), বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে এসব তথ্য।

এর আগে, মঙ্গলবার, বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে টেলিফোনে দক্ষিণ কোরিয়ার বর্তমান বাণিজ্য, শিল্প ও সম্পদ মন্ত্রী কিম জং-ক্বান সিইপিএ চুক্তির বিষয়ে আলোচনা করেন। দুই দেশের মধ্যে এই আলোচনা ইতিবাচক ছিল।

জানা গেছে, সিইপিএ চুক্তির অধীনে দক্ষিণ কোরিয়ায় রপ্তানি হওয়া বিভিন্ন পণ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বেশ কিছু সুবিধা পাবে, যার মধ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার অন্তর্ভুক্ত। ইতোমধ্যে, দুই দেশ চারটি বিষয়ে চুক্তির জন্য একমত হয়েছে, বাকি আট বিষয়ে চূড়ান্ত আলোচনা চলছে।

এই চুক্তিতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, পাটপণ্যসহ বিভিন্ন রপ্তানি পণ্যের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার লাভ করা হবে। এলডিসি থেকে উত্তরণের পরেও এ সুবিধা চলমান থাকবে, এবং কিছু পণ্যকে রুলস অব অরিজিনের আওতায় রাখা হবে।

সেইসঙ্গে আইটি, প্রকৌশল ও অন্যান্য সেবা খাতে বাজারে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তিগত সহায়তা, বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শুল্কায়ন প্রক্রিয়া সহজীকরণ, পণ্য দ্রুত ছাড়, ডিজিটাল কাস্টমস ব্যবস্থা, বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ (ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপারটি) পেটেন্ট, ট্রেডমার্ক ও কপিরাইট সুরক্ষার বিষয়গুলোও আলোচনা হচ্ছে।

এছাড়াও, এই চুক্তিতে প্রযুক্তি হস্তান্তর, শিল্প উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি, অবকাঠামো সহযোগিতার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া তথ্যমতে, বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ভিন্নভাবে তুলনামূলক ছোট হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এটি ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে আসছে। দুই দেশের মোট দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য প্রায় এক দশমিক ৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে বাংলাদেশ থেকে দক্ষিণ কোরিয়ায় রপ্তানি হয় প্রায় ৪৯১ দশমিক ৭৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য। বিপরীতভাবে, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে বাংলাদেশে আমদানি হয় প্রায় ৯০২ দশমিক ৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য।

অর্থাৎ, বাংলাদেশ প্রায় ৪১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি বাণিজ্য ঘাটতির সম্মুখীন।

দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে বাংলাদেশের প্রাধান্যগুণ সম্পন্ন রপ্তানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাক (নিট ও ওভেন), হোম টেক্সটাইল, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, জুতা, ওষুধ, পাট ও পাটজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ্য এবং সিরামিক পণ্য। বিপরীতে, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে বাংলাদেশে আমদানি করা পণ্যের মধ্যে রয়েছে লোহা ও ইস্পাত, যন্ত্রপাতি ও শিল্প মেশিনারি, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, প্লাস্টিক ও প্লাস্টিকজাত পণ্য, রাসায়নিক পদার্থ, কাগজ ও কাগজজাত পণ্য।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%