শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:০১ পি.এম
সরকার আগামী বছরের ৩১ জানুয়ারির মধ্যে দেশের সব উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের হাট ও বাজারে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছে। এই নির্দেশনা অনুযায়ী, সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন আবশ্যিক হবে।
স্থানীয় সরকার বিভাগ বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দেশের সব উপজেলা পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে এ নির্দেশনা সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিটি হাট ও বাজারের স্থায়ী শেড এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) দ্বারা নির্মিত চার-পাঁচতলা ভবনের ছাদের আয়তন বিবেচনায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করতে হবে। উৎপাদিত বিদ্যুৎ থেকে নিজেদের চাহিদা পূরণের পর উদ্বৃত্ত জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
এছাড়া, টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন দপ্তর, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর স্থানীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিদ্যমান দাপ্তরিক মূল ভবন ও আওতাধীন ভবনগুলোতে ব্যাটারিসহ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, এসব ব্যবস্থায় ন্যূনতম দুই ঘণ্টার ব্যাটারি ব্যাকআপ রাখতে হবে। ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব চাহিদা পূরণের পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ নেট মিটারিং পদ্ধতিতে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে হবে। স্থানীয় সরকার বিভাগ জানায়, ‘নেট মিটারিং নির্দেশিকা, ২০২৫’ অনুযায়ী জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটের বিপরীতে ১০ টাকা ৫০ পয়সা পাওয়া যাবে, যা সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করবে।
‘হাট ও বাজার (স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা) বিধিমালা, ২০২৫’ এর বিধি ১০-এর (ঙ) ও (চ) অনুযায়ী, হাট ও বাজার থেকে প্রাপ্ত ইজারার আয়ের ১০ শতাংশ সংশ্লিষ্ট হাট ও বাজারের রক্ষণাবেক্ষণ বা উন্নয়নে এবং আরও ১০ শতাংশ উপজেলার অন্তর্গত হাট ও বাজারের রক্ষণাবেক্ষণ বা উন্নয়নে ব্যয়ের জন্য নির্ধারিত রয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এই অর্থ ব্যবহার করে দেশের সব উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের হাট ও বাজারে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন ও বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারণ করতে হবে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনকারী কোম্পানির সঙ্গে পরবর্তী ২০ বছর মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তি করতে হবে সংশ্লিষ্ট হাট-বাজার কর্তৃপক্ষকে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
‘শাইনি হান্টার্স’ নামক একটি হ্যাকার গোষ্ঠী দাবি করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (এফবিআই) এর প্রায় সব এজেন্ট ও চাকরিতে আবেদনকারীদের 'অতি সংবেদনশীল তথ্য' চুরি করা হয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
হ্যাকাররা এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল এবং সাইবার বিভাগের সহকারী পরিচালক ব্রেট লিদারম্যানকে পাঠানো এক বার্তায় জানিয়েছে যে, তারা ব্যুরোর চাকরির ওয়েবসাইট 'fbijobs.gov'-এ অনধিকার প্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছে। এই ঘটনার পর বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল পর্যন্ত ওয়েবসাইটটি বন্ধ রাখা হয়েছিল।
এফবিআই নিশ্চিত করেছে যে, নিরাপত্তা লঙ্ঘনের উৎস খুঁজে বের করার জন্য তদন্ত চলছে। এটি এফবিআইয়ের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা থেকে হয়েছে, নাকি সংশ্লিষ্ট কোনো তৃতীয় পক্ষের সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের ত্রুটির কারণে ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সাইবার অপরাধ বিশেষজ্ঞ আইনজীবী মিরিয়াম উগমিস্টার বলেছেন, শাইনি হান্টার্সের অতীত কর্মকাণ্ডের কারণে তাদের এই দাবি পুরোপুরি অগ্রাহ্য করা যায় না। তবে কতজন এজেন্ট এবং আবেদনকারীর কী ধরনের তথ্য চুরি হয়েছে, তা এখনো পরিষ্কার নয়।
উল্লেখযোগ্য যে, গত মে মাসে এফবিআই শাইনি হান্টার্সকে 'থ্রেট অ্যাক্টর' বা ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করে একটি সতর্কবার্তা প্রকাশ করেছিল। হ্যাকারদের দাবি, সেই সতর্কবার্তার প্রতিশোধ নিতে তারা এই হামলা চালিয়েছে এবং এফবিআইকে সতর্কবার্তা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, যদি তথ্য চুরি হয়ে থাকে, তবে এজেন্ট এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা হয়রানি, ব্লাকমেইল ও নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। ইতিপূর্বে একাধিকবার এফবিআইয়ের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থা এবং পরিচালকদের তথ্য লক্ষ্য করে সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রে বিদ্যুতের চাহিদা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে পুরনো পাওয়ার গ্রিডের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে জ্বালানি বিভাগ। এই উদ্দেশ্যে ২৬টি অঙ্গরাজ্যের ৩১টি প্রকল্পে প্রায় ২০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়েছে।
যদি পরিকল্পিত প্রকল্পগুলো সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়, তাহলে গ্রিডে অতিরিক্ত ২৩ গিগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহের সক্ষমতা সৃষ্টি হবে, যা প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবারকে বিদ্যুৎ সরবরাহের সমান। এই উদ্যোগের আওতায় বিদ্যুতের নতুন সংযোগের পাশাপাশি আধুনিক সেন্সর ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিদ্যমান সঞ্চালন ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করা হবে।
জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তাদের মতে, এসব প্রকল্পের অধীনে ১ হাজার ৫০০ মাইলের বেশি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের যন্ত্রাংশ উন্নত করা হবে। পাশাপাশি প্রায় ২১ হাজার মাইল জুড়ে সঞ্চালন ব্যবস্থার প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন করা হবে, যা তাৎক্ষণিক আবহাওয়ার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও লাইনের চাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে।
উদ্যোগটিতে ১৯০ কোটি ডলার সরকারি অনুদানের পাশাপাশি বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে আরও ৩৩৫ কোটি ডলার যৌথ অর্থায়ন আসবে। কলোরাডো, ইন্ডিয়ানা, ওহাইও ও ওকলাহোমার চারটি সরকারি সংস্থা এবং বিভিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এই আর্থিক সুবিধা পাবে।
সাম্প্রতিক সময়ে ডেটা সেন্টার, শিল্পকারখানা ও বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে বিদ্যুতের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। এই বাড়তি চাহিদা মেটাতে বাইডেন প্রশাসনের সময় পাস হওয়া দ্বিদলীয় অবকাঠামো তহবিলের আওতায় প্রকল্পগুলোতে অর্থায়ন করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদে দেশীয় তেল-গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পুরোনো কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চালু রাখার নীতি জোরদার করছেন। এ ধরনের প্রেক্ষাপটে নতুন এই গ্রিড আধুনিকায়ন প্রকল্প যুক্তরাষ্ট্রের পাওয়ার গ্রিডের ওপর চাপ কমিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ব্রাজিল অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তাদের প্রথম প্রীতি ম্যাচে মাঠে নেমেছিল বিশ্বকাপের পর। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে পিছিয়ে পড়লেও শেষ মুহূর্তে গোল করে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের সম্মান রক্ষা করেছেন রায়ান। ফলে ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ৬৮ মিনিটে অস্ট্রেলিয়ার নেস্তোরি ইরানকুন্ডা প্রথম গোলটি করেন। পরে যোগ করা সময়ের ৯০+৫ মিনিটে রায়ান ব্রাজিলকে সমতায় ফেরান।
প্রথমার্ধে লাতিন আমেরিকার দেশটি অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে কোনো গোল করতে পারেনি। তবে তারা তখন পর্যন্ত গোল হজমও করেনি। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে এস্তেভাও অস্ট্রেলিয়ার জালে বল পাঠালেও অফসাইডের কারণে রেফারি গোলটি বাতিল করেন।
দ্বিতীয়ার্ধে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা। কিন্তু তারা গোলের দেখা পাচ্ছিল না। বরং ৬৮তম মিনিটে নেস্তোরি ইরানকুন্ডা ব্রাজিলের জালে বল পাঠান।
গোল পরিশোধের জন্য ব্রাজিল মরিয়া হয়ে ওঠে। বারবার আক্রমণ করলেও ফিনিশিংয়ে অভাবে জালের দেখা পাচ্ছিলেন রাফিনিয়ারা। তবে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ব্রাজিল কর্নার পায়।
সেখান থেকে রাফিনিয়ার দুর্দান্ত শটে হেডে বল জালে পাঠান রায়ান। তিনি শেষ বিশ্বকাপে আলো ছড়িয়েছেন। এবার প্রীতি ম্যাচে গোল করে আনচেলত্তির জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় দুই দল ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষার ভর্তির প্রক্রিয়ায় কম সিজিপিএ থাকলেও গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে আবেদন করার সুযোগ বিদ্যমান। তবে, কম পয়েন্ট নিয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাওয়া এবং টিউশন ফি ও জীবনযাত্রার খরচসহ পূর্ণ ফান্ডিং অর্জন করা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।
আবেদন করার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্য বা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা দেখে বিভ্রান্ত না হয়ে নির্দিষ্ট প্রোগ্রামের নিজস্ব শর্তাবলী যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি। যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক এবং বিভাগভেদে ভর্তির ন্যূনতম পয়েন্ট ও ফান্ডের নিয়মে বড় ধরনের তারতম্য দেখা যায়।
যেমন, ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি ইস্ট বে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ন্যূনতম ২.৫ জিপিএর সমতুল্য ফল নির্ধারণ করেছে। তবে, বিভাগীয় শর্তগুলো আলাদাভাবে পূরণ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। অন্যদিকে, ইউনিভার্সিটি অব মেমফিসের মনোবিজ্ঞান বিভাগে ২.৫ জিপিএ চাওয়া হলেও শিক্ষা সংক্রান্ত নির্দিষ্ট কিছু প্রোগ্রামে অন্তত ২.৭৫ না থাকলে বিশেষ আপিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আবেদন করতে হয়, যা সরাসরি ভর্তির নিশ্চয়তা দেয় না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের পরামর্শক সংস্থা ‘এডুকেশনইউএসএ’ জানায়, গ্র্যাজুয়েট পর্যায়ে টিচিং বা রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্টশিপের মাধ্যমে টিউশন ছাড় ও ভাতা পাওয়া সম্ভব। তবে, বেশিরভাগ স্কলারশিপ মোট খরচের কেবল একটি অংশ বহন করে। তাই, ভর্তির সুযোগ থাকা মানেই পূর্ণ ফান্ডিং পাওয়া নয়।
এ ছাড়া, অনলাইনে বহুল আলোচিত ‘ইউনিভার্সিটি অব দ্য পিপল’ কোনো প্রথাগত ক্যাম্পাসে পড়াশোনার প্রতিষ্ঠান নয়, এটি সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক। প্রতিষ্ঠানটিতে টিউশন ফি না থাকলেও গ্র্যাজুয়েট কোর্সে অ্যাসেসমেন্ট ফি দিতে হয়। তাই, শিক্ষার ধরন ও আনুষঙ্গিক খরচ আগেই স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।
শিক্ষাবিদেরা জানান, কম সিজিপিএ থাকলে শক্তিশালী রিসার্চ, কাজের অভিজ্ঞতা, স্টেটমেন্ট অব পারপাস (SOP) ও ভালো সুপারিশপত্রের মাধ্যমে আবেদন গ্রহণযোগ্য করা সম্ভব। তবে, এগুলো কোনো ন্যূনতম বাধ্যবাধকতাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মওকুফ করে না। তাই, আবেদনের আগে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট থেকে ভর্তির সার্বিক শর্ত যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ