মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:৩৪ পি.এম
দুর্গাপূজার সময় যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার ঈদের ছুটির আদলে বিশেষ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। এর আওতায় নৌপথের টার্মিনাল ও ফেরিঘাটে বাড়তি নজরদারি, অতিরিক্ত ফেরি ও লঞ্চ প্রস্তুত রাখা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন এবং ৩৫টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সচিবালয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নিজ দপ্তরে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান এসব তথ্য জানিয়েছেন।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, পূজার ছুটিতে যাতে মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে স্বস্তিতে গ্রামের বাড়ি কিংবা পর্যটনকেন্দ্রে যাতায়াত করতে পারেন, সেই জন্য সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যাত্রাপথে ভোগান্তি কমানো এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
তিনি আরও জানান, এবারের পূজার ছুটি স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় দীর্ঘ হওয়ায় যাত্রী চলাচল বাড়তে পারে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা পূজা উদযাপনের জন্য বাড়ি যাওয়ার পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মের মানুষও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গ্রামে কিংবা বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে বেড়াতে যেতে পারেন। এই বিষয়টি মাথায় রেখে ঈদের ছুটির মতো বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়, পুলিশ প্রশাসন, জেলা প্রশাসন এবং পরিবহন সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় যাত্রীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
তিনি বলেন, সদরঘাটসহ দেশের বিভিন্ন নৌবন্দর ও টার্মিনাল ছুটি শুরুর আগেই প্রস্তুত রাখা হবে। পাটুরিয়াসহ দেশের ১২ থেকে ১৩টি চালু ফেরিঘাটে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। যাত্রী চাপ বৃদ্ধি পেলে ব্যবহারের জন্য অতিরিক্ত ফেরি ও লঞ্চ প্রস্তুত রাখা হবে, যাতে নিয়মিত পরিবহনের বাইরে বাড়তি যাত্রী ও যানবহন পারাপার করা যায়।
ছুটির সময় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বিভিন্ন নৌবন্দর ও ফেরিঘাটে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে মোতায়েন করা হবে। তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন এবং মন্ত্রণালয় থেকে তা সার্বক্ষণিক তদারকি করা হবে। স্থানীয় প্রশাসনও নিজ নিজ এলাকায় দায়িত্ব পালন করবে।
যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে ঢাকা, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
যানজট ও শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েনের কথা জানিয়ে রাজীব আহসান বলেন, ঈদের মতো এবারও প্রয়োজন অনুযায়ী পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব দেওয়া হবে। প্রয়োজনে বিজিবি ও আনসার সদস্যদেরও কাজে লাগানো হবে।
যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং ঘাট বা সড়কে কোনো জটিলতা তৈরি হলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে ২৫ থেকে ৩০ জন অতিরিক্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। সব মিলিয়ে মোট ৩৫টি মোবাইল কোর্ট প্রস্তুত রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ফেরিঘাটের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘাটগুলোতে নজরদারি বাড়াতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং অনুমতি ছাড়া বাস প্রবেশ রোধে স্থায়ী ব্যারিকেড নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া ফেরিতে ওঠানামার সময় যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাস থেকে যাত্রী নামানো এবং ফেরি থেকে বাস ওঠানামার নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে হঠাৎ ঝড় বা বৈরী আবহাওয়া তৈরি হতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আবহাওয়া অধিদপ্তরের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে নৌযান চলাচল ও যাত্রী নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সদরঘাটের ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, রাজধানীর জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত সড়ক যানজটমুক্ত রাখতে পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এ পথে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হলে দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলগামী সড়কপথের ওপর চাপ কিছুটা কমবে। দীর্ঘদিনের ব্যবস্থাপনাগত সমস্যা কাটিয়ে সদরঘাটকে আধুনিক বন্দর ব্যবস্থাপনার আওতায় আনার কাজ চলছে।
নৌপথের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, বড় লঞ্চে একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক যাত্রী পরিবহন সম্ভব। ঈদের সময় প্রতিদিন শতাধিক বড় লঞ্চ চলাচল করলেও স্বাভাবিক ছুটিতে এ সংখ্যা কম থাকে। তবে নৌপথের সক্ষমতা যথাযথভাবে কাজে লাগালে সড়কপথের ওপর থেকে যাত্রী চাপ কমানো সম্ভব হবে।
সবশেষে প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, সরকারের নেওয়া সমন্বিত প্রস্তুতির ফলে পূজার ছুটিতে মানুষ নিরাপদে ও স্বস্তিতে যাতায়াত করতে পারবেন। যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, প্রশাসন, পুলিশ ও পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ এ্যামেচার রেসলিং ফেডারেশনের উদ্যোগে সোমবার জাতীয় রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্মৃতি উন্মুক্ত কুস্তি প্রতিযোগিতা-২০২৬’ এ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ঢাকার পালোয়ান দল। রানার্স আপ হিসেবে স্থান পেয়েছে অদম্য বীর দল এবং ২য় রানার্স আপ হিসেবে দুর্বার যোদ্ধা দল নির্ধারিত হয়েছে।
প্রতিযোগিতার সমাপনীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: মাহবুব উল আলম।
এ সময় ফেডারেশনের সভাপতি মেজর জেনারেল আ স ম রিদওয়ানুল রহমান, সাধারণ সম্পাদক এম আর আলী ফাহিম, সিনিয়র সহ-সভাপতি হাসানুজ্জামান খান বাবলু, সহ-সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) মাজহারুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ কে এম আব্দুল মবিন ফাইটার এবং অন্যান্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে কুস্তি খেলার রেফারিদের মান উন্নয়নের উদ্দেশ্যে ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় ৯-১১ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত তিনদিন ব্যাপী জাতীয় রেসলিং রেফারি’স ট্রেনিং কোর্সে অংশগ্রহণকারীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন প্রধান অতিথি।
এই কোর্সে বিভিন্ন জেলা ও সংস্থা থেকে ২৭ জন পুরুষ এবং ৯ জন মহিলাসহ মোট ৩৬ জন রেফারি অংশগ্রহণ করেন। রেফারি’স ট্রেনিং কোর্স পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার প্রাপ্ত ক্রীড়াবিদ ও কোচ হাজী আশরাফ আলী, তামজীদ রহমান, মিজানুর রহমান (বাংলাদেশ পুলিশ) এবং মিজানুর রহমান (বিজিবি)।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন, যা শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে রয়েছে, সম্প্রতি একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। দেশের বিভিন্ন কারাখানায় শূন্য পদে লোকবল নিয়োগের জন্য এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। মোট ২৭৪ জনকে ১৯ ক্যাটাগরির শূন্য পদের জন্য নিয়োগ দেওয়া হবে। এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি গত ১১ অক্টোবর প্রকাশিত হয়।
পদের নাম: সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন)।
পদ সংখ্যা: ২২টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতকসহ স্নাতকোত্তর বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানে ডিগ্রি।
বেতন: ৪৪,০০০-১০৫,৯০০ টাকা
পদের নাম: নিরাপত্তা কর্মকর্তা।
পদ সংখ্যা: ৩টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতকসহ স্নাতকোত্তর বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানে ডিগ্রি।
বেতন: ৪৪,০০০-১০৫,৯০০ টাকা।
পদের নাম: হিসাব কর্মকর্তা/অর্থ কর্মকর্তা।
পদ সংখ্যা: ২৫টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিসাব বিজ্ঞান বা ফিন্যান্স বা অর্থনীতি বা পরিসংখ্যান বিষয়ে স্নাতকসহ স্নাতকোত্তর বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানে ডিগ্রি।
বেতন: ৪৪,০০০-১০৫,৯০০ টাকা।
পদের নাম: সহকারী প্রোগ্রামার।
পদ সংখ্যা: ৩টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: কম্পিউটার সায়েন্স বা কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বা ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বা ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিষয়ে বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং বা বিএসসি (সম্মান) বা সমমানে ডিগ্রি।
বেতন: ৪৪,০০০-১০৫,৯০০ টাকা।
পদের নাম: সহকারী ব্যবস্থাপক (ক্রয়)/সহকারী ব্যবস্থাপক (বিক্রয়)।
পদ সংখ্যা: ১৫টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ে স্নাতকসহ স্নাতকোত্তর বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানে ডিগ্রি।
বেতন: ৪৪,০০০-১০৫,৯০০ টাকা।
পদের নাম: সহকারী রসায়নবিদ।
পদ সংখ্যা: ৩১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: রসায়ন বা ফলিত রসায়ন বিষয়ে বিএসসিসহ এমএসসি বা বিএসসি (সম্মান) বা সমমানে ডিগ্রি।
বেতন: ৪৪,০০০-১০৫,৯০০ টাকা।
পদের নাম: সহকারী প্রকৌশলী (রসায়ন)।
পদ সংখ্যা: ৩১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিএসসি ইন কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি।
পদের নাম: সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ)।
বেতন: ৪৪,০০০-১০৫,৯০০ টাকা।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স বা ইলেকট্রিক্যাল বা ইলেকট্রনিক্স এন্ড কমিউনিকেশন বিষয়ে বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি।
পদ সংখ্যা: ১০টি।
পদের নাম: কারিগরী কর্মকর্তা।
বেতন: ৪৪,০০০-১০৫,৯০০ টাকা।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: পদার্থ বিজ্ঞান বা ফলিত পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে বিএসসি (স্নাতক) সহ এমএসসি বা বিএসসি (সম্মান) বা সমমানে ডিগ্রি।
পদ সংখ্যা: ৩টি।
পদের নাম: সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক)।
বেতন: ৪৪,০০০-১০৫,৯০০ টাকা।
পদ সংখ্যা: ১৮টি।
পদের নাম: সহকারী প্রকৌশলী (পুর)।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: যন্ত্রকৌশল বিষয়ে বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি।
বেতন: ৪৪,০০০-১০৫,৯০০ টাকা।
পদের নাম: সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা।
পদ সংখ্যা: ৩টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি।
পদের নাম: সহকারী নিরাপত্তা কর্মকর্তা।
বেতন: ৪৪,০০০-১০৫,৯০০ টাকা।
পদ সংখ্যা: ১২টি।
পদের নাম: সহকারী হিসাব কর্মকর্তা/সহকারী অর্থ কর্মকর্তা।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকসহ স্নাতকোত্তর বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানে ডিগ্রি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ে স্নাতকসহ স্নাতকোত্তর বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানে ডিগ্রি।
বেতন: ৩২,০০০-৭৭,৩০০ টাকা।
পদের নাম: সহকারী অপারেশন অফিসার।
পদ সংখ্যা: ১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: কম্পিউটার সায়েন্স বা কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বা ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বা ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিষয়ে বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং বা বিএসসিসহ এমএসসি বা বিএসসি (সম্মান) বা সমমানে ডিগ্রি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকসহ স্নাতকোত্তর বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানে ডিগ্রি।
পদের নাম: সহকারী বাণিজ্যিক কর্মকর্তা।
বেতন: ৩২,০০০-৭৭,৩০০ টাকা।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ে স্নাতকসহ স্নাতকোত্তর বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানে ডিগ্রি।
পদ সংখ্যা: ৩১টি।
পদের নাম: উপ-সহকারী রসায়নবিদ।
বেতন: ৩২,০০০-৭৭,৩০০ টাকা।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: রসায়ন বা ফলিত রসায়ন বিষয়ে বিএসসিসহ এমএসসি বা বিএসসি (সম্মান) বা সমমানে ডিগ্রি।
পদ সংখ্যা: ৩টি।
পদের নাম: উপ-সহ প্রকৌশলী (রসায়ন)।
বেতন: ৩২,০০০-৭৭,৩০০ টাকা।
পদ সংখ্যা: ১৯টি।
বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি।
বেতন: ৩২,০০০-৭৭,৩০০ টাকা।
পদের নাম: উপ-সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক)।
পদ সংখ্যা: ৪০টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: যন্ত্রকৌশল বিষয়ে ৪ (চার) বৎসর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি।
বেতন: ৩২,০০০-৭৭,৩০০ টাকা।
আবেদন পদ্ধতি: আগ্রহী প্রার্থীরা এখানে ক্লিক করে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
পদ সংখ্যা: ১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: কেমিকৌশল বিষয়ে ৪
বেতন: ৩২,০০০-৭৭,৩০০ টাকা।
পদ সংখ্যা: ৩টি।
বেতন: ৩২,০০০-৭৭,৩০০ টাকা।
আবেদনের শুরু সময়: ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০টা থেকে আবেদন করা যাবে।
আবেদনের শেষ সময়: ১২ নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।ঘড়ি কিনুন
সূত্র : বিজ্ঞপ্তি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ব্যর্থতাকে সাধারণত হতাশা ও পরাজয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত মনে করা হয়। সফল না হলে অনেকেই নতুনভাবে চেষ্টা করার সাহস হারিয়ে ফেলেন। তবে ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ এবং ব্যর্থতার পর পুনরায় উঠে দাঁড়ানোই সাফল্যের পথে এগিয়ে যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আজ ১৩ অক্টোবর আন্তর্জাতিক ব্যর্থতা দিবস পালিত হচ্ছে, যা ব্যর্থতাকে ভয় না পেয়ে তা থেকে শেখার গুরুত্বকে তুলে ধরে।
প্রতিবছর এই দিনে মানুষের কাছে ব্যর্থতাকে নতুনভাবে দেখার আহ্বান জানানো হয়। দিবসটির মূল উদ্দেশ্য হলো, ব্যর্থতাকে লজ্জা বা পরাজয়ের প্রতীক হিসেবে না দেখে শেখার, আত্মবিশ্বাস অর্জনের এবং নিজেকে উন্নত করার সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করা।
এ দিবসটি মানুষকে মনে করিয়ে দেয় যে, প্রতিটি চেষ্টা সফল না হলেও তা থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন করা সম্ভব। ভুলের কারণ বুঝতে পারলে পরবর্তী চেষ্টায় আরও ভালো করার সুযোগ তৈরি হয়। তাই ব্যর্থতার ভয় যেন নতুন কিছু শেখা বা উদ্যোগ নেওয়ার পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সেই বার্তাই দেওয়া হয় এ দিনে।
যেভাবে শুরু আন্তর্জাতিক ব্যর্থতা দিবস
২০১০ সালে ফিনল্যান্ডের আল্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে দিবসটির সূচনা হয়। সে সময় ফিনল্যান্ডে নতুন ব্যবসা ও উদ্যোগ শুরু করার ক্ষেত্রে ব্যর্থতার ভয় বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য শিক্ষার্থীরা ব্যর্থতাকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ এবং তা থেকে শিক্ষা নেওয়ার জন্য একটি বিশেষ দিবস পালনের প্রস্তাব দেন।
এরপর ধীরে ধীরে দিবসটির পরিচিতি বৃদ্ধি পেতে থাকে। ২০১২ সালের মধ্যে বিভিন্ন দেশে দিবসটি পালিত হতে শুরু করে। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানও এতে যুক্ত হয়। তাদের লক্ষ্য ছিল, ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করে নতুন উদ্যোগ, সৃজনশীলতা ও ঝুঁকি নেওয়ার সাহস বৃদ্ধি করা।
বর্তমানে প্রতি বছর ১৩ অক্টোবর আন্তর্জাতিক ব্যর্থতা দিবস পালিত হয়। এ দিবসের মাধ্যমে ব্যর্থতা নিয়ে সামাজিক নেতিবাচক ধারণা কমানো এবং সাফল্যের পথে ভুলের ভূমিকা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়।
যেভাবে পালন করা যায় দিবসটি
ব্যর্থতা দিবস পালনের একটি উপায় হলো নিজের ভুল বা ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া। কর্মক্ষেত্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা বন্ধুদের আড্ডায় এমন আলোচনা হতে পারে। এতে বোঝা যায়, ভুল করা কোনো অস্বাভাবিক বিষয় নয়; বরং তা থেকে শেখার সুযোগ রয়েছে।
এ দিনে নতুন কোনো কাজের চ্যালেঞ্জ নেওয়া যেতে পারে। যেমন, নতুন কোনো দক্ষতা শেখা, ছবি আঁকা কিংবা সহজ কোনো খেলা বা সৃজনশীল কাজের চেষ্টা করা। লক্ষ্য নিখুঁতভাবে কাজটি শেষ করা নয়, বরং চেষ্টা করার অভিজ্ঞতা অর্জন করা।
কর্মশালার আয়োজন করেও দিবসটি পালন করা যায়। সেখানে অংশগ্রহণকারীরা ভুলের ভয় ছাড়াই নতুন দক্ষতা শেখার সুযোগ পাবেন। একইভাবে এমন চলচ্চিত্র দেখা যেতে পারে, যেগুলো প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি। পরে সেগুলোর ব্যর্থতার কারণ ও সম্ভাব্য বিকল্প নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে।
ব্যর্থতা থেকে শেখার গুরুত্ব
ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা মানুষকে নিজের দুর্বলতা বুঝতে, ভুল সংশোধন করতে এবং নতুনভাবে পরিকল্পনা করতে সাহায্য করে। কোনো উদ্যোগ প্রত্যাশামতো সফল না হলে হতাশ হয়ে থেমে যাওয়ার বদলে কী শেখা গেল, তা খুঁজে বের করা জরুরি।
আন্তর্জাতিক ব্যর্থতা দিবসের মূল বার্তাও তাই—ব্যর্থতা জীবনের শেষ নয়। প্রতিটি চেষ্টা থেকে কিছু না কিছু শেখা যায়। সেই শিক্ষা কাজে লাগিয়ে আবার চেষ্টা করার মধ্য দিয়েই তৈরি হয় এগিয়ে যাওয়ার পথ।
সূত্র: ডেইজ অফ দ্য ইয়ার
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পঞ্চগড়ের মেঘমুক্ত আকাশে উঁকি দিতে শুরু করেছে হিমালয়ের দ্বিতীয় উচ্চতম ও পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘা। সময়ের সাথে পাহাড়ের রূপ পরিবর্তিত হচ্ছে। জেলা শহর এবং তেঁতুলিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ছবির মতো ভেসে উঠছে এ পর্বতশৃঙ্গটি। ফলে, পর্যটকদের ভিড় জমেছে এ জেলায়।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ভোর ৬টা থেকে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যাচ্ছে। তবে সবচেয়ে পরিষ্কার দৃশ্য দেখা যাচ্ছে তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো পিকনিক কর্নারের পাশে মহানন্দা নদীর তীর থেকে। প্রকৃতির এই অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভ্রমণপিপাসুরা তেঁতুলিয়ায় ছুটে আসছেন।
প্রতিবছর অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে আকাশ পরিষ্কার থাকলে পঞ্চগড় থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি। ভোরের আলো ফুটতেই দূর দিগন্তে বরফে ঢাকা পর্বতশৃঙ্গটি দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড় জমেছে। কেউ ক্যামেরায় ধারণ করছেন পাহাড়ের অপূর্ব দৃশ্য, আবার কেউ মুঠোফোনে ধরে রাখছেন স্মরণীয় মুহূর্ত।
সূর্যের আলোর সাথে বরফ আচ্ছাদিত এ পর্বত চূড়াটি কখনো শুভ্র, কখনো গোলাপী আবার কখনও লাল রঙে হাজির হয়। বেলা বাড়ার সাথে সাথে কিছুটা ঝাপসা হয়ে গেলে রঙ সাদা হয়ে যায়। স্থানীয়রা জানান, এ সৌন্দর্য উপভোগ করার মোক্ষম সময় ভোর, সকাল ও বিকেল।
কাঞ্চনজঙ্ঘার সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসা পর্যটকেরা মুগ্ধ। তাদের কাছে এই ভ্রমণ শুধুমাত্র পাহাড় দেখার অভিজ্ঞতা নয়, বরং প্রকৃতির সান্নিধ্যে কিছুটা সময় কাটানোর সুযোগও।
ঢাকা থেকে বন্ধুদের সঙ্গে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে আসা পর্যটক শিহাব বলেন, "আমরা বন্ধুরা মিলে এখানে এসেছি। আমাদের উদ্দেশ্য ছিল কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা। আলহামদুলিল্লাহ, আকাশ পরিষ্কার থাকায় কাঙ্ক্ষিত কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে পেয়েছি। আমরা অনেক খুশি।"
নওগাঁ থেকে বাইক নিয়ে ঘুরতে আসা সুমন বলেন, "আমরা সকালে বাইক নিয়ে বন্ধুরা তেঁতুলিয়ায় কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে এসেছি। তবে এখানে আসার সঙ্গে সঙ্গে ডাকবাংলো পিকনিক কর্নারের পাশে মহানন্দা নদীর তীর থেকে পর্বতটি দেখতে পেয়েছি। আমাদের এ যাত্রা সফল হয়েছে।"
ঢাকার নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম বলেন, "শুনেছি, অনেকেই কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে এসে হতাশ হয়ে ফিরে গেছেন। আলহামদুলillah, ভোরের দিকে আমরাও হতাশ হয়ে পড়েছিলাম। প্রথমে কিছুটা দেখা গেলেও পরে আবার মেঘ ও কুয়াশায় ঢেকে যায়। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আবারও কাঞ্চনজঙ্ঘার সৌন্দর্য দেখা যায়।"
চট্টগ্রাম থেকে ঘুরতে আসা হাসান হোসেন বলেন, "কিছুক্ষণের জন্য কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার সৌভাগ্য হয়েছে। যখন পর্বতটি লুকিয়ে যাচ্ছিল, তখন আমরা পৌঁছাতে পেরেছি। তাই কিছুক্ষণের জন্য দেখতে পেরেছি। সঙ্গে তেঁতুলিয়ার মানুষ অনেক আন্তরিক হওয়ায় বিষয়টি আরও ভালো লেগেছে।"
খুলনা থেকে ঘুরতে আসা মাহি হাসান বলেন, "ফেসবুক ও টিভিতে কাঞ্চনজঙ্ঘা অনেক দেখেছি। বাস্তবে এবারই প্রথম দেখার সুযোগ হলো। টিভির চেয়ে সরাসরি আরও সুন্দর।"
কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার পাশাপাশি পর্যটকেরা মহানন্দা নদীর তীর, বিস্তীর্ণ চা-বাগান ও সীমান্তঘেঁষা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখছেন। এতে তেঁতুলিয়ায় পর্যটকদের আনাগোনাও বাড়ছে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় বলেন, "আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার সুযোগ থাকে। আকাশ ও আবহাওয়া পরিষ্কার থাকায় আজ কাঞ্চনজঙ্ঘার সৌন্দর্য দেখা যাচ্ছে। তবে পর্যটকদের অবশ্যই আকাশের অবস্থা খেয়াল করে আসতে হবে। তাহলে কাঞ্চনজঙ্ঘার সৌন্দর্য উপভোগ করা সম্ভব হবে।"
পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভিন বলেন, "শীতের মৌসুমে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকেরা পঞ্চগড়ে বেড়াতে আসেন। একই সঙ্গে অনেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতেও আসেন। পর্যটকদের নির্বিঘ্নে ভ্রমণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এরইমধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ