মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:৩৪ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় ইসাইয়াসের আক্রমণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটেছে। ফ্লোরিডার উপকূল থেকে শুরু করে ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্য পর্যন্ত ঝড়ের ফলে ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, গাছ উপড়ে পড়েছে এবং বহু মানুষ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছেন। এই ঘটনায় ফ্লোরিডা ও আলাবামায় অন্তত চারজনের মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাতে ফ্লোরিডার ডেস্টিনের কাছে দ্বিতীয় শ্রেণির শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় হিসেবে উপকূলে আছড়ে পড়ে ইসাইয়াস। এরপর ঝড়টি যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলজুড়ে তাণ্ডব চালাতে থাকে।
ফ্লোরিডার উপকূল থেকে প্রায় ১৫ মাইল দূরে মিল্টন এলাকায় ঝড়ের তীব্রতা ছিল ভয়াবহ। সেখানে প্রবল বাতাসের কারণে একটি বিশাল গাছ উপড়ে পড়ে একটি বাড়ির ওপর। বাড়িটিতে থাকা ৭৭ বছর বয়সী ফিলিস হেনেবেরি তখন নিজের ঘরে শুয়ে ছিলেন। গাছটি বাড়ির ওপর পড়ার পর ছাদের বড় অংশ ভেঙে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িটি দেখিয়ে হেনেবেরি বলেন, ‘কখনো ভাবিনি ৭৭ বছর বয়সে এসে এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হবে।’
ঘূর্ণিঝড়ে বিভিন্ন অ্যাপার্টমেন্টের ছাদ উড়ে গেছে। কোথাও কোথাও শোবার ঘরের দেয়ালও ভেঙে পড়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত ফ্লোরিডায় দেড় লাখের বেশি গ্রাহক বিদ্যুৎহীন ছিলেন। আলাবামায়ও ২০ হাজারের বেশি গ্রাহকের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল।
ঝড়ের পর ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকেরা। ধর্মযাজক জোনাথন কৌশলের নেতৃত্বে একটি গির্জার দল মানুষের মধ্যে খাবার ও পানি বিতরণ করছে।
কৌশল বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের পর অনেক মানুষ সাহায্যের প্রয়োজন অনুভব করছেন। তাই তারা স্থানীয় মানুষের পাশে দাঁড়াতে চান।
ঘূর্ণিঝড় ইসাইয়াসের অবশিষ্ট অংশ থেকে জর্জিয়া ও ক্যারোলাইনা অঞ্চলে অন্তত আটটি টর্নেডো সৃষ্টি হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি টর্নেডো চার্লসটন শহরের প্রায় ৯০ মাইল পশ্চিমে একটি বাড়ির ছাদ উড়িয়ে নিয়ে যায়।
পশ্চিম নর্থ ক্যারোলাইনায় ছয় ইঞ্চির বেশি বৃষ্টিপাতে সড়কগুলো প্লাবিত হয়েছে। এতে ওই অঞ্চলের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হয়।
দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ইসাইয়াসের তাণ্ডলের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূলে আঘাত হেনেছে আরেকটি ঝড়। গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় র্যাচেলের অবশিষ্ট অংশ থেকে সৃষ্ট বিশাল ঢেউ লস অ্যাঞ্জেলেসের দক্ষিণে সমুদ্রতীরবর্তী বাড়িগুলোতে আছড়ে পড়ে। ঢেউয়ের উচ্চতা ছিল প্রায় আট ফুট।
রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে তীরে উঠে আসা একটি পালতোলা নৌকায় আটকে পড়া এক ব্যক্তিকে হেলিকপ্টারের সাহায্যে উদ্ধার করে উপকূলরক্ষী বাহিনী।
এদিকে দক্ষিণ নেভাডায় বন্যার পানি ছড়িয়ে পড়ে লাস ভেগাসের বিখ্যাত স্ট্রিপ এলাকায়। অন্যদিকে, উটাহ অঙ্গরাজ্যে পাঁচ দিনব্যাপী ‘মোয়াব ২৪০’ অতি দীর্ঘ দৌড় প্রতিযোগিতা চলাকালে ভয়াবহ আবহাওয়া দেখা দেয়। বিপজ্জনক বন্যার কারণে সেখানে আটকে পড়া প্রায় ৭০ জন দৌড়বিদকে বাসে করে উদ্ধার করা হয়।
সূত্র: সিবিএস নিউজ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দুর্গাপূজার সময় যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার ঈদের ছুটির আদলে বিশেষ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। এর আওতায় নৌপথের টার্মিনাল ও ফেরিঘাটে বাড়তি নজরদারি, অতিরিক্ত ফেরি ও লঞ্চ প্রস্তুত রাখা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন এবং ৩৫টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সচিবালয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নিজ দপ্তরে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান এসব তথ্য জানিয়েছেন।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, পূজার ছুটিতে যাতে মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে স্বস্তিতে গ্রামের বাড়ি কিংবা পর্যটনকেন্দ্রে যাতায়াত করতে পারেন, সেই জন্য সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যাত্রাপথে ভোগান্তি কমানো এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
তিনি আরও জানান, এবারের পূজার ছুটি স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় দীর্ঘ হওয়ায় যাত্রী চলাচল বাড়তে পারে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা পূজা উদযাপনের জন্য বাড়ি যাওয়ার পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মের মানুষও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গ্রামে কিংবা বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে বেড়াতে যেতে পারেন। এই বিষয়টি মাথায় রেখে ঈদের ছুটির মতো বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়, পুলিশ প্রশাসন, জেলা প্রশাসন এবং পরিবহন সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় যাত্রীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
তিনি বলেন, সদরঘাটসহ দেশের বিভিন্ন নৌবন্দর ও টার্মিনাল ছুটি শুরুর আগেই প্রস্তুত রাখা হবে। পাটুরিয়াসহ দেশের ১২ থেকে ১৩টি চালু ফেরিঘাটে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। যাত্রী চাপ বৃদ্ধি পেলে ব্যবহারের জন্য অতিরিক্ত ফেরি ও লঞ্চ প্রস্তুত রাখা হবে, যাতে নিয়মিত পরিবহনের বাইরে বাড়তি যাত্রী ও যানবহন পারাপার করা যায়।
ছুটির সময় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বিভিন্ন নৌবন্দর ও ফেরিঘাটে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে মোতায়েন করা হবে। তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন এবং মন্ত্রণালয় থেকে তা সার্বক্ষণিক তদারকি করা হবে। স্থানীয় প্রশাসনও নিজ নিজ এলাকায় দায়িত্ব পালন করবে।
যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে ঢাকা, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
যানজট ও শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েনের কথা জানিয়ে রাজীব আহসান বলেন, ঈদের মতো এবারও প্রয়োজন অনুযায়ী পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব দেওয়া হবে। প্রয়োজনে বিজিবি ও আনসার সদস্যদেরও কাজে লাগানো হবে।
যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং ঘাট বা সড়কে কোনো জটিলতা তৈরি হলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে ২৫ থেকে ৩০ জন অতিরিক্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। সব মিলিয়ে মোট ৩৫টি মোবাইল কোর্ট প্রস্তুত রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ফেরিঘাটের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘাটগুলোতে নজরদারি বাড়াতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং অনুমতি ছাড়া বাস প্রবেশ রোধে স্থায়ী ব্যারিকেড নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া ফেরিতে ওঠানামার সময় যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাস থেকে যাত্রী নামানো এবং ফেরি থেকে বাস ওঠানামার নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে হঠাৎ ঝড় বা বৈরী আবহাওয়া তৈরি হতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আবহাওয়া অধিদপ্তরের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে নৌযান চলাচল ও যাত্রী নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সদরঘাটের ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, রাজধানীর জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত সড়ক যানজটমুক্ত রাখতে পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এ পথে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হলে দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলগামী সড়কপথের ওপর চাপ কিছুটা কমবে। দীর্ঘদিনের ব্যবস্থাপনাগত সমস্যা কাটিয়ে সদরঘাটকে আধুনিক বন্দর ব্যবস্থাপনার আওতায় আনার কাজ চলছে।
নৌপথের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, বড় লঞ্চে একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক যাত্রী পরিবহন সম্ভব। ঈদের সময় প্রতিদিন শতাধিক বড় লঞ্চ চলাচল করলেও স্বাভাবিক ছুটিতে এ সংখ্যা কম থাকে। তবে নৌপথের সক্ষমতা যথাযথভাবে কাজে লাগালে সড়কপথের ওপর থেকে যাত্রী চাপ কমানো সম্ভব হবে।
সবশেষে প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, সরকারের নেওয়া সমন্বিত প্রস্তুতির ফলে পূজার ছুটিতে মানুষ নিরাপদে ও স্বস্তিতে যাতায়াত করতে পারবেন। যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, প্রশাসন, পুলিশ ও পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ এ্যামেচার রেসলিং ফেডারেশনের উদ্যোগে সোমবার জাতীয় রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্মৃতি উন্মুক্ত কুস্তি প্রতিযোগিতা-২০২৬’ এ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ঢাকার পালোয়ান দল। রানার্স আপ হিসেবে স্থান পেয়েছে অদম্য বীর দল এবং ২য় রানার্স আপ হিসেবে দুর্বার যোদ্ধা দল নির্ধারিত হয়েছে।
প্রতিযোগিতার সমাপনীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: মাহবুব উল আলম।
এ সময় ফেডারেশনের সভাপতি মেজর জেনারেল আ স ম রিদওয়ানুল রহমান, সাধারণ সম্পাদক এম আর আলী ফাহিম, সিনিয়র সহ-সভাপতি হাসানুজ্জামান খান বাবলু, সহ-সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) মাজহারুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ কে এম আব্দুল মবিন ফাইটার এবং অন্যান্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে কুস্তি খেলার রেফারিদের মান উন্নয়নের উদ্দেশ্যে ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় ৯-১১ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত তিনদিন ব্যাপী জাতীয় রেসলিং রেফারি’স ট্রেনিং কোর্সে অংশগ্রহণকারীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন প্রধান অতিথি।
এই কোর্সে বিভিন্ন জেলা ও সংস্থা থেকে ২৭ জন পুরুষ এবং ৯ জন মহিলাসহ মোট ৩৬ জন রেফারি অংশগ্রহণ করেন। রেফারি’স ট্রেনিং কোর্স পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার প্রাপ্ত ক্রীড়াবিদ ও কোচ হাজী আশরাফ আলী, তামজীদ রহমান, মিজানুর রহমান (বাংলাদেশ পুলিশ) এবং মিজানুর রহমান (বিজিবি)।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন, যা শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে রয়েছে, সম্প্রতি একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। দেশের বিভিন্ন কারাখানায় শূন্য পদে লোকবল নিয়োগের জন্য এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। মোট ২৭৪ জনকে ১৯ ক্যাটাগরির শূন্য পদের জন্য নিয়োগ দেওয়া হবে। এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি গত ১১ অক্টোবর প্রকাশিত হয়।
পদের নাম: সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন)।
পদ সংখ্যা: ২২টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতকসহ স্নাতকোত্তর বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানে ডিগ্রি।
বেতন: ৪৪,০০০-১০৫,৯০০ টাকা
পদের নাম: নিরাপত্তা কর্মকর্তা।
পদ সংখ্যা: ৩টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতকসহ স্নাতকোত্তর বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানে ডিগ্রি।
বেতন: ৪৪,০০০-১০৫,৯০০ টাকা।
পদের নাম: হিসাব কর্মকর্তা/অর্থ কর্মকর্তা।
পদ সংখ্যা: ২৫টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিসাব বিজ্ঞান বা ফিন্যান্স বা অর্থনীতি বা পরিসংখ্যান বিষয়ে স্নাতকসহ স্নাতকোত্তর বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানে ডিগ্রি।
বেতন: ৪৪,০০০-১০৫,৯০০ টাকা।
পদের নাম: সহকারী প্রোগ্রামার।
পদ সংখ্যা: ৩টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: কম্পিউটার সায়েন্স বা কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বা ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বা ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিষয়ে বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং বা বিএসসি (সম্মান) বা সমমানে ডিগ্রি।
বেতন: ৪৪,০০০-১০৫,৯০০ টাকা।
পদের নাম: সহকারী ব্যবস্থাপক (ক্রয়)/সহকারী ব্যবস্থাপক (বিক্রয়)।
পদ সংখ্যা: ১৫টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ে স্নাতকসহ স্নাতকোত্তর বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানে ডিগ্রি।
বেতন: ৪৪,০০০-১০৫,৯০০ টাকা।
পদের নাম: সহকারী রসায়নবিদ।
পদ সংখ্যা: ৩১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: রসায়ন বা ফলিত রসায়ন বিষয়ে বিএসসিসহ এমএসসি বা বিএসসি (সম্মান) বা সমমানে ডিগ্রি।
বেতন: ৪৪,০০০-১০৫,৯০০ টাকা।
পদের নাম: সহকারী প্রকৌশলী (রসায়ন)।
পদ সংখ্যা: ৩১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিএসসি ইন কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি।
পদের নাম: সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ)।
বেতন: ৪৪,০০০-১০৫,৯০০ টাকা।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স বা ইলেকট্রিক্যাল বা ইলেকট্রনিক্স এন্ড কমিউনিকেশন বিষয়ে বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি।
পদ সংখ্যা: ১০টি।
পদের নাম: কারিগরী কর্মকর্তা।
বেতন: ৪৪,০০০-১০৫,৯০০ টাকা।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: পদার্থ বিজ্ঞান বা ফলিত পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে বিএসসি (স্নাতক) সহ এমএসসি বা বিএসসি (সম্মান) বা সমমানে ডিগ্রি।
পদ সংখ্যা: ৩টি।
পদের নাম: সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক)।
বেতন: ৪৪,০০০-১০৫,৯০০ টাকা।
পদ সংখ্যা: ১৮টি।
পদের নাম: সহকারী প্রকৌশলী (পুর)।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: যন্ত্রকৌশল বিষয়ে বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি।
বেতন: ৪৪,০০০-১০৫,৯০০ টাকা।
পদের নাম: সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা।
পদ সংখ্যা: ৩টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি।
পদের নাম: সহকারী নিরাপত্তা কর্মকর্তা।
বেতন: ৪৪,০০০-১০৫,৯০০ টাকা।
পদ সংখ্যা: ১২টি।
পদের নাম: সহকারী হিসাব কর্মকর্তা/সহকারী অর্থ কর্মকর্তা।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকসহ স্নাতকোত্তর বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানে ডিগ্রি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ে স্নাতকসহ স্নাতকোত্তর বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানে ডিগ্রি।
বেতন: ৩২,০০০-৭৭,৩০০ টাকা।
পদের নাম: সহকারী অপারেশন অফিসার।
পদ সংখ্যা: ১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: কম্পিউটার সায়েন্স বা কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বা ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বা ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিষয়ে বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং বা বিএসসিসহ এমএসসি বা বিএসসি (সম্মান) বা সমমানে ডিগ্রি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকসহ স্নাতকোত্তর বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানে ডিগ্রি।
পদের নাম: সহকারী বাণিজ্যিক কর্মকর্তা।
বেতন: ৩২,০০০-৭৭,৩০০ টাকা।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ে স্নাতকসহ স্নাতকোত্তর বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানে ডিগ্রি।
পদ সংখ্যা: ৩১টি।
পদের নাম: উপ-সহকারী রসায়নবিদ।
বেতন: ৩২,০০০-৭৭,৩০০ টাকা।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: রসায়ন বা ফলিত রসায়ন বিষয়ে বিএসসিসহ এমএসসি বা বিএসসি (সম্মান) বা সমমানে ডিগ্রি।
পদ সংখ্যা: ৩টি।
পদের নাম: উপ-সহ প্রকৌশলী (রসায়ন)।
বেতন: ৩২,০০০-৭৭,৩০০ টাকা।
পদ সংখ্যা: ১৯টি।
বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি।
বেতন: ৩২,০০০-৭৭,৩০০ টাকা।
পদের নাম: উপ-সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক)।
পদ সংখ্যা: ৪০টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: যন্ত্রকৌশল বিষয়ে ৪ (চার) বৎসর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি।
বেতন: ৩২,০০০-৭৭,৩০০ টাকা।
আবেদন পদ্ধতি: আগ্রহী প্রার্থীরা এখানে ক্লিক করে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
পদ সংখ্যা: ১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: কেমিকৌশল বিষয়ে ৪
বেতন: ৩২,০০০-৭৭,৩০০ টাকা।
পদ সংখ্যা: ৩টি।
বেতন: ৩২,০০০-৭৭,৩০০ টাকা।
আবেদনের শুরু সময়: ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০টা থেকে আবেদন করা যাবে।
আবেদনের শেষ সময়: ১২ নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।ঘড়ি কিনুন
সূত্র : বিজ্ঞপ্তি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ব্যর্থতাকে সাধারণত হতাশা ও পরাজয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত মনে করা হয়। সফল না হলে অনেকেই নতুনভাবে চেষ্টা করার সাহস হারিয়ে ফেলেন। তবে ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ এবং ব্যর্থতার পর পুনরায় উঠে দাঁড়ানোই সাফল্যের পথে এগিয়ে যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আজ ১৩ অক্টোবর আন্তর্জাতিক ব্যর্থতা দিবস পালিত হচ্ছে, যা ব্যর্থতাকে ভয় না পেয়ে তা থেকে শেখার গুরুত্বকে তুলে ধরে।
প্রতিবছর এই দিনে মানুষের কাছে ব্যর্থতাকে নতুনভাবে দেখার আহ্বান জানানো হয়। দিবসটির মূল উদ্দেশ্য হলো, ব্যর্থতাকে লজ্জা বা পরাজয়ের প্রতীক হিসেবে না দেখে শেখার, আত্মবিশ্বাস অর্জনের এবং নিজেকে উন্নত করার সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করা।
এ দিবসটি মানুষকে মনে করিয়ে দেয় যে, প্রতিটি চেষ্টা সফল না হলেও তা থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন করা সম্ভব। ভুলের কারণ বুঝতে পারলে পরবর্তী চেষ্টায় আরও ভালো করার সুযোগ তৈরি হয়। তাই ব্যর্থতার ভয় যেন নতুন কিছু শেখা বা উদ্যোগ নেওয়ার পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সেই বার্তাই দেওয়া হয় এ দিনে।
যেভাবে শুরু আন্তর্জাতিক ব্যর্থতা দিবস
২০১০ সালে ফিনল্যান্ডের আল্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে দিবসটির সূচনা হয়। সে সময় ফিনল্যান্ডে নতুন ব্যবসা ও উদ্যোগ শুরু করার ক্ষেত্রে ব্যর্থতার ভয় বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য শিক্ষার্থীরা ব্যর্থতাকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ এবং তা থেকে শিক্ষা নেওয়ার জন্য একটি বিশেষ দিবস পালনের প্রস্তাব দেন।
এরপর ধীরে ধীরে দিবসটির পরিচিতি বৃদ্ধি পেতে থাকে। ২০১২ সালের মধ্যে বিভিন্ন দেশে দিবসটি পালিত হতে শুরু করে। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানও এতে যুক্ত হয়। তাদের লক্ষ্য ছিল, ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করে নতুন উদ্যোগ, সৃজনশীলতা ও ঝুঁকি নেওয়ার সাহস বৃদ্ধি করা।
বর্তমানে প্রতি বছর ১৩ অক্টোবর আন্তর্জাতিক ব্যর্থতা দিবস পালিত হয়। এ দিবসের মাধ্যমে ব্যর্থতা নিয়ে সামাজিক নেতিবাচক ধারণা কমানো এবং সাফল্যের পথে ভুলের ভূমিকা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়।
যেভাবে পালন করা যায় দিবসটি
ব্যর্থতা দিবস পালনের একটি উপায় হলো নিজের ভুল বা ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া। কর্মক্ষেত্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা বন্ধুদের আড্ডায় এমন আলোচনা হতে পারে। এতে বোঝা যায়, ভুল করা কোনো অস্বাভাবিক বিষয় নয়; বরং তা থেকে শেখার সুযোগ রয়েছে।
এ দিনে নতুন কোনো কাজের চ্যালেঞ্জ নেওয়া যেতে পারে। যেমন, নতুন কোনো দক্ষতা শেখা, ছবি আঁকা কিংবা সহজ কোনো খেলা বা সৃজনশীল কাজের চেষ্টা করা। লক্ষ্য নিখুঁতভাবে কাজটি শেষ করা নয়, বরং চেষ্টা করার অভিজ্ঞতা অর্জন করা।
কর্মশালার আয়োজন করেও দিবসটি পালন করা যায়। সেখানে অংশগ্রহণকারীরা ভুলের ভয় ছাড়াই নতুন দক্ষতা শেখার সুযোগ পাবেন। একইভাবে এমন চলচ্চিত্র দেখা যেতে পারে, যেগুলো প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি। পরে সেগুলোর ব্যর্থতার কারণ ও সম্ভাব্য বিকল্প নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে।
ব্যর্থতা থেকে শেখার গুরুত্ব
ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা মানুষকে নিজের দুর্বলতা বুঝতে, ভুল সংশোধন করতে এবং নতুনভাবে পরিকল্পনা করতে সাহায্য করে। কোনো উদ্যোগ প্রত্যাশামতো সফল না হলে হতাশ হয়ে থেমে যাওয়ার বদলে কী শেখা গেল, তা খুঁজে বের করা জরুরি।
আন্তর্জাতিক ব্যর্থতা দিবসের মূল বার্তাও তাই—ব্যর্থতা জীবনের শেষ নয়। প্রতিটি চেষ্টা থেকে কিছু না কিছু শেখা যায়। সেই শিক্ষা কাজে লাগিয়ে আবার চেষ্টা করার মধ্য দিয়েই তৈরি হয় এগিয়ে যাওয়ার পথ।
সূত্র: ডেইজ অফ দ্য ইয়ার
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ