০৩:৩০ পি.এম
কক্সবাজারের ইনানী পাটুয়ারটেক টুপটুপ রিসোর্ট এন্ড রেস্টুরেন্টে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ জনের পোড়া মরদেহ বর্তমানে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে সংরক্ষিত রয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করেন।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার শোভক্তদীন আহমেদ সোহেল জানিয়েছেন, মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করার জন্য ডিএনএ টেস্টের উদ্দেশ্যে আলামত সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হবে।
আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য
এর আগে, শনিবার সকাল ৭টায় কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ইনানীতে ‘টুপটুপ রিসোর্টে’ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ১০ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দগ্ধ অবস্থায় ৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন— রাজধানী ঢাকার বনশ্রী এলাকার ইসরাত জাহান মালিহা (৩০) ও মিলিতা মেহজাবিন আলভী (২৩), খিলগাঁও এলাকার লায়লা জাহান নাবিলা (২৭) ও নাফিসতা মীম (২৭), এবং চুয়াডাঙ্গা জেলার ফারিহা কবির (৩৩) ও ফায়িজান আহমেদ (৫)।
এই ঘটনায় আহত ছয়জন হলেন— মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. শাহাব উদ্দিন (৩১), তার স্ত্রী ডা. নাফিজা নাওয়ার খান (২৯), মান্নান (৩৪), মেহেরুন্নেসা (৩০), মাসুদ (৩০) ও সামিদা (৩২)।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, টুপটুপ রিসোর্টে মোট ১৮ জন পর্যটক অবস্থান করছিলেন। এর মধ্যে ২ জন মর্নিং ওয়ার্কের জন্য হোটেল থেকে বের হয়ে যান, ফলে তারা বেঁচে যান।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
অন্যদিকে, এই ঘটনার অনুসন্ধানের জন্য জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এদিকে, ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, ‘টুপটুপ রিসোর্ট’-এর কাছে কোনো অগ্নিনিরাপত্তা লাইসেন্স ছিল না। গত জুন মাসেও তাদের ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য সতর্ক করা হয়েছিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন