মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:২৫ পি.এম
গাজীপুরের কাপাসিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে সরকারি কম্বল ও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে শীতার্তদের মাঝে। ২১ জানুয়ারি মঙ্গলবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে শীতবস্ত্র বিতরণের সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন কাপাসিয়া সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও বিআরডিবি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ সেলিম হোসেন আরজু।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কাপাসিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সহসাধারণ সম্পাদক এফ এম কামাল হোসেন, কাপাসিয়া সদর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জার্মান প্রবাসী মোঃ জিয়াউল হক জিয়া। ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম, ইউপি সদস্য আফজাল হোসেন সৈয়দ, বিএনপি নেতা মফিজ উদ্দিন, হাবিবুর রহমান হবু, কাজল, সবুজ, ইউপি সদস্য মেহেদী, কানন, চাঁন মিয়া প্রমুখও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলার কাপাসিয়া সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের প্রায় ২'শত শীতার্ত নারী-পুরুষের মধ্যে কম্বল ও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে নির্মাণাধীন বালিগাঁও সেতুটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। সেতু খোলার ফলে যাত্রী ও যানবাহন চালকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, সেতুটির প্রায় ৯৫ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে দু'পাশে রেলিং এবং সংযোগ সড়কের আনুষঙ্গিক কাজ চলছে। জনদুর্ভোগ এড়াতে সেতুটি চালু রেখে বাকি কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে।
লৌহজং-টঙ্গীবাড়ি উপজেলার পদ্মার শাখা নদীর ডহরি-তালতলা খালের উপর সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সঙ্গে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার (এনডিই) কোম্পানির চুক্তিতে গত ২০২২ সালের ৮ ডিসেম্বর সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়। কার্যাদেশে নির্মাণ কাজ সম্পন্নের সময়সীমা ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে নির্ধারণ করা হলেও তিন দফায় প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। সময়সীমা পরিবর্তন করে ২০২৪ সালের জুন এবং আগস্টের পর সেপ্টেম্বর করা হয়। এরপর আবারও মেয়াদ বাড়িয়ে ডিসেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত করা হয়েছে।
অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী, বালিগাঁও সেতুটি ২লেন বিশিষ্ট, যার দৈর্ঘ্য ৯৮ মিটার এবং প্রস্থ ১০ দশমিক ২৫ মিটার। মুন্সীগঞ্জের লৌহজং ও টঙ্গীবাড়ি উপজেলার শেষ সীমানা ডহরি-তালতলা খালের উপর টঙ্গীবাড়ী-লৌহজং উপজেলাকে যুক্ত করেছে এই সেতু। দুই উপজেলায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে এক প্যাকেজে তিনটি কংক্রিট সেতুর মধ্যে রয়েছে টঙ্গীবাড়ি উপজেলার ৪১ মিটার বলই সেতু, লৌহজং উপজেলার ৩৮ মিটার খেতেরপাড়া সেতু এবং ডহরি তালতলা খালের উপর নির্মাণাধীন ৯৮ মিটার বালিগাঁও সেতু। এই তিনটি সেতুর মধ্যে বলই সেতু ও খেতেরপাড়া সেতুর নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শতভাগ শেষ হয়ে গেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারতকে ৩২ রানে আটকে দেওয়ার পরও শেষ পর্যন্ত ২ রানে পরাজিত হয়েছে জাপান। বৃষ্টির কারণে বিঘ্নিত ম্যাচে জাপান ৫ ওভারে ৩ উইকেটে ৩০ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়। ফলে ভারত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পেরেছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জাপানের নিশিনে টস জিতে ভারত আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। বৃষ্টির কারণে ম্যাচটি ৫ ওভারে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ফল পেতে ন্যূনতম ৫ ওভার খেলা প্রয়োজন হওয়ায় আম্পায়াররা এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
শক্তির দিক থেকে এগিয়ে থাকা ভারতের বিপক্ষে শুরু থেকেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করে জাপানের স্পিনাররা। প্রথম ওভারেই ভারত জোড়া ধাক্কা খায়। ওভারের শেষ বলে কোন রান না করেই ফিরে যান অভিষেক শর্মা। তাকে আউট করেন চার্লি হারা হিনজে। পরের বলেই ৭ বলে ৯ রান করে ইবরাহিম তাকাহাশির শিকার হন সঞ্জু স্যামসন।
দেড় ওভার না পেরোতেই ভারত ৩ উইকেট হারায়। এরপর ৬ বলে ৩ রান করে ফেরেন ঈশান কিষাণ। তাকে আউট করেন বেনজামিন ইতো ডেভিস। অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও ১২ বলে ১৬ রানের বেশি করতে পারেননি। একটি চারে সাজানো তার ইনিংসেরও ইতি টানেন হিনজে।
৫ ওভার শেষে ৪ উইকেটে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় মাত্র ৩২ রান। ইনিংসে এসেছে দুটি চার, কিন্তু ছক্কা একটিও নেই। জাপানের স্পিনাররা পুরো ৫ ওভারই বল করেন। টার্নিং উইকেট ও কন্ডিশনের সুবিধা নিয়ে তারা ভারতীয় ব্যাটারদের চাপের মধ্যে রাখেন।
জবাবে ৩৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালোই করে জাপান। হাতে উইকেট থাকায় এক সময় ম্যাচ জয়ের সম্ভাবনাও তৈরি হয়। তবে ভারতের স্পিন আক্রমণের সামনে শেষ পর্যন্ত আর পেরে ওঠেনি স্বাগতিকরা।
নির্ধারিত ৫ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৩০ রানেই থামে জাপানের ইনিংস। ফলে ভারত মাত্র ২ রানে জয় পায়।
তবে অল্প রানের এই জয় ভারতের জন্য স্বস্তির চেয়ে সতর্কবার্তাই হয়ে থাকল। বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের ব্যাটিংয়ের এমন ভঙ্গুরতা সামনে এশিয়ান গেমসের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোর আগে নতুন করে ভাবনার কারণ হতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি কক্সবাজারে গেছেন উখিয়া ও টেকনাফের নাফ নদীসংলগ্ন পোল্ডারগুলোর পুনর্বাসন প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করতে। তিনি প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময়ও করেন। একই সময়ে, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদও দুই দিনের সরকারি সফরে কক্সবাজারে অবস্থান করছেন। তবে, তাদের সফরসূচি আলাদা।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে, পানিসম্পদমন্ত্রী আকাশপথে কক্সবাজারে পৌঁছান। সফরসূচির অংশ হিসেবে, তিনি উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার নাফ নদী বরাবর বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) বাস্তবায়নাধীন পোল্ডার পুনর্বাসন প্রকল্প এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। পরবর্তীতে, তিনি টেকনাফ উপজেলা পরিষদ হলরুমে প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।
মন্ত্রী যে প্রকল্পটি পরিদর্শন করেন, সেটি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পটির সরকারি নাম হলো ‘কক্সবাজার জেলার বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্ত নিরাপত্তা উন্নত করার জন্য উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় নাফ নদী বরাবর পোল্ডারসমূহের (৬৭/এ, ৬৭, ৬৭/বি এবং ৬৮) পুনর্বাসন প্রকল্প (২য় সংশোধিত)’।
এ প্রকল্পের আওতায় উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার নাফ নদীসংলগ্ন ৬৭/এ, ৬৭, ৬৭/বি ও ৬৮ নম্বর পোল্ডারের পুনর্বাসন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ মঙ্গলবার কক্সবাজারে পৌঁছান দুই দিনের সরকারি সফরে। সফরের প্রথম দিনে, তিনি উখিয়া ও টেকনাফের নাফ নদীসংলগ্ন একই পোল্ডার পুনর্বাসন প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয় প্রশাসন ও প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
সফরের দ্বিতীয় দিন বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর), প্রতিমন্ত্রী কুতুবদিয়া সফর করবেন। সেখানে তিনি ‘কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া উপজেলার পোল্ডার নং-৭১ এ সুপার ডাইক নির্মাণসহ টেকসই পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা (১ম পর্যায়)’ প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করবেন। প্রকল্পটির প্রথম পর্যায়ে প্রায় ৬ কিলোমিটার টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কুতুবদিয়া সফর শেষে, প্রতিমন্ত্রীর পেকুয়া উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে তিনি পোল্ডার নং-৬৪/২এ ও ৬৪/২বি-এর পুনর্বাসনসহ বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ও সেচব্যবস্থার উন্নয়নসংক্রান্ত প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করবেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে পর্যালোচনা সভায় অংশ নেবেন।
নাফ নদীসংলগ্ন উখিয়া-টেকনাফের পোল্ডারগুলো সীমান্তবর্তী ও উপকূলীয় জনপদের পানি ব্যবস্থাপনা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং জলোচ্ছ্বাসের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ। এসব পোল্ডারের পুনর্বাসন ও বেড়িবাঁধের স্থায়িত্ব বাড়ানোর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকার জনপদ ও কৃষিজমি সুরক্ষায় ভূমিকা রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পৃথক সফরে উখিয়া-টেকনাফের পোল্ডার পুনর্বাসন প্রকল্প এবং কুতুবদিয়া ও পেকুয়ার পানি উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তব অবস্থা ও চলমান কার্যক্রম পরিদর্শন করা হচ্ছে। পাশাপাশি বেড়িবাঁধের স্থায়িত্ব, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ও উপকূলীয় এলাকার পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সরকারি নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করলে রুট পারমিট বাতিল করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি জানান, এ ক্ষেত্রে জরিমানা আরোপের ব্যবস্থা থাকবে এবং ভবিষ্যতে রুট পারমিট প্রদান নিয়ে জবাবদিহি করতে হবে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।
নতুনভাবে নির্ধারিত বাস ভাড়ার প্রজ্ঞাপন আজই প্রকাশিত হবে জানিয়ে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, গেজেট হয়ে যাওয়ার অর্থ হলো এটি কার্যকর হয়ে যাবে। বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের কারণে এবং একটি অবধারিত পরিস্থিতির কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি করতে হয়েছে।
“জ্বালানির দাম বৃদ্ধির সাথে পরিবহন ভাড়া বাড়ানোর একটি যৌক্তিক দাবি থাকে। দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত একটি প্রক্রিয়া রয়েছে যে, জ্বালানির দাম যদি ১ টাকা বাড়ে, তাহলে ভাড়া বাড়ে ১ পয়সা এবং এটি সহনীয়।”
রবিউল আলম বলেন, এই সরকারের সময়ে পূর্বে লিটারপ্রতি জ্বালানি তেলের দাম ১৫ টাকা বেড়ে গেলে, তখন ভাড়া ১৫ পয়সা বাড়ানোর যৌক্তিক দাবি ছিল। ডলারের দাম বৃদ্ধির কারণে ব্যবস্থাপনার খরচ বেড়ে গেছে। এই বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার দাবি তাদের ছিল। মেইনটেনেন্স খরচ বেড়ে যাওয়ার পরও ভাড়া না বাড়ালে তাদের ক্ষতি হয়। গতবার আমরা ১১ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।
তিনি আরও বলেন, এবার লিটারপ্রতি ২০ টাকা বেড়েছে, ফলে প্রচলিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী ২০ পয়সা বাড়ানোর দাবি উঠেছে। তবে তারা এর নিচে মানতে চায়নি। তারা আরও দাবি জানিয়েছিল যে, মেইনটেনেন্স ব্যয়ও যেন আমরা এবার বিবেচনায় না নিই। তবে একটি সুসংবাদ হলো ২০ পয়সার পরিবর্তে ১৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বিবেচনায় অনেক কিছু রয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো পরিবহন সেক্টরের ব্যয় বেড়েছে, মেইনটেনেন্স ব্যয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে। ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে তারা প্রায় ২০ পয়সা দাবি করেছে। এ কথা অস্বীকার করা যাবে না, যাদের যানবাহন রয়েছে তারা জানেন যে এক্সেসরিজের দাম কত বেড়েছে। বিশ্বব্যাপী এই বৃদ্ধি ঘটেছে, বাংলাদেশেও তা ঘটেছে। সরকার সবসময় জনস্বার্থ বিবেচনা করে সমন্বয় করার চেষ্টা করেছে। ভাড়া কমাতে পারলে ভালো লাগতো।
অনেক স্থানে ইতোমধ্যে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, গতবার ১১ পয়সা বাড়ানো হয়েছিল, কার্যকর হয়েছে, তার চেয়ে বেশি কেউ নেননি। এবার ১৭ পয়সা বাড়ানো হয়েছে, এর ব্যত্যয় ঘটবে না এবং ঘটতে দেওয়া হবে না।
“বিচ্ছিন্নভাবে কিছু জায়গায় অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার প্রবণতা রয়েছে, তবে আমাদের দেশে পরিবহন সেক্টর সম্পূর্ণ সুশৃঙ্খল নয়, এটি মেনে চলা হয় না, তা স্বীকার করতে হবে,” যোগ করেন তিনি।
সড়ক পরিবহনমন্ত্রী আরও বলেন, “যদি কেউ নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি নেয়, তার রুট পারমিট বাতিল হবে, জরিমানা হবে এবং ভবিষ্যতে রুট পারমিট পাবে কি না, সেটি নিয়েও জবাবদিহি করতে হবে।”
এ প্রসঙ্গে রবিউল আরও বলেন, “আপনি জানলে খুশি হবেন, গতবার আমরা রেলের ভাড়া বাড়াইনি। এবারও এখন পর্যন্ত বাড়ানোর পরিকল্পনা করছি না।”
আগামী পরশু বৈঠকে বিষয়টি চূড়ান্ত হবে এবং ওই দিনই লঞ্চ মালিক সমিতির সঙ্গে লাঞ্চ ভাড়া নিয়ে আলোচনা হবে, জানান তিনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ