বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:১৭ পি.এম
রাজধানীর ঢাকায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৮৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে ৩৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগ কর্তৃক ৩৫ জন, লালবাগ বিভাগ কর্তৃক ৩৭ জন, ওয়ারী বিভাগ কর্তৃক ৯০ জন, মতিঝিল বিভাগ কর্তৃক ৬৭ জন, তেজগাঁও বিভাগ কর্তৃক ৭১ জন, মিরপুর বিভাগ কর্তৃক ১০৫ জন, গুলশান বিভাগ কর্তৃক ২৪ জন, উত্তরা বিভাগ ৪১ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগ কর্তৃক ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ সময়ে তাদের হেফাজত থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ২ হাজার ৫৬৬ পিস ইয়াবা, ১৬৪ কেজি ৬৬৫ গ্রাম গাঁজা, ৪৫ টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, ৮৪টি মোবাইল ফোন, দুইটি মোটরসাইকেল, দুইটি এসএসডি কার্ড, দুইটি হার্ডডিস্ক, একটি ভুয়া এনআইডি কার্ড, একটি হ্যান্ড পাঞ্চ, এবং ৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা নগদ।
রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মাগুরা জেলার আলোচিত ডোম মানিক লাল হত্যার ঘটনায় ৫ বছর ধরে পলাতক আসামি লিটনকে (৪৮) গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এই গ্রেপ্তার ইংরাজি বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৪ এর একটি দল ঢাকা মেট্রোপলিটনের শাহ-আলী মাজার থেকে করে। জানা গেছে, ভুক্তভোগী মানিক লাল ডোম মাগুরা সদর থানাধীন হাসপাতাল পাড়ার (ডোমপাড়া) বাসিন্দা ছিলেন। ২০২১ সালের ২৯ জুন রাতে তিনি তার ৯ বছর বয়সী ছেলে সান বাবুকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। পরের দিন ৩০ জুন ভোরে সানবাবু ঘুম থেকে জেগে তার বাবাকে ঘরের মেঝেতে গলাকাটা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। পরবর্তী সময়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্ত্রী বাদী হয়ে মাগুরা সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর আগে এই মামলার অন্যতম আসামি মেহেদী হাসান আকাশ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে তিনি জানান, গাঁজার বিক্রির টাকার ভাগাভাগি নিয়ে মানিক লালের সঙ্গে ঝন্টু, লিটনসহ অন্যদের বিরোধ সৃষ্টি হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ২০২১ সালের ৩০ জুন রাতে আসামিরা ঘুমন্ত মানিক লালের ঘরে ঢুকে দা দিয়ে গলাকেটে তাকে হত্যা করেন। হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আসামি লিটন আত্মগোপনে চলে যান। তিনি দেশের বিভিন্ন মাজারকেন্দ্রিক ‘শিকল সাইজি’ ছদ্মনাম ধারণ করে আত্মগোপনকে অব্যাহত রাখেন। দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অবশেষে র্যাব তাকে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বেলা ১১টায় সংগঠনটির নিজস্ব কার্যালয়ে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেয়।
অনুষ্ঠানে রাবি প্রেসক্লাবের সভাপতি আশিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন কলা অনুষদের সাবেক ডিন ও প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ফজলুক হক, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক এস এম কামরুজ্জামান, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোজাম্মেল হোসেন বকুল, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মনির হোসেন মাহিন, ডালিম হোসেন শান্ত ও সফিকুল ইসলাম এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক মারুফ হোসেন মিশন।
এসময় জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক ড. এস এম কামরুজ্জামান নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সাংবাদিকতা বিভাগসহ বাইরের বিভাগ থেকে আজকের এই নবীন বরণ অনুষ্ঠানে যারা এসেছেন, তাঁদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ। যারা সাংবাদিকতা করেন, তাঁদের রাষ্ট্রের প্রতি অনেক বড় দায়িত্ব রয়েছে। সাংবাদিকতা করলে প্রথমদিন থেকেই বাস্তব দক্ষতা অর্জন করা যায়। পড়ালেখা শেষে কর্মক্ষেত্রে গেলে সেই দক্ষতার মূল্য আরও ভালোভাবে উপলব্ধি করা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সাংবাদিকতা একটি অত্যন্ত কঠিন পেশা। ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কারণে এই পেশা আরও চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠেছে। দ্রুত সংবাদ প্রকাশের পাশাপাশি নির্ভুল তথ্য উপস্থাপন এখন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই সংবাদ প্রকাশের আগে অবশ্যই তথ্য যাচাই-বাছাই করতে হবে। আপনাদের কারণে যেন অকারণে কারও কোনো ক্ষতি না হয়, সেদিকে সবসময় খেয়াল রাখতে হবে।
রাবি প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ফজলুক হক বলেন, অনেক প্রতিকূলতা পেরিয়ে যারা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পাশাপাশি রাবি প্রেসক্লাবের নবীন বরণে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন, তাঁদের সবাইকে অভিনন্দন। ক্যাম্পাস জীবনে শুধু পড়াশোনার মধ্যেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। নেতৃত্বের গুণ, যোগাযোগ দক্ষতা এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য সাংবাদিকতা একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
তিনি আরও বলেন, সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে সহশিক্ষা কার্যক্রমের কোনো বিকল্প নেই। যারা সাংবাদিকতা শিখতে বা এই পেশায় কাজ করার আগ্রহ রাখে, তাঁদের সবাইকে রাবি প্রেসক্লাবে এসে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
প্রধান আলোচকের বক্তব্যে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোজাম্মেল হোসেন বকুল বলেন, আমার গর্ববোধ হয়, যখন দেখি আমার শিক্ষার্থীরাই বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নানা দায়িত্ব পালন করছে। আমরা সাংবাদিকতা করব শুধু খবরের পেছনে দৌড়ানোর জন্য নয়; আমাদের সমাজকে চিনতে হবে, রাষ্ট্রকে চিনতে হবে। আমরা যদি কাঙাল হরিনাথকে না চিনি, যদি মোনাজাত উদ্দীনকে না চিনি, তাহলে সাংবাদিকতার শেকড়কেই চিনতে পারব না। তাই তাঁদের বিষয়ে জানতে হবে, তাঁদের নিয়ে আলোচনা করতে হবে এবং তাঁদের বই ও প্রতিবেদন নিয়ে চর্চা করা উচিত। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা বিষয় নিয়ে রিপোর্ট করতে হয়, তাই একজন সাংবাদিকের বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তৃত ধারণা থাকা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, নৈতিকতার জায়গা থেকে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে একটি অবক্সয় দেখা দিয়েছে। এখন মানুষ মানুষকে সম্মান দিয়ে কথা বলে না। লেখা কিংবা কথার মাধ্যমে অন্যের অসম্মান করার প্রবণতা বেড়েছে। কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত গোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থে গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে। তাই কেউ যেন আমাকে ব্যবহার করে অন্য সুবিধা আদায় করতে না পারে কিংবা সমাজের ক্ষতিকর কোনো কাজে সম্পৃক্ত করতে না পারে, সেদিকে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। আমাকে এখানে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য প্রেসক্লাবকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
সমাপনী বক্তব্যে সভাপতি আশিকুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সাংবাদিকতা একটি অনন্য দক্ষতা। অ্যাকাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি আমরা নিজেদের আগ্রহ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কল্যাণে এই স্বেচ্ছাসেবী কাজ করি। সাংবাদিকতা করতে গিয়ে নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়। তবে ঐক্যবদ্ধভাবে সেগুলো মোকাবিলা করে আমরা নিজেদের অধিকারও আদায় করি।
তিনি আরও বলেন, আমি চাই তারাই সাংবাদিকতায় আসুক, যাদের সত্যিকারের আগ্রহ রয়েছে এবং যারা এটিকে নিজের ক্যারিয়ারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মনে করে। আজ যারা নবীন বরণে অংশ নিয়েছেন, ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার এই যাত্রায় আমরা আপনাদের সহযোগী, সহযাত্রী ও সহকর্মী হিসেবে পাশে থাকতে চাই এবং অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে চাই।
অনুষ্ঠানে প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের জিসানের সঞ্চালনায় সহসভাপতি মারুফ হোসেন মিশন ও মিরাজ আফ্রিদি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু ছালেহ শোয়েব, কোষাধ্যক্ষ ফজলে রাব্বি পরশ, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ফাহমিদুর রহমান ফাহিম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মীর তুহিন, দপ্তর সম্পাদক আবু বকর অনিক, ক্রীড়া সম্পাদক সৈয়দ মাহিনসহ কার্যনির্বাহী ও সাধারণ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, এবারও সাংবাদিকতায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত আহ্বান জানায় প্রেসক্লাব। এতে প্রায় ২০০ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেন। তাঁদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ৫০ জন শিক্ষার্থীকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
শোবিজের দুনিয়ায় একাধিকবার প্রেমের গুঞ্জনে নাম জড়িয়েছে অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দীঘির। নিজের ব্যক্তিজীবন, ভালোবাসা ও সম্পর্ক নিয়ে এতদিন তিনি প্রকাশ্যে কোনো উত্তর দেননি। তবে এবার সেই প্রসঙ্গে তিনি মুখ খুলেছেন।
একটি পডকাস্টে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে দীঘি ব্যক্তিজীবন, ভালোবাসা ও সম্পর্ক প্রসঙ্গে খোলামেলা কথা বলেছেন। নায়িকার কাছে তার প্রেমজীবন সম্পর্কে জানতে চাইলে দীঘি জানান, "আমি কখনো প্রেমের সম্পর্কে জড়াইনি। এমনকি, সুযোগ থাকা সত্ত্বেও সচেতনভাবেই কোনো সম্পর্কে যাইনি।"
এক্ষেত্রে এর কারণটি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, "স্কুলজীবন থেকেই পরিবারের কড়া নজরদারিতে বড় হয়েছি। ক্লাস সিক্সে ওঠার পর থেকেই আমার চলাফেরায় বিভিন্ন ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। পরিবারের সদস্যরা নিয়মিত স্কুল কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে আমার খোঁজখবর নিতেন। এসএসসি পরীক্ষার পূর্ব পর্যন্ত মোবাইল ফোনও ব্যবহার করতাম না।"
দীর্ঘদিন এমন নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে বেড়ে ওঠার কারণে প্রেম করার মতো সুযোগ কিংবা মানসিক পরিসর কোনোটিই তৈরি হয়নি।
ক্যারিয়ারে একসময় তার সম্পর্কে কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি এবং পরে মুহাইমিন রাশিদ নামে এক তরুণের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে তিনি সেগুলোকে শুধুমাত্র গুঞ্জন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। দীঘি জানিয়েছেন, "তৌহিদ আফ্রিদি ও মুহাইমিন রাশিদের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জনের কোনো ভিত্তিই নেই। কারণ তাদের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল শুধুই বন্ধুত্বের।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজন করা ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব নিজে বক্তব্য থামিয়ে এক নবীন শিক্ষার্থীকে কথা বলার সুযোগ করে দেন।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্মিত টিএসসি ভবনের অডিটোরিয়ামে এই ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও ওরিয়েন্টেশন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)-এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনের সংসদ সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ডা. মাহাবুবুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।
অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে মঞ্চে বক্তব্য দিতে ওঠেন হাবিবুর রহমান হাবিব। তিনি নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রশ্ন রাখেন, আপনারা ছাত্রদলের কাছে কী প্রত্যাশা করেন, কেমন ছাত্ররাজনীতি চান? তার এই বক্তব্যের পরপরই এক নবীন শিক্ষার্থী মঞ্চে উঠেন। সঙ্গে সঙ্গে হাবিব নিজে তার স্থান ছেড়ে তাকে কথা বলার সুযোগ দেন।
নবীন শিক্ষার্থীটি ছাত্রদল নেতার কাছে তার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে যেমন সিট বাণিজ্য, দখলদার, চাঁদাবাজি, নেতাবাজি, অপসংস্কৃতি, এবং অপরাজনীতি হয়, আমাদের এই বিশ্ববিদ্যালয়ে যেন তা না হয়।
এরপর পুনরায় বক্তব্য শুরু করেন ছাত্রদল নেতা হাবিব। তিনি বলেন, আমাদের বিশ্বাস ‘আমি’ থেকে ‘আমরা’ এই দর্শনেই এগিয়ে যাবে আমাদের পথচলা। প্রিয় শিক্ষার্থীরা, আমি আপনাদের একটি প্রতিশ্রুতি দিতে চাই, ছাত্রদল এমন কোনো কাজ করবে না যাতে আপনাদের আতঙ্কিত হতে হয়। ছাত্রদল এমন কিছু করবে না যাতে আপনাদের ভয় লাগে। ছাত্রদল এমন কিছু করবে না যাতে আপনাদের আমাদের এড়িয়ে চলতে হয়। আমরা এমন রাজনীতি করতে চাই, যা আপনাদের আস্থা অর্জন করবে, আপনাদের পাশে থাকবে এবং আপনাদের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাবে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ও ওরিয়েন্টেশন উপ-কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. আশরাফুল আলম। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে একটি করে ফোল্ডার, নোটবুক, কলম এবং অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রদান করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ