সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৫৮ পি.এম
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মাদরাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে মাহিমা আক্তার মাহি ও তানিশা আক্তার নামের দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়ে গেছে। চার দিন পেরিয়ে গেলেও তাদের কোনো খোঁজ মেলেনি।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এই ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পর সন্ধ্যার দিকে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কাশিনগর আল আমিন মাদরাসায় যাওয়ার পথে তারা নিখোঁজ হয়ে যায়।
নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থীর বাড়ি কাশিনগর ইউনিয়নের জুগিরকান্দি গ্রামে।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মাহিমা আক্তার মাহি ও তানিশা আক্তার কাশিনগর আল আমিন মাদরাসায় যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। বিকেল পেরিয়ে রাত হলেও তারা বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। তবে চারদিনেও তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় মাহিমা আক্তার মাহির মা তাছলিমা আক্তার চৌদ্দগ্রাম থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন।
তাছলিমা আক্তার গণমাধ্যমকে জানান, "বৃহস্পতিবার মাহি সহপাঠী তানিশা আক্তারের সঙ্গে মাদরাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। এ পর্যন্ত সম্ভাব্য অনেক জায়গায় তাকে খোঁজাখুঁজি করেছি। কোথাও হদিশ মিলছে না। একইভাবে তানিশার পরিবারও উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় রয়েছে। আমরা প্রশাসনের সহায়তা চাই।"
কাশিনগর আল আমিন মাদরাসার অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান বলেন, "গত বৃহস্পতিবার তারা মাদরাসায় উপস্থিত হয়নি। তাদের পরিবারের মাধ্যমে জানতে পেরেছি, তারা দুজন মাদরাসায় আসার পথে নিখোঁজ হয়েছে।"
চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আরিফ হোছাইন গণমাধ্যমকে জানান, "রোববার বিকেলে দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজের বিষয়ে থানায় জিডি করা হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের এক কর্মীকে পুলিশে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা, মানিব্যাগ, গলায় থাকা সোনার চেইন ও মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ এস এম হাসান রাজু নামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (বৈছাআ) এক নেতার বিরুদ্ধে উঠেছে।
রাজু বরিশালে ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং তিনি ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বরিশাল বিএম কলেজের সাবেক সভাপতি।
গত ২২ মে সকালে বরিশাল বিএম কলেজের সামনে অবস্থিত একটি এটিএম বুথ থেকে ওই ছাত্রলীগ কর্মীর এটিএম কার্ড ব্যবহার করে ৩ ধাপে মোট ৫০ হাজার টাকা তুলে নেওয়ার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, আবু বকর নামে নিষিদ্ধ ওই ছাত্রলীগ কর্মীকে নিয়ে ডাচবাংলা ব্যাংকের এটিএম বুথে ঢুকছেন রাজু ও তার এক সহযোগী। পরে ৩ ধাপে ওই ছাত্রলীগ কর্মীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে মোট ৫০ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী ওই ছাত্রলীগ কর্মীর অভিযোগ, এটিএম বুথ থেকে টাকা তোলার আগে তার মানিব্যাগ, মোবাইল ও গলায় থাকা একটি ৫ আনা সোনার চেইন জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেন রাজু ও তার সহযোগীরা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত রাজু গণমাধ্যমকে জানান, তার বিরুদ্ধে আনিত সব অভিযোগ মিথ্যা। তিনি দাবি করেন, তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফাঁসানোর জন্যই এমন অভিযোগ তোলা হয়েছে।
এদিকে গ্রেপ্তারের ভয়ে পুলিশের কাছে কোনো অভিযোগ জানায়নি ভুক্তভোগী ওই ছাত্রলীগ কর্মী।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ে, বাড়ির সামনে মদ পানে বাধা দেওয়ার কারণে ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধাকে ধর্ষণ করে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে দুই যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, পরে ওই বৃদ্ধার মরদেহ বাড়ির পেছনের ঝোপে ফেলে পালিয়ে যায় তারা।
এই ঘটনার সময়কাল ২৩ সেপ্টেম্বর গভীর রাতের। বিষয়টি পরে ২৫ সেপ্টেম্বর প্রকাশ্যে আসে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তদের নাম রাজেশ গুড্ডু ও হরিরাম রাওয়াত। বৃদ্ধার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, ওই এলাকায় প্রায়ই মদ্যপ ব্যক্তিদের আনাগোনা ঘটে। ঘটনার দিন, রাজেশ ও হরিরাম বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে মদ পান করছিলেন। এ সময় তারা অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজও করছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
বৃদ্ধা ওই পরিস্থিতিতে আপত্তি জানান। তিনি দুই যুবককে সেখান থেকে চলে যেতে বলেন। কিন্তু তাদের কথায় কর্ণপাত না করে, তারা সেখানেই মদ্যপান করতে থাকেন। বৃদ্ধা পুনরায় বাধা দিলে, দুই পক্ষের মধ্যে বচসা ও গালিগালাজের ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে, দুই যুবক জোর করে বৃদ্ধার বাড়িতে ঢুকে পড়েন। সেখানে তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। পরে, প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে মরদেহটি বাড়ির পেছনের দিকে নিয়ে গিয়ে ঝোপের মধ্যে ফেলে রেখে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে। ফুটেজ পর্যালোচনা করে দুই অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা ওই এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। সূত্র: আনন্দ বাজার
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আদালতে হাজিরা শেষে ফেরার পথে ‘পিচ্চি রাজা’ ওরফে বাদশা, যিনি রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত, টয়লেটে যাওয়ার কথা বলে প্রিজনভ্যান থেকে পালিয়ে গেছেন।
এ ঘটনা ঘটে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে, গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী থানাধীন নওজোড় হাইওয়ে থানার সামনে।
তথ্য অনুযায়ী, আদালতে হাজিরা শেষে সন্ধ্যায় অন্যান্য হাজতির সঙ্গে তাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়ার সময়, নওজোড় হাইওয়ে থানার সামনে পৌঁছানোর পর পিচ্চি রাজা বাথরুমে যাওয়ার কথা জানান। তখন দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা তাকে বাথরুমে নিয়ে গেলে, তিনি সুযোগ বুঝে সেখান থেকে পালিয়ে যান।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পিচ্চি রাজা মোহাম্মদপুরের শীর্ষ মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা, হত্যাচেষ্টাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। চলতি বছরের ১৯ মে, নেপাল থেকে ফেরার পর ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর একবার পিচ্চি রাজাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাস, জুলাই ও আগস্টে, বাংলাদেশ ৬৯ কোটি ৮৯ লাখ ২০ হাজার ডলারের পরিমাণ বিদেশি ঋণ পরিশোধ করেছে, যা প্রায় ৮ হাজার ৬২৬ কোটি টাকার সমান।
গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায়, বাংলাদেশ ৬৬ কোটি ৭১ লাখ ১০ হাজার ডলারের ঋণ পরিশোধ করেছিল, যা দেশের মুদ্রায় ৮ হাজার ১৩১ কোটি টাকার সমান। এই হিসেবে, এক বছরের ব্যবধানে বিদেশি ঋণ পরিশোধের পরিমাণ বেড়েছে ৩ কোটি ১৮ লাখ ১০ হাজার ডলার।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই ও আগস্টের মধ্যে বাংলাদেশ মূল ঋণের কিস্তি বাবদ ৫১ কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার ডলার, যা প্রায় ৬ হাজার ৩৬৯ কোটি টাকার সমান, পরিশোধ করেছে। সুদের বাবদ বাংলাদেশ ১৮ কোটি ২৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার, যা প্রায় ২ হাজার ২৫৭ কোটি টাকার সমান, পরিশোধ করেছে।
এদিকে, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে বিদেশি ঋণের অর্থছাড় হয়েছে ২৯ কোটি ৪৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার। জুলাই-আগস্ট সময়ে বাংলাদেশ নতুন করে ২৪ কোটি ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি পেয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ প্রতিশ্রুতির পরিমাণ ছিল ২৪ কোটি ৩৮ লাখ ডলার।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ