০৮:৩৭ এম
রাজশাহীতে দেখা যাচ্ছে, সব ধরনের মাছের দাম বেড়েছে। গত এক সপ্তাহে কেজিতে ৩০ থেকে ৫০ টাকা দাম বেড়ে গেছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে নগরীর নওদাপাড়া পাইকারি মাছের বাজারে আড়তদার ও ব্যবসায়ীদের হাঁকডাকে জমজমাট হয়ে উঠেছিল।
তারা বলেন, এদিন মাছের সরবরাহ কম ছিল, কিন্তু বিপরীতে চাহিদা বেশি ছিল। ফলস্বরূপ, অন্যান্য সময়ের তুলনায় কেজিতে মাছের দাম ৩০ থেকে ৫০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে। এদিন ১ কেজি ওজনের রুই ৩২০-৩৫০ টাকা, বড় রুই ৪০০-৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। প্রতিকেজি মাঝারি আকারের কাতলা ৪৫০-৪৭০ টাকা, তেলাপিয়া ১৫০-২২০ টাকা, মাঝারি সিলভার কার্প ১৮০-২২০ টাকা, মাঝারি মৃগেল ২৫০ টাকা, মিনার কার্প ২২০-২৪০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা, চাষের শিং ৪০০ টাকা, মাঝারি পাঙ্গাস ১৭০-১৮০ টাকা এবং কালবাউশ ৪০০-৪৫০ টাকা মাপে বিক্রির জন্য বাজারে উপস্থিত হয়েছে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে পুকুর মালিকরা মাছ কম ধরেছেন, যার ফলস্বরূপ বাজারে সরবরাহ কমে গেছে। এই কারণে দাম বাড়তে দেখা যাচ্ছে।
এদিকে পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে কেজিতে অন্তত ২০ টাকা বেশি দামে এসব মাছ বিক্রি হচ্ছে।
মাছ চাষ সংশ্লিষ্টরা জানান, বাজারে ক্রেতাদের চাহিদা বেশি থাকায় বাজার বর্তমানে চড়া অবস্থায় রয়েছে। তারা বলেন, বেশি দামে মাছ বিক্রি করতে পারার ফলে উৎপাদন ব্যয় মিটিয়ে তারা লাভবান হচ্ছেন।
রাজশাহী আমচত্বর মৎস আড়ত সমবায় সমিতির সভাপতি ইসরাইল হোসেন জানিয়েছেন, বর্ষাকালে পুকুরে পানি বেশি থাকে এবং আবহাওয়া প্রতিকূল হয়। আবার চাষের পুকুরে মৎস্য মজুদ কম থাকে। পুকুর মালিকরা এ সময় মাছের পরিচর্যার মাধ্যমে আকার বাড়াতে মনোযোগী হন, যার কারণে বাজারে মাছের সরবরাহ কম থাকে।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
এই আড়তদারদের মতে, চলতি মাসের পুরোটা জুড়ে দাম বৃদ্ধির এই ধারা অব্যাহত থাকবে।
নওদাপাড়া বাজার থেকে মাছ কিনে আড়তদাররা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাছ পাঠান। এখানে প্রতিদিন গড়ে ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকার কেনাবেচা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন