১০:২৮ পি.এম
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় এক সপ্তাহ ধরে মাঝারি থেকে ভারী এবং কোথাও কোথাও অতিভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ৬৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। টানা বৃষ্টির ফলে পানির নিচে চলে গেছে অনেক পরিবার।
শহর থেকে গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন সড়ক এবং নিচু স্থানে জমে থাকা পানির ফলে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের শ্রমজীবীরা। তবে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এখনো উত্তাল রয়েছে।
আবহাওয়া অফিসের সূত্রে জানা গেছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ু চাপের তারতম্যের আধিক্যে বিরাজ করছে। এর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকা দিয়ে ঝড়ো বা দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে এমন আশঙ্কায় দেশের চারটি সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা বহাল রেখেছে আবহাওয়া অফিস। পাশাপাশি নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
কলাপাড়া পৌর শহরের রিকশাচালক আব্দুল রহিম বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে চলা বৃষ্টি থাকার কারণে বাজারে মানুষের আনাগোনা কমে গেছে। ফলে তার আয় অনেকটা কমে গেছে। টিয়াখালী ইউনিয়নের রব মিয়া বলেন, এক টানা বৃষ্টিতে এলাকার সব আবাদি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেকের ঘরের উঠনে পানি উঠে গেছে। একই গ্রামের কৃষক মো. জলিল হাওলাদার বলেন, এখন জমিতে বীজ ধান ফালানোর সময়। কিন্তু বিলে পানি থাকার জন্য তা সম্ভব হচ্ছে না। পানি না কমলে তাদের দুর্ভোগের শেষ থাকবে না বলে এই কৃষক জানান।
পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবা সুখী জানান, উপকূলীয় এলাকায় রবিবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এরপর হয়তো আরও দুই-একদিন গুঁড়ি গুঁড়ি থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। যেকোন সময় ঝড়ো হওয়া বয়ে যেতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন