০৬:৩১ পি.এম
ফেনীর দাগনভূঞায় মা-মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনায় দুজনের জন্য যাবজ্জীবন দণ্ড এবং একজনের জন্য ১০ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। রোববার (৫ জুলাই) বিকালে ফেনী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এন এম মোর্শেদ খান রায়টি ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে আছেন দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের দক্ষিণ বারাহীগুনী গ্রামের মনু কাজী বাড়ির জয়নাল আবেদীনের ছেলে সাইফুল ইসলাম, একই বাড়ির মৃত মাহমুদ আলীর ছেলে আজাদ এবং একই এলাকার জেলে বাড়ির প্রভাত কুমার দাসের ছেলে নিপু কুমার দাস। রায়ের সময় আসামি আজাদ এবং নিপু দাস আদালতে উপস্থিত ছিলেন, কিন্তু প্রধান আসামি সাইফুল পলাতক রয়েছেন।
সূত্র অনুযায়ী, দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের দক্ষিণ বারাহীগুনী গ্রামের নদী পাড়ে জেলে বাড়িতে ঘটনাটি ঘটেছিল। ২০১৮ সালের ৮ আগস্ট রাতে ওই বাড়িতে ঢুকে সাইফুল ইসলাম কয়েকজন সহযোগী নিয়ে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের ঘটনার সময় প্রতিবাদ করার কারণে ধর্ষিতার মাকে বাড়ি থেকে বের করে ব্রিজের উপর ধর্ষণ করা হয় আজাদ এবং নিপু দ্বারা। এই ঘটনার পর ১১ আগস্ট দাগনভূঞা থানায় ৩ জনকে আসামি করে মামলা করেছিলেন প্রবাসীর স্ত্রী। পরে দাগনভূঞা থানার এসআই আবদুর রহীম ২০১৯ সালের ২০ জানুয়ারি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
ফেনী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের পিপি এডভোকেট সাহাব উদ্দিন আহমেদ জানান, এই মামলায় আদালতে ৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। চলতি বছরের ২৪ মার্চ উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে রোববার রায়টি ঘোষণা করা হয়েছে। ঘটনাটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামি সাইফুল এবং নিপুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা জরিমানা, এবং আজাদকে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন