মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৫০ পি.এম
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২তম আসরের প্রেক্ষাপটে দুর্নীতিবিরোধী কোডের বিভিন্ন ধারার লঙ্ঘনের অভিযোগে তিনজনকে অভিযুক্ত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিসিবি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায়।
অভিযুক্ত তিনজনের মধ্যে রয়েছেন— বিসিবির সাবেক পরিচালক ও সাবেক অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মুখলেসুর রহমান (শামীম), সাবেক সিকিউরিটি লিয়াজোঁ অফিসার (এসএলও) জাকির হোসাইন এবং বগুড়া জেলার সাবেক বিসিবি কাউন্সিলর ও সাবেক অডিট কমিটির সদস্য সচিব রাকিবুল ইসলাম সানি।
বিসিবি জানায়, বোর্ডের ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের তদন্তের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে আইসিসির ২০২৪ সালের অংশগ্রহণকারীদের জন্য অ্যান্টি-করাপশন কোডের বিভিন্ন ধারার লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে দুর্নীতিপূর্ণ কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার চেষ্টা, দুর্নীতির প্রস্তাব বা যোগাযোগের তথ্য গোপন করা, তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তদন্তে বাধা দেওয়া বা বিলম্ব ঘটানো।
শামীমের বিরুদ্ধে কোডের ২.১.১, ২.১.৪, ২.৪.৪ ও ২.৪.৭ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিপিএলের ম্যাচের ফল, অগ্রগতি বা ম্যাচের অন্য কোনো বিষয় প্রভাবিত করার চেষ্টা, কোনো অংশগ্রহণকারীকে দুর্নীতিপূর্ণ কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে উৎসাহ বা সহায়তা করা, দুর্নীতির প্রস্তাব পাওয়ার তথ্য যথাসময়ে অ্যান্টি-করাপশন কর্মকর্তাকে না জানানো এবং তদন্ত-সংশ্লিষ্ট যোগাযোগ বা তথ্য গোপন, মুছে ফেলা বা নষ্ট করার মাধ্যমে তদন্তে বাধা দেওয়া।
জাকিরের বিরুদ্ধে ২.১.১, ২.১.৪ ও ২.৪.৬ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে ম্যাচের ফল বা অন্য কোনো বিষয় অনিয়মের মাধ্যমে প্রভাবিত করার চেষ্টা এবং কোনো অংশগ্রহণকারীকে দুর্নীতিতে যুক্ত হতে উৎসাহ বা সহায়তা করার অভিযোগ আনা হয়েছে। পাশাপাশি অ্যান্টি-করাপশন কর্মকর্তার পরিচালিত তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগও রয়েছে।
অন্যদিকে রাকিবুল ইসলাম সানির বিরুদ্ধে ২.৪.৪ ও ২.৪.৬ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতিপূর্ণ কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ার প্রস্তাব বা যোগাযোগের তথ্য যথাসময়ে অ্যান্টি-করাপশন কর্মকর্তাকে না জানানো এবং তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগ রয়েছে।
বিসিবি জানায়, অভিযুক্ত তিনজনকেই সাময়িকভাবে (প্রভিশনালি) বরখাস্ত করা হয়েছে। নোটিশ অব চার্জ পাওয়ার পর নিজেদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য তারা ১৪ দিন সময় পাবেন। এরপর কোড অনুযায়ী শৃঙ্খলাজনিত প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁর মান্দায় ‘ব্ল্যাকহোল ক্লাব’ নামে পরিচিত সন্ত্রাসী ও কিশোর গ্যাংয়ের দুই মূলহোতা সুলতান ও পারভেজকে দেশীয় তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র এবং বিভিন্ন ধারালো অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, মান্দা উপজেলার কসব ইউনিয়নের তুরুকবাড়িয়া এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে ‘ব্ল্যাকহোল ক্লাব’ নামে একটি কিশোর গ্যাং গড়ে তুলে বেআইনি কার্যকলাপ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিল সুলতান ও পারভেজ। তারা এলাকার কিশোরদের জোরপূর্বক তাদের ক্লাবে যোগ দিতে বাধ্য করত এবং রাজি না হলে তাদের মারধর করা হতো।
এই প্রেক্ষাপটে, গত ২৫ আগস্ট রাত আনুমানিক ৮টা ২০ মিনিটের দিকে তুরুকবাড়িয়া এলাকার সাফিয়াল জাবের নীরবকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি চালায় তারা। ঘটনাস্থল থেকে মান্দা থানা পুলিশ একটি গুলির খোসা উদ্ধার করে। পরবর্তী সময়ে ২৬ আগস্ট রাতে আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য তারা পুনরায় গুলি চালায়। এসব ঘটনায় মান্দা থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়।
এসব ঘটনার পর নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নির্দেশে মান্দা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) শাওন, জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), মান্দা থানা ও রানীনগর থানা পুলিশের সমন্বয়ে একটি বিশেষ চৌকস দল গঠন করা হয়। তথ্যপ্রযুক্তি ও ডেটা অ্যানালিসিসের মাধ্যমে পুলিশ জানতে পারে আসামিরা ঢাকায় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে অন্যান্য জেলার পুলিশের সহযোগিতায় সোমবার (৩১ আগস্ট) রাতে বগুড়ার শেরপুর থানাধীন 'ফুড ভিলেজ'-এর সামনে ঢাকাগামী একতা পরিবহনের একটি বাসে অভিযান চালিয়ে সন্ত্রাসী সুলতান ও পারভেজকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর তাদের নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তারা নিজেদের কাছে অস্ত্র থাকার কথা স্বীকার করেন। পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সোমবার রাত ১টা ২৫ মিনিটে সুলতানের বসতঘরের চালের কার্নিশের উপর থেকে কাগজে মোড়ানো অবস্থায় অস্ত্র ও মালামাল জব্দ করা হয়।
উদ্ধারকৃত আলামতসমূহের মধ্যে রয়েছে- ১টি দেশীয় তৈরি লোহার পিস্তল আকৃতির ওয়ান শুটার গান, ১টি ধারালো ডেগার (বাটসহ ১৮ ইঞ্চি ও বাট ছাড়া ১২ ইঞ্চি লম্বা), ১টি খেলনা পিস্তল, ১টি সুইচ গিয়ার ঈগল চাকু, ২টি পুরাতন চাকু, ১টি খুর চাকু, ৩টি মোবাইল ফোন এবং নগদ ১৬৮৫০ টাকা।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, আসামি সুলতান ও পারভেজের বিরুদ্ধে মান্দা থানায় বহুল আলোচিত চৌকিদারের ছেলেকে হত্যা মামলা, সাইবার সুরক্ষা আইন এবং মারামারিসহ মোট ৪টি মামলা রয়েছে। তারা পূর্বে হত্যা মামলায় আট মাস কারাভোগও করেছেন। অপরাধ সংঘটনের সুবিধার্থে আসামিরা সবসময় সঙ্গে সুইচ গিয়ার ঈগল চাকু বহন করতেন।
নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, নওগাঁ জেলাকে অপরাধমুক্ত রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। যেকোনো ধরনের সন্ত্রাসী বা অসামাজিক কার্যকলাপ কঠোরভাবে দমন করা হবে এবং এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সুরা আহকাফে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘অবশেষে যখন সে পূর্ণ যৌবনে উপনীত হয় এবং চল্লিশ বছরে পৌঁছে যায়, তখন সে বলে, হে আমার রব, আপনি আমাকে সামর্থ্য দিন, যাতে আমি আপনার সেই নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করতে পারি, যা আপনি আমাকে ও আমার পিতা-মাতাকে দান করেছেন। আর আমি যেন এমন সৎকাজ করি, যা আপনি পছন্দ করেন। আমার জন্য আমার সন্তান-সন্ততিদেরও সংশোধন করে দিন। নিশ্চয়ই আমি আপনার কাছে তওবা করলাম এবং নিশ্চয়ই আমি মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত।’ (সুরা আহকাফ, আয়াত : ১৫)
এ বিষয়ে কিছু তাফসিরবিদের মতে, ৪০ বছর এমন একটি বয়স, যখন মানুষের বুদ্ধি পূর্ণতা লাভ করে, উপলব্ধি পরিপক্ব হয় এবং সহনশীলতা ও স্থিরতা পূর্ণতা পায়। নবী(সা.)-এর ওপর তার বরকতময় ৪০ বছর বয়সে ওহি নাজিল হয়েছিল। এটি ইঙ্গিত করে, মানুষের জীবনের এই পর্যায়টির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে এবং এ সময় পরিপক্বতা, সচেতনতা ও ভারসাম্য আরও দৃঢ় হয়।
চল্লিশ বছর বয়স এমন একটি সময়, যাকে ঘিরে চিকিৎসাবিজ্ঞান, শারীরবৃত্তীয় ও মনস্তাত্ত্বিক দিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক—বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে অনেক কথা বলা হয়েছে, হচ্ছে এবং স্বাভাবিকভাবেই ভবিষ্যতেও বলা হবে। আমাদের লোকজ প্রবাদেও আছে, ‘চল্লিশের পর বলো, হে আল্লাহ, সাহায্য করুন।’ এর মধ্য দিয়ে বোঝানো হয়, মানুষ তখন তার যৌবন ও তার সঙ্গে থাকা প্রাণশক্তি এবং অতিরিক্ত উদ্যমের পর্যায় পেরিয়ে এমন এক সময়ে প্রবেশ করে, যখন আগের তুলনায় রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে আসে এবং আগের মতো উদ্যমও থাকে না।
সম্ভবত চল্লিশ বছরে পৌঁছানোর পর নারীরা পুরুষদের তুলনায় শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন বেশি অনুভব করেন। এর পেছনে সম্ভাব্য বা বাস্তব হরমোনগত পরিবর্তনের বিষয় রয়েছে, যার বিস্তারিত চিকিৎসাবিশেষজ্ঞরাই ভালো জানেন। কিছু নারী এমন বিষণ্নতা, খিটখিটে মেজাজ বা অস্থিরতায় ভুগতে পারেন, যার ব্যাখ্যা হিসেবে শুধু এটুকুই বলা হয় যে তারা চল্লিশে পৌঁছেছেন। আবার কেউ কেউ আশাবাদ ছড়িয়ে বলেন, চল্লিশের পরই জীবন শুরু হয়। এই আশাবাদকে আরও জোরালো করতে বলা হয়, শেষ নবী ও রাসুলের ওপর দায়িত্ব, নবুয়ত, রিসালাত ও ওহি এই বয়সে এসেছিল। তার অধিকাংশ নবী ভাইয়ের ক্ষেত্রেও এমনটাই ঘটেছিল।
তবে বিষয়টিকে একই দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে এর অর্থ দাঁড়ায়, এই বয়সে মানুষের ওপর দায়িত্ব ও কর্তব্যের বোঝা আগের তুলনায় আরও বেড়ে যায়।
চল্লিশের মানুষ আয়নায় নিজের চেহারার দিকে তাকালে মুখের অবয়বে পরিবর্তন দেখতে পান। কয়েক বছর আগে তোলা ছবির সঙ্গে বর্তমান চেহারা মিলিয়ে দেখলে বোঝা যায়, চুল ও দাড়িতে পাকা চুলের আগ্রাসন শুরু হয়েছে কিংবা সেগুলো যেন অনিচ্ছুক স্থায়ী অতিথি হয়ে বসেছে। মুখ ও কপালে ধীরে কিংবা দ্রুত বলিরেখা দেখা দিচ্ছে। এমন কাজ করতে এখন দুর্বলতা বা অক্ষমতা অনুভূত হয়, যা একসময় যৌবনে খুবই সহজ ও দৈনন্দিন বিষয় ছিল। অতীতে নেওয়া কিছু সিদ্ধান্তের জন্য কমবেশি অনুশোচনা হয়, আবার কিছু সিদ্ধান্তের জন্য আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেন, যেগুলোকে তিনি বিপরীত সিদ্ধান্তের চেয়ে ভালো বলে মনে করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারত ছেড়ে দুবাইতে গিয়েও শান্তি পাচ্ছেন না ইরানি মডেল এবং বলিউড অভিনেত্রী মান্দানা করীমী। পুরনো আতঙ্ক তাকে তাড়া করছে। দুবাইয়ে পাড়ি দেওয়ার পরেও তার পরিচিত মহলে রহস্যময় ই-মেল পৌঁছাচ্ছে।
এই ই-মেলে তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে এবং কখনও কখনও টাকা চাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে। দীর্ঘ ৬ বছর ধরে চলা এই সাইবার হেনস্থার বিষয়ে এবার মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী।
সাবেক ‘বিগ বস’ প্রতিযোগী হিসেবে মান্দানা দাবি করেছেন, তার বিচ্ছেদের পর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি নিয়মিতভাবে তাকে অনুসরণ করছে। শুধু তিনি একা নন, তার সঙ্গে কাজ করা প্রযোজক, সহ-অভিনেতা এবং পরিচিতদের কাছেও পৌঁছাচ্ছে বার্তা। এর উদ্দেশ্য একটাই— তার কাজ, সম্পর্ক এবং সামাজিক পরিচিতি নষ্ট করে দেওয়া।
মন্দানার কথায়, ছুটিতে থাকাকালীনও ফের একই ঘটনা ঘটেছে। কয়েক বছর আগে বিষয়টির উৎস খুঁজতে তিনি ব্যক্তিগতভাবে তদন্তের চেষ্টা করেছিলেন। তখন তাকে জানানো হয়েছিল, একজন পেশাদার হ্যাকারকে ব্যবহার করে তার সামাজিক মাধ্যমের কার্যকলাপ নজরে রাখা হচ্ছে। ‘মীনাক্ষী’ নামে একটি ভুয়ো পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন পরিচিত ব্যক্তির কাছে ই-মেল পাঠানো হচ্ছে বলেও জানান অভিনেত্রী।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, ভারত ছাড়ার পরেও সেই যোগাযোগ থামেনি। মন্দানার দাবি, তার বন্ধুদের কাছেও এখনও ওই ই-মেল পৌঁছাচ্ছে। ফলে দেশ বদলালেও আতঙ্কের ছায়া যেন একই রয়ে গিয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে পরিচিতদের উদ্দেশে অভিনেত্রীর স্পষ্ট বার্তা হলো, তাকে ঘিরে কোনও ই-মেল এলে তাতে বিশ্বাস না করতে। টাকা পাঠানো তো নয়ই, কোনওরকম যোগাযোগ না করে বরং বার্তাটি সংরক্ষণ করতে, স্ক্রিনশট নিতে এবং তার কাছে পাঠাতে বলেছেন তিনি।
মন্দানার অভিযোগ, ভারতে থাকাকালীন একাধিক বার সাইবার অপরাধের অভিযোগ দায়ের করেও বিশেষ সুরাহা পাননি। তাই এবার প্রকাশ্যেই প্রমাণ প্রকাশ্যে এনে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে চেয়েছেন তিনি। তার বক্তব্য, বছরের পর বছর ধরে চলা এই হয়রানির বিরুদ্ধে আর নীরব থাকতে রাজি নন।
মন্দানার ব্যক্তিগত জীবনে টানাপড়েন নতুন নয়। ব্যবসায়ী গৌরব গুপ্তের সঙ্গে দীর্ঘ সম্পর্কের পর ২০১৭ সালে তাদের বিয়ে হয়। কয়েক বছরের দাম্পত্যের পর ২০২১ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। পরে একাধিক অনুষ্ঠানে সেই সম্পর্কের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথাও প্রকাশ্যে এনেছিলেন অভিনেত্রী। এর মধ্যেই চলতি বছর ভারত ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন মন্দানা। প্রায় ১৬ বছর ভারতে থাকার পর আবেগঘন বার্তায় দেশকে বিদায় জানান তিনি। নতুন দেশ, নতুন বাড়ি, নতুন জীবন— এই আশাতেই দুবাইতে পাড়ি দিয়েছেন তিনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামগামী আন্তঃনগর ‘কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস’ ট্রেনের ক্যান্টিনে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে এক নারী যাত্রীর ওপর। অভিযুক্ত ক্যান্টিন বয় আবু বক্কর সিদ্দিককে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনাটি সোমবার ঘটে বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার রেলওয়ে থানাধীন নাটোর এলাকায় চলন্ত ট্রেনে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সান্তাহার রেলওয়ে থানার পুলিশ আবু বক্কর সিদ্দিককে আদমদীঘি আমলি আদালতে হাজির করলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। গ্রেপ্তারকৃত আবু বক্কর সিদ্দিক নাটোরের লালপুর উপজেলার আব্দুলপুর গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে ওই নারী ঢাকা থেকে কুড়িগ্রাম যাচ্ছিলেন। ট্রেনটি নাটোর এলাকায় পৌঁছালে আবু বক্কর সিদ্দিকসহ কয়েকজন তাকে জোরপূর্বক ট্রেনের ক্যান্টিনে নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী নারীর চিৎকার শুনে ট্রেনের কয়েকজন যাত্রী ক্যান্টিনের দিকে এগিয়ে আসেন। এ সময় তারা আবু বক্কর সিদ্দিককে আটক করে ওই নারীকে উদ্ধার করেন।
পরে মঙ্গলবার সকালে ভুক্তভোগী নারী সান্তাহার রেলওয়ে থানায় গিয়ে ক্যান্টিন বয় আবু বক্কর সিদ্দিক, দুই পুলিশ সদস্যসহ মোট পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। সান্তাহার রেলওয়ে থানার পুলিশ মামলার পর অভিযান চালিয়ে আবু বক্কর সিদ্দিককে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ