ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যুক্তরাষ্ট্রে গান গাইতে গিয়ে চরম হেনস্তার শিকার ইমন


যুক্তরাষ্ট্রে গান গাইতে গিয়ে চরম হেনস্তার শিকার ইমন

ভারতের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তী এবং তার দলের সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে হেনস্তার শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন। দুর্গাপূজার অনুষ্ঠানে অংশ নিতে নিউ জার্সি যাওয়ার পথে ডালাস বিমানবন্দরে আমেরিকান এয়ারলাইনসের কর্মীরা তাদের বিমানে উঠতে বাধা দেন বলে অভিযোগ করেছেন ইমন। এ সময় তাদের ধাক্কা দিয়ে বোর্ডিং গেট থেকে সরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি বাদ্যযন্ত্র ভাঙার দায়ও নিতে অস্বীকৃতি জানানো হয় বলে তিনি দাবি করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে ইমন চক্রবর্তী ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি জানান, নিউ জার্সির অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তারা নির্ধারিত সময়েই ডালাস বিমানবন্দরে পৌঁছান। তবে আমেরিকান এয়ারলাইনসের ফ্লাইটে ওঠার সময় তাদের বাধা দেওয়া হয়। প্রতিবাদ জানালে বিমান সংস্থার কর্মীরা দুর্ব্যবহার করেন এবং ধাক্কা দিয়ে বোর্ডিং গেট থেকে সরিয়ে দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ইমনের অভিযোগ, বিমান সংস্থার কর্মীরা তার দলের সদস্যদের পেশাদার বাদ্যযন্ত্রের নিরাপত্তা নিয়ে দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করেন। বাদ্যযন্ত্র ভেঙে গেলে এর দায়ভার বিমান সংস্থা নেবে না বলেও জানানো হয়।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

এই ঘটনার ফলে নির্ধারিত ফ্লাইটটি মিস করেন ইমন ও তার দলের সদস্যরা। পরে তাদের জানানো হয়, পরবর্তী ফ্লাইট দুপুর ১২টায়। তবে সেই ফ্লাইটে তাদের উঠতে দেওয়া হবে কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয় বলে জানান শিল্পী।

বিদেশে এমন অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইমন চক্রবর্তী। তার অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এ বিষয়ে আমেরিকান এয়ারলাইনসের কোনো বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বপ্নের নারীকে বিয়ে করতে ১২০০ মাইল পাড়ি, প্রেমিকা এআই জানালেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৫৮ পি.এম


স্বপ্নের নারীকে বিয়ে করতে ১২০০ মাইল পাড়ি, প্রেমিকা এআই জানালেন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের পর প্রেমের সূচনা ঘটে। ব্রাজিলের এক ব্যক্তি ১ হাজার ২০০ মাইলেরও বেশি পথ পাড়ি দিয়ে তার প্রেমিকাকে বিয়ে করার স্বপ্নে নিজের সব সম্পদ বিক্রি করেন। কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছানোর পর তিনি জানতে পারেন, তার স্বপ্নের নারী বাস্তবের কেউ নন। বরং, তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দ্বারা নির্মিত একটি কাল্পনিক চরিত্র।

নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ৪৯ বছর বয়সী এডিমার মার্টিন্স পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি। তিনি টিভি মিরান্তেকে জানান, ২০২০ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জেসিকা অলিভেইরা নামের একটি অ্যাকাউন্টের সঙ্গে তার পরিচয় ঘটে। দীর্ঘ সময় ধরে ওই অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যোগাযোগের ফলে তিনি বিশ্বাস করতে শুরু করেন, জেসিকাই তার কাঙ্ক্ষিত জীবনসঙ্গী।

গত ৯ অক্টোবর, মার্টিন্স উত্তর-পূর্ব ব্রাজিলের মারানহাও রাজ্যে নিজের সব ব্যক্তিগত জিনিসপত্র বিক্রি করে বাসভাড়ার টাকা জোগাড় করেন। এরপর প্রেমিকাকে খুঁজতে রওনা দেন দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় মিনাস জেরাইস রাজ্যের রাজধানী বেলো হরিজন্তের উদ্দেশে। সেখানে পৌঁছে ১১ অক্টোবর থেকে প্রেমিকার খোঁজ শুরু করেন তিনি।

কিন্তু অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও মার্টিন্স জেসিকার দেখা পাননি। একপর্যায়ে স্থানীয় একটি রেডিও স্টেশনে গেলে তাকে জানানো হয়, ওই নারীর বাস্তবে কোনো অস্তিত্ব নেই। পরে অর্থ ফুরিয়ে গেলে তিনি বেলো হরিজন্তে সিটি হলে গিয়ে এক সমাজকর্মীর কাছে নিজের পরিস্থিতি তুলে ধরেন। সেখান থেকে বাড়ি ফেরার জন্য সহায়তা পান তিনি।

মার্টিন্স জানান, একাকিত্ব থেকে মুক্তি পেতে এবং জীবনে একটি সম্পর্ক গড়ে তোলার আশায় তিনি এত দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে হতাশ হয়ে ফিরতে হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেসিকা অলিভেইরা নামের অ্যাকাউন্টটির অনুসারী ছিল প্রায় তিন লাখ। অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে এআই-নির্মিত নারী চরিত্রটিকে বলতে শোনা যায়, তিনি এমন একজন পুরুষ খুঁজছেন, যাকে নিজের খামারে নিয়ে গিয়ে আর্থিকভাবে দেখাশোনা করবেন।

তবে পরবর্তী সময়ে প্রকাশিত আরেকটি ভিডিওতে অ্যাকাউন্টটির পরিচালনাকারী স্বীকার করেন, জেসিকা আসলে এআই দিয়ে তৈরি একটি চরিত্র। মার্টিন্সের সঙ্গে তার কোনো সরাসরি যোগাযোগও হয়নি। পরিচালনাকারীর দাবি, বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে অনুসারীর সংখ্যা বাড়ানো এবং মানুষের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর জন্য অ্যাকাউন্টটি তৈরি করা হয়েছিল।

এদিকে এমন অভিজ্ঞতার পরও হাল ছাড়তে রাজি নন মার্টিন্স। বর্তমানে এক আত্মীয়ের সঙ্গে থাকা এই ব্যক্তি জানিয়েছেন, তিনি আবারও বেলো হরিজন্তে যাবেন। তবে এবার এআই-নির্মিত কোনো চরিত্রের নয়, বাস্তব জীবনে একজন সঙ্গীর খোঁজে সেখানে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন তিনি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খাদ্যপণ্যে নিষিদ্ধ টেক্সটাইল রং ও হাইড্রোজ মেশানোর ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৫৮ পি.এম


খাদ্যপণ্যে নিষিদ্ধ টেক্সটাইল রং ও হাইড্রোজ মেশানোর ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে

খাদ্যপণ্যে নিষিদ্ধ টেক্সটাইল রং ও হাইড্রোজের ব্যবহার জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। অভিযোগ উঠেছে যে, জিলাপি, মিষ্টি, বেকারি পণ্য, চানাচুর ও আইসক্রিমসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্যকে আকর্ষণীয় করতে অসাধু ব্যবসায়ীরা এসব রাসায়নিক ব্যবহার করছেন। জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বিভিন্ন বাজারে অভিযান চালিয়ে খাদ্যে ভেজাল রোধে অনিয়ম শনাক্ত করছে।

কাপড়ে ব্যবহৃত রঙে ক্ষতিকর রাসায়নিক যেমন সিসা ও ক্যাডমিয়ামের মতো ভারী ধাতু থাকতে পারে। শরীরে এসব উপাদান প্রবেশ করলে লিভার ও কিডনির ক্ষতি সহ নানা স্বাস্থ্যগত জটিলতা দেখা দিতে পারে। কিছু রাসায়নিক দীর্ঘমেয়াদে ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়াতে পারে, যা উদ্বেগজনক।

অন্যদিকে, হাইড্রোজ বা সোডিয়াম হাইড্রোসালফাইট একটি ব্লিচিং এজেন্ট হিসেবে পরিচিত, যা শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত হয়। খাদ্যে এর অনুপযুক্ত ব্যবহার ভোক্তাদের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। রাসায়নিকটির মাত্রা ও সংস্পর্শের ধরন অনুযায়ী শরীরে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর খাদ্যে ভেজাল ও নিষিদ্ধ রাসায়নিকের ব্যবহার বন্ধ করতে বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁ ও খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করছে। অনিয়মের জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে জরিমানা করার পাশাপাশি আইন অনুযায়ী অন্যান্য ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, খাদ্যে ক্ষতিকর রাসায়নিকের ব্যবহার বন্ধে নিয়মিত নজরদারি, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনি ব্যবস্থা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি অপরিহার্য। ভোক্তাদের অতিরিক্ত উজ্জ্বল রঙের খাবার কেনার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। খাদ্যে ভেজাল বা নিষিদ্ধ রাসায়নিক ব্যবহারের তথ্য পেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর আহ্বানও জানানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র জ্বালানি নিরাপত্তার নতুন মাইলফলক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:২১ পি.এম


রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র জ্বালানি নিরাপত্তার নতুন মাইলফলক

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব মো. আনোয়ার হোসেন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পথে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

তিনি বলেন, "দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ এবং তরুণ বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতায় গড়ে তুলতে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।"

রোববার (১৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা) আয়োজিত বেসিক প্রফেশনাল ট্রেনিং কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সচিব আরও জানান, "রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ক্রিটিক্যালিটি গত ১১ অক্টোবর সফলভাবে অর্জিত হয়েছে।" তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, শিগগিরই জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে কেন্দ্রটি দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, "পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি এর নিরাপদ পরিচালনা, নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।" এ জন্য, প্রাতিষ্ঠানিক ও পরিচালনাগত উভয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্কৃতি গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা তিনি উল্লেখ করেন।

সচিব প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে বলেন, "আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) বিশেষজ্ঞদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নিজেদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে হবে।" তিনি উল্লেখ করেন যে, এ প্রশিক্ষণ দেশের পারমাণবিক খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ ও টেকসই ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দক্ষতার প্রশংসা করে তিনি বলেন, "আইএইএসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশের ন্যায্য অবস্থান ও অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে।"

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মঈনুল ইসলাম আশা প্রকাশ করেন যে, প্রশিক্ষণার্থীরা এ কর্মসূচি থেকে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশে নিরাপদ, সুরক্ষিত ও টেকসই পারমাণবিক শক্তি কর্মসূচি গড়ে তুলতে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।

সভাপতির বক্তব্যে বায়েরা চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান আইএইএর প্রতিনিধিদের স্বাগত জানান এবং দেশের পারমাণবিক খাতের মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতার জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থাটিকে ধন্যবাদ জানান।

আইএইএ, বায়েরা, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (বায়েক) এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে চার সপ্তাহব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে আইএইএর চার কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞ রাহিলা হাম্মাদ, বেনোইট গ্যাব্রিয়েল, মেহমেত তোম্বাকোগল ও বারিস গুরনারসহ দেশীয় বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞরা প্রশিক্ষণ দেবেন।

এতে বায়েরা, বায়েক এবং নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) নবীন বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীসহ মোট ৪০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নিচ্ছেন। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

রোববার শুরু হওয়া এ বেসিক প্রফেশনাল ট্রেনিং কোর্সটি আগামী ১২ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিবাহবিচ্ছেদের পর মদে আসক্ত হয়ে পড়েন যুজবেন্দ্র চাহাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:২২ পি.এম


বিবাহবিচ্ছেদের পর মদে আসক্ত হয়ে পড়েন যুজবেন্দ্র চাহাল

বিবাহবিচ্ছেদের ধাক্কা, মানসিক অস্থিরতা ও উদ্বেগের কারণে ব্যক্তিগত জীবনের কঠিন সময় পার করতে গিয়ে মদ্যপানে আসক্ত হয়ে পড়েছিলেন ভারতের লেগ স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহাল। তবে, পরিবার ও বন্ধুদের সহায়তায় সেই আসক্তি কাটিয়ে এখন তিনি ভালো আছেন বলে জানিয়েছেন ৩৬ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার।

যুজবেন্দ্র চাহাল ব্যক্তিগত জীবনের এই কঠিন অধ্যায় পেরিয়ে আবারও নিজেকে গুছিয়ে নিয়েছেন। একসময় তাকে মানসিক চাপ ও প্যানিক অ্যাটাকের সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, নিজের সবচেয়ে প্রিয় ক্রিকেটকেই হারানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল তার মনে। শেষ পর্যন্ত জীবনযাপনে পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নেন এই ভারতীয় স্পিনার।

চাহালের মতে, এই সিদ্ধান্ত তার ব্যক্তিগত জীবন ও ক্রিকেটীয় পারফরম্যান্সে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। মানসিক পরিপক্বতা বেড়েছে এবং আবেগ নিয়ন্ত্রণেও এসেছে ভারসাম্য। গত আইপিএলে নিজের শারীরিক সক্ষমতা ফিরে পাওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

চাহাল বলেন, ‘সেই সিদ্ধান্ত আমার ব্যক্তিগত জীবনে বিশাল পরিবর্তন এনেছে। আমার পরিপক্বতা বেড়েছে। এখন আবেগের ওপর নিয়ন্ত্রণ অনেক বেশি। গত আইপিএলে আমার শরীরকে আবার ৩০ বছর বয়সের মতো মনে হয়েছে। জিম করেছি, ফিল্ডিংয়ের অনুশীলন করেছি এবং নিয়ম মেনে প্রশিক্ষণ নিয়েছি।’

চাহালের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১১ সালে আইপিএলে খেলার সময় থেকেই মদ্যপানের অভ্যাস শুরু হয় তার। তখন বয়স কম থাকায় পার্টি ও আড্ডা ছিল জীবনের অংশ। তবে সময়ের সঙ্গে সেই অভ্যাস বাড়তে থাকে। বিবাহবিচ্ছেদের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

এ প্রসঙ্গে চাহাল বলেন, শুরুর দিকে আমি তরুণ ছিলাম। পার্টি হতো। ২০১১ সালে প্রথম আইপিএল খেলি। দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটার এবি ডি ভিলিয়ার্স একবার আমাকে বলেছিলেন, জীবনে ভারসাম্যটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কথাটা শুনতে সহজ, কিন্তু বাস্তবে তা ধরে রাখা সহজ নয়।

বিবাহবিচ্ছেদের পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলেও জানিয়েছেন চাহাল। একপর্যায়ে তিনি বুঝতে পারেন, এভাবে চলতে থাকলে ক্রিকেট ক্যারিয়ারই হুমকির মুখে পড়তে পারে। এরপর মদ্যপানের অভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

চাহাল বলেন, ‘বিবাহবিচ্ছেদের পর বিষয়গুলো বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। মানসিক অবস্থাও খুব একটা ভালো ছিল না। একসময় বুঝতে পারি, এভাবে চলতে থাকলে যে জিনিসটাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি, সেই ক্রিকেটকেই ধ্বংস করে ফেলব। তাই আমি এসবের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিই। এখন আমি অনেক বেশি সুখী এবং ভালো অবস্থায় আছি।’

ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েনের পাশাপাশি জনপরিচিত ব্যক্তি হওয়ায় মানুষের সমালোচনাও সামলাতে হয়েছে চাহালকে। তার মতে, পরিচিত মুখ হওয়ার কারণে ব্যক্তিগত জীবনের নানা ঘটনা নিয়ে অন্যদের মন্তব্যের মুখোমুখি হতে হয়েছে তাকে। এসব পরিস্থিতি মানসিক চাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল।

চাহাল বলেন, ‘আপনি যখন একজন জনপরিচিত ব্যক্তি, তখন আপনার জীবনে যা কিছু ঘটে, তা নিয়েই মানুষ মন্তব্য করার সুযোগ পায়। আমার খারাপ লাগত, অনেক কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়েও যেতে হয়েছে।’

মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পেতে একপর্যায়ে সাবেক বিসিসিআই কোষাধ্যক্ষ অনিরুদ্ধ চৌধুরীর সঙ্গে কথা বলে বিরতি চেয়েছিলেন চাহাল। সেই কঠিন সময়ে অনিরুদ্ধের সহযোগিতাও পেয়েছেন বলে জানান তিনি। তবে উদ্বেগ ও প্যানিক অ্যাটাক তার জীবনে বড় প্রভাব ফেলতে শুরু করে।

নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে চাহাল বলেন, ‘আমি অনিরুদ্ধ স্যারের (চৌধুরী) সঙ্গে কথা বলে বিরতি চেয়েছিলাম। তিনি আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছেন। একসময় নিজেকেই প্রশ্ন করি, আর কত দিন এই বোঝা বয়ে বেড়াব? আমার জীবনে উদ্বেগ ও প্যানিক অ্যাটাক শুরু হয়।’

প্যানিক অ্যাটাকের সময় শারীরিকভাবেও অসুস্থ বোধ করতেন এই স্পিনার। বেড়ে যেত হৃদস্পন্দন, মুখের পেশিতে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিত, এমনকি কথা বলতেও সমস্যা হতো।

চাহাল বলেন, ‘উদ্বেগের সময় হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়। আমার ক্ষেত্রে প্যানিক অ্যাটাক হলে মুখটা কেমন যেন সংকুচিত হয়ে যেত। কথা বলতেও পারতাম না। ঠোঁট শক্ত হয়ে একদিকে টেনে যেত। ফলে মানুষ বুঝতে পারত, আমার সঙ্গে কিছু একটা সমস্যা হচ্ছে।’

ব্যক্তিগত জীবনের কঠিন সময় পেরিয়ে এখন নতুনভাবে এগিয়ে যেতে চান চাহাল। মানসিক সুস্থতা, শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবনযাপন ও ক্রিকেটের প্রতি মনোযোগ ফিরিয়ে এনে আবারও নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করছেন ভারতের এই লেগ স্পিনার।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%